বৃহস্পতিবার, ২৩ Jul ২০২৬, ১২:৩২ পূর্বাহ্ন
উত্তর : এক্ষেত্রে কর্তব্য হল (১) বিভিন্ন উপায়ে সরকারকে নছীহত করা (মুসনাদে আহমাদ, হা/৮৭৮৫; আল-আদাবুল মুফরাদ, হা/৪৪২) এবং
(২) সকল প্রকার বৈধ পন্থায় প্রতিবাদ জানানো। রাসূল (ﷺ) বলেন, তোমাদের উপরে ভালো ও মন্দ দু’ধরনের শাসক আসবে। যে ব্যক্তি তাদের অন্যায়ের প্রতিবাদ করবে সে দায়িত্বমুক্ত হবে। যে ব্যক্তি তাকে অপসন্দ করবে, সে নিরাপত্তা লাভ করবে। কিন্তু যে ব্যক্তি তার উপর রাযী থাকবে ও তার অনুসারী হবে (সে গোনাহগার হবে)’ (ছহীহ মুসলিম, হা/১৮৫৪; মিশকাত, হা/৩৬৭১)।
(৩) সরকারের হেদায়াতের জন্য দু‘আ করা। রাসূল (ﷺ) দাওস কওমের হেদায়াতের জন্য দু‘আ করেছিলেন (ছহীহ বুখারী, হা/২৯৩৭; ছহীহ মুসলিম, হা/২৫২৪; মিশকাত হা/৫৯৯৬)।
(৪) সরকারের বিরুদ্ধে আল্লাহর নিকটে কুনূতে নাযেলাহ পাঠ করা। ৭০ জন ছাহাবীকে শঠতার মাধ্যমে হত্যাকারী রে‘ল ও যাকওয়ান গোত্রদ্বয়ের বিরুদ্ধে রাসূল (ﷺ) মাসব্যাপী কুনূতে নাযেলাহ পাঠ করেছিলেন (ছহীহ বুখারী, হা/৪০৯৬; মিশকাত হা/১২৮৯)।

সরকারের সুস্পষ্ট কুফরী প্রমাণিত হলে, শাসকের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করা যাবে (ছহীহ মুসলিম, হা/১৭০৯; মিশকাত হা/৩৬৬৬)। তবে উক্ত বিদ্রোহ কল্যাণকর হবে কি-না, সে বিষয়ে অবশ্যই দেশের নির্ভরযোগ্য বিজ্ঞ ওলামায়ে কেরাম পরামর্শ করে ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন এবং মুসলিম নাগরিকগণ তাদের অনুসরণ করবেন। বিদ্রোহ করায় কল্যাণের চেয়ে যদি অকল্যাণ হওয়ার সম্ভাবনা বেশী থাকে, তাহলে বিদ্রোহ করা যাবে না। বরং ধৈর্যধারণ করতে হবে, যতক্ষণ না আল্লাহর পক্ষ থেকে কোন ফয়ছালা নাযিল হয় (সূরা আল-বাক্বারাহ : ১০৯;  সূরা আত-তওবাহ : ২৪)। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, শাসকের নিকট থেকে কেউ অপসন্দনীয় কিছু দেখলে যেন সে ধৈর্যধারণ করে (ছহীহ বুখারী, হা/৭২০২, ৭২০৪; ছহীহ মুসলিম, হা/১৮৬৭; মিশকাত হা/৩৬৬৭)। তিনি বলেন, এমতাবস্থায় তাদের হক তাদের দাও এবং তোমাদের হক আল্লাহর কাছে চাও’ (ছহীহ বুখারী, হা/৭০৫২; মিশকাত হা/৩৬৭২)। ‘কেননা তাদের পাপ তাদের উপর এবং তোমাদের পাপ তোমাদের উপর বর্তাবে’ (ছহীহ মুসলিম, হা/১৮৪৬; মিশকাত হা/৩৬৭৩)। তিনি বলেন, তোমরা তাদের হক দিয়ে দাও। কেননা আল্লাহ শাসকদেরকেই জিজ্ঞেস করবেন তাদের শাসন সম্পর্কে (ছহীহ বুখারী, হা/৩৪৫৫; ছহীহ মুসলিম, হা/১৮৪২; মিশকাত হা/৩৬৭৫)।


প্রশ্নকারী : আবুল হোসেন, রাজশাহী।




প্রশ্ন (৮) : বালতিতে বা আবদ্ধ পাত্রে নাপাক কাপড় ধৌত করলে তা কীভাবে পবিত্র করতে হবে? অনেকে বলে ৩ বার ধৌত করলেই তা পবিত্র হয়ে যাবে। এ কথা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৫) : মসজিদে বিয়ে পড়ানোর কি কোন ফযীলত আছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : বন্দকী জমি চাষাবাদ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩): ‘সূরা যিলযাল নেকীর দিক দিয়ে কুরআনের অর্ধেকের সমান’ (তিরমিযী, হা/২৮৯৪; মিশকাত, হা/২১৫৬) মর্মে বর্ণিত হাদীছটি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : ‘আপনাকে প্রেরণের উদ্দেশ্য না হলে আমি বিশ্বমণ্ডল সৃষ্টি করতাম না’ মর্মে প্রচলিত বর্ণনাট কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪৫) : ইসলামী শরী‘আতে ‘উকীল বাবা’-এর কোন বিধান আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : জেহরী ছালাতে ইমাম আমীন বলতে ভুলে গেলে বা ইচ্ছাকৃতভাবে না বললে মুক্তাদীগণের আমীন বলতে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : ভিসা প্রসেসিং ব্যবসা কি জায়েয? এ বিষয়ে আলেমদের বক্তব্য কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : ‘যে তার চক্ষুদ্বয়কে ভালোবাসে সে যেন আছরের পরে না লেখে’ প্রচলিত ধারণা কি হাদীছসম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : আমি যদি আওয়াল ওয়াক্তে একাকী ছালাত আদায় করি, তাহলে কি জামা‘আতের নেকী থেকে বঞ্চিত হব? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : আমার এলাকার বাসিন্দারা মাযহাবের অনুসারী এবং তারা খুবই কট্টরপন্থী। বাপ-দাদার আমলকেই তারা ইসলাম মনে করে। কুরআন-হাদীছ অনুযায়ী আমল করার কথা বললে তারা ফিতনা মনে করে। তারা বুঝে না বুঝতেও চায় না; বরং হাসি-ঠাট্টা, গালাগালি করে এবং নানা যুক্তি দেখিয়ে ছহীহ হাদীছ অস্বীকার করে। এক্ষণে গ্রামবাসীকে কিভাবে বুঝানো যাবে? এভাবে শরী‘আতকে অস্বীকার করলে তার বিধান কী হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩১) : ‘শীতকাল মুমিনদের জন্য বসন্তকাল’ কথাটি কি সত্য? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ