শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০১:৫০ অপরাহ্ন
উত্তর : যাদু, জ্যোতিষশাস্ত্র, গণক, মিথ্যা সম্বলিত, বিদ‘আতীমূলক, কুফরীমূলক ও বিভ্রান্তিকর গ্রন্থসমূহ বিনষ্ট করা বা আগুনে পুড়িয়ে ফেলা অপরিহার্য। মুসলিমদের উচিত এ সম্পর্কে ভয় করা এবং কুফরীমূলক গ্রন্থসমূহ ক্রয়-বিক্রয় না করা। কারণ এর মধ্যে কোন কল্যাণ নেই। তাই একে ধ্বংস করা অপরিহার্য (আল-মাজমূঊ লিন নববী, ৯/২৫৩; ফাতাওয়া নূরুন আলাদ র্দাব, ১/১৯৪ পৃ.; ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-১৫২১৯২)। ইমাম ইবনুল ক্বাইয়িম (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, لا ضمان في تحريق الكتب المضلة وإتلافها ‘বিভ্রান্তিকর গ্রন্থসমূহ পুড়িয়ে ফেললে বা বিনষ্ট করলে কোন কৈফিয়ত তলব করা হবে না’ (ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-১৫২১৯২)।

আবূ বকর আল-মাররুযিয়্যু (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘আমি ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বাল (রাহিমাহুল্লাহ)-কে বললাম, আমি একটি বই ধার স্বরূপ নিয়েছি, যার মধ্যে কিছু নিকৃষ্ট, খারাপ, বাজে জিনিস আছে। এ সম্পর্কে আপনার মতামত কী? আমি সেটাকে ছিঁড়ে বিনষ্ট করব, না-কি আগুনে পুড়িয়ে ফেলব? উত্তরে তিনি বললেন, হ্যাঁ, তুমি সেটাকে আগুনে পুড়িয়ে ফেলো’ (আস-সুন্নাহ, ৩/৫১০; আল-আদাবুশ শারঈয়্যাহ, ১/২২৯)। ‘নবী (ﷺ) উমার ফারুক্ব (ﷺ)-এর হাতে একটি গ্রন্থ দেখতে পেলেন, যা তিনি তাওরাত থেকে লিখেছিলেন এবং সেটি কুরআনের সঙ্গে মিলে যাওয়ায় তিনি খুব খুশি হয়েছিলেন। এটি দেখে রাসূল (ﷺ)-এর চেহারা বিবর্ণ হয়ে গেল। সঙ্গে সঙ্গে উমার ফারুক্ব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) একটি চুলার কাছে গিয়ে সেটিকে নিক্ষেপ করলেন’ (ইরওয়াউল গালীল, হা/১৫৮৯; মুসনাদে আহমাদ, ৩/৩৮৭; আস-সুন্নাহ, ১/২৭; শারহুস সুন্নাহ, ১/২৭০; ইবনু আবী শাইবাহ, ৫/৩১৩; শু‘আবুন লিল বাইহাক্বী, ১/৭৭ পৃ.)। তাহলে একবার ভেবে দেখুন তো! তাঁর মৃত্যুর পর কুরআন ও ছহীহ হাদীছের সঙ্গে সাংঘর্ষিক যে সমস্ত গ্রন্থ লেখা হয়েছে, সেগুলো তিনি দেখতে পেলে কী করতেন? (ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-১৫২১৯২)। মদের পাত্র, গান-বাজনার সামগ্রী যেমন ভেঙে ফেলা দোষনীয় নয়, ঠিক তেমনি এই সমস্ত গ্রন্থ পুড়িয়ে ফেলা বা বিনষ্ট করাও দোষনীয় নয়। বরং এটি অধিক উত্তম। কারণ এর ক্ষতি ঐ সমস্ত সামগ্রীর ক্ষতির তুলনায় অধিক ভয়াবহ! (আত-তুরুকুল হুকমিয়্যাহ ফিস সিয়াসাতিশ শারঈয়্যাহ, পৃ. ৩২২)।


প্রশ্নকারী : মুহাম্মাদ নাঈম ইসলাম, বরিশাল।





প্রশ্ন (২৩) : আপ্যায়নের উদ্দেশ্যে কাকে দাওয়াত দেয়া বেশি উত্তম? আলেমগণকে, না গরীব-মিসকীনদেরকে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : জিন এবং মানুষের ইবাদতের পার্থক্য কী? জিন জাতির উপরও কি ছালাত, ছিয়াম, হজ্জ, যাকাত ইত্যাদি ইবাদতগুলো মানুষের মতই ফরয? তাদের ইবাদতের ধরণ কেমন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : আমার নিকটাত্মীয় একজনকে অভিশাপ দিয়ে ফেলেছে। আমি জানি যাকে অভিশাপ দেয়া হয়েছে তিনি তার উপযুক্ত না। আমি তাকে অনেক বুঝিয়ে কনভিন্স করেছি। সে অনুতপ্ত। এখন আমি তাকে কী আমল করতে বলব যাতে এই অভিশাপ থেকে মুক্ত হয়ে যায়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : কখন রসিকতা করা জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : হজ্জের নিয়ত করার পর যদি কোন কারণে সে বছর হজ্জ করা সম্ভব না হয়, তাহলে পাপ হবে কি এবং এজন্য কাফ্ফারা দিতে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : বিধর্মীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে বিভিন্ন দোকানে ডিসকাউন্ট দিয়ে থাকে। এ ধরণের ডিসকাউন্টে পণ্য ক্রয় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : মহিলার পেটে বাচ্চা থাকলে কি ত্বালাক্ব পতিত হয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : সন্তানের নাম রাফি, রাব্বি, আবুল কাশেম, মীম, নুন, আলিফ, বাদশা রাখা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : তাহাজ্জুদ বা তারাবীহর মত নফল ছালাতে কুরআন দেখে দেখে পড়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : মহিলারা কৃত্রিম নখ, চোখের পাপড়ি ও কালারড লেন্স ব্যবহার করতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : আমার ছেলে ঘরের ফ্লোরে বাথরুম করে কমোডে বসতে পারে না। তখন আমি বাচ্চাদের টিস্যু দিয়ে ফেলে দেই আর পরিষ্কার করে দেই। এখন সেই মেজেতে কি ছালাত পড়া যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : প্রতিবেশীরা বিভিন্ন হারাম কাজের সঙ্গে জড়িত। তাদের কিছু হালাল উপার্জন থাকলেও তা হারাম মিশ্রিত। তারা অনেক সময় খাবার হাদিয়া পাঠায়। কিন্তু সেটা হালাল না হারাম থেকে দিয়েছে তা বুঝা যায় না। তাদের দেয়া উক্ত খাবার খাওয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ