বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৩১ অপরাহ্ন
উত্তর : সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য বক্তব্য হল- আরবী ভাষা ছাড়া অন্য ভাষাতেও নিকাহ ও ত্বালাক্ব শুদ্ধ হয় (ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-২০৯৫৫২)। শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘ত্বালাক্ব ও এই ধরনের অন্য বিষয়সমূহ সব ভাষাতেই সংঘটিত ও প্রমাণিত হয়, কারণ মূল বিষয় হল অর্থ ও উদ্দেশ্য’ (মাজমূ‘ঊল ফাতাওয়া, ১৫/৪৪৯ পৃ.)। ফক্বীহদের অধিকাংশের মত হল, ‘যে ব্যক্তি আরবী ভাষায় পারদর্শী নয়, তার জন্য নিজ ভাষায় বিবাহ সম্পাদন শুদ্ধ। কারণ সে অন্য কিছু করতে অক্ষম। সুতরাং সে বোবার মত গণ্য হয়। তবে তাকে এমন শব্দ ব্যবহার করতে হবে, যাতে আরবী নিকাহ শব্দের নির্দিষ্ট অর্থ বিদ্যমান থাকে...। আর যে ব্যক্তি আরবী ভাষায় নিকাহের শব্দ উচ্চারণ করতে সক্ষমÑ তার ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে। তবে শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (ﷺ)-এর মতে- তার নিকাহ আরবী ছাড়া অন্য ভাষাতেও সংঘটিত হবে, কারণ সে তার নিজ ভাষার নির্দিষ্ট শব্দ ব্যবহার করেছে, ফলে তাতে নিকাহ সংঘটিত হয়েছে, যেমন আরবী শব্দে হয়। তার কারণ হলো- অনারবী ভাষা যিনি বলেন, তিনি তা সঠিক উদ্দেশ্য ও ইচ্ছার সাথেই বলেন... অনুরূপভাবে হানাফী, শাফিঈ ও হাম্বালী মাযহাবের মতে- অনারবী ব্যক্তি যদি অনারবী ভাষায় স্পষ্ট ত্বালাক্বের শব্দ উচ্চারণ করে, তবে ত্বালাক্ব সংঘটিত হবে। আর যদি ইশারামূলক (কিনায়াহ) শব্দ ব্যবহার করে, তবে নিয়ত ছাড়া ত্বালাক্ব সংঘটিত হবে না (আল-মাওসূ‘আতুল ফিক্বহিয়্যাহ, ১১/১৭৫ পৃ.)।

শাইখ ইবনু উছাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘প্রচলিত রীতি অনুযায়ী যে কোন শব্দ দ্বারা যদি নিকাহ বোঝানো হয়, তবে সে শব্দেই বিবাহ করা জায়েয। সুতরাং মূলনীতি হল- সব ধরনের বিবাহ সেই শব্দের মাধ্যমেই সংঘটিত হবে, যা প্রচলিত রীতি অনুযায়ী তার অর্থ প্রকাশ করে; তা কুরআনে বর্ণিত শব্দ হোক বা অন্য কোন শব্দ হোক, নিকাহ হোক বা অন্য কোন চুক্তিই হোক। এটাই ছহীহ মত এবং এটিই শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (ﷺ)-এর পসন্দকৃত মত (আশ-শারহুল মুমতি‘, ১২/৩৮-৪০ পৃ.)।

দ্বিতীয়তঃ শাইখ মুহাম্মাদ ছালিহ আল-মুনাজ্জিদ (হাফিযাহুল্লাহ) বলেন, ‘স্বামীর উক্তিÑ ‘তোমাকে ডিভোর্স, তোমার চৌদ্দগুষ্টিকে ডিভোর্স’-এর দ্বারা এক ত্বালাক্ব সংঘটিত হবে। এখানে স্বামীর নিয়ত বা ইচ্ছা, উদ্দেশ্য ও মনোবাঞ্ছা বিবেচ্য নয়। কেননা সরাসরি বা স্পষ্ট শব্দে দেয়া ত্বালাক্বের জন্য নিয়তের প্রয়োজন হয় না। এমনকি যদি ধরে নেয়াও হয় যে, স্বামী তার স্ত্রীকে বলল, ‘আমি তোমাকে ত্বালাক্ব দিলাম’ অথচ সে মিথ্যা সংবাদ দেয়ার উদ্দেশ্যে বলেছে, তবুও ত্বালাক্ব কার্যকর হয়ে যাবে (ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-১০৪৮০৩)। ইমাম ইবনু কুদামা (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘যদি সে বলে, ‘আমি তাকে ত্বালাক্ব দিলাম’Ñ অথচ তার উদ্দেশ্য মিথ্যা বলা, তবুও ত্বালাক্ব সংঘটিত হয়ে যাবে। কারণ এখানে ত্বালাক্বের শব্দটি সুস্পষ্ট (ছারীহ), যা নিয়ত ছাড়াই কার্যকর হয়’ (আল-মুগনী, ৭/৩০৬ পৃ.)।

তৃতীয়তঃ সালাফে ছালিহীন, হাম্বালী মাযহাব, শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ (রাহিমাহুল্লাহ), ইমাম ইবনুল ক্বাইয়িম, ইমাম ছানা‘আনী, ইমাম শাওকানী, শাইখ ইবনু বায ও শাইখ ইবনু উছাইমীন (রাহিমাহুমুল্লাহ) বলেন, ‘এক মাজলিসে বা এক সঙ্গে তিন ত্বালাক্ব দিলে, মূলত তা এক ত্বালাক্ব হিসাবেই গণ্য হবে’ (মাজমূঊল ফাতাওয়া ইবনে তাইমিয়্যাহ, ৩৩/৭-১২; ই‘লামুল মুওয়াক্কক্বিঈন, ৩/৩৪; মাজমূঊ ফাতাওয়া ইবনু বায, ২১/৩০৫; ফাতাওয়া নূরুন ‘আলাদ র্দাব ইবনে বায, ২১/৪৭৭; তাফসীরুল উছাইমীন, ৩/১১৫ পৃ.)। এক বৈঠকে তিন ত্বালাক্ব দেয়ার বিষয়টি একটি গর্হিত অপরাধ ও জঘন্যতম কাজ। কুরআন ও ছহীহ হাদীছের আলোকে ইসলাম ধর্মে একই সঙ্গে তিন ত্বালাক্ব দেয়ার কোন বিধান নেই। যেমন আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, হে নবী! (আপনার উম্মতকে বলুন,) তোমরা যখন তোমাদের স্ত্রীদেরকে ত্বালাক্ব দিতে ইচ্ছা কর, তখন তাদেরকে ত্বালাক্ব দিয়ো ইদ্দতের প্রতি লক্ষ্য রেখে, আর ইদ্দতের হিসাব রেখো এবং তোমাদের প্রতিপালক আল্লাহকে ভয় কর, তোমরা তাদেরকে তাদের বাসগৃহ হতে বহিষ্কার কর না এবং তারা নিজেও যেন বের না হয়, যদি না তারা লিপ্ত হয় স্পষ্ট অশ্লীলতায়। এগুলো আল্লাহর নির্ধারিত সীমারেখা। আর যে আল্লাহর সীমালংঘন করে, সে নিজের উপরই অত্যাচার করে। তুমি জান না, হয়তো আল্লাহ এর পর কোন উপায় করে দেবেন’ (সূরা আত-ত্বালাক্ব : ১)।

আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলতেন, তুমি যদি এক বা দু’ ত্বালাক্ব দিতে, কারণ নবী (ﷺ) আমাকে এরকমই নির্দেশ দিয়েছেন। অন্য বর্ণনায় তিনি বলেন, আর যদি তুমি তাকে এক সঙ্গে তিন ত্বালাক্ব দিয়ে থাকো, তবে তোমার স্ত্রীকে ত্বালাক্ব দেয়ার ব্যাপারে তিনি তোমাকে যে আদেশ প্রদান করেছেন, সে ব্যাপারে তুমি তোমার প্রতিপালকের অবাধ্য হয়েছো (ছহীহ বুখারী, হা/৪৯০৮, ৫৩৩২; ছহীহ মুসলিম, হা/১৪৭১)। আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, রাসূল (ﷺ)-এর যুগে এবং আবু বাকর ছিদ্দীক্ব (ﷺ)-এর যুগে এবং উমার (ﷺ)-এর খিলাফাত কালের প্রথম দু’বছর পর্যন্ত তিন ত্বালাক্বকে এক ত্বালাক্ব হিসাবেই গণ্য করা হত। পরে উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বললেন, লোকেরা একটি বিষয়ে অতি ব্যস্ততা দেখিয়েছে যাতে তাদের জন্য ধৈর্যধারণের ও সুযোগ গ্রহণের অবকাশ ছিল। এখন যদি বিষয়টি তাদের জন্য কার্যকর সাব্যস্ত করে দিই..।

সুতরাং তিনি তা তাদের জন্য কার্যকারী করলেন (ছহীহ মুসলিম, হা/১৪৭২; আবূদাঊদ, হা/২২০০)। উল্লেখ্য, ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে শুরু করে উমার (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর যুগ পর্যন্ত তিন ত্বালাক্বকে এক ত্বালাক্ব গণনা করা হত। অতঃপর মানুষের মধ্যে ত্বালাক্ব প্রদানের প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় ধমকী স্বরূপ এক বৈঠকে প্রদত্ত তিন ত্বালাক্বকে তিন ত্বালাক্ব হিসাবেই গণ্য করার নির্দেশ জারি করা হয়, যা ছিল সম্পূর্ণ রাজনৈতিক ও সাময়িক বিষয় (সঊদী আরবের স্থায়ী ফাতাওয়া কমিটি, ২০/১৬৩-১৬৪; তাহ্তাবী হাশিয়াহ দুররে মুখতার, ৬/১১৫; জামিউর রূমুজ, ১/৫০২)।

সাঈদ ইবনু জুবাইর (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে বলতে শুনেছেন, কোন পুরুষ তার স্ত্রীকে নিজের জন্য হারাম ঘোষণা করলে তা কসম সাব্যস্ত হবে, তার কাফ্ফারা আদায় করবে। তিনি আরো বলেছেন, ‘তোমাদের জন্য রাসূল (ﷺ)-এর মধ্যে উত্তম আদর্শ রয়েছে’ (ছহীহ মুসলিম, হা/১৪৭৩; ছহীহ বুখারী, হা/৫২৬৬)। আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আবূ রুকানা তাঁর স্ত্রীকে একসঙ্গে তিন ত্বালাক্ব প্রদান করেন। অতঃপর তিনি চিন্তিত হয়ে পড়েন। সুতরাং নবী (ﷺ) তাঁর স্ত্রীকে ফিরিয়ে দিলেন এবং বললেন, ‘এটা এক ত্বালাক্ব’ (আবূ দাঊদ, হা/২১৯৬; আহমাদ, হা/২৩৭৮; মাজমূঊল ফাতাওয়া লিইবনি তাইমিয়্যাহ, ৩৩/৮৫ পৃ.)। অতএব উপরিউক্ত আলোচনা থেকে একথা দিবালোকের ন্যায় প্রতীয়মান হয় যে, এক মাজলিসে বা এক সঙ্গে তিন ত্বালাক্ব দিলেও, মূলত তা এক ত্বালাক্ব হিসাবেই গণ্য হবে।

চতুর্থতঃ ত্বালাক্ব দেয়ার পর ইদ্দতের অর্থাৎ তিন তুহুর বা তিন মাসের মধ্যে স্বামী তার স্ত্রীকে বিনা শর্তে (অর্থাৎ নতুন বিবাহ ও মোহরানা ছাড়াই) ফিরিয়ে নেয়ার পূর্ণ অধিকার রাখেন। যেমন আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, وَ بُعُوۡلَتُہُنَّ اَحَقُّ بِرَدِّہِنَّ فِیۡ ذٰلِکَ اِنۡ اَرَادُوۡۤا اِصۡلَاحًا ‘আর যদি তারা আপোষ-নিষ্পত্তি করতে চায় তবে ইদ্দতের মধ্যে তাদের স্বামীরা তাদেরকে ফিরিয়ে নেয়ার ব্যাপারে অধিক হকদার’ (সূরা আল-বাক্বারাহ : ২২৮)। উক্ত আয়াতের ব্যাখ্যায় ইমাম কুরতুবী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ত্বালাক্ব প্রদানের সঙ্গে সঙ্গেই বিবাহ বন্ধন ছিন্ন হয় না। বরং স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক ইদ্দত অর্থাৎ তিন মাস শেষ না হওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকে। ইদ্দতের মধ্যে ত্বালাক্ব প্রত্যাহার করলে পূর্বের বিয়েই অক্ষুণ্ন থাকে। ফিরিয়ে নেয়ার পদ্ধতি হল- মুখে ফিরিয়ে নেয়ার কথা উচ্চারণ করা। যেমন আমি তোমাকে ফিরিয়ে নিলাম অথবা স্ত্রী মিলন বা সহবাস করা (তাফসীরে কুরতুবী, সূরা আল-বাক্বারাহ এর ২২৮ নং আয়াতের ব্যাখ্যা, ইবনে কাছীর, ফাতহুল ক্বাদীর)।

ফিরিয়ে নেয়ার পদ্ধতি : মুখে ফিরিয়ে নেয়ার কথা উচ্চারণ করা। যেমন আমি তোমাকে ফিরিয়ে নিলাম অথবা স্ত্রী মিলন বা সহবাস করা। আর যদি ইদ্দতকাল অতিবাহিত হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে নতুন বিবাহ ও মোহরানা ধার্য করে ফিরিয়ে আনতে হবে। সালাফে ছালিহীনের মতানুযায়ী স্ত্রী খুলা‘ করলে তার ইদ্দত এক হায়িয বা এক মাস (নাসাঈ, হা/৩৪৯৭; তিরমিযী, হা/১১৮৫)‌। আর স্বামী তালাক্ব দিলে তার ইদ্দত তিন তুহুর বা তিন মাস। ইদ্দতকাল অতিবাহিত হয়ে যাওয়ার পর পুনরায় স্বামী-স্ত্রী এক হতে চাইলে, সেক্ষেত্রে ত্বালাক্বপ্রাপ্তা স্ত্রীকে নতুন বিবাহের মাধ্যমে ফিরিয়ে নেয়া জায়েয। এক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রীর সম্মতি, অভিভাবক এবং দু’জন সাক্ষীর উপস্থিতি এবং নতুন মোহরানা অপরিহার্য (আল-ইনছাফ, ৯/২০৪; তিরমিযী, ৩/৪৮৩; মাজমূঊল ফাতাওয়া ইবনু তাইমিয়্যাহ, ৩২/৩৪৪; ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়িমাহ, ২০/২৩৫-২৩৬; আশ-শারহুল মুমতি‘, ১২/৪৭১ পৃ.)।

হাসান (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, মা‘কীল ইবনু ইয়াসার (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর বোন এক ব্যক্তির বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ ছিল। সে তাকে ত্বালাক্ব দিয়েছিল। অতঃপর তাকে ফিরিয়ে না নিয়ে তার থেকে দূরে অবস্থান করতে থাকে, আর এভাবেই তার ইদ্দতকাল অতিবাহিত হয়ে গেল, পরক্ষণেই সে আবার তার কাছে বিয়ের প্রস্তাব পাঠাল। মা‘কীল (রাযিয়াল্লাহু আনহু) এতে খুবই রাগান্বিত হলেন এবং তিনি বললেন, সময় থাকতে ফিরিয়ে নিল না, এখন আবার প্রস্তাব পাঠাচ্ছে! তিনি বিয়ের ব্যাপারে তাদের মাঝে বাধা হয়ে দাঁড়ালেন। এরপর আল্লাহ তা‘আলা এ আয়াতটি অবতীর্ণ করেন, ‘আর তোমরা যখন স্ত্রীদেরকে ত্বালাক্ব দাও এবং তারা তাদের ‘ইদ্দতকাল পূর্ণ করে, অতঃপর তারা যদি বিধিমত পরস্পর সম্মত হয়, তাহলে স্ত্রীগণ নিজেদের স্বামীদেরকে পুনর্বিবাহ করতে চাইলে তাদেরকে বাধা দিও না’ (সূরা আল-বাক্বারা : ২৩২)। এরপর রাসূল (ﷺ) মা‘কীল (ﷺ)-কে ডাকলেন এবং তাঁর সম্মুখে আয়াতটি পাঠ করলেন। তিনি তার অহমিকা পরিত্যাগ করে আল্লাহর আদেশের আনুগত্য করেন (ছহীহ বুখারী, হা/৫৩৩১, ৪৫২৯, ৫১৩০; আবূ দাঊদ, হা/২০৮৭; তিরমিযী, হা/২৯৮১)।


প্রশ্নকারী : আব্দুল্লাহ, ঢাকা।




প্রশ্ন (২৯) : ‘তোমরা রাতের বেলায় রাস্তার মধ্যভাগে অবস্থান নেয়া থেকে সাবধান থাক। কেননা উহা হল, সাপ ও হিংস্র প্রাণীদের আশ্রয়স্থল’ মর্মে বর্ণিত হাদীছ কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : অনৈসলামিক উপন্যাসের বই বিক্রি করা কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : তাহাজ্জুদ বা তারাবীহর মত নফল ছালাতে কুরআন দেখে দেখে পড়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : রিযিক বৃদ্ধির কোন আমল আছে কি? কী কী উপায়ে রিযিক বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : ইসলামে হালাল ও হারাম কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : সমাজে মারা যাওয়ার পর মৃত ব্যক্তির চুল, নখ ইত্যাদি কাটার রেওয়াজ চালু রয়েছে। এটা কতটুকু শরী‘আতসম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : তাবলীগ জামাতের লোকেরা বলে, জীবনে অন্তত তিন চিল্লা দিতে হবে। এ সময় আহাল-পরিবার ছেড়ে যেতে হয়। এভাবে চিল্লা দেয়া কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : কিছু বক্তা বলছেন, অবুঝ বাচ্চাদের শরীরে তা‘বীয বেঁধে দেয়া যাবে। জনৈক ছাহাবী বাচ্চাদের তা‘বীয দিতেন। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : মসজিদে একই কাতারের বাম পাশ অপেক্ষা ডান পাশে বসা বা ছালাত আদায় করার মধ্যে বিশেষ কোন ফযীলত আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : আমি একটা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করি। চাকরির পাশাপাশি আমি অনলাইনে ট্রেডিং করি বিশেষ করে ফরেক্স ট্রেডিং (ব্রোকার এর মাধমে), ক্রিপটো ট্রেডিং (বাইনান্স এর মাধমে)। আমার পাশাপাশি অনেকেই এই কাজ করে। অনেকেই এটাকে হারাম বলে, আবার অনেকেই হালাল বলে। প্রশ্ন হল, ইসলামে এটা হালাল নাকি হারাম? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : বিজ্ঞান বলছে পৃথিবী গোলাকার বা বলের ন্যায়। এক্ষেত্রে কুরআন-হাদীছে কোন বক্তব্য এসেছে কি? এই বিষয়ে সালাফে ছালেহীন কী আক্বীদা পোষণ করতেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : অনেক সময় বাবা-মা ভুল বুঝে সন্তানকে বদ দু‘আ দেয়। অথচ সন্তান তেমন কোন অপরাধ করেনি। এতে কি সন্তানের কোন ক্ষতি হবে? আর যারা কথায় কথায় বদ দু‘আ কিংবা অভিশাপ দেয় তাদের বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ