রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৫ পূর্বাহ্ন
উত্তর : ইসলাম পোশাকের ক্ষেত্রে কতিপয় মূলনীতি দিয়েছে। যেমন-
(১) শরী‘আত যা হারাম করেছে তা পরিধান করা যাবে না। যেমন পুরুষের জন্য রেশম, জীব-জন্তুর ছবিযুক্ত পোশাক ইত্যাদি (ছহীহ বুখারী, হা/৫৮২৮-৫৮৩৫)
(২) দেহের অবয়ব গোচরীভূত হয়, এমন পাতলা, ফিনফিনে ও আটোসাঁটো পোশাক পরিধান না করা (ছহীহ মুসলিম, হা/২১২৮, ৫৪৭৫)
(৩) নারী-পুরুষের ও পুরুষ-নারীর সাদৃশ্য পোশাক পরিধান না করা (ছহীহ বুখারী, হা/৫৮৮৫)
(৪) বিধর্মী ও বিজাতীয় পোশাক পরিধান না করা। কাফির, মুশরিক, নায়ক-নায়িকা ও গায়ক-গায়িকাদের আনুরূপ্য পোশাক পরিধান করা হারাম (আবূ দাঊদ, হা/৪০৩১; ছহীহ বুখারী, হা/৩৪৫৬)
(৫) খ্যাতিসম্পন্ন ও আভিজাত্যের পোশাক থেকে বেঁচে থাকা (আবূ দাঊদ, হা/৪০২৯; ইবনু মাজাহ, হা/৩৬০৭)
(৬) পুরুষদের জন্য টাখনুর নিচে পরিধান করা থেকে কঠোরভাবে বেঁচে থাকা (ছহীহ বুখারী, হা/৫৭৮৪-৫৭৯১; আবূ দাঊদ, হা/৪০৮৪)
(৭) গেরুয়া রঙের পোশাক পরিধান না করা (নাসাঈ, হা/৫৩১৬-৫৩১৭; আবূ দাঊদ, হা/৪০৬৬; ইবনু মাজাহ, হা/৩৬০৩)। 

সঊদী আরবের স্থায়ী ফাতাওয়া কমিটির আলেমগণ বলেন, ‘প্রত্যেক মুসলিম নারী-পুরুষের ইসলামী আদর্শ, নৈতিকতা ও চরিত্র গঠনের প্রতি আগ্রহ-উৎসাহ প্রকাশ করা দরকার এবং তাদের আনন্দ, উৎসব, পোশাক, খাওয়া, পান করা এবং সমস্ত কিছুতেই ইসলামী রীতি-নীতি মেনে চলা অপরিহার্য এবং কাফিরদের সাদৃশ্যে এমন সংকীর্ণ পোশাক পরিধান করা অবৈধ, যা তাদের দেহের গোপনীয় বিষয়গুলোকে সংজ্ঞায়িত করে। অথবা এমন স্বচ্ছ পাতলা পোশাক পরিধান করা বৈধ নয়, যা গোপনাঙ্গগুলো আচ্ছাদিত করার পরিবর্তে আরো উন্মুক্ত করে। অথবা এমন স্বল্পায়তন বা অল্পায়তন পোশাক পরিধান করা অবৈধ, যা বক্ষদেশ, অথবা বাহুদ্বয়, অথবা গ্রীবা, অথবা মস্তিস্ক, অথবা মুখমণ্ডলকে আচ্ছাদিত করে না (ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ--দায়িমাহ, ৩/৩০৬-৩০৭ পৃ.)

শাইখ মুহাম্মাদ ইবনু ছালিহ আল-উছাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, যদি কোন মহিলা এমন পোশাক পরিধান করে যা পুরুষের জন্য নির্দিষ্ট (যেমন: ট্রাউজার, পায়জামা-পাজ্ঞাবি, প্যান্ট-শার্ট ইত্যাদি) তবে তা ছালাতের মধ্যে হোক কিংবা ছালাতের বাইরে উভয়াবস্থাতেই হারাম। অনুরূপভাবে স্ত্রীর জন্য জায়েয নয় স্বামীর পোশাক পরিধান করা, অথবা এর বিপরীত। বালিকার জন্য বালকের পোশাক পরিধান করা নাজায়েয। একইরকম পুত্রের জন্য পুত্রীর বস্ত্র পরিধান করা অবৈধ। কেননা এটাও সাদৃশ্যের অন্তর্ভুক্ত। আলেমগণ বলেন, পোশাকের ক্ষেত্রে ছোট-বড় সকলের জন্য একই বিধান (ফাতাওয়া নূরুন আলাদ দারব, ১১/১৮৮-১৯১ পৃ.)


প্রশ্নকারী : আশরাফ, বাড্ডা, ঢাকা।





প্রশ্ন (২২) : জনৈক মহিলা বিয়ের সময় প্রায় ১২ ভরি স্বর্ণ পেয়েছিল। তার অন্য কোন আয় নেই। শুধু স্বামী কিছু হাত খরচ দেন। এক্ষণে ঐ স্বর্ণের যাকাত মহিলা নিজে দিবে, না তার স্বামী দিবেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪২) : রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সর্বশেষ যে খাবার খেয়েছেন, তার মধ্যে পেঁয়াজ ছিল অন্যতম। বর্ণনাটি কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : ‘তাক্বিয়া’ করা কোন্ ক্ষেত্রে হারাম? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : জিনেরা কি মানুষের ক্ষতি করতে পারে? কারীন জিন কি মানুষের সাথে থাকে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : ইসলাম প্রচারের জন্য দেশের বিভিন্ন প্রান্তে লিফলেট, হ্যান্ডবিল ইত্যাদি প্রচার করা হয়, যেখানে প্রচারকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান প্রভৃতি নিজস্ব পরিচিতি ও মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে থাকে। দাওয়াতী কাজের ক্ষেত্রে এরূপ পরিচয় দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : ‘আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী জান্নাতে প্রবেশ করবে না’ বলে হাদীছে উল্লেখ হয়েছে। প্রশ্ন হল- ইসলামের দৃষ্টিতে সে সব আত্মীয় কারা? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : আমি গরু মোটাতাজা করি। ছয় থেকে আট মাস পালন করে বিক্রি করি। প্রশ্ন হল- গরুর বর্তমান মূল্যের টাকা হিসাব করে যাকাত দিতে হবে, না-কি মূলধন টাকা হিসাব করে যাকাত দিতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : জনৈক মা তার সন্তানকে কারণে-অকারণে অভিশাপ দিয়ে থাকে। তাকে অভিশাপ দিতে নিষেধ করলেও শোনে না। এক্ষণে অভিশাপের ক্ষতি যেন সন্তানের জীবনে না আসে সেজন্য কী কারণীয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪০) : জনৈক বক্তা বলেন, আযরাঈলের ৭টি মুখ ও ৭টি মাথা আছে। একথা কি ঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : কেউ যদি এমন পাপ করে যার কারণে ঐ ব্যক্তির শাস্তি সরাসরি হত্যা। এমন ব্যক্তির তওবার সুযোগ আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : ইসলামে মৃত্যু সংবাদ প্রচার করা নিষেধ। কিন্তু ইদানিং অনলাইনে ব্যাপকভাবে ‘মৃত্যু সংবাদ’ প্রচার করা হয়। প্রশ্ন হল, অনলাইনে মৃত্যুসংবাদ প্রচার করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : পবিত্র কুরআনের সূরা ইবরাহীম এর ৩৪ নং আয়াতে মহান আল্লাহ তার নে‘মতের শুকরিয়া আদায় করার কঠিন নির্দেশ দিয়েছেন। সাথে সাথে একথাও বলেছেন যে, মানুষ অতিশয় যালিম এবং অকৃতজ্ঞ। প্রশ্ন হল- আমরা কিভাবে আল্লাহর নে‘মতের শুকরিয়া আদায় করব? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ