রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৮ পূর্বাহ্ন
উত্তর : কিছু কিছু ক্ষেত্রে সাময়িক সত্য গোপন করা যায়। যেমন আল্লাহ বলেন, ‘মুমিনগণ যেন মুমিনদেরকে ছাড়া কাফেরদেরকে অভিভাবক বা অন্তরঙ্গ বন্ধুরূপে গ্রহণ না করে। যে কেউ এরূপ করবে, তার সাথে আল্লাহর কোন সম্পর্ক থাকবে না। তবে ব্যতিক্রম, যদি তোমরা তাদের কাছ থেকে কোন ভয়ের আশঙ্কা কর (তাহলে আত্মরক্ষার জন্য বৈধ কৌশল অবলম্বন করতে পার)। আর আল্লাহ তাঁর নিজের সম্বন্ধে তোমাদেরকে সাবধান করছেন এবং আল্লাহর দিকেই তোমাদের প্রত্যাবর্তন (সূরা আলে ‘ইমরান : ২৮)।

উক্ত আয়াতের ব্যাখ্যায় ইমাম ইবনু কাছীর (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘আল্লাহ তা‘আলা ঐ লোকদেরকে অনুমতি দিয়েছেন, যারা কোন শহরে কোন সময় অবিশ্বাসীদের অনিষ্ট হতে রক্ষা পাওয়ার উদ্দেশ্যে সাময়িকভাবে তাদের সঙ্গে মৌখিক বন্ধুত্ব স্থাপন করে, কিন্তু তাদের প্রতি আন্তরিক ভালোবাসা রাখে না। আবূ দারদা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, ‘কোন কোন গোত্রের সাথে আমরা প্রশস্ত মানসিকতা নিয়ে মিলিত হই, কিন্তু আমাদের অন্তর তাদের প্রতি অভিশাপ দেয়। ইবনু আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, ‘শুধু মুখে বন্ধুত্ব প্রকাশ করতে হবে, কিন্তু কাজে-কর্মে এরূপ অবস্থাতেও কখনও তাদের সহযোগিতা করা যাবে না’ (তাফসীর ইবনু কাছীর, ২য় খণ্ড, পৃ. ৩০; মাওযূ‘আতুল ফিক্বহিয়াহ আল-কুয়েতিয়া, ১৩তম খণ্ড, পৃ. ১৮৬-১৮৭)।

অন্যত্র আল্লাহ বলেন, ‘কেউ বিশ্বাস স্থাপন করার পরে আল্লাহকে অস্বীকার করলে এবং কুফরীর জন্য হৃদয় উন্মুক্ত রাখলে তার উপর আপতিত হবে আল্লাহর ক্রোধ এবং তার জন্য রয়েছে মহাশাস্তি, তবে তার জন্য নয়, যাকে কুফরী করতে বাধ্য করা হয়েছে, অথচ তার অন্তরে ঈমান অবিচল’ (সূরা আন-নাহল : ১০৬)।

উক্ত আয়াতের অর্থ এই নয় যে, প্রাণ বাঁচানোর জন্য কুফরী কথা বলা বাঞ্ছনীয়। বরং এটি নিছক একটি ‘রুখছাত’ তথা সুবিধা দান ছাড়া আর অন্য কিছুই নয়। যদি অন্তরে ঈমান অক্ষুণ্ন রেখে মানুষ বাধ্য হয়ে এ ধরনের কথা বলে, তাহলে তাকে কোন জবাবদিহির সম্মুখীন হতে হবে না।


প্রশ্নকারী : আব্দুল্লাহ হাসনাত, কিশোরগঞ্জ।




প্রশ্ন (২৬) : ছালাতে মাঝে মধ্যে রুকূতে সিজদার তাসবীহ অথবা সিজদাতে রুকূ-র তাসবীহ পড়ে ফেলি। রুকূ‘-সিজদাহ সম্পূর্ণ হওয়ার পর মনে পড়ে আমি ভুল করেছি। এই ক্ষেত্রে করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : ‘দাসী তার মুনিবকে জন্ম দিবে’ হাদীছটির ব্যাখ্যা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৪) : প্রচলিত আছে যে, সমাজের কেউ ই‘তিকাফ না করলে সবাই পাপী হবে। উক্ত কথা কোন ভিত্তি আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : বিশেষ ফযীলত মনে করে নির্দিষ্ট করে শুধুই ১৫ই শা‘বান ছিয়াম পালন করা যাবে কি? শা‘বান মাসে ছিয়াম পালনের বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : পিতা-মাতার জন্য কুরআনে বর্ণিত দু‘আ ‘রব্বির হামহুমা কামা রব্বায়ানি ছগীর’ রয়েছে। কিন্তু মৃত আত্মীয়-স্বজন বা মৃত কোন মুসলিম ব্যক্তির জন্য আরবীতে কোন দু‘আ আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : নবী (ﷺ) বলেছেন, ‘ইলমের আধিক্য আমার কাছে ইবাদতের আধিক্যের চেয়ে প্রিয়। আর তোমাদের সর্বোত্তম দ্বীন হলো পরহেযগারিতা’ (মুসনাদুল বাযযার, হা/২৯৬৯; হাকিম, হা/৩১৪)। হাদীছটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : ‘চিরস্থায়ী জাহান্নামী’-এর অর্থ কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৭) : স্বামী তার স্ত্রীকে বলেছে, তার মায়ের প্রতিটি কথা মেনে চলতে হবে। কিন্তু শাশুড়ি চান যে, তার ছেলের বউ তার দেবর, চাচা, চাচাতো ভাই, খালাত ভাই সবার সাথেই সাধারণভাবেই চলুক। এক্ষেত্রে স্ত্রীর করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : অনার্স পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে দুপুর ১টা থেকে চার ঘণ্টা। এমতাবস্থায় কিভাবে যোহরের ছালাত আদায় করতে হবে? এই ওজরে কি ছালাত পিছিয়ে আছরের সাথে আদায় করা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৫) : পূর্ববর্তী কিতাবগুলো ছহীফা আকারে নাযিল হয়েছিল। এগুলো কি আল্লাহর কালাম? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : স্ত্রীকে ছালাত আদায় করার জন্য বললে সে ছালাত আদায় করে না। তাতে কি আমার পাপ হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : সন্তানের খাৎনা করার সময় মুখে ক্ষীর দেয়া হয়, অনুষ্ঠান করা, গানবাজনা করা এবং গোসল দেয়ার সময় চারপাশে পান রাখা কি শরী‘আত সম্মত?

ফেসবুক পেজ