শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০১:০০ অপরাহ্ন
উত্তর : সালাফীদের মূল ভিত্তি হল- কুরঅন ও ছহীহ সুন্নাহর ইলমের উপর। দাওয়াত ও ইবাদতে কেবল কুরআন ও ছহীহ সুন্নাহ অনুসরণ করা, ছাহাবী ও সালাফে সালেহীনের বুঝ অনুযায়ী হওয়া সালাফী মানহাজের মূলনীতি। সুতরাং, জুমু‘আর খুতবা, দাওয়াত কিংবা যে কোনো ইলমী কাজের ক্ষেত্রে সালাফীরা সবসময় কুরঅন ও ছহীহ সুন্নাহর পদ্ধতি অবলম্বন করে। তাই জুমুআর খুতবা যে কেউ দিতে পারে না। খতীব হতে হলে ইলম, আক্বীদা ও মানহাজে ছহীহ থাকা আবশ্যক। অর্থাৎ তাওহীদ ও আক্বীদায় সঠিক হতে হবে। বিদ‘আত থেকে দূরে থাকতে হবে। ছহীহ হাদীছ অনুযায়ী আমল করতে হবে। ইমাম আহমাদ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন, ‘যদি মানুষ দ্বীনের বিষয়ে কাউকে অনুসরণ করে, তবে সে যেন দেখে, সেই ব্যক্তি কাকে অনুসরণ করছে’ (ইবনু আব্দিল বার্র, জামি‘ বায়ানুল ইলম, ২/১২৮ পৃ.)।

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সর্বদা দাঁড়িয়ে খুতবা দিতেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জুমু‘আর দিনে দাঁড়িয়ে খুতবা দিতেন, তারপর বসতেন, তারপর আবার দাঁড়িয়ে খুতবা দিতেন (ছহীহ মুসলিম, হা/৮৬২)। তাই দাঁড়িয়ে খুতবা দেয়া সুন্নাহ, বসে খুৎবা দেয়া বিদ‘আত।

আপনি বলেছেন যে মসজিদে কখনো সালাফী, কখনো দেওবন্দী, কখনো জামা‘আতী আলেম খুতবা দেন। সালাফী নীতিতে এটা সমস্যা তৈরি করে। কারণ, ইলম ও আক্বীদায় ভিন্নতা থাকলে সালাফীরা দাওয়াত ও ইমামতের ক্ষেত্রে খুব সতর্ক থাকে। যাদের আক্বীদা, মানহাজ ও ফিকহ সুন্নাহর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়, তাদের মাধ্যমে দ্বীনি দাওয়াত বা খুৎবা দেওয়ানোকে সালাফীরা বিভ্রান্তিকর ও ক্ষতিকর মনে করে। কারণ, মিম্বারে দাঁড়িয়ে মানুষকে যা বলা হয়, তা ‘দ্বীনের প্রচার’ হিসাবে ধরা হয়। যদি সেখানে দুর্বল হাদীছ, বিদ‘আত বা আক্বীদাগত ভুল শেখানো হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হয়। সালাফী মানহাজ অনুযায়ী, দাওয়াত ও ইলমের ক্ষেত্রে সবার থেকে কিছু নেয়া সঠিক নয়। ইমাম মালিক (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন, ‘প্রত্যেকের কথা গ্রহণ করা হবে এবং প্রত্যাখ্যাত হবে, কেবল রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ছাড়া’ (জামি‘ বায়ানুল ইলম, ২/৯১ পৃ.)। সালাফীরা দাওয়াতের ক্ষেত্রে হিকমাহ (কৌশল) মেনে চলে, তবে হিকমাহর নামে সত্য গোপন বা ভুলকে প্রমোট করা সঠিক নয়। কুরআনে আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘তোমার প্রভুর পথে আহ্বান কর হিকমাহ এবং উত্তম উপদেশের মাধ্যমে’ (সূরা আন-নাহল: ১২৫)। সুতরাং, হিকমাহর মানে হলো ছহীহ কথা সঠিকভাবে বলা, ভুলের সাথে আপস করা নয়।


প্রশ্নকারী : নোবেল সালাফী, কুমিল্লা।





প্রশ্ন (৩০) : ওযূ করার সময় মুখে ও নাকে পানি দেয়ার সঠিক পদ্ধতি কোনটি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : সন্তান নেশার সাথে জড়িত হলে করণীয় কী? শাসনের জন্য সামাজিক বা প্রশাসনিক সাহায্য নেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭): যাকাতুল ফিতর কখন আদায় করতে হয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : বাড়িতে কয়েকদিন পরপর মাকড়সা জাল বুনে। মাকড়সার জাল পরিষ্কার করার সময় যদি মাকড়সাকেও মেরে ফেলা হয়, তাহলে কি গুনাহ হবে? ঘরে মাকড়সার জাল থাকলে অভাব অনটন দেখা দেয়এ এটা কি সঠিক কথা? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : ইমাম জুম‘আর দিন মিম্বরে বসার সময় সালাম দিবেন মর্মে কোন দলীল আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : কোন পুরুষ তার স্ত্রীকে ত্বালাক্ব দিয়ে অপর কোন নারীকে বিয়ে করতে পারবে কি? ত্বালাক্ব দেয়ার কারণ হল- একই সাথে দু’জন স্ত্রী রাখার সামর্থ্য তার নেই এবং ইনছাফ করতে পারবে না। আর তার স্ত্রীর প্রতি কোন প্রকার আকর্ষণও নেই। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪২) : জনৈক বক্তা বলেন, মসজিদের ইমাম তার মসজিদের আশেপাশের চল্লিশ ঘর লোকের জন্য ক্বিয়ামতের দিন সুপারিশ করবে এবং তাদেরকে জান্নাতে নিয়ে যাবে। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : হজ্জের প্রস্তুতি বলতে কী বুঝায়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : মদীনায় একদিন রামাযানের ছিয়াম রাখা, অন্য শহরের এক হাযার রামাযানের চেয়ে উত্তম। মদীনায় একদিনের জুম‘আর ছালাত অন্য শহরে এক হাযার জুম‘আ পড়ার চেয়েও উত্তম’ (ত্বাবারাণী, আল-মু‘জামুল কাবীর ১/৪৯৩ পৃঃ, হা/১১৪৪)। হাদীছটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : প্রত্যেক ওয়াক্তে ছালাতের সময় পর পর কয়েকটি আযান শুনতে পাওয়া যায়। এমতাবস্থায় সবক’টি আযানের জবাব দিতে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩১) : অবৈধ সন্তানের আক্বীক্বা করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : ছালাতে তাশাহুদের সময় নযর কোন দিকে রাখতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ