বুধবার, ২২ Jul ২০২৬, ১১:৩২ অপরাহ্ন
উত্তর : ইসলাম পোশাকের ক্ষেত্রে কতিপয় মূলনীতি দিয়েছে। যেমন-
(১) শরী‘আত যা হারাম করেছে তা পরিধান করা যাবে না। যেমন পুরুষের জন্য রেশম, জীব-জন্তুর ছবিযুক্ত পোশাক ইত্যাদি (ছহীহ বুখারী, হা/৫৮২৮-৫৮৩৫)
(২) দেহের অবয়ব গোচরীভূত হয়, এমন পাতলা, ফিনফিনে ও আটোসাঁটো পোশাক পরিধান না করা (ছহীহ মুসলিম, হা/২১২৮, ৫৪৭৫)
(৩) নারী-পুরুষের ও পুরুষ-নারীর সাদৃশ্য পোশাক পরিধান না করা (ছহীহ বুখারী, হা/৫৮৮৫)
(৪) বিধর্মী ও বিজাতীয় পোশাক পরিধান না করা। কাফির, মুশরিক, নায়ক-নায়িকা ও গায়ক-গায়িকাদের আনুরূপ্য পোশাক পরিধান করা হারাম (আবূ দাঊদ, হা/৪০৩১; ছহীহ বুখারী, হা/৩৪৫৬)
(৫) খ্যাতিসম্পন্ন ও আভিজাত্যের পোশাক থেকে বেঁচে থাকা (আবূ দাঊদ, হা/৪০২৯; ইবনু মাজাহ, হা/৩৬০৭)
(৬) পুরুষদের জন্য টাখনুর নিচে পরিধান করা থেকে কঠোরভাবে বেঁচে থাকা (ছহীহ বুখারী, হা/৫৭৮৪-৫৭৯১; আবূ দাঊদ, হা/৪০৮৪)
(৭) গেরুয়া রঙের পোশাক পরিধান না করা (নাসাঈ, হা/৫৩১৬-৫৩১৭; আবূ দাঊদ, হা/৪০৬৬; ইবনু মাজাহ, হা/৩৬০৩)। 

সঊদী আরবের স্থায়ী ফাতাওয়া কমিটির আলেমগণ বলেন, ‘প্রত্যেক মুসলিম নারী-পুরুষের ইসলামী আদর্শ, নৈতিকতা ও চরিত্র গঠনের প্রতি আগ্রহ-উৎসাহ প্রকাশ করা দরকার এবং তাদের আনন্দ, উৎসব, পোশাক, খাওয়া, পান করা এবং সমস্ত কিছুতেই ইসলামী রীতি-নীতি মেনে চলা অপরিহার্য এবং কাফিরদের সাদৃশ্যে এমন সংকীর্ণ পোশাক পরিধান করা অবৈধ, যা তাদের দেহের গোপনীয় বিষয়গুলোকে সংজ্ঞায়িত করে। অথবা এমন স্বচ্ছ পাতলা পোশাক পরিধান করা বৈধ নয়, যা গোপনাঙ্গগুলো আচ্ছাদিত করার পরিবর্তে আরো উন্মুক্ত করে। অথবা এমন স্বল্পায়তন বা অল্পায়তন পোশাক পরিধান করা অবৈধ, যা বক্ষদেশ, অথবা বাহুদ্বয়, অথবা গ্রীবা, অথবা মস্তিস্ক, অথবা মুখমণ্ডলকে আচ্ছাদিত করে না (ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ--দায়িমাহ, ৩/৩০৬-৩০৭ পৃ.)

শাইখ মুহাম্মাদ ইবনু ছালিহ আল-উছাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, যদি কোন মহিলা এমন পোশাক পরিধান করে যা পুরুষের জন্য নির্দিষ্ট (যেমন: ট্রাউজার, পায়জামা-পাজ্ঞাবি, প্যান্ট-শার্ট ইত্যাদি) তবে তা ছালাতের মধ্যে হোক কিংবা ছালাতের বাইরে উভয়াবস্থাতেই হারাম। অনুরূপভাবে স্ত্রীর জন্য জায়েয নয় স্বামীর পোশাক পরিধান করা, অথবা এর বিপরীত। বালিকার জন্য বালকের পোশাক পরিধান করা নাজায়েয। একইরকম পুত্রের জন্য পুত্রীর বস্ত্র পরিধান করা অবৈধ। কেননা এটাও সাদৃশ্যের অন্তর্ভুক্ত। আলেমগণ বলেন, পোশাকের ক্ষেত্রে ছোট-বড় সকলের জন্য একই বিধান (ফাতাওয়া নূরুন আলাদ দারব, ১১/১৮৮-১৯১ পৃ.)


প্রশ্নকারী : আশরাফ, বাড্ডা, ঢাকা।





প্রশ্ন (১০) : যদি কেউ কোন কথা আমানত রাখতে বলে আর  অন্য কেউ সেই বিষয় জানতে চায়, তাহলে ‘আমি জানি না’ বলা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩২) : ইক্বামতের সময় মুয়াজ্জিন যখন ‘হাইয়্যা আলাছ ছালাহ’ বলবে তখন মুক্তাদী কী বলবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮): ‘এ যুগে মুসলিমদের দরিদ্রতা, দুর্বলতা ও পিছিয়ে থাকার কারণ হচ্ছে- অর্থনৈতিক অগ্রগতির তুলনায় জনসংখ্যা বিস্ফোরণ ও অধিক জন্মহার’। এ কথাটির ব্যাপারে শারঈ হুকুম কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৭) : সাত আসমানে সাতজন মুহাম্মাদ (ﷺ) আছেন। এই দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : জুমু‘আর ছালাতের পর টাকা উঠানোর জন্য কৌটা চালানো কি বিদ‘আত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪০) : কোন ব্যক্তি যদি কুরআনের মুছহাফ ব্যতীত মুখস্থ কুরআন তেলাওয়াত করে, তাহলে তার জন্য এক হাযার মর্যাদার সমান নেকী রয়েছে। আর যদি মাছহাফে কুরআন পড়া মুখস্থ পড়ার চেয়ে দুই হাজার মর্যাদার সমান রয়েছে (ত্বাবারাণী, আল-জামেঊল কাবীর হা/৬০১)। বর্ণনাটি কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : যুহ্দ বা দুনিয়াবিমুখতা বলতে কী বুঝায়? তালি দেয়া, ছিঁড়া কাপড় পরা, প্রতিদিন ছিয়াম রাখা, সমাজ থেকে দূরে থাকা ইত্যাদি কি যুহ্দ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : পূর্বের সন্তান অথবা মায়ের স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণে গর্ভপাত করার বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : ছিয়াম অবস্থায় শ্বাসকষ্টের কারণে ইনহেইলার গ্রহণ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : তারতীলসহ কুরআন পাঠ করতে বলা হয়েছে। কিন্তু তারতীল কাকে বলে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : কখন এবং কোন্ দান সর্বোত্তম? দান কবুল হওয়ার প্রতিবন্ধকতাগুলো কী কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : যদি কোন ব্যক্তি কোন পাপ করে এবং সেই মুহূর্তে মনে করে বা অনুভব করে যে ‘এতে কোন দোষ নেই’, কিন্তু পরে বুঝতে পারে ও স্বীকার করে যে এটি আসলে পাপ ছিল- তাহলে এটি কি কুফরি হিসাবে গণ্য হবে? এবং এমন অবস্থার জন্য কীভাবে তাওবা (অনুতাপ) করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ