শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ১২:২৮ অপরাহ্ন

সুখময় সৌভাগ্যের মৃত্যু লাভের উপায়

-ওমর ফারুক বিন মুসলিমুদ্দীন*


 (৭ম কিস্তি) 

৬- দুনিয়াবী সম্পদ, স্বাচ্ছন্দ্য লাভের আশাকে মাটিচাপা দিয়ে পরকালের শান্তির লক্ষ্যে কাজ করা

আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

اِعْلَمُوْۤا اَنَّمَا الْحَيٰوةُ الدُّنْيَا لَعِبٌ وَّ لَهْوٌ وَّ زِيْنَةٌ وَّ تَفَاخُرٌۢ بَيْنَكُمْ وَ تَكَاثُرٌ فِي الْاَمْوَالِ وَ الْاَوْلَادِ١ؕ كَمَثَلِ غَيْثٍ اَعْجَبَ الْكُفَّارَ نَبَاتُهٗ ثُمَّ يَهِيْجُ فَتَرٰىهُ مُصْفَرًّا ثُمَّ يَكُوْنُ حُطَامًا١ؕ وَ فِي الْاٰخِرَةِ عَذَابٌ شَدِيْدٌ١ۙ وَّ مَغْفِرَةٌ مِّنَ اللّٰهِ وَ رِضْوَانٌ١ؕ وَ مَا الْحَيٰوةُ الدُّنْيَاۤ اِلَّا مَتَاعُ الْغُرُوْرِ.


‘জেনে রাখ! নিশ্চয় পার্থিব জীবন খেল-তামাশা, জাঁকজমকতা, পারস্পরিক দাম্ভিকতা, ধন-দৌলত ও সন্তান-সন্ততিতে প্রাচুর্য লাভের প্রতিযোগিতা বৈ কিছু নয়। এর উপমা হল বৃষ্টি। এর মাধ্যমে জন্মানো ফসলাদি কৃষকদেরকে খুশি রাখে। তারপর সেগুলো শুকিয়ে যায়। ফলে আপনি সেগুলো পীতবর্ণ দেখতে পান। অবশেষে তা খড়কুটোয় রূপ নেয়। (জেনে রেখো) পরকালে রয়েছে কঠিন শাস্তি এবং আল্লাহর ক্ষমা ও সন্তুষ্টি। দুনিয়ার জীবন নিছক প্রতারণার ফাঁদ’ (সূরা আল-হাদীদ: ২০)।

এ আয়াতটির শুরুতে একটু গভীরভাবে দৃষ্টিপাত করা যাক। আল্লাহ তা‘আলা প্রথমেই বলে দিলেন- দুনিয়ার জীবন কিছুই না। এটা কেবল খেল-তামাশা, আড়ম্বড়তা, কোলাহ-দ্বন্দ্ব, সম্পদের বাহাদুরি ইত্যাদির কেন্দ্রস্থল। আজকের অধুনা আধুনিক পৃথিবীর দিকে একবার দৃষ্টিপাত করুন। আর আয়াতটির দিকে একবার। বুঝতে দেরি হবে না যে, পৃথিবী নামক এ গ্রহে উল্লেখিত বিষয়গুলোর বাহিরে কিছুই ঘটছে না।

এসব বিষয় দেখা ও অনুধাবন করার পর একজন বুদ্ধিমান ও হিতাহিত জ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তি সহজেই বুঝতে পারবে- দুনিয়াটা প্রতারণার স্থল বৈ কিছু নয়। এখানকার সম্পদ, বাড়ি, গাড়ি, সন্তান-সন্ততি প্রকৃত সম্পদ নয়। এগুলো বিপদে কাজে আসার সম্ভবনা নেই। ব্যক্তির সকল কিছুই পড়ে রবে। থাকবে না শুধু ব্যক্তি নিজে। হ্যাঁ, কাজে আসবে ঐ ব্যক্তির; যে এগুলোকে পরকালের সফলতার কাজে লাগাবে। দুনিয়া দিয়ে পরকাল খুঁজবে। আর যারা দুনিয়াকে সাথে নিয়ে পরকাল খুঁজবে তাদের কোন ফায়দা হবে না। তাই দুনিয়ার সুখ না চেয়ে পরকালীন সুখ চাওয়া উচিত। অস্থায়ী দুনিয়াবী সম্পদ লাভের বৃথা চেষ্টা না করে স্থায়ী আবাস পরকালের জন্য কিছু করার চেষ্টা করা উচিত।

আয়াতের মাঝে আল্লাহ রব্বুল আলামীন দুনিয়ার হাক্বীক্বত বোঝাচ্ছেন উদাহরণ দিয়ে। দুনিয়া কী জিনিস? কেমন? তা বোঝাচ্ছেন। যেমনিভাবে মানুষ একজন আরেকজনকে কোন জিনিস সহজে বুঝাতে উদাহরণ পেশ করে থাকে। উপমার মাধ্যমে যেকোনো জটিল বিষয়ও সহজে জানা যায়, বোঝা যায়। আয়াতটির দিকে লক্ষ্য করা যাক। আল্লাহ দুনিয়ার উদাহরণ দিলেন বৃষ্টির সাথে। বৃষ্টির পানিতে ফসল উৎপন্ন হয়। তা দেখে চাষীরা বিমোহিত হয়। আনন্দ পায়। মূল ফসল গাছ হতে ছাড়িয়ে নিলে বাকি থাকে গাছ। রোদে শুকিয়ে যায়। হয়ে যায় খড়কুটো।

লক্ষ্য করুন, আল্লাহ রব্বুল আলামীন মানুষকে কত সহজে দুনিয়াকে চিনাচ্ছেন। দুনিয়ার উদাহরণ দিলেন বৃষ্টির সাথে। তো বলতে পারবেন, কেন? তিনি কেন বৃষ্টির সাথে উপমা দিলেন? আর এখানে ফসলাদির কথা কেনই বা আনলেন? অবশেষে ফসলগুলো খড়কুটো! বৃষ্টির সাথে মিলানোর কয়েকটি কারণ হতে পারে। তন্মধ্যে একটি হতে পারে, বৃষ্টির পানি যেমন ক্ষণিকের দুনিয়াটাও তেমনি ক্ষণিকের। এই ক্ষণিকের বৃষ্টি যেমন ফসলাদি উৎপন্ন করে কৃষকদেরকে চমকে দেয়, বিমোহিত করে ঠিক দুনিয়াও মানুষকে ক্ষণিকের আনন্দ-উল্লাস দিয়ে বিমোহিত করে। তার প্রতি আকৃষ্ট করে তোলে। ফসলের গাছগুলো অবশেষে খড়কুটো হয়ে যায়। কোন মূল্য থাকে না। দুনিয়াও ঠিক এরূপ। তার কোন মূল্য নেই। পানিতে ভেসে যাওয়া আবর্জনা আর খড়কুটোর মত মূল্যহীন হয়ে পড়ে।

দুনিয়ার মূল্য কতটুকু?

আমার আপনার কাছে হয়ত দুনিয়াটাই সবকিছু। একবারও কি ভেবেছেন যে, যিনি দুনিয়াকে সৃজন করেছেন তাঁর কাছে এর আদৌও কি কোন মূল্য আছে? আমার আপনার কাছে যতই মূল্যবান হোক না কেন আল্লাহর কাছে যার মূল্য নেই সে প্রকৃতই মূল্যহীন। আর আল্লাহর কাছে যার মূল্যবান তাকে যদি সকলেও অমূল্যায়ন করে তবুও সে মূল্যবান। আচ্ছা যাক, তার আগে ভেবে দেখুন- আপনার কি আদৌও কোন মূল্য আছে? যদি না আল্লাহ আপনাকে মূল্যবান করেন।

একবার রাসূল (ﷺ) এক বাজারের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। সাথে ছাহাবীগণও ছিল। তিনি চলতে চলতে ছোট কান বিশিষ্ট মরা একটি ছাগলের পাশি দিয়ে গেলেন। তিনি সেটির কান ধরে বললেন, তোমাদের কেউ কি এক দিরহাম দিয়ে এটাকে নিবে? তাঁরা বললেন, আমরা কোন জিনিসের বিনিময়ে এটাকে নিতে চাই না। এটাকে নিয়েই বা কী করব?  তিনি বললেন, তোমরা কি চাও- এটা বিনামূল্যে তোমাদেরকে দিয়ে দেয়া হোক। তাঁরা বললেন, আল্লাহর কসম! এটা যদি জীবিত থাকত তবুও তো সেটা দোষযুক্ত। কারণ সেটার কান ছোট। এখন তো সেটা মৃত! এটা আবার কে নেবে? তখন তিনি বললেন, আল্লাহর কসম! তোমাদের কাছে এই মরা ছাগলের বাচ্চাটি যত নিকৃষ্ট, আল্লাহর কাছে তারচেয়ে বেশি নিকৃষ্ট হচ্ছে দুনিয়া।[১] রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন,

مَا ‌الدُّنْيَا فِي الْآخِرَةِ إِلَّا كَمَا يَجْعَلُ أَحَدُكُمْ أُصْبُعَهُ هَذِهِ فِي الْيَمِّ، فَلْيَنْظُرْ بِمَ تَرْجِعُ

‘আখিরাতের তুলনায় দুনিয়া ততটুকু, যেমন কেউ সমুদ্রে আঙ্গুল ডুবিয়ে তারপর তুলে দেখে তার আঙ্গুল পানি এনেছে যতটুকু’।[২] অন্য এক হাদীছে এসেছে, রাসূল (ﷺ) বলেছেন,

لَوْ ‌كَانَتِ ‌الدُّنْيَا ‌عِنْدَ ‌اللَّهِ تُسَاوِي جَنَاحَ بَعُوضَةٍ ، مَا سَقَى الْكَافِرَ مِنْهَا شَرْبَةَ مَاءٍ

‘আল্লাহর কাছে যদি এ দুনিয়ার মূল্য মাছির ডানার সমমূল্যও হত, তাহলে কোন নাফরমান বান্দাকে তিনি এক ফোঁটা পানিও পান করাতেন না’।[৩]

দুনিয়ার মূল্য নেই; তবুও তাকে ঘিরে মানুষের এত আশা-আকাঙ্খা কেন?

মূল্যহীন এই দুনিয়ার প্রতি আমাদের কত যে টান। আমাদের আশা-আকাক্সক্ষারও অন্ত নেই। বাড়ি-গাড়ি, সম্পদ, ব্যাংক ব্যালেন্স ইত্যাদির প্রতি যে আমাদের কত টান, কত আকাক্সক্ষা। মানুষগুলো এত আশা-আকাক্সক্ষা কেন করে জানেন? এর পিছনে দু’টি কারণ পাওয়া যায়। যথা:

১. দুনিয়ার প্রতি ভালোবাসা : ব্যক্তির দুনিয়ার প্রতি ভালোবাসা থাকার কারণেই ব্যক্তি এত আশা করে। দুনিয়াকে নিয়ে শত স্বপ্ন দেখে। বাড়ি করবে, গাড়ি করবে, এই করবে, সেই করবে। দুনিয়ার প্রতি ভালোবাসা আসে তখনই ব্যক্তি যখন তার রবকে ভুলে যায়। ভুলে যায় অনন্ত জীবনের কথা। অস্থায়ী সুখ শান্তির টানে স্থায়ী আবাসের সুখের কথা ভুলে যায়।

২. অজ্ঞতা : ব্যক্তি যখন দুনিয়াবী সম্পদ তালাশে ব্যস্ত হয়ে পড়ে আর দুনিয়াও তাকে কিছু সম্পদ দিয়ে খুশি করে তখন দুনিয়া তার আপন হয়ে যায়। দুনিয়ার হাক্বীক্বত-বাস্তবতা সম্পর্কে জানার প্রয়োজনবোধ করে না। বাহ্যিক চাকচিক্য দুনিয়াকে সে জিজ্ঞেস করে না যে, সে আসলে কে? কী তার পরিচয়? কী চায় সে তার কাছে? ফলে দুনিয়ার আসল পরিচয় না জেনেই ব্যক্তি তাকে ভালোবাসতে থাকে।

দুনিয়ালোভী ব্যক্তিকে দুনিয়া যতই ধোঁকায় ফেলুক না কেন সে তার পিছনেই ছুটেবে, বর্তমানে ছুটছে, ভবিষ্যতেও ছুটবে। কারণ, সে দুনিয়াকে এমনভাবে ভালোবাসে যেমনিভাবে একজন প্রেমিক তার প্রেমিকাকে জানপ্রাণ দিয়ে ভালোবাসে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন:

بَلْ تُؤْثِرُوْنَ الْحَيٰوةَ الدُّنْيَاٞۖ۰۰۱۶ وَ الْاٰخِرَةُ خَيْرٌ وَّ اَبْقٰى ؕ

‘আরে তোমরা তো দুনিয়ার জীবনকেই প্রাধান্য দাও। অথচ আখিরাত হল চিরস্থায়ী’ (সূরা আল-আ‘লা: ১৬-১৭)।

জেনে রাখা ভাল হবে যে, দুনিয়ার তুলনায় পরকাল কয়েকটি দিক বিবেচনায় অগ্রাধিকারযোগ্য। এক. পরকালের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য, আরাম-আয়েশ দুনিয়ার সকল নে‘মতের চেয়ে বেশি মূল্যবান। দুই. দুনিয়া চিরস্থায়ী নয়। কোন একদিন ধ্বংস হয়ে যাবে। আর পরকাল চিরস্থায়ী। কখনো ধ্বংস হবে না। 

অন্য এক আয়াতে এসেছে,

مَنْ كَانَ يُرِيْدُ الْعَاجِلَةَ عَجَّلْنَا لَهٗ فِيْهَا مَا نَشَآءُ لِمَنْ نُّرِيْدُ ثُمَّ جَعَلْنَا لَهٗ جَهَنَّمَ١ۚ يَصْلٰىهَا مَذْمُوْمًا مَّدْحُوْرًا

‘কেউ দুনিয়াবী সুখ-সম্ভোগ আশা করলে আমরা যাকে ইচ্ছে এখানেই অতিসত্বর দিয়ে থাকি। পরে তার জন্য নির্ধারণ করি জাহান্নাম; সেখানে সে প্রবেশ করবে নিন্দিত ও অনুগ্রহ হতে দূরীকৃত অবস্থায়’ (সূরা বানী ইসরাঈল: ১৮)।

এ আয়াতে আল্লাহ রব্বুল আলামীন বলে দিয়েছেন, যারা দুনিয়াতেই নগদ পেতে চায়, তিনি তাদেকে নগদেই দিয়ে দেন। তিনি যাকে যতটুকু ইচ্ছে করেন ততটুকুই দেন। কমবেশি করেন না। যে ব্যক্তি পরকালকে বিশ্বাস করে না কিংবা পরকাল পর্যন্ত সবর করতে প্রস্তুত নয়; সে শুধু দুনিয়া আর দুনিয়াবি সফলতাই চায়,  দুনিয়াকে সকল চাওয়া পাওয়ার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করে। ফলে আল্লাহ তাকে তা দুনিয়াতেই দিয়ে দেন। সে পরকারে কিছুই পাবে না। সে পরকালের উপর দুনিয়াকে প্রাধান্য দিয়েছে। সে অপমানিত অপদস্ত হয়ে জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে (তাফসীর ইবনু কাছীর, সংক্ষেপায়িত)।

আমরা মানুষেরা নগদে বিশ্বাসী। নগদ যা পাই তার প্রতিই আমাদের ঝোঁক। দুনিয়ার প্রতি আমাদের এত মোহ থাকার পিছনে এই নগদ পাওয়ার হিসাব-নিকেশটা অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। আমরা এত ছওয়াবের কথা শুনি, জান্নাতের নে‘মতের কথা শুনি তবুও আল্লাহর আনুগত্য করতে বিলম্ব করি শুধু নগদ ছাওয়াব পাই না বলে। পরকালে পাব এটার জন্য ছবর করতে পারি না বলে।

দুনিয়া কত বড় ফিতনার জায়গা তা আঁচ করা অসম্ভব। এর ফিতনা হতে আমাদের বেঁচে থাকতে আপ্রাণ চেষ্টা করতে হবে। স্বয়ং মুহাম্মাদ (ﷺ) সবসময় দুনিয়ার ফিতনা হতে আল্লাহর কাছে পানাহ চাইতেন। তিনি ছালাতের পর এ দু‘আটি পাঠ করতেন। দু‘আটি নিম্নরূপ:

اَللَّهُمَّ إِنِّىْ أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْجُبْنِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْبُخْلِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ أَرْذَلِ الْعُمُرِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الدُّنْيَا، وَعَذَابِ الْقَبْرِ».


উচ্চারণ : ‘আল্লাহুমা ইন্নি আ‘ঊযুবিকা মিনাল জুব্নি, ওয়া আ‘ঊযুবিকা মিনাল বুখ্লি, ওয়া আ‘ঊযুবিকা মিন আরযালিল ‘উমুরি, ওয়া আ‘ঊযুবিকা মিন ফিতনাতিদ দুনইয়া ওয়া মিন ‘আযাবিল কবরি’।

অর্থ : হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে কাপুরুষতা হতে আশ্রয় চাচ্ছি। আশ্রয় চাচ্ছি কৃপণতা হতে। জীবনের বৃদ্ধকালের নিকৃষ্ট সময় হতেও আশ্রয় চাচ্ছি। আরো আশ্রয় চাচ্ছি দুনিয়া ও কবরের ফিতনা হতে’।[৪]

প্রিয় মুসলিম ভাই ও বোন! সময় থাকতে সাবধান হোন প্রতারক দুনিয়ার প্রতারণা হতে। বেশি বেশি মৃত্যুকে স্মরণ করুন। দুনিয়াকে দিয়ে পরকালে শান্তি লাভের চেষ্টা করুন। দুনিয়াকে সাথে নিয়ে শান্তি লাভের আশাকে হত্যা করে ফেলুন। আল্লাহ আমাদের সকলকে বোঝার তাওফীক্ব দান করুন। আমীন।

(ইনশাআল্লাহ চলবে)


* অধ্যয়নরত, ইমাম মুহাম্মাদ বিন সউদ ইসলামী ইউনিভার্সিটি, রিয়াদ, সঊদী আরব; সাবেক মুদাররিস, দারুল হুদা ইসলামী কমপ্লেক্স, বাঘা, রাজশাহী।

তথ্যসূত্র :
[১]. ছহীহ মুসলিম, হা/২৯৫৭; আবূ দাঊদ, হা/১৮৬।
[২]. ছহীহ মুসলিম, হা/২৮৫৮।
[৩]. তিরমিযী, হা/২৩২০; ইবনু মাজাহ, হা/৪১১০, সনদ হাসান।
[৪]. ছহীহ বুখারী, হা/২৮২২, ৬৩৭০; মিশকাত, হা/৯৬৪।




প্রসঙ্গসমূহ »: আমল তারবিয়াত
বিদ‘আত পরিচিতি (৯ম কিস্তি) - ড. মুহাম্মাদ বযলুর রহমান
ছালাতে একাগ্রতা অর্জনের ৩৩ উপায় (৪র্থ কিস্তি) - আব্দুল হাকীম বিন আব্দুল হাফীজ
ঈমানের ফযীলত ও তার হ্রাস-বৃদ্ধি - অনুবাদ: সাইনুল ইসলাম বিন শাহজাহান আলী
কেমন ছিল রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর রামাযানের দিনগুলো? - শরীফ বিন আব্দুস সামাদ
তাক্বওয়াই মুক্তির সোপান (পূর্ব প্রকাশিতের পর) - আব্দুর রশীদ
ইসলামী পুনর্জাগরণের মূলনীতি (শেষ কিস্তি) - ড. মুযাফফর বিন মুহসিন
হেদায়াত লাভের অনন্য মাস রামাযান - আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহীম
সুন্নাতের রূপরেখা (৪র্থ কিস্তি) - মাইনুল ইসলাম মঈন
ইসলামী পুনর্জাগরণের প্রতিবন্ধকতা ও উত্তরণের উপায় (৮ম কিস্তি) - ড. মুযাফফর বিন মুহসিন
সুন্নাতের আলো বিদ‘আতের অন্ধকার - অনুবাদ : হাফীযুর রহমান বিন দিলজার হোসাইন
ইসলামী জামা‘আতের মূল স্তম্ভ (৯ম কিস্তি) - ড. মুহাম্মাদ মুছলেহুদ্দীন
তওবার গুরুত্ব ও ফযীলত (২য় কিস্তি) - ড. ইমামুদ্দীন বিন আব্দুল বাছীর

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ