বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৫ পূর্বাহ্ন
উত্তর : এ জন্য শরী‘আতসম্মত উপায়ে ঝাড়ফুঁক করতে হবে। আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) বলেন, নবী (ﷺ) আমাকে বদ নযর থেকে বাঁচার জন্য ঝাড়-ফুক করার নির্দেশ দিতেন (ছহীহ বুখারী, ১০/১৭০; ছহীহ মুসলিম, হা/২১৯৫)। উম্মে সালমা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) বলেন, রাসূল (ﷺ) তার ঘরে এক মেয়ে শিশুর চেহারায় দাগ দেখে তিনি বলেছেন যে, তার চেহারায় বদ নযরের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। তাকে ঝাড়-ফুঁক করাও (ছহীহ বুখারী, ১/১৭১; ছহীহ মুসলিম, হা/৯৭)। সূরা ইখলাস, ফালাক, নাস, ফাতিহা, সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত এবং হাদীছে বর্ণিত দু‘আগুলো পড়ে রোগীকে ফুঁ দিতে হবে। তাহলে আশা করা যায়, আল্লাহ তা‘আলা এর সমস্যা থেকে মুক্তি দান করবেন।  নবী (ﷺ) হাসান ও হুসাইন (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে নিম্নের বাক্যগুলো দিয়ে ঝাড়-ফুঁক করতেন:

أُعِيْذُكُمَا بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّةِ مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ وَهَامَّةٍ وَمِنْ كُلِّ عَيْنٍ لَامَّةٍ

‘আমি তোমাদের উভয়কে আল্লাহর পূর্ণাঙ্গ কালামের আশ্রয়ে রাখতে চাই সব ধরণের শয়তান হতে, কষ্টদায়ক বস্তু হতে এবং সব ধরণের বদনযর হতে’। এরপর নবী (ﷺ) বলেন, তোমাদের পিতা (আলাইহিস সালাম) এই দু‘আ দ্বারা (তাঁর দুই সন্তান) ইসমাইল ও ইসহাক (আলাইহিস সালাম)-কে ঝাড়ফুঁক করতেন (আবূ দাঊদ, হা/৪৭৩৭)। আবূ সাঈদ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, জিবরীল (আলাইহিস সালাম) নবী (ﷺ)-এর কাছে এসে বললেন, ইয়া মুহাম্মদ! আপনি কি অসুস্থতা বোধ করছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তিনি (জিবরীল) বললেন: তখন তিনি তাঁকে নিম্নোক্ত দু‘আ পড়ে রুক্বইয়া করলেন:

بِاسْمِ اللهِ أَرْقِيْكَ مِنْ كُلِّ شَىْءٍ يُؤْذِيْكَ مِنْ شَرِّ كُلِّ نَفْسٍ أَوْ عَيْنِ حَاسِدٍ اللهُ يَشْفِيْكَ بِاسْمِ اللهِ أَرْقِيْكَ

‘আল্লাহর নামে আপনাকে ঝাড়-ফুঁক করছি- সে সব জিনিস থেকে, যা আপনাকে কষ্ট দেয়, সব প্রাণের অনিষ্ট কিংবা হিংসুকের বদ নযর থেকে আল্লাহ আপনাকে শিফা দিন; আল্লাহর নামে আপনাকে ঝাড়-ফুঁক করছি’ (ছহীহ মুসলিম, ২১৮৬)।


প্রশ্নকারী : আরীফুযযামান, নওগাঁ।





প্রশ্ন (১৩) : বগলের পশম ও নাভীর নিচের পশম কত দিন পর কাটতে হয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : সালাফী মানহাজ বলতে কী বুঝায়? সালাফীদের বৈশিষ্ট্য কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : হালাল হারামের তোয়াক্কা না করে অনেকেই মসজিদে দান করে এবং সেই দানের টাকা দিয়ে মসজিদ সংস্কার করা হচ্ছে। এমন মসজিদে ছালাত আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : জনৈক ব্যক্তি রাগের বশবর্তী হয়ে তার স্ত্রীকে বলে যে, আমার সাথে দেখা করলে কিংবা আমার সাথে কথা বললে ‘তুই আমার মা আর আমি তোর ছেলে’। তারা ভুল বুঝতে পেরে অনুতপ্ত। এক্ষণে তার করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : ফজরের পূর্বে দুই, যোহরের পূর্বে চার ও পরে দুই, মাগরিবের পরে দুই, এশার পরে দুই রাক‘আত দিনে রাতে মোট বার রাক‘আত ছালাতের ফযীলতের কথা আমরা জানি। আমার প্রশ্ন হল- কেউ যদি যোহরের আগের চার রাক‘আত ছালাত পরে আদায় করে তবে কি তিনি সেই ফযীলত পাবেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : যারা মিউজিক শুনে তাদের কানে উত্তপ্ত গলিত সীসা ঢেলে দেয়ার হাদীছটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : শরী‘আত কাকে বলে? হাদীছ কি শরী‘আতের দলীল? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : একজন বিবাহিত মহিলা এবং অবিবাহিত ছেলে যদি যেনা করে, তারপর সে ছেলে নিজের ভুল বুঝতে পেরে যদি তওবা করে। তার তাওবা কি কবুল হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : জনৈক আলেম বলেন, অতিরিক্ত কথা বলা মুনাফিকের লক্ষণ। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : ইহুদী-খ্রিষ্টান ও অন্য বিধর্মীরা কি উম্মতে মুহাম্মাদীর দলভুক্ত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮): হাদীছে শুধু সোনা ও রূপার নিছাব বর্ণিত হয়েছে। এমতাবস্থায় আমরা টাকার বা কাগুজে মুদ্রার নিছাব কিভাবে নির্ণয় করব, স্বর্ণের নিছাবের ভিত্তিতে, না-কি রৌপ্যের নিছাবের ভিত্তিতে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : জনৈক ব্যক্তি একটি ঘরে বসবাস শুরু করার পর থেকেই  বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়েছে। সেই সাথে আক্রান্ত হয়েছে আরো বড় বড় কয়েকটি মুছীবতে। এখন সে এই ঘরে বসবাস করাকে অমঙ্গল মনে করে। এই ধারণা করা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ