রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০১:০০ অপরাহ্ন
উত্তর : বৃষ্টি প্রার্থনা ও বন্ধের জন্য হলে জুমু‘আর খুতবা চলাকালীন হাত তুলে দু‘আ করা শরী‘আতসম্মত। আনাস ইবনু মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর যুগে একবার লোকেরা অনাবৃষ্টিতে পতিত হল। সে সময় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একবার মিম্বারে দাঁড়িয়ে জুমু‘আর খুৎবা দিচ্ছিলেন। তখন এক বেদুঈন দাঁড়িয়ে বলল, ‘হে আল্লাহ রাসূল (ﷺ)! (অনাবৃষ্টিতে) ধন সম্পদ বিনষ্ট হয়ে যাচ্ছে। পরিবার পরিজন ক্ষুধার্ত। আপনি আল্লাহর কাছে দু‘আ করুন, তিনি যেন আমাদের বৃষ্টি দান করেন। তখন রাসূল (ﷺ) (দু‘আর জন্য) তাঁর দু’হাত তুললেন। সে সময় আকাশে একখণ্ড মেঘও ছিলনা। বর্ণনাকারী বলেন, হঠাৎ পাহাড়ের মত বহু মেঘ একত্রিত হল। রাসূল (ﷺ) মিম্বার থেকে অবতরনের পূর্বে বৃষ্টি শুরু হল। এমনকি আমি দেখলাম, নবী (ﷺ)-এর দাঁড়ি বেয়ে বৃষ্টির পানি ঝরছে। বর্ণনাকারী আরো বলেন সেদিন, তার পরের দিন, তার পরবর্তী দিন এবং পরবর্তী জুমু‘আহ পর্যন্ত বৃষ্টি হল...’ (ছহীহ বুখারী, হা/৯৭৬; ছহীহ মুসলিম, হা/১৯৫২)।
রাবী বলেন, তখন উক্ত গ্রাম্য ব্যক্তি অথবা অন্য এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললা, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! (বৃষ্টির আধিক্য হেতু) ঘর-বাড়ী তো ধীরে ধীরে বিধবস্ত হয়ে যাচ্ছে এবং গবাদী পশুগুলো ডুবে যাচ্ছে। অতএব আপনি আমাদের জন্য আল্লাহর সমীপে দু‘আ করুন। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তার হস্তদ্বয় উঠালেন এবং বললেন, হে আল্লাহ! আপনি আমাদের আশে পাশে বৃষ্টি বর্ষণ করুন, আমাদের উপরে নয়। তিনি তার হাত দ্বারা মেঘমালার কোন খণ্ডের দিকে ইশারা করতেই তা এমনভাবে বিক্ষিপ্ত হয়ে গেল যাতে মদীনার (আকাশ) একটি বড় গর্তের মত দেখাচ্ছিল। (অর্থাৎ মদীনার আকাশের চতুষ্পার্শে মেঘমালা এমনভাবে বিস্তৃত হলো যে, মদীনা বরাবর আকাশ একটি গোলাকার গর্তের ন্যায় মেঘমুক্ত হলো এবং মাঠে ময়দানে বৃষ্টির পানি প্রবাহিত হচ্ছিল আর মদীনার আশ-পাশ থেকে যারাই আসছিল তারাই বৃষ্টির আধিক্যের সংবাদ দিচ্ছিল (ছহীহ বুখারী, হা/৯৯৩; ছহীহ মুসলিম, হা/১৯৫৫)।


প্রশ্নকারী : সুফিয়ান, দিঘড়ী, সামশেরগঞ্জ, মুর্শিদাবাদ, ভারত।





প্রশ্ন (২৮) : হেজবুত তাওহীদ কী? তাদের আক্বীদা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : ত্বালাক্বপ্রাপ্তা স্ত্রীকে অন্যের কাছে রেখে হালালা করা কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : কার সাথে আমার বিয়ে হবে এটা কি পরিবর্তনশীল, না-কি নির্ধারিত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : যাদের ঈমান নেই তারাতো চিরকাল জাহান্নামে থাকবে আবার যারা জান্নাতে থাকবে তারাও চিরকাল থাকবে। জাহান্নামের শাস্তিতো অসহনীয় তাহলে জাহান্নামিরা এই শাস্তি অনন্তকাল কীভাবে ভোগ করবে? আল্লাহতো চিরস্থায়ী সত্তা তাহলে জান্নাত-জাহান্নামও চিরস্থায়ী হলে আল্লাহর বিশেষত্ব কোথায়? না-কি এমন হতে পারে অনেক দীর্ঘকাল পরে জান্নাত-জাহান্নামও ধ্বংস হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : ‘মদ পান করলে ৪০ দিন ছালাত কবুল হয় না’  মর্মে বর্ণিত কথার সত্যতা কতটুকু? আর এ কথা কি ঠিক যে, ‘মদ-গাঁজা সেবন করলে চল্লিশ দিন শরীর অপবিত্র থাকে’?  - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬): ‘সূরা আল-ফাতিহা সকল রোগের আরোগ্য’ মর্মে বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : হারাম পথে উপার্জিত সম্পদ দ্বারা হজ্জ করলে হজ্জ হবে কি? সন্তানের হারাম পথে উপার্জিত অর্থ দিয়ে পিতা-মাতা হজ্জ করতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭): আব্দুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে প্রশ্ন করা হয়, রাসূল (ﷺ)-এর ছাহাবীগণ কি হাসতেন? তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ। তবে তাঁদের অন্তরে ঈমান ছিল পাহাড়ের চেয়ে বড়’ (আল-মাউসূ‘আতুল কুবরা, ৩১/১৯৩)। বর্ণনাটি কী ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : কুরআন যেমন আল্লাহর কালাম অনুরূপ হাদীছের ক্ষেত্রে আমাদের আক্বীদা কেমন হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : যেসব ইয়াতীম খানা এবং মাদরাসায় বিদ‘আতী কর্মকাণ্ড চলে, বিদ‘আতী শিক্ষক দ্বারা পাঠদান হয়। এমন প্রতিষ্ঠানগুলো আর্থিক সাহায্য চাইলে কি সাহায্য করা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : এক মসজিদের সভাপতি বলেছেন, আমার মসজিদের আশে পাশে সব মানুষ সালাফী নয়। তাই উনি সালাফী, দেওবন্দী, জামা‘আতী সবাইকে দিয়ে খুৎবা দেওয়ান। কেউ দাঁড়িয়ে খুতবাহ দেন, কেউ বসে দেন। সভাপতি বলেন, এটা দাওয়াতের হিকমাহ। এক্ষেত্রে সালাফদের নীতি কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : ‘ওশর’ শব্দের অর্থ কী? কৃষিপণ্যের যাকাতের নিছাব ও পরিমাণ কত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ