রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৫:০৩ অপরাহ্ন
উত্তর : আপনার মা এবং ঐ ব্যক্তির মধ্যে যে ‘ভাবী-ভাই’ সম্পর্ক, তা কেবল একটি সামাজিক সম্বোধন। শরী‘আতের দৃষ্টিতে তিনি আপনার মায়ের জন্য গাইরে মাহরাম। অর্থাৎ তার সাথে দেখা করা ও মেলামেশা হারাম। গাইরে মাহরামের সাথে একাকী বা ঘনিষ্ঠ পরিবেশে অবাধ মেলামেশা ও দীর্ঘ সময় ধরে আলাপ করা কঠোরভাবে হারাম। এটা ফিতনার মূল কারণ। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একাকী মেলামেশা থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দিয়েছেন, لَا يَخْلُوَنَّ رَجُلٌ بِامْرَأَةٍ إِلَّا كَانَ ثَالِثَهُمَا الشَّيْطَانُ ‘কোন পুরুষ যেন কোন নারীর সাথে নির্জন না হয়, কেননা শয়তান তাদের তৃতীয়জন হয়ে যায়’ (তিরমিযী, হা/১১৭২)। ঘণ্টার পর ঘণ্টা সামনাসামনি কথা বলা সেই নির্জনতারই একটি রূপ, যা শয়তানকে কুমন্ত্রণা দেয়ার সুযোগ করে দেয়।

আপনার মা-বাবার মধ্যে অন্যায় দেখলে সন্তান হিসাবে আপনার কর্তব্য হলো সর্বোচ্চ আদব ও বিনয়ের সাথে তা সংশোধনের চেষ্টা করা। মাকে সরাসরি অভিযুক্ত না করে, শান্ত ও বিনয়ী সুরে শরী‘আতের বিধানটি অবহিত করুন। বলুন যে, এই মেলামেশা আপনার জন্য বৈধ নয়। বিশেষ করে ফিতনা এবং শয়তানের কুমন্ত্রণা সংক্রান্ত হাদীছটির প্রতি তাঁর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারেন। যদি বোঝানোর পরও পরিবর্তন না আসে, তবে ফিতনা এড়ানোর জন্য কৌশলী হন: বিষয়টি পরিবারের প্রধান হিসাবে আপনার বাবার সাথে সম্মানজনকভাবে আলোচনা করুন, যাতে তিনি হস্তক্ষেপ করতে পারেন। যখনই ঐ ব্যক্তি বাড়িতে আসেন, আপনি নিজে সেখানে উপস্থিত থেকে একা আলাপ করার পরিবেশটি ভেঙে দিন। পারিবারিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ঐ ব্যক্তির আগমন ও অবস্থানের সময়কে সংক্ষিপ্ত করে দিন। সর্বোপরি, আল্লাহ তা‘আলার কাছে আন্তরিকভাবে দু‘আ করুন যেন তিনি আপনার মা ও পরিবারকে শয়তানের ফিতনা থেকে রক্ষা করেন এবং সঠিক পথে অবিচল রাখেন।


প্রশ্নকারী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, সাতক্ষীরা।





প্রশ্ন (১৬) : প্রত্যেক ফরয ছালাতের পর সূরা আল-ইখলাছ তিনবার করে পড়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : তিন ব্যক্তির দু‘আ কবুল হয় না; যে তার চরিত্রহীনা স্ত্রীকে ত্বালাক্ব দেয় না, যে ঋণ প্রদান করে সাক্ষী রাখে না এবং যে মূর্খ বা বুদ্ধিহীন ব্যক্তি (অপচয়কারী)-এর হাতে অর্থ প্রদান করে। উক্ত হাদীছ কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : আমার স্ত্রী ২০২২ এর মার্চ মাসে সন্তান প্রসব করেন, সে জন্য এপ্রিলে ছিয়াম রাখতে পারেননি। পরের বছর সন্তানের বয়স কম থাকায় এবং বাচ্চা যথেষ্ট বুকের দুধ পাবে না, এই জন্য ২০২৩ এর ছিয়াম ও রাখেননি বা রাখতে পারেননি। এমতাবস্থায় আবার সে কনসেপ করে এবং এই রামাযানের (২০২৪) পরেই ডেলিভারি সম্ভব্য সময়। সে জন্য এই বছরের (২০২৪) ছিয়াম রাখতেও পারবে না। তাহলে তার মোট ৩ বারের ছিয়াম ক্বাযা হচ্ছে। এই অবস্থায় শারঈ বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩১) : কুরআন মাজীদের অনেক জায়গাতে আল্লাহ তা‘আলা নিজেকে আমরা (বহুবচন) শব্দ ব্যবহার করেছেন। এর ব্যাখ্যা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : কিছু মানুষ হারাম কাজে লিপ্ত। যেমন- দাড়ি মুণ্ডন করা, ধূমপান করা, হারামের সাথে জড়িত থাকা ইত্যাদি। যদি এগুলো বর্জন করতে বলা হয় তখন সে বলে, ঈমান ঠিক আছে। দাড়ি লম্বা করা, ধুমপান বর্জন করাই শুধু ঈমান নয়। এ ধরনের লোকের পরিণাম কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১): মানহাজ কাকে বলে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : হাদীছে কুদসীর পরিচয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : আর্থিকভাবে স্বচ্ছল এমন ইমাম তারাবীহ পড়িয়ে হাদিয়া নিতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যখন আল্লাহ তা‘আলা যমীন সৃষ্টি করলেন তখন তা দুলতে লাগল। অতঃপর পাহাড়গুলো সৃষ্টি করে সেগুলো পৃথিবীর উপর স্থীর করেন। অতঃপর পৃথিবী স্থীর হয়ে গেল। ফেরেশতাগণ পাহাড়ের এ শক্তি দেখে আশ্চর্যান্বিত হলেন এবং বললেন, হে আল্লাহ! আপনার সৃষ্টির মধ্যে পাহাড় অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী আর কোন সৃষ্টি আছে কি? আল্লাহ বললেন, হ্যাঁ; আর সেটা লোহা। অতঃপর তারা জিজ্ঞেস করল, হে প্রভু! আপনার সৃষ্টির মধ্যে লোহা অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী আর কোন সৃষ্টি আছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ, আগুন। অতঃপর তারা জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহ! আপনার সৃষ্টির মধ্যে আগুন অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী আর কোন সৃষ্টি আছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ; পানি। অতঃপর তারা জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহ! আপনার সৃষ্টির মধ্যে পানি অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী আর কোন সৃষ্টি আছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ; বাতাস। অতঃপর তারা জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহ! আপনার সৃষ্টির মধ্যে বাতাস অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী আর কোন সৃষ্টি আছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ; আদম সন্তান। যে তার ডান হাতে দান করে আর দানকে বাম হাত হতে গোপন রাখে। এ ঘটনাটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : আম বা যেকোন ফলের গাছ ২/৫ বছরের চুক্তিতে অগ্রিম বিক্রি করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : কেউ না জেনে বিদ‘আতী প্রতিষ্ঠানে বা বিদ‘আতী কাজে দান করলে করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : যদি কোন মুসলিম বলে, এটা কুরআনে বলা হয়েছে, অথচ সেটা কুরআনে বলা হয়নি, তাহলে সে কি মুসলিম থাকবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ