রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:১৩ অপরাহ্ন
উত্তর : কথাটি ডাহা মিথ্যা। শায়খ উছাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, শায়খুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন,

أن الكعبة كانت قبلة الأنبياء كلهم وأن اتجاه اليهود إلى بيت المقدس والنصارى إلى المشرق كان من جملة تحريفهم الذي حرفوا به دينهم

‘সমস্ত নবীর ক্বিবলাহ কা‘বা-ই ছিল, পরবর্তীতে ইয়াহুদীরা বাইতুল মাক্বদিছের দিকে এবং খ্রিস্টানরা পূর্ব দিকে পরিবর্তন করে ফেলে। যেমন, তারা তাদের ধর্মের অন্যান্য ক্ষেত্রেও পরিবর্তন ঘটিয়েছে’ (শায়খ মুহাম্মাদ ইবনু ছালিহ আল-উছাইমীন, তাফসীরুল কুরআনিল কারীম, সূরাতুল বাক্বারাহ-এ ২৮ নং আয়াতের ব্যাখ্যা দ্র.; যঃঃঢ়ং://িি.িধষধঃযধৎ.হবঃ/যড়সব/বংড়ঁহফ/রহফবী.ঢ়যঢ়?ড়ঢ়=পড়ফর্বাপড়রফ=৯১৭৫০)। আবূ জা‘ফর ইবুন জারীর (রাহিমাহুমুল্লাহ) বলেন,

بأن القبلة (الكعبة) هي قبلة إبراهيم، وقبلة الأنبياء من بعده، وأهل الكتاب يعرفون هذا، ومع هذا أحدثوا قبلة أخرى، كما سبق

‘কা‘বা হল ইবরাহীম (আলাইহিস সালাম)-এর ক্বিবলাহ এবং তাঁর পরবর্তী নবীগণেরও। আহলে কিতাবরা এটি জানত। তারপরেও তারা অন্য ক্বিবলাহ তৈরি করেছিল’ (তাফসীরুত্ব ত্বাবারী, ৩/১৮৭-১৮৮; তাফসীরে ইবনে কাছীর, ১/৪৬২ পৃ.)।

ইবনুল ক্বাইয়িম (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘আহলে কিতাবদের ক্বিবলা পরিবর্তন করার বিষয়টি অহীর বিধান বা আল্লাহ তা‘আলার নির্দেশ অনুযায়ী হয়নি। বরং তারা নিজেরাই পরামর্শ করে করেছে। আল্লাহ তা‘আলা কখনো ইঞ্জিল বা অন্য কোথাও খ্রিস্টানদেরকে পূর্ব দিকে ক্বিবলা নির্ধারণ করার আদেশ দেননি। অনুরূপভাবে আল্লাহ তা‘আলা তাওরাত বা অন্য কোথাও ইয়াহুদীদেরকে ‘ছখরাহ আল-বাত্তাহ’-এর দিকে ক্বিবলাহ নির্ধারণ করার আদেশ দেননি। বরং তারা নিজেরাই সেদিকে মুখমণ্ডল করে ছালাত আদায় করত’ (আল-বাদাঈয়ু ওয়াল ফাওয়াঈদ, ৪/১৬০৫ পৃ.)। শায়খ তাহির ইবনু ‘আশূর (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘জেনে রাখুন, ইয়াহুদীরা বাইতুল মাক্বদিসকে নিজেদের প্রবৃত্তি অনুযায়ী ক্বিবলাহ বানিয়েছে। তাদের দ্বীনে এ সম্পর্কে কোন নির্দেশনা নেই। তাওরাতের কোন খণ্ডে এর প্রমাণ পাওয়া যায় না’ (আত-তাহরীর ওয়াত তানভীর, ২/৯-১০ পৃ.)।


প্রশ্নকারী : খালেদ আহমাদ, ঢাকা।





প্রশ্ন (১) : জনৈক আলেম বলেন, মিশরের জাদুঘরে ফের‘আউনের লাশ বলে যা রাখা হয়েছে, সেটা ফেরাউনের লাশ নয়। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : হরতাল, ধর্মঘট, অবরোধ ইসলামের দৃষ্টিতে বৈধ কি? কিছু ইসলামী সংগঠন বলছে, গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় এরূপ জিহাদ ব্যতীত অন্য কোন পথ খোলা নেই। এক্ষেত্রে শরী‘আতের বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : ইমু, মেসেঞ্জার বা অনলাইনে কারো সাথে কথা বলা শেষ হলে বৈঠক ভঙ্গের দু‘আ পড়লে বিদ‘আত হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : ‘দেশ প্রেম ঈমানের অঙ্গ’ মর্মে প্রচলিত কথা কি ছহীহ হাদীছ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : স্বামী স্ত্রীর মধ্যে কোন একজন কাফের কিংবা মুরতাদ হলে অপরজনের করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লা-হু’ কিভাবে তাওহীদের সকল প্রকারকে অন্তর্ভুক্ত করে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : হাইস্কুলে মহিলা এবং পুরুষ স্টাফদের বসার পৃথক কোন ব্যবস্থা নেই। উভয়কে এক রুমে বসতে হয় এবং মহিলা স্টাফদের সাথে প্রয়োজনে কথাও বলতে হয় এবং তাকাতেও হয়। এটা কি শরী‘আতসম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : হাদীছ থেকে জানা যায় যে, তিন শ্রেণীর মুসলিমদের হত্যা করা যায়। ১. বিবাহিত অবস্থায় যেনা করা ব্যক্তি, ২. হত্যার প্রতিশোধ বা ক্বিছাছের হত্যা, ৩. যারা জাম‘আত থেকে বের হয়ে যাবে। প্রশ্ন হল, হাদীছটি কি ছহীহ? আর জামা‘আত বলতে কী বুঝানো হয়েছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৯) : জনৈক বক্তা বলেন, যে বান্দা রামাযানের ছিয়াম পালন করে তার সাথে প্রত্যেক দিন তাঁবুতে সুরক্ষিত হুরদের মধ্য হতে একজনকে বিবাহ দিয়ে দেন। প্রত্যেক স্ত্রীর সাথে ৭০টি দামী কাপড় থাকবে। প্রত্যেকটির রং হবে পৃথক পৃথক। তাকে ৭০ প্রকারের সুগন্ধিযুক্ত রং দেয়া হবে। এক রঙের সাথে অন্য রঙ মিলবে না। প্রত্যেকেই বসে থাকবে হীরার খাটে, যাতে মুক্তা দ্বারা বিন্যস্ত করা থাকবে ৭০টি বিছানা, যার আস্তর থাকবে রেশমের। ৭০টি বিছানার উপর থাকবে ৭০টি পালঙ্ক। প্রত্যের স্ত্রীর জন্য থাকবে ৭০ জন্য সেবিকা, যারা তার সেবা করবে। আর ৭০ জন সেবিকা থাকবে তার সাথে মুলাক্বাতের জন্য। আর প্রত্যেক সহচরের সাথে থাকবে অনেক সম্ভ্রান্ত সাথী। জান্নাতে স্বর্ণের পাত্র থাকবে তাতে বিভিন্ন রঙের খাবার থাকবে। প্রথম যে স্বাদ পাওয়া যাবে শেষেও সে স্বাদ পাওয়া যাবে। আর তার স্বামীকেও অনুরূপ লাল হীরার খাট দেয়া হবে, যার উপর দু’টি স্বর্ণের বালা থাকবে, যা বিন্যস্ত থাকবে লাল হীরা দ্বারা। এটা রামাযানের প্রত্যেক দিন ছিয়াম পালনকারীর জন্য, অন্য নেক আমলের জন্য নয় (ত্বাবারাণী, আল-মু‘জামুল কাবীর হা/৯৬৭)। উক্ত বর্ণনা কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : ‘যারা এই দুনিয়ায় অন্ধ তারা আখেরাতেও অন্ধ থাকবে’ দ্বারা কী বুঝানো হয়েছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : সহবাস করার পর যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ফজরের ছালাত দেরিতে পড়া হয়, তাহলে কি ছালাত হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৫) : ‘জুমু‘আহ মুবারক’- বলা কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ