শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০১:৪৯ অপরাহ্ন
উত্তর : কথাটি সঠিক নয়। শায়খ উছাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, শায়খুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন,

أن الكعبة كانت قبلة الأنبياء كلهم وأن اتجاه اليهود إلى بيت المقدس والنصارى إلى المشرق كان من جملة تحريفهم الذي حرفوا به دينهم

‘সমস্ত নবীর ক্বিবলাহ কা‘বা-ই ছিল, পরবর্তীতে ইয়াহুদীরা বাইতুল মাক্বদিছের দিকে এবং খ্রিস্টানরা পূর্ব দিকে পরিবর্তন করে ফেলে। যেমন, তারা তাদের ধর্মের অন্যান্য ক্ষেত্রেও পরিবর্তন ঘটিয়েছে’ (শায়খ মুহাম্মাদ ইবনু ছালিহ আল-উছাইমীন, তাফসীরুল কুরআনিল কারীম, সূরাতুল বাক্বারাহ-এ ২৮ নং আয়াতের ব্যাখ্যা দ্র.; https://www.alathar.net/home/esound/index.php?op=codevi&coid=91750)। আবূ জা‘ফর ইবুন জারীর (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন,

بأن القبلة (الكعبة) هي قبلة إبراهيم، وقبلة الأنبياء من بعده، وأهل الكتاب يعرفون هذا، ومع هذا أحدثوا قبلة أخرى، كما سبق

‘কা‘বা হল ইবরাহীম (আলাইহিস সালাম)-এর ক্বিবলাহ এবং তাঁর পরবর্তী নবীগণেরও। আহলে কিতাবরা এটি জানত। তারপরেও তারা অন্য ক্বিবলাহ তৈরি করেছিল’ (তাফসীরুত্ব ত্বাবারী, ৩/১৮৭-১৮৮; তাফসীরে ইবনে কাছীর, ১/৪৬২ পৃ.)।

ইবনুল ক্বাইয়িম (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘আহলে কিতাবদের ক্বিবলা পরিবর্তন করার বিষয়টি অহীর বিধান বা আল্লাহ তা‘আলার নির্দেশ অনুযায়ী হয়নি। বরং তারা নিজেরাই পরামর্শ করে করেছে। আল্লাহ তা‘আলা কখনো ইঞ্জিল বা অন্য কোথাও খ্রিস্টানদেরকে পূর্ব দিকে ক্বিবলা নির্ধারণ করার আদেশ দেননি। অনুরূপভাবে আল্লাহ তা‘আলা তাওরাত বা অন্য কোথাও ইয়াহুদীদেরকে ‘ছখরাহ আল-বাত্তাহ’-এর দিকে ক্বিবলাহ নির্ধারণ করার আদেশ দেননি। বরং তারা নিজেরাই সেদিকে মুখমণ্ডল করে ছালাত আদায় করত’ (আল-বাদাঈয়ু ওয়াল ফাওয়াঈদ, ৪/১৬০৫ পৃ.)। শায়খ তাহির ইবনু ‘আশূর (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘জেনে রাখুন, ইয়াহুদীরা বাইতুল মাক্বদিসকে নিজেদের প্রবৃত্তি অনুযায়ী ক্বিবলাহ বানিয়েছে। তাদের দ্বীনে এ সম্পর্কে কোন নির্দেশনা নেই। তাওরাতের কোন খণ্ডে এর প্রমাণ পাওয়া যায় না’ (আত-তাহরীর ওয়াত তানভীর, ২/৯-১০ পৃ.)।


প্রশ্নকারী : আব্দুর রহমান, গাযীপুর।




প্রশ্ন (২৭): ভাইয়ের স্ত্রীর সাথে কথা বলা এবং তার দিকে তাকানো কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : ঈদুল আযহার চাঁদ দেখা দিলে, আক্বীক্বার জন্য পশু যব্হ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : দ্রুত আয়-উপার্জনের জন্য কি কোন আমল আছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : ‘যে ব্যক্তি প্রত্যেক রাতে সূরা আল-ওয়াক্বি‘আহ পড়বে, সে কখনো অভাবের মধ্যে পড়বে না। ইবনু মাসঊদ (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) তার মেয়েদেরকে প্রত্যেক রাতে উক্ত সূরা পড়তে বলতেন (বায়হাক্বী, শু‘আবুল ঈমান, হা/২৪৯৮; মিশকাত, হা/২১৮১)। বর্ণনাটির তাহক্বীক্ব জানতে চাই। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : ইসলামী বইপুস্তক যেমন- ফিক্বহ, আক্বীদা, তাফসীর ইত্যাদি বিষয়ক বইপুস্তকের উপর অন্য কোন জিনিসপত্র রাখা কিংবা ইসলামী বইপুস্তক একটার উপর আরেকটি রাখার ব্যাপারে আলেমগণের বক্তব্য কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : খুলা ত্বালাক্বের কোন ইদ্দত আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : ঘরে সূরা আল-বাক্বারাহ তেলাওয়াত করলে শয়তান বিতাড়িত হয়। এ কথা কি ছহীহ হাদীছ দ্বারা প্রমানিত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৮) : দীর্ঘ ৪/৫ বছর ধরে দুই বোনের মধ্যে কোন সম্পর্ক নেই। কারণ এক বোনের ছেলেরা তার মাকে তাদের খালার সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে নিষেধ করেছিল। কিন্তু বর্তমানে তারা আবার সম্পর্ক রাখতে চায়। কিন্তু সমস্যা হল- অন্য বোনের মেয়েরা তার মাকে বলছে যে, খালা তার ছেলেদের কথায় আমাদের সাথে সম্পর্ক রাখেননি এখন তুমিও খালার সাথে সম্পর্ক রাখবে না। কিন্তু তিনি তার বোনের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে চাচ্ছেন না। তখন তার মেয়েরা বলছে, হয় খালার সাথে সম্পর্ক রাখতে হবে, না হয় মেয়েদের সাথে। এই বলে মেয়েরা মায়ের উপর রাগ করে দীর্ঘদিন কথা বলে না। প্রশ্ন হল- মেয়েরা কী ধরনের গুনাহ করছে? এই ক্ষেত্রে মায়ের করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : হাদীছে এসেছে যে, কোন ব্যক্তি যদি সূরা বাক্বারাহ পড়ে তাহলে তার ঘরে শয়তান প্রবেশ করে না। কিন্তু সূরাটি যদি মোবাইল বা কম্পিউটারে বাজানো হয় তাহলে কি এই ফযীলত পাওয়া যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : ইসলামী শরী‘আতে কৃপণতার সীমারেখা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : ইসলামের দৃষ্টিতে আদর্শ পোশাকের বৈশিষ্ট্য কেমন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : কোন বিধবা কিংবা ডিভোর্সি মহিলা কি তার অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া বিয়ে করতে পারবে? যদি বিয়ে করে ফেলে, তাহলে সে বিয়ে কি সঠিক হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ