উত্তর : পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছ হল আল্লাহ প্রদত্ত সর্বশেষ ও চূড়ান্ত সংবিধান। তাই একে বাদ দিয়ে কেউ যদি কোন নবী ও কিতাবের অনুসরণ করে, তবে তা গ্রহণযোগ্য হবে না; বরং সে পথভ্রষ্ট হবে (দারেমী, হা/৪৪৩; মিশকাত, হা/১৯৪; বঙ্গানুবাদ মিশকাত, হা/১৮৪, ১/১৩৫ পৃ.)। কেননা রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ‘আমি তোমাদের কাছে উজ্জ্বল ও পরিচ্ছন্ন দ্বীন নিয়ে এসেছি। শুনে রাখ, আজ যদি মূসা (আলাইহিস সালাম) বেঁচে থাকতেন, তাহলে আমার আনুগত্য করা ছাড়া তাঁরও কোন গত্যন্তর থাকত না’ (আহমাদ, হা/১৫১৯৫; বায়হাক্বী, শু‘আবুল ঈমান, হা/১৭৪; মিশকাত হা/১৭৭; বঙ্গানুবাদ মিশকাত হা/১৬৮, ১/১২৯ পৃঃ, সনদ হাসান)। এজন্য রাসূল (ﷺ)-এর রিসালাতের উপর ঈমান না এনে মৃত্যুবরণ করলে সে জাহান্নামীদের অন্তর্ভুক্ত হবে (মুসলিম হা/১৫৩; মিশকাত হা/১০)।
পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছের উপস্থিতিতে আল্লাহর পক্ষ থেকে নাযিল হওয়া তাওরাত, ইঞ্জীল, যাবূরসহ অন্যান্য কিতাব যদি বাতিল হয়ে যায়, তাহলে মানুষের রচনা করা ইসলাম বিরোধী আইন কিভাবে বৈধ হতে পারে? কিভাবে সেই আইনকে সমর্থন করা যেতে পারে? সেই বিধান ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করলে কি তাওহীদ থাকবে? সুতরাং আল্লাহর সংবিধান বিরোধী যেকোন নীতিমালা, গঠনতন্ত্র ও সংবিধান বাতিল বলে গণ্য হবে।
প্রশ্নকারী : মাহবুবুল ইসলাম, সাভার, ঢাকা।