উত্তর : যদি কারো অধিকার বা সম্পদকে অনৈতিকভাবে গ্রহণ করা হয়, তখন আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইবার পাশাপাশি, সেই ক্ষতি পূরণ করতে হবে। যদি সম্ভব হয় সরাসরি টাকা ফেরত দেয়া, সেটাই উত্তম। যদি আর্থিকভাবে দেয়া সম্ভব না হয়, তবে ক্ষতিপূরণের জন্য দান করা যায়। অর্থাৎ, সেই ব্যক্তির জন্য দান করা, তাদের জন্য ক্ষতিপূরণ হিসাবে গণ্য হবে। হাদীছে এসেছে, ‘যে ব্যক্তি মৃত্যুর আগে অন্যের অধিকার ফিরিয়ে দেয়, তার পূর্বের সমস্ত পাপ মাফ করা হয়’ (ইবনু মাজাহ, হা/২৭০৪)। যদি ফাঁকি দেয়া অর্থ বা জুয়ায় হারানো অর্থের সমপরিমাণ সম্পদ আল্লাহর পথে দান করা হয়, তাহলে এটি পাপ শোধের একটি মাধ্যম হতে পারে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘তোমরা যা কিছু দান করো, আল্লাহ তার প্রতিদান দেবেন; তিনি সেরা রিযিকদাতা’ (সূরা আছ-ছাফফাত : ৩৯)। তবে মনে রাখতে হবে, সত্যিকার তাওবা ও দানের সঙ্গে সতর্কতা ও পাপ থেকে দূরে থাকা গুরুত্বপূর্ণ। নবী (ﷺ) বলেছেন, ‘ইস্তেগফার গুনাহ মিটিয়ে দেয়’ (ছহীহ মুসলিম, হা/২৭১৩)। ইমাম ইবনু তাইমিয়া (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন, ‘যদি যার হক নেয়া হয়েছে তাকে পাওয়া না যায়, তাহলে তার পক্ষ থেকে ছাদাক্বাহ করে দিতে হবে; এতে আশা করা যায় আল্লাহ তা কবুল করবেন’ (মাজমূঊল ফাতাওয়া, ২৯/৩২১ পৃ.)।
প্রশ্নকারী : মুজাহিদুল ইসলাম, দেবহাটা, সাতক্ষীরা।