রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০২:৫৩ অপরাহ্ন
উত্তর : বর্তমানে উপহার প্রদানের প্রচলনটি ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। এটা শরী‘আত সম্মত নয়। কারণ এই দাওয়াতে ধনীদের দাওয়াত দেয়া হয় দামী উপহারের আশায়। আর গরীবদের বঞ্চিত করা হয়। এটা শরী‘আতে নিষিদ্ধ। রাসূল (ﷺ) বলেন, ‘নিকৃষ্ট আহার হল ওয়ালীমার ঐ আহার, যাতে কেবল ধনীদের দাওয়াত দেয়া হয় এবং গরীবদের বাদ দেয়া হয়’ (ছহীহ বুখারী, হা/৫১৭৭; ছহীহ মুসলিম, হা/১৪৩২)। অতএব দামী উপহারের আশায় শুধু ধনীদের দাওয়াত দেয়া নিষিদ্ধ। ওয়ালীমাকে ব্যবসার অনুষ্ঠানে পরিণত করা যাবে না। যেখানে চেয়ার টেবিল নিয়ে উপহার গ্রহণ ও নিবন্ধনের আয়োজন করা হয়, তা ভিক্ষাবৃত্তি ছাড়া কিছুই নয়। তবে আনন্দচিত্তে খুশি উপলক্ষে উপহার দেয়া বৈধ। উপহার বিনিময়ে পারস্পরিক ভালোবাসা বৃদ্ধি পায়। রাসূল (ﷺ) বলেন, ‘তোমরা হাদিয়া বিনিময় করো ও ভালোবাসা বৃদ্ধি করো’ (ছহীহুল জামি’, হা/৩০০৪)।

সুতরাং কোনরূপ শর্ত, শ্রুতি ও প্রদর্শনী ছাড়াই হাদিয়া দেয়া বা গ্রহণ করা মোটেও দোষনীয় নয়। শাইখ মুহাম্মাদ ছালিহ আল-মুনাজ্জিদ (হাফিযাহুল্লাহ) বলেন, ‘অনেক দেশে মানুষের প্রচলিত রীতি অনুযায়ী খুশির উপলক্ষে- যেমন কারো বিয়ে হলে, কারো ঘরে সন্তান জন্মালে, কিংবা এ ধরনের অন্য কোন আনন্দঘন অনুষ্ঠানে উপহার প্রদান করা হয়; এতে কোন দোষ নেই; বরং এটি একটি ভালো কাজ। কারণ এতে আর্থিক সহমর্মিতা প্রকাশ পায় এবং এমন সব উপলক্ষে অন্যদের সাহায্য করা হয়, যেখানে সাধারণত ব্যয়ের পরিমাণ বেশি হওয়ার কারণে অর্থের প্রয়োজন বেশি হয় (ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-১৪২৩১৭)। তাই আত্মীয়-স্বজন আনন্দচিত্তে কিছু উপহার দিলে তা গ্রহণ করা জায়েয ও উত্তম। উল্লেখ্য যে, বন্ধুত্বের খাতিরে কিছু চেয়ে নিলে তাতেও কোন সমস্যা নেই (ছহীহ বুখারী, হা/১২৭৭)। এমনকি অভাবী ব্যক্তির ওয়ালীমাকে সহজ করার জন্য সাহায্য করা মুস্তাহাব। রাসূল (ﷺ)-এর ওয়ালীমায় সাহায্য করার উদ্দেশ্যে রান্না করা গোস্ত-রুটি হাদিয়া স্বরূপ পাঠানো হয়েছিল এবং তিনি সবাইকে ডেকে তা খাইয়েছিলেন (ছহীহ বুখারী, হা/৫১৬৩)।


প্রশ্নকারী : তানভীর আহমাদ, মোমেনশাহী সেনানিবাস।





প্রশ্ন (৫) : ‘যে ব্যক্তি কোন হাজীকে চল্লিশ কদম এগিয়ে দিবে, অতঃপর আলিঙ্গন  করে তাকে বিদায় করবে, উভয়ে পৃথক হওয়ার পূর্বেই আল্লাহ তার গোনাহ মাফ করে দিবেন’ বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : মুবাহালার বিধান কী? এটা কি শুধু রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জন্য খাছ ছিল? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : অমুসলিম ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণ করলে সে কিভাবে পবিত্রতা অর্জন করবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : নবী করীম (ﷺ) বলেন, ‘জ্বরকে মন্দ বল না। কারণ জ্বর গুনাহসমূহকে অনুরূপ দূর করে, যেভাবে হাপর লোহার মরিচা দূর করে’। হাদীছটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : বাড়ীর মধ্যে কুকুর বাচ্চা জন্ম দিয়েছে। বাচ্চা সহ কুকুরকে বের করে দিতে হবে, না-কি বাড়ীতে থাকলে কোন সমস্যা হবে। এ ব্যাপারে শরী‘আতের বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৯) : জনৈক বক্তা বলেন, যে বান্দা রামাযানের ছিয়াম পালন করে তার সাথে প্রত্যেক দিন তাঁবুতে সুরক্ষিত হুরদের মধ্য হতে একজনকে বিবাহ দিয়ে দেন। প্রত্যেক স্ত্রীর সাথে ৭০টি দামী কাপড় থাকবে। প্রত্যেকটির রং হবে পৃথক পৃথক। তাকে ৭০ প্রকারের সুগন্ধিযুক্ত রং দেয়া হবে। এক রঙের সাথে অন্য রঙ মিলবে না। প্রত্যেকেই বসে থাকবে হীরার খাটে, যাতে মুক্তা দ্বারা বিন্যস্ত করা থাকবে ৭০টি বিছানা, যার আস্তর থাকবে রেশমের। ৭০টি বিছানার উপর থাকবে ৭০টি পালঙ্ক। প্রত্যের স্ত্রীর জন্য থাকবে ৭০ জন্য সেবিকা, যারা তার সেবা করবে। আর ৭০ জন সেবিকা থাকবে তার সাথে মুলাক্বাতের জন্য। আর প্রত্যেক সহচরের সাথে থাকবে অনেক সম্ভ্রান্ত সাথী। জান্নাতে স্বর্ণের পাত্র থাকবে তাতে বিভিন্ন রঙের খাবার থাকবে। প্রথম যে স্বাদ পাওয়া যাবে শেষেও সে স্বাদ পাওয়া যাবে। আর তার স্বামীকেও অনুরূপ লাল হীরার খাট দেয়া হবে, যার উপর দু’টি স্বর্ণের বালা থাকবে, যা বিন্যস্ত থাকবে লাল হীরা দ্বারা। এটা রামাযানের প্রত্যেক দিন ছিয়াম পালনকারীর জন্য, অন্য নেক আমলের জন্য নয় (ত্বাবারাণী, আল-মু‘জামুল কাবীর হা/৯৬৭)। উক্ত বর্ণনা কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : হিন্দুদের পূজা উপলক্ষে ফার্নিচার, মাইক, সিসি ক্যামেরা, গাড়ি ইত্যাদি ভাড়া দেয়া জায়েয আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : পাপ কাজের জন্য কি মানুষ রিযিক থেকে বঞ্চিত হয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১): ইসলামী রাষ্ট্রে বা ইসলামী (এনজিও) সংস্থার অধীনে যে সমস্ত ওয়াক্বফের সম্পত্তি একত্রিত হয়, পরবর্তীতে ওই সম্পত্তি থেকে বিনিয়োগ করা হলে তাতে কি যাকাত ওয়াজিব হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : মাইয়েতকে কবর দেয়ার সময় কবরের চার পাশে চারটি খেজুরের ডাল পোঁতা হয় এবং চার কুল পড়া হয়। এর কোন দলীল আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : ছিয়াম পালনকারীর রক্ত পরীক্ষা ও স্বেচ্ছায় রক্তদান করতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪২) : সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার জন্য ভ্রু প্লাক (pluck) করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ