উত্তর : মধ্যস্থতাকারী হিসাবে হেডমিস্ত্রী লেবারদের নিকট থেকে কমিশন নিতে পারেন। এটা দোষনীয় নয়। কিন্তু প্রতারণা বা যুলম করা যাবে না। প্রকৃতপক্ষে মধ্যস্থতাকারী বলতে বুঝায়, বিক্রেতা এবং ক্রেতার মধ্যে মধ্যস্থতা করা। দালাল সেই ব্যক্তি যে বিক্রেতা এবং ক্রেতার মধ্যে মধ্যস্থতা করে বিক্রয় সম্পাদন করে। সে ক্রেতাকে পণ্যের দিকে নির্দেশ করে এবং বিক্রেতাকে দামের দিকে নির্দেশ করে (আল-মাউসূ‘আতুল ফিক্বহিয়্যাহ, ১০/১৫১ পৃ.)।
সঊদী আরবের স্থায়ী ফাতাওয়া কমিটিকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে, মধ্যস্থতাকারী হিসাবে চুক্তিকৃত কমিশন নেয়ার বিধান কী? এতে তার কোন পাপ হবে কি? উত্তরে তাঁরা বলেন, ‘যদি বর্ণিত অবস্থা সত্য হয়, তবে আপনার জন্য সেই কমিশন নেয়া জায়েয এবং তাতে কোন পাপ হবে না’ (ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়িমাহ, ১৩/১২৫-১৩১ পৃ.)। তবে তা হতে হবে নির্ধারিত এবং ইনছাফ ভিত্তিক (আল-মাওসূ‘আতুল ফিক্বহিয়্যাহ, ২৬/৬০ পৃ.)।
শাইখ ইবনে বায (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে, দোকান বা ফ্ল্যাট খুঁজে দেয় এমন ব্যক্তিকে কি দালালী হিসাবে বিনিময় প্রদান করা যাবে? উত্তরে তিনি বলেন, ‘এতে কোন সমস্যা নেই, কারণ এটি একটি পারিশ্রমিক। তবে শর্ত হল- এতে কোন ধরনের বিশ্বাসঘাতকতা বা প্রতারণা থাকবে না, বরং আমানতদারিতা ও সততার ভিত্তিতে কাজ করতে হবে। যদি তুমি সত্যবাদী হও এবং প্রার্থিত বস্তু খুঁজে দিতে আমানতদারীতা প্রদর্শন কর, যাতে কোন প্রতারণা বা যুলম না থাকে, না ভাড়াটিয়ার প্রতি না বাড়ির মালিকের প্রতি, তাহলে ইনশাআল্লাহ তুমি ভালো কাজ করছ’ (মাজমূঊ ফাতাওয়া ইবনে বায, ১৯/৩৫৮ পৃ.)।
প্রশ্নকারী : নূরুল ইসলাম, চারঘাট, রাজশাহী।