রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:২০ পূর্বাহ্ন
উত্তর : নিঃসন্দেহে শরী‘আত। কারণ মানবরচিত সংবিধান কখনো হারামকে হালাল, হালালকে হারাম বা ফরযকে বাতিল করতে পারে। মানবরচিত আইন দ্বারা বিচার ব্যবস্থায় অসংখ্য হারাম ও অবৈধ জিনিসের পক্ষে রায় দিতে হয়। আদতে সেগুলো সরকার কর্তৃক আইনের দৃষ্টিতে অপরাধ না হলেও ইসলামের দৃষ্টিতে জঘন্যতম অপরাধ। যেমন অবৈধ প্রেম, ব্যভিচার, পরকিয়া, সমকামিতা, লিঙ্গ পরিবর্তন, মাদকতা, সূদী মুনাফার বিধান ইত্যাদি। মানবরচিত আইনে ইসলামী শাসনব্যবস্থাকে বাতিল করে ব্যভিচার ও মদ্যপানকে বৈধ করা হয়েছে। বরং এই বিচার ব্যবস্থার মাধ্যমে ইসলাম ও ইসলামপন্থীদেরকে প্রতিহত করা হয়। অথচ আল্লাহ তা‘আলা তাঁর কিতাবে ঘোষণা করেছেন, ‘হুকুম বা শাসনের মালিক একমাত্র তিনি এবং তিনিই হচ্ছেন সমুচ্চ মহান’ (সূরা আল-মুমিন : ১২)। পক্ষান্তরে অন্যকে তাঁর শাসনে অংশীদার করা থেকে নিষেধ করেছেন এবং জানিয়েছেন তাঁর চেয়ে উত্তম বিধানদাতা কেউ নেই। তিনি আরো বলেন, ‘আল্লাহ ছাড়া কারো বিধান দেয়ার অধিকার নেই। তিনি আদেশ দিয়েছেন যে, তিনি ব্যতীত অন্য কারও ইবাদত কর না। এটাই সরল পথ। কিন্তু অধিকাংশ লোক তা জানে না’ (সূরা ইউসুফ : ৪০)। আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেন, ‘আল্লাহ কি হুকুমদাতাদের শ্রেষ্ঠ নন?’ (সূরা আত-ত্বীন : ৮)। তিনি আরো বলেন, ‘বলুন, তারা কতকাল অবস্থান করেছে- তা আল্লাহই ভাল জানেন। নভোমণ্ডল ও ভূমণ্ডলের অদৃশ্যের জ্ঞান তাঁরই কাছে রয়েছে। তিনি কত চমৎকার দেখেন ও শোনেন! তিনি ব্যতীত তাদের জন্য কোন সাহায্যকারী নেই। তিনি নিজ হুকুমে কাউকে অংশীদার করান না’ (সূরা আল-কাহ্ফ : ২৬)। ঈমানদাররা সুদৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, আল্লাহর আইনের চেয়ে উত্তম কোন আইন নেই। আল্লাহর আইন বিরোধী সকল বিধান জাহিলী বিধান। যেমন তিনি বলেন, ‘তারা কি জাহিলিয়্যাতের হুকুম চায়? বিশ্বাসীদের জন্য আল্লাহর চেয়ে উত্তম হুকুমদাতা আর কে?’ (সূরা আল-মায়িদাহ : ৫০)।

আল্লাহ তা‘আলা সৃষ্টিকুলের স্রষ্টা। তিনি জানেন, কোন্ বিধান তাদের জন্য উপযুক্ত, কোন্ বিধান তাদের জন্য উপযুক্ত নয়। সব মানুষের বিবেক-বুদ্ধি, আচার-আচরণ ও অভ্যাস এক রকম নয়। নিজের জন্য কোন্টা উপযোগী মানুষ সেটাই তো জানে না, তাহলে অন্যের জন্য কোন্টা উপযুক্ত সেটা কী করে জানবে? এ কারণে যে দেশগুলোতে জনগণের প্রণীত আইনে শাসন চলছে, সে দেশগুলোতে বিশৃঙ্খলা, চারিত্রিক অবক্ষয়, সামাজিক বিপর্যয় ছাড়া আর কিছু দেখা যায় না।


প্রশ্নকারী : জুয়েল, উত্তরা, ঢাকা।





প্রশ্ন (৭) : টার্কী মুরগীর গোশত খাওয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : কুরআন তেলাওয়াত করার সময় মসজিদে আযান শুরু হয়। সে ক্ষেত্রে কোনটি উত্তম হবে তেলাওয়াত চালিয়ে যাওয়া, না-কি আযানের জবাব দেয়া? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : হিজড়ারা জিনের সন্তান। এ দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : বৃদ্ধ অসুস্থ ব্যক্তি ছিয়াম পালন করতে না পারলে করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : নেশাজাতীয় দ্রব্য ভক্ষণকারীকে সালাম দেয়া যাবে কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৫) : বিভিন্ন দল ও গ্রুপের মধ্যে যে মতভেদ বিরাজমান সেক্ষেত্রে একজন মুসলিমের অবস্থান কী হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪): গরীব-মিসকীন ছাড়া ক্বুরআনে উল্লেখিত আট শ্রেণীর অন্যদের মাঝে কি ফিতরা বণ্টন করা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : যে ব্যক্তি সূর্যাস্তের পর ইফতার করল, অতঃপর বিমান উড্ডয়নের পর সূর্য দেখতে পেল। তার জন্য করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : ছালাতে ‘জালসায়ে ইস্তিরাহা’ করার বিধান কী? রাসূল (ﷺ) কি এটি সবসময় করতেন? কিছু আলেম বলছেন যে, রাসূল (ﷺ) যখন বৃদ্ধ হন তখন তিনি বয়সের ভারে সিজদাহ হতে দাঁড়াতে না পেরে একটু বসে তারপর হাতের উপর ভর করে উঠতেন। আবার কিছু বলছেন, রাসূল (ﷺ) এটি সবসময় করতেন। এক্ষণে এ বিষয়ে সঠিক ফায়ছালা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : মুনাজাতের পর মুখে হাত মাসাহ করা কি বৈধ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : যে ব্যক্তি প্রত্যেক জুম‘আর দিন আমার উপর ৪০ বার দরূদ পাঠ করবে, আল্লাহ তার ৪০ বছরের পাপ ক্ষমা করে দিবেন। আর যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দরূদ পাঠ করবে তার পক্ষ থেকে তা গ্রহণযোগ্য হবে এবং তার ৮০ বছরের পাপ আল্লাহ মাফ করে দিবেন (তাযকিরাতুল মাওযূ‘আত, পৃ. ৯০)। বর্ণনাটি কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : কোন ব্যক্তির কাছে টাকা না থাকায় ২০ টাকা রিকশা ভাড়া দেয়া সম্ভব না হওয়ায় পরে দেয়ার কথা বলে চলে যায়। তারপরে মাঝে মাঝেই ঐ রিকশায় যাতায়াত করা হয়েছে। কিন্তু সে টাকাটার কথা ভুলেও গেছে। একদিন মনে পড়ায় রিকশাওয়ালাকে ২০ টাকার জায়গায় ৪০ টাকা দেয়। ২০ টাকার পরিবর্তে ৪০ টাকা দেয়া কি সূদ হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ