বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:২৪ পূর্বাহ্ন
উত্তর : এক্ষেত্রে কর্তব্য হল (১) বিভিন্ন উপায়ে সরকারকে নছীহত করা (মুসনাদে আহমাদ, হা/৮৭৮৫; আল-আদাবুল মুফরাদ, হা/৪৪২) এবং
(২) সকল প্রকার বৈধ পন্থায় প্রতিবাদ জানানো। রাসূল (ﷺ) বলেন, তোমাদের উপরে ভালো ও মন্দ দু’ধরনের শাসক আসবে। যে ব্যক্তি তাদের অন্যায়ের প্রতিবাদ করবে সে দায়িত্বমুক্ত হবে। যে ব্যক্তি তাকে অপসন্দ করবে, সে নিরাপত্তা লাভ করবে। কিন্তু যে ব্যক্তি তার উপর রাযী থাকবে ও তার অনুসারী হবে (সে গোনাহগার হবে)’ (ছহীহ মুসলিম, হা/১৮৫৪; মিশকাত, হা/৩৬৭১)।
(৩) সরকারের হেদায়াতের জন্য দু‘আ করা। রাসূল (ﷺ) দাওস কওমের হেদায়াতের জন্য দু‘আ করেছিলেন (ছহীহ বুখারী, হা/২৯৩৭; ছহীহ মুসলিম, হা/২৫২৪; মিশকাত হা/৫৯৯৬)।
(৪) সরকারের বিরুদ্ধে আল্লাহর নিকটে কুনূতে নাযেলাহ পাঠ করা। ৭০ জন ছাহাবীকে শঠতার মাধ্যমে হত্যাকারী রে‘ল ও যাকওয়ান গোত্রদ্বয়ের বিরুদ্ধে রাসূল (ﷺ) মাসব্যাপী কুনূতে নাযেলাহ পাঠ করেছিলেন (ছহীহ বুখারী, হা/৪০৯৬; মিশকাত হা/১২৮৯)।

সরকারের সুস্পষ্ট কুফরী প্রমাণিত হলে, শাসকের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করা যাবে (ছহীহ মুসলিম, হা/১৭০৯; মিশকাত হা/৩৬৬৬)। তবে উক্ত বিদ্রোহ কল্যাণকর হবে কি-না, সে বিষয়ে অবশ্যই দেশের নির্ভরযোগ্য বিজ্ঞ ওলামায়ে কেরাম পরামর্শ করে ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন এবং মুসলিম নাগরিকগণ তাদের অনুসরণ করবেন। বিদ্রোহ করায় কল্যাণের চেয়ে যদি অকল্যাণ হওয়ার সম্ভাবনা বেশী থাকে, তাহলে বিদ্রোহ করা যাবে না। বরং ধৈর্যধারণ করতে হবে, যতক্ষণ না আল্লাহর পক্ষ থেকে কোন ফয়ছালা নাযিল হয় (সূরা আল-বাক্বারাহ : ১০৯;  সূরা আত-তওবাহ : ২৪)। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, শাসকের নিকট থেকে কেউ অপসন্দনীয় কিছু দেখলে যেন সে ধৈর্যধারণ করে (ছহীহ বুখারী, হা/৭২০২, ৭২০৪; ছহীহ মুসলিম, হা/১৮৬৭; মিশকাত হা/৩৬৬৭)। তিনি বলেন, এমতাবস্থায় তাদের হক তাদের দাও এবং তোমাদের হক আল্লাহর কাছে চাও’ (ছহীহ বুখারী, হা/৭০৫২; মিশকাত হা/৩৬৭২)। ‘কেননা তাদের পাপ তাদের উপর এবং তোমাদের পাপ তোমাদের উপর বর্তাবে’ (ছহীহ মুসলিম, হা/১৮৪৬; মিশকাত হা/৩৬৭৩)। তিনি বলেন, তোমরা তাদের হক দিয়ে দাও। কেননা আল্লাহ শাসকদেরকেই জিজ্ঞেস করবেন তাদের শাসন সম্পর্কে (ছহীহ বুখারী, হা/৩৪৫৫; ছহীহ মুসলিম, হা/১৮৪২; মিশকাত হা/৩৬৭৫)।


প্রশ্নকারী : আবুল হোসেন, রাজশাহী।




প্রশ্ন (৩১) : এক ব্যক্তি সূদভিত্তিক ঋণ নিয়ে ব্যবসা শুরু করেন এবং সংসার চালান। পরবর্তীতে তিনি সূদ থেকে মুক্ত হওয়ার নিয়ত করেছেন। তবে এখনো সূদসহ কিছু ঋণ বাকি আছে। প্রশ্ন হল, ঐ টাকা শোধ হওয়া পর্যন্ত কি তার গুনাহ হতে থাকবে?  - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : ‘আমি তখনও ছিলাম নবী; আদম (আলাইহিস সালাম) যখন রূহ এবং দেহের মধ্যে ছিলেন’ (আহমাদ, হা/১৭১৬৩; সিলসিলা ছহীহাহ, হা/৩৭৩) মর্মে হাদীছটি কি ছহীহ? এই হাদীছের সঠিক ব্যাখ্যা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : নবীগণের দ্বারা কি অনিচ্ছাকৃত কাবীরা গুনাহ সংঘটিত হয়েছিল? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭)  : জনৈক ব্যক্তি বলেছেন, যারা চার মাযহাব কিংবা চার তরীক্বা মানবে না তারা কাফের। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : কেক ও চকলেটের উপর ‘আল্লাহ’ লেখা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬): ছালাতের সাজদায় যাওয়ার সময় হাত আগে রাখতে হবে, না-কি হাঁটু আগে রাখতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : আল্লাহর ওলী কারা? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : পিতার পূর্বে সন্তান মারা গেলে ঐ সন্তানের সম্পদে পিতা অংশ পাবে কি? পিতার সম্পদে ঐ মৃত ব্যক্তির ছেলেরা অর্থাৎ নাতিরা কি অংশ পাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : লেখাযুক্ত গেঞ্জি বা জার্সি পরে ছালাত পড়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮): আমি মার্কেটিং এ জব করি। প্রতিদিন বাহিরে যাই। এক্ষেত্রে আমি কি ছালাত কছর করতে পারব? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : আওয়াল ওয়াক্তে ছালাত আদায় না করলে ছালাত কবুল হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : মোবাইলের ব্যাকগ্রাউন্ডে কোন মৃতব্যক্তির ছবি সেট করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ