রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:১২ অপরাহ্ন
উত্তর : আহলে কিতাবদের যব্হকৃত পশুর মাংস খাওয়া হালাল। শায়খুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ বলেন, ‘দু’টি শর্তসাপেক্ষে আহলে কিতাব অর্থাৎ ইয়াহুদী ও খ্রিষ্টানদের যব্হকৃত পশুর গোশত খাওয়া হালাল। প্রথম শর্ত : মুসলিমদের ন্যায় শারঈ পদ্ধতিতে বিসমিল্লাহ বলে খাদ্যনালী, শ্বাসনালী ও গলা কেটে রক্ত প্রবাহিত করে যব্হ করতে হবে। যদি আহলে কিতাবরা শ্বাসরোধ করে অথবা বিদ্যুত শকের মাধ্যমে অথবা পানিতে ডুবিয়ে হত্যা করে, তাহলে তাদের জব্হকৃত পশুর গোশত হালাল হবে না। এমনকি মুসলিমরাও যদি ঐ পদ্ধতিতে যব্হ করে, তাহলে তাদেরও জব্হকৃত গোশত খাওয়া হালাল হবে না। দ্বিতীয় শত : আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো নামে যব্হ করবে না। যেমন মাসীহ বা অন্য কারো নামে। কেননা অন্য কারো নামে যব্হ করলে তা খাওয়া হালাল হবে না। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘যার উপর যব্হকালে আল্লাহর নাম নেয়া হয়নি, তোমরা তা ভক্ষণ কর না। কেননা তা পাপ’ (সূরা আল-আন‘আম : ১২১)।

অন্যত্র তিনি বলেন, ‘নিশ্চয় (আল্লাহ) তোমাদের জন্য মৃত জীব, রক্ত, শূকরের মাংস এবং যে সব জন্তুর উপরে (যব্হ কালে) আল্লাহ ছাড়া অন্যের নাম উচ্চারণ করা হয়ে থাকে, তা তোমাদের জন্য অবৈধ করেছেন (সূরা আল-বাক্বারাহ : ১৭৩; ইক্বতিযাউছ ছিরাত্বিল মুস্তাক্বীম, ১/২৫১ পৃ.; ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-৮৮২০৬)। উপরিউক্ত আয়াতের ব্যাখ্যায় শায়খ ছালিহ আল-উছাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘অর্থাৎ যা যব্হকালে আল্লাহ ব্যতীত অন্যের নামে যব্হ করা হয়েছে। যেমন মাসীহ অর্থাৎ ঈসা (আলাইহিস সালাম)-এর নামে অথবা মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর নামে অথবা জিবরীল (আলাইহিস সালাম)-এর নামে অথবা অন্য কারো নামে (তাফসীরে সূরাতিল বাক্বারাহ)।


প্রশ্নকারী : ইফতিখার আলম, যুক্তরাষ্ট্র।





প্রশ্ন (১২) : প্রচলিত আছে যে, কেউ যদি দিনে পঁচিশ জনের সাথে মুছাফাহা করে আর সেদিন মারা যায়, তাহলে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : একজন সদ্য ইসলাম গ্রহণ করেছে। তিনি কি তার পিতার সম্পদের ওয়ারিছ হতে পারবে? অসহায় হলে তিনি কি তার ভাইদের কাছে চাইতে পারবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আমি একজন অমুসলিম প্রার্থীকে ভোট দিয়েছি, অথচ তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসাবে একজন মুসলিম প্রার্থীও ছিলেন। আমার এ কাজ কি ইসলামী শিক্ষার পরিপন্থী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : যে ব্যক্তি ছালাত ছেড়ে দিল সে শিরক করল। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : কাবীরা গুনাহ থেকে মুক্ত না থাকলে নেক আমলের মাধ্যমে কি কোন ছাগীরা গুনাহ ক্ষমা পাওয়া যাবে না? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : প্রতি বছর ‘আরাফার দিন (৯ যিলহজ্জ) ছিয়াম রাখা সুন্নাত। কিন্তু বাংলাদেশের হিসাব অনুযায়ী সাধারণত ৮ কিংবা ৭ যিলহজ্জ তারিখে ‘আরাফা হয়। এক্ষণে করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যাংক শিক্ষামূলক অনেক প্রোগ্রামের আয়োজন করে। প্রশ্ন হল- এমন সূদী ব্যাংক থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : ‘আখলাকুন নবী’ বলতে কী বুঝায়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : দুনিয়াতে বেইমান, প্রতারক, পাপী, মিথ্যাবাদী লোকেরাই কেন সবচেয়ে বেশি সুখে থাকে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : হায়াতুন্নবীতে বিশ্বাস করা যাবে কি? অলী-আওলিয়া কবরে জীবিত থেকে মানুষের উপকার বা ক্ষতি করতে পারেন এমন বিশ্বাস করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৮) : সূরা ইয়াসীন ও ত্বা-হা পাঠের ফযীলত বর্ণনায় বলা হয় যে, আল্লাহ তা‘আলা আসমান ও যমীন সৃষ্টির এক হাযার বছর পূর্বে সূরা ‘ত্বা-হা’ ও ‘ইয়াসীন’ পাঠ করলেন। তখন ফেরেশতারা শুনে বললেন, ধন্য সেই জাতি, যাদের উপর এটা নাযিল হবে, ধন্য সেই পেট যে সেটা ধারণ করবে এবং ধন্য সেই মুখ যে সেটা উচ্চারণ করবে (দারেমী, হা/৩৪১৪; মিশকাত, হা/২১৪৮; বঙ্গানুবাদ মিশকাত, হা/২০৪৫, ৫/১৮ পৃ.)। বর্ণনাটি কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : অনেক সময় বাবা-মা ভুল বুঝে সন্তানকে বদ দু‘আ দেয়। অথচ সন্তান তেমন কোন অপরাধ করেনি। এতে কি সন্তানের কোন ক্ষতি হবে? আর যারা কথায় কথায় বদ দু‘আ কিংবা অভিশাপ দেয় তাদের বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ