বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৪ পূর্বাহ্ন
উত্তর : বিষয়টি দু’টি অবস্থার উপর নির্ভরশীল।
প্রথম অবস্থা : যদি এটি ঋণ হিসাবে হয়- যদি আপনি মূলত ব্যবসায়ীকে টাকা ধার দিয়েছেন (ঋণ) এবং পরে বলেছেন যে লাভ দিলে দেবেন বা ইনসাফ অনুযায়ী কিছু দেবেন, তাহলে যদি চুক্তির সময়েই বলা হয় যে, ‘ঋণ দিচ্ছি, পরে কিছু বেশি দিতে হবে’-এটি স্পষ্ট সূদ হবে, যা হারাম। কিন্তু যদি শর্ত না থাকে- কেবল টাকা ধার দিলেন এবং পরে ব্যবসায়ী স্বেচ্ছায় কোন উপহার দেন এটি সূদ নয়, এটি হাদিয়া। হাদীছে এসেছে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর আযাদকৃত গোলাম আবূ রাফি (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, উঠতি বয়সের একটি উট রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ধার হিসাবে গ্রহণ করেছিলেন। তারপর (বাইতুল মালে) যাকাতের উট আসে। আবূ রাফি (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, ঐ লোকের উঠতি বয়সের উটটি পরিশোধের জন্য রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে নির্দেশ দিলেন। আমি বললাম, (বাইতুল মালে) ছয় বছর বয়সের উটের চেয়ে ছোট উট পাচ্ছি না। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তাকে ঐটিই প্রদান কর। কেননা, উত্তমভাবে ঋণ পরিশোধকারী ব্যক্তিই লোকদের মধ্যে বেশি উত্তম’ (ছহীহ মুসলিম, হা/১৬০০; তিরমিযী, হা/১৩১৮; আবূ দাঊদ, হা/৩৩৪৬)। এখানে রাসূল (ﷺ) ধার নেয়ার পর স্বেচ্ছায় ভাল মানের উট ফেরত দিয়েছেন। শর্ত না থাকলে অতিরিক্ত দেয়া বৈধ। 
দ্বিতীয় অবস্থা : যদি এটি ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব হিসাবে হয়। অর্থাৎ যদি চুক্তি হয় যে, আপনি পণ্য কিনে দেবেন এবং ব্যবসায়ী বিক্রি করবে, তারপর লাভ থেকে আপনার অংশ দেবে এবং লাভ নির্দিষ্ট শতাংশ বা ইনসাফ অনুযায়ী ঠিক হয়, তাহলে এটি মুদারাবাহ বা শিরকাহ-র মত হয় এবং সূদ নয়, বরং হালাল লাভ। তবে শর্ত হলো:
১. চুক্তি স্পষ্ট হতে হবে- কত শতাংশ লাভ বা কোন্ ভিত্তিতে দিবে।
২. নির্দিষ্ট টাকার নিশ্চয়তা দেয়া যাবে না- যেমন ‘কমপক্ষে ৫০০ টাকা লাভ দিবেন’- এভাবে হলে তা সূদ হয়ে যায়।


প্রশ্নকারী : সাইফুল ইসলাম, ঢাকা।





প্রশ্ন (৭) : কুরআনের আয়াত ও বিভিন্ন হাদীছ মানসূখ হওয়ার কারণ কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : দাঁতের কোন সমস্যা নেই তবে দাঁতগুলো হলদে। যার কারণে সংকোচবোধ হয়। এমতাবস্থায় স্থায়ীভাবে দাঁতকে সাদা রং করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : ব্যবসার ক্ষেত্রে বা বাড়ী-দোকান বিক্রয়ের ক্ষেত্রে সমাজে দালালি প্রথা চালু আছে। এটা কি শরী‘আত সম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : সউদী আরবের স্থায়ী গবেষণা ও ফাতাওয়া বোর্ড মুনাজাতের ব্যাপারে কী সিদ্ধান্ত দিয়েছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : অনেক মানুষদের দেখা যায় যে, লোকে কী বলবে এই চিন্তা করে হালাল কাজ থেকে দূরে থাকে। লোকে কী বলবে তাই চাচাতো ভাইয়ের মেয়েকে বিয়ে করতে সম্মত হয় না ইত্যাদি। এরূপ ভাবা কি শরী‘আত সম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : বিয়ের জন্য সূরা আহযাব লিখে রাখলে ঠিক কতদিনের মধ্যে ফল পাওয়া যায়? এমন কাজ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : সর্বশেষ জান্নাতী ব্যক্তি কে? হাদীছে উল্লেখ আছে যে, আল্লাহ তা‘আলা তাকে এই দুনিয়ার দশগুণ দিবেন। প্রশ্ন হল- সেটা কি আমাদের পৃথিবীর দশগুণ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৪) : সাহু সিজদা দেয়ার কারণগুলো কী কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : কেউ দু‘আ চাইলে করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : বর্তমানে স্পোর্টসের দোকানগুলোতে এবং যুবকদের মধ্যে ইউরোপীয় জাতীয় দল ও ক্লাবগুলোর নামযুক্ত জার্সি পরার প্রবণতা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। এসব ক্লাবের কিছু লোগোতে ক্রস (খ্রিষ্টানদের ধর্মীয় প্রতীক)ও রয়েছে। যদি এসব জার্সি বিক্রি বন্ধ করি, তাহলে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হব, এমনকি দোকান বন্ধ করে দিতে হতে পারে। তবে আমরা হালাল উপার্জনের ব্যাপারে অত্যন্ত সচেতন। অতএব নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর হুকুম শরী‘আতের আলোকে কী হবে? (১) ইউরোপীয় ক্লাবের জার্সি কেনা, বিক্রি করা ও পরিধান করার হুকুম কী? খেলোয়াড়ের নাম লেখা থাকলে তা পরে ছালাত পড়া যাবে কি? (২) যেসব জার্সিতে নাম নেই, কেবল নম্বর আছে, সেগুলো বিক্রি করার হুকুম কী? (৩) যেসব জার্সিতে নাম বা নম্বর কিছুই নেই, সেগুলো বিক্রি করার হুকুম কী? (৪) যেসব জার্সির লোগো থেকে ক্রস মুছে ফেলা হয়েছে, সেগুলো বিক্রির হুকুম কী? (৫) এটি কি “عمت به البلوى” (সর্বব্যাপী সাধারণ বিপদ) হিসাবে গণ্য হবে? (৬) যদি এসব জার্সি বিক্রি করা বৈধ না হয়, তবে পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীদের করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪৯) : ছিয়াম অবস্থায় ওযূ করার পর স্ত্রীকে স্পর্শ করলে ছিয়াম ও ওযূ ভঙ্গ হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : ইসলামী শরী‘আতে শাফা‘আত কত প্রকার ও কী কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ