বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৪ পূর্বাহ্ন
উত্তর : সালাফীদের মূল ভিত্তি হল- কুরঅন ও ছহীহ সুন্নাহর ইলমের উপর। দাওয়াত ও ইবাদতে কেবল কুরআন ও ছহীহ সুন্নাহ অনুসরণ করা, ছাহাবী ও সালাফে সালেহীনের বুঝ অনুযায়ী হওয়া সালাফী মানহাজের মূলনীতি। সুতরাং, জুমু‘আর খুতবা, দাওয়াত কিংবা যে কোনো ইলমী কাজের ক্ষেত্রে সালাফীরা সবসময় কুরঅন ও ছহীহ সুন্নাহর পদ্ধতি অবলম্বন করে। তাই জুমুআর খুতবা যে কেউ দিতে পারে না। খতীব হতে হলে ইলম, আক্বীদা ও মানহাজে ছহীহ থাকা আবশ্যক। অর্থাৎ তাওহীদ ও আক্বীদায় সঠিক হতে হবে। বিদ‘আত থেকে দূরে থাকতে হবে। ছহীহ হাদীছ অনুযায়ী আমল করতে হবে। ইমাম আহমাদ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন, ‘যদি মানুষ দ্বীনের বিষয়ে কাউকে অনুসরণ করে, তবে সে যেন দেখে, সেই ব্যক্তি কাকে অনুসরণ করছে’ (ইবনু আব্দিল বার্র, জামি‘ বায়ানুল ইলম, ২/১২৮ পৃ.)।

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সর্বদা দাঁড়িয়ে খুতবা দিতেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জুমু‘আর দিনে দাঁড়িয়ে খুতবা দিতেন, তারপর বসতেন, তারপর আবার দাঁড়িয়ে খুতবা দিতেন (ছহীহ মুসলিম, হা/৮৬২)। তাই দাঁড়িয়ে খুতবা দেয়া সুন্নাহ, বসে খুৎবা দেয়া বিদ‘আত।

আপনি বলেছেন যে মসজিদে কখনো সালাফী, কখনো দেওবন্দী, কখনো জামা‘আতী আলেম খুতবা দেন। সালাফী নীতিতে এটা সমস্যা তৈরি করে। কারণ, ইলম ও আক্বীদায় ভিন্নতা থাকলে সালাফীরা দাওয়াত ও ইমামতের ক্ষেত্রে খুব সতর্ক থাকে। যাদের আক্বীদা, মানহাজ ও ফিকহ সুন্নাহর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়, তাদের মাধ্যমে দ্বীনি দাওয়াত বা খুৎবা দেওয়ানোকে সালাফীরা বিভ্রান্তিকর ও ক্ষতিকর মনে করে। কারণ, মিম্বারে দাঁড়িয়ে মানুষকে যা বলা হয়, তা ‘দ্বীনের প্রচার’ হিসাবে ধরা হয়। যদি সেখানে দুর্বল হাদীছ, বিদ‘আত বা আক্বীদাগত ভুল শেখানো হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হয়। সালাফী মানহাজ অনুযায়ী, দাওয়াত ও ইলমের ক্ষেত্রে সবার থেকে কিছু নেয়া সঠিক নয়। ইমাম মালিক (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন, ‘প্রত্যেকের কথা গ্রহণ করা হবে এবং প্রত্যাখ্যাত হবে, কেবল রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ছাড়া’ (জামি‘ বায়ানুল ইলম, ২/৯১ পৃ.)। সালাফীরা দাওয়াতের ক্ষেত্রে হিকমাহ (কৌশল) মেনে চলে, তবে হিকমাহর নামে সত্য গোপন বা ভুলকে প্রমোট করা সঠিক নয়। কুরআনে আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘তোমার প্রভুর পথে আহ্বান কর হিকমাহ এবং উত্তম উপদেশের মাধ্যমে’ (সূরা আন-নাহল: ১২৫)। সুতরাং, হিকমাহর মানে হলো ছহীহ কথা সঠিকভাবে বলা, ভুলের সাথে আপস করা নয়।


প্রশ্নকারী : নোবেল সালাফী, কুমিল্লা।





প্রশ্ন (১২) : আবূ দাঊদে বর্ণিত হয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ  বলেছেন, যে কুরআনকে মধুর সূরে পাঠ করে না সে আমাদের দলভুক্ত নয়’। উক্ত হাদীছের মূল ব্যাখ্যা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : বর্তমানে মোহর কত হওয়াটা সুন্নাহ সম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : সঠিক সময় না জানার কারণে কেউ যদি সাহরির সময় শেষ হওয়ার পর পানাহার করে, তাহলে তার ছিয়াম সঠিক হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৮) : সূদী ব্যাংকে চাকুরী করে, গান-বাজনা, নাটক, সিনেমা প্রভৃতিতে লিপ্ত। এসব ত্যাগ না করে হজ্জে গেলে এমন ব্যক্তির হজ্জ কি কবুল হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : তামাক চাষ করে সেই তামাক বিক্রি করা টাকা দিয়ে কুরবানী করা জায়েয হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : মৃত সন্তান জন্ম নিলে জানাযা পড়তে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০): বন্ধুদের মাঝে দাওয়াতি কাজ করতে চাইলে কোথা থেকে শুরু করতে হবে এবং কোন্ বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : অনেক বছর আগে আমি এক দোকান থেকে দুইটা ইস্টিকারের বান্ডেল নিয়েছিলাম। দাম ছিল ২০ টাকা। তারপর অনুতপ্ত হয়ে আমি দোকানদারকে অন্য কথা বলে তাকে সেই টাকাটা পরিশোধ করে দিয়েছি। প্রশ্ন হল- এভাবে টাকা ফেরত দেয়া যাবে কি?   - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : বর্তমানে শিশুদেরকে তাহনীক্ব করানো যাবে কি? কেউ কেউ বলেন, এটি রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে খাছ ছিল। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : হিজামা করিয়ে পারিশ্রমিক গ্রহণ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : জনৈক আলেম বলেন, রাসূল (ﷺ) ছালাতে যখন সিজদাহ থেকে দাঁড়াতেন তখনও হস্ত উত্তোলন করতেন। এমনকি প্রত্যেক উঠা বসায় তিনি এরূপ করতেন। তার দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : যদি কোন পুরুষের ছবি এডিট করে মহিলাতে রুপান্তরিত করা হয়, তাহলে কি তার কারণে কাবীরা গুনাহ হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ