রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:২১ পূর্বাহ্ন
উত্তর : বিষয়টি দু’টি অবস্থার উপর নির্ভরশীল।
প্রথম অবস্থা : যদি এটি ঋণ হিসাবে হয়- যদি আপনি মূলত ব্যবসায়ীকে টাকা ধার দিয়েছেন (ঋণ) এবং পরে বলেছেন যে লাভ দিলে দেবেন বা ইনসাফ অনুযায়ী কিছু দেবেন, তাহলে যদি চুক্তির সময়েই বলা হয় যে, ‘ঋণ দিচ্ছি, পরে কিছু বেশি দিতে হবে’-এটি স্পষ্ট সূদ হবে, যা হারাম। কিন্তু যদি শর্ত না থাকে- কেবল টাকা ধার দিলেন এবং পরে ব্যবসায়ী স্বেচ্ছায় কোন উপহার দেন এটি সূদ নয়, এটি হাদিয়া। হাদীছে এসেছে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর আযাদকৃত গোলাম আবূ রাফি (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, উঠতি বয়সের একটি উট রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ধার হিসাবে গ্রহণ করেছিলেন। তারপর (বাইতুল মালে) যাকাতের উট আসে। আবূ রাফি (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, ঐ লোকের উঠতি বয়সের উটটি পরিশোধের জন্য রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে নির্দেশ দিলেন। আমি বললাম, (বাইতুল মালে) ছয় বছর বয়সের উটের চেয়ে ছোট উট পাচ্ছি না। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তাকে ঐটিই প্রদান কর। কেননা, উত্তমভাবে ঋণ পরিশোধকারী ব্যক্তিই লোকদের মধ্যে বেশি উত্তম’ (ছহীহ মুসলিম, হা/১৬০০; তিরমিযী, হা/১৩১৮; আবূ দাঊদ, হা/৩৩৪৬)। এখানে রাসূল (ﷺ) ধার নেয়ার পর স্বেচ্ছায় ভাল মানের উট ফেরত দিয়েছেন। শর্ত না থাকলে অতিরিক্ত দেয়া বৈধ। 
দ্বিতীয় অবস্থা : যদি এটি ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব হিসাবে হয়। অর্থাৎ যদি চুক্তি হয় যে, আপনি পণ্য কিনে দেবেন এবং ব্যবসায়ী বিক্রি করবে, তারপর লাভ থেকে আপনার অংশ দেবে এবং লাভ নির্দিষ্ট শতাংশ বা ইনসাফ অনুযায়ী ঠিক হয়, তাহলে এটি মুদারাবাহ বা শিরকাহ-র মত হয় এবং সূদ নয়, বরং হালাল লাভ। তবে শর্ত হলো:
১. চুক্তি স্পষ্ট হতে হবে- কত শতাংশ লাভ বা কোন্ ভিত্তিতে দিবে।
২. নির্দিষ্ট টাকার নিশ্চয়তা দেয়া যাবে না- যেমন ‘কমপক্ষে ৫০০ টাকা লাভ দিবেন’- এভাবে হলে তা সূদ হয়ে যায়।


প্রশ্নকারী : সাইফুল ইসলাম, ঢাকা।





প্রশ্ন (১): ইসলামী রাষ্ট্রে বা ইসলামী (এনজিও) সংস্থার অধীনে যে সমস্ত ওয়াক্বফের সম্পত্তি একত্রিত হয়, পরবর্তীতে ওই সম্পত্তি থেকে বিনিয়োগ করা হলে তাতে কি যাকাত ওয়াজিব হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : আমার পিতামাতা আমায় পড়াশোনা করায় যাতে আমি বড় হয়ে তাদের মোটা অঙ্গের টাকা পাঠাই। কিন্তু আমার পিতা-মাতার যদি সংসার চালানোর মত সামার্থ্য থাকে তবুও কি তাদের টাকা পাঠানো আমার জন্য ফরয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : মেয়েদের যে কোন ধরনের ছোট-বড় ব্লাউজ কিংবা গলা ও হাতা ছোট-বড়, যা শাড়ীর সাথে পরা হয়। এই জাতীয় ব্লাউজ বিক্রয় করা, মার্কেটিং করা বা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে মার্কেটিং করা কি হালাল হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : হায়াতুন্নবীতে বিশ্বাস করা যাবে কি? অলী-আওলিয়া কবরে জীবিত থেকে মানুষের উপকার বা ক্ষতি করতে পারেন এমন বিশ্বাস করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : হাজারে আসওয়াদকে স্পর্শ করার বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : শরী‘আতের আলোকে ট্রাফিক আইন মেনে চলা কি যরূরী। বিশেষ করে সিগন্যালের বাতি যখন লাল থাকে এবং অপর দিকে কোন গাড়ি না থাকে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : মসজিদের ফরয ছালাত কিংবা জুম‘আর ছালাতের পর কেউ কেউ পিতা-মাতা বা নিজের রোগমুক্তির জন্য সবার কাছে দু‘আ চায়। অনেকে ইমামের নিকট পত্র লিখে দু‘আ চায়। এভাবে কেউ দু‘আ চাইলে করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪৫) : ইসলামী শরী‘আতে ‘উকীল বাবা’-এর কোন বিধান আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : কেউ কি ইসলামিক রাজনৈতিক দল গঠন এবং গণতান্ত্রিক নীতিতে নির্বাচন করতে পারবে? ইসলাম কি এটা অনুমোদন করে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : আমি একজন প্রবাসী। গত পাঁচ বছর যাবৎ কয়েকটি দেশ হয়ে এখন আমি ইতালিতে বসবাস করি এবং আমার প্রয়োজনীয় সব কাগজ-পত্রও আছে। এটি যেহেতু অমুসলিম প্রধান দেশ, তাই আমার কিছু জিজ্ঞাসা রয়েছে, যা নিম্নোক্ত: (১) উন্নত জীবন-যাপনে জন্য কোন মুসলিম কি অমুসলিম প্রধান দেশে বসবাস করতে পারবে? এক্ষেত্রে পরিবার বা নিজস্ব চাহিদা পূরণ, দারিদ্রতা, দেশে চাকরি সংকট ইত্যাদি নানা অযুহাত দিয়ে এটাকে কি জায়েয করার কোন সুযোগ আছে? (২) যদি অমুসলিম প্রধান দেশে বসবাস জায়েয না হয়, তাহলে সেখানের আয়ের ব্যাপারে ইসলাম কী বলে? সেখানকার উপার্জন হালাল, না-কি হারাম? (৩) এই টাকা খেয়ে আমি বা আমার পরিবার ইবাদত করলে তা-কি কবুল হবে? (৪) আমি একজন মুসলিম হওয়ায় আমার কাছে দ্বীন পালন করা বড়, না-কি পার্থিব জীবনকে উন্নত বা ভালোভাবে বাঁচার চেষ্টা করা দরকার? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : কুরআন খতমের পর নিম্নের দু‘আ পড়ার কোন ছহীহ দলীল আছে কি? اللَّهُمَّ ارْحَمْنِي بالقُرْءَانِ وَاجْعَلهُ لِي إِمَاماً وَنُوراً وَهُدًى وَرَحْمَةً اللَّهُمَّ ذَكِّرْنِي مِنْهُ مَانَسِيتُ وَعَلِّمْنِي مِنْهُ مَاجَهِلْتُ وَارْزُقْنِي تِلاَوَتَهُ آنَاءَ اللَّيْلِ وَأَطْرَافَ النَّهَارِ وَاجْعَلْهُ لِي حُجَّةً يَارَبَّ العَالَمِينَ - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : হাত তুলে দু‘আর শুরুতে হামদ ও দরূদ পাঠ করার কথা বলা হয়েছে। কোন্ বাক্য দ্বারা হামদ ও দরূদ পাঠ করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ