বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩২ পূর্বাহ্ন
উত্তর : এক্ষেত্রে কর্তব্য হল (১) বিভিন্ন উপায়ে সরকারকে নছীহত করা (মুসনাদে আহমাদ, হা/৮৭৮৫; আল-আদাবুল মুফরাদ, হা/৪৪২) এবং
(২) সকল প্রকার বৈধ পন্থায় প্রতিবাদ জানানো। রাসূল (ﷺ) বলেন, তোমাদের উপরে ভালো ও মন্দ দু’ধরনের শাসক আসবে। যে ব্যক্তি তাদের অন্যায়ের প্রতিবাদ করবে সে দায়িত্বমুক্ত হবে। যে ব্যক্তি তাকে অপসন্দ করবে, সে নিরাপত্তা লাভ করবে। কিন্তু যে ব্যক্তি তার উপর রাযী থাকবে ও তার অনুসারী হবে (সে গোনাহগার হবে)’ (ছহীহ মুসলিম, হা/১৮৫৪; মিশকাত, হা/৩৬৭১)।
(৩) সরকারের হেদায়াতের জন্য দু‘আ করা। রাসূল (ﷺ) দাওস কওমের হেদায়াতের জন্য দু‘আ করেছিলেন (ছহীহ বুখারী, হা/২৯৩৭; ছহীহ মুসলিম, হা/২৫২৪; মিশকাত হা/৫৯৯৬)।
(৪) সরকারের বিরুদ্ধে আল্লাহর নিকটে কুনূতে নাযেলাহ পাঠ করা। ৭০ জন ছাহাবীকে শঠতার মাধ্যমে হত্যাকারী রে‘ল ও যাকওয়ান গোত্রদ্বয়ের বিরুদ্ধে রাসূল (ﷺ) মাসব্যাপী কুনূতে নাযেলাহ পাঠ করেছিলেন (ছহীহ বুখারী, হা/৪০৯৬; মিশকাত হা/১২৮৯)।

সরকারের সুস্পষ্ট কুফরী প্রমাণিত হলে, শাসকের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করা যাবে (ছহীহ মুসলিম, হা/১৭০৯; মিশকাত হা/৩৬৬৬)। তবে উক্ত বিদ্রোহ কল্যাণকর হবে কি-না, সে বিষয়ে অবশ্যই দেশের নির্ভরযোগ্য বিজ্ঞ ওলামায়ে কেরাম পরামর্শ করে ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন এবং মুসলিম নাগরিকগণ তাদের অনুসরণ করবেন। বিদ্রোহ করায় কল্যাণের চেয়ে যদি অকল্যাণ হওয়ার সম্ভাবনা বেশী থাকে, তাহলে বিদ্রোহ করা যাবে না। বরং ধৈর্যধারণ করতে হবে, যতক্ষণ না আল্লাহর পক্ষ থেকে কোন ফয়ছালা নাযিল হয় (সূরা আল-বাক্বারাহ : ১০৯;  সূরা আত-তওবাহ : ২৪)। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, শাসকের নিকট থেকে কেউ অপসন্দনীয় কিছু দেখলে যেন সে ধৈর্যধারণ করে (ছহীহ বুখারী, হা/৭২০২, ৭২০৪; ছহীহ মুসলিম, হা/১৮৬৭; মিশকাত হা/৩৬৬৭)। তিনি বলেন, এমতাবস্থায় তাদের হক তাদের দাও এবং তোমাদের হক আল্লাহর কাছে চাও’ (ছহীহ বুখারী, হা/৭০৫২; মিশকাত হা/৩৬৭২)। ‘কেননা তাদের পাপ তাদের উপর এবং তোমাদের পাপ তোমাদের উপর বর্তাবে’ (ছহীহ মুসলিম, হা/১৮৪৬; মিশকাত হা/৩৬৭৩)। তিনি বলেন, তোমরা তাদের হক দিয়ে দাও। কেননা আল্লাহ শাসকদেরকেই জিজ্ঞেস করবেন তাদের শাসন সম্পর্কে (ছহীহ বুখারী, হা/৩৪৫৫; ছহীহ মুসলিম, হা/১৮৪২; মিশকাত হা/৩৬৭৫)।


প্রশ্নকারী : আবুল হোসেন, রাজশাহী।




প্রশ্ন (১৩) : প্রয়োজনে কথা বলার সময় বেগানা নারী চেহারা দিকে তাকানো যাবে? তাকানো না গেলে অনেক সময় পিছন দিক থেকে ডাক দিলে কে ডাকছে দেখার জন্য তাকাতে হয়Ñ এটা কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : একই ঈদগাহ মাঠে একাধিক ঈদের জামা‘আত করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : যে সব প্রতিষ্ঠানে নিজেকে সূদের হিসাব করতে হয়, সে সব প্রতিষ্ঠানে চাকুরি করে উপার্জিত অর্থ হালাল হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : কবিরাজের উপর বিশ্বাস রাখা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : আদম এবং হাওয়া (আলাইহিমাস সালাম)-এর বিয়ে কে পড়িয়েছেন এবং তাদের বিয়ের মোহর কত ছিল? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : মদীনা কামারের হাপরের ন্যায়। মদীনা মরিচা (দুষ্ট লোক) বিদূরিত করে এবং ভালকে আরও উজ্জ্বল করে (ছহীহ বুখারী, হা/৬৭৮৫)। উক্ত হাদীছে ব্যাখ্যা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : আমার বাবা ছোট কাল থেকে এক বাড়িতে দত্তক পুত্র হিসাবে থাকে, তাদের সব ধরনের দেখাশুনা করে এবং তাদের যেকোন আর্থিক প্রয়োজনে সাহায্য করে। এখন তারা তাদের ওয়ারিছদের কিছু সম্পত্তি দিয়ে বাকীগুলো আমার বাবাকে লিখে দিয়েছে। প্রশ্ন হল- আমার বাবার পক্ষে এই সম্পত্তি গ্রহণ করা কি জায়েয হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : বার্ধক্যের কারণে মাঝে মধ্যে ফোঁটা ফোঁটা পেশাব পড়ে। এমতাবস্থায় ছালাত হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : লেখাযুক্ত গেঞ্জি বা জার্সি পরে ছালাত পড়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : দাদার আগে যদি ছেলে মারা যায়, তাহলে নাতিরা কোন সম্পত্তির ভাগ পাবে কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : কেউ যদি দুনিয়াবী স্বার্থের কারণে নিজ পিতা-মাতাকে অস্বীকার করে অন্য কাউকে বাবা-মা বলে স্বীকার করে তাহলে তার শাস্তি কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : কোর্টের মাধ্যমে স্ত্রী স্বামীকে ত্বালাক্ব দিতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ