উত্তর : ফের্কাবন্দীর মোহে আচ্ছন্ন মুসলিম জাতির মধ্যে জান্নাতী দলের পরিচয় সুস্পষ্ট। কেননা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জান্নাতী দলের পরিচয় বর্ণনা করেছেন। হাদীছে এসেছে,
أَلَا إِنَّ مَنْ قَبْلَكُمْ مِنْ أَهْلِ الْكِتَابِ افْتَرَقُوْا عَلَى ثِنْتَيْنِ وَسَبْعِيْنَ مِلَّةً وَإِنَّ هَذِهِ الْمِلَّةَ سَتَفْتَرِقُ عَلَى ثَلَاثٍ وَسَبْعِيْنَ ثِنْتَانِ وَسَبْعُوْنَ فِى النَّارِ وَوَاحِدَةٌ فِى الْجَنَّةِ وَهِىَ الْجَمَاعَةُ
‘জেনে রাখ! তোমাদের পূর্ববর্তী আহলে কিতাব বাহাত্তর দলে বিভক্ত হয়েছে এবং এ উম্মত অদূর ভবিষ্যতে তিয়াত্তর দলে বিভক্ত হবে। এর মধ্যে বাহাত্তর দল জাহান্নাম যাবে এবং একটি জান্নাতের যাবে। আর সে দল হচ্ছে আল-জামা‘আত (আবু দাঊদ, হা/৪৫৯৭ ‘সুন্নাহ’ অধ্যায়-৩৫, ‘সুন্নাতের ব্যাখ্যা’ অনুচ্ছেদ-১; মিশকাত, হা/১৭২, সনদ ছহীহ)। উক্ত হাদীছের ব্যাখ্যায় জান্নাতী দলের পরিচয় প্রদান করা হয়েছে। শায়খ ছালেহ আল-উছায়মীন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘এটি সেই দল, যারা নবী করীম (ﷺ) এবং তাঁর ছাহাবীগণের সুন্নাতের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকবে। এই দলটি দুনিয়াতে বিদ‘আতে লিপ্ত হওয়া থেকে সুরক্ষিত থাকবে এবং পরকালে জাহান্নামের শাস্তি থেকে মুক্তি পাবে। এটিই দল সাহায্যপ্রাপ্ত দল, যা ক্বিয়ামত পর্যন্ত হক্বের উপর বিজয়ী থাকবে’ (শায়উ উছায়মীন, মাজমূঊ ফাতাওয়া ওয়া রাসাইল, ১ম খণ্ড, পৃ. ৩৭; ফাতাওয়া আরকানুল ইসলাম, প্রশ্ন-৫)।
প্রশ্নকারী : আব্দুর রঊফ, নাটোর।