বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:২২ পূর্বাহ্ন
উত্তর : আহলে কিতাবদের যব্হকৃত পশুর মাংস খাওয়া হালাল। শায়খুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ বলেন, ‘দু’টি শর্তসাপেক্ষে আহলে কিতাব অর্থাৎ ইয়াহুদী ও খ্রিষ্টানদের যব্হকৃত পশুর গোশত খাওয়া হালাল। প্রথম শর্ত : মুসলিমদের ন্যায় শারঈ পদ্ধতিতে বিসমিল্লাহ বলে খাদ্যনালী, শ্বাসনালী ও গলা কেটে রক্ত প্রবাহিত করে যব্হ করতে হবে। যদি আহলে কিতাবরা শ্বাসরোধ করে অথবা বিদ্যুত শকের মাধ্যমে অথবা পানিতে ডুবিয়ে হত্যা করে, তাহলে তাদের জব্হকৃত পশুর গোশত হালাল হবে না। এমনকি মুসলিমরাও যদি ঐ পদ্ধতিতে যব্হ করে, তাহলে তাদেরও জব্হকৃত গোশত খাওয়া হালাল হবে না। দ্বিতীয় শত : আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো নামে যব্হ করবে না। যেমন মাসীহ বা অন্য কারো নামে। কেননা অন্য কারো নামে যব্হ করলে তা খাওয়া হালাল হবে না। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘যার উপর যব্হকালে আল্লাহর নাম নেয়া হয়নি, তোমরা তা ভক্ষণ কর না। কেননা তা পাপ’ (সূরা আল-আন‘আম : ১২১)।

অন্যত্র তিনি বলেন, ‘নিশ্চয় (আল্লাহ) তোমাদের জন্য মৃত জীব, রক্ত, শূকরের মাংস এবং যে সব জন্তুর উপরে (যব্হ কালে) আল্লাহ ছাড়া অন্যের নাম উচ্চারণ করা হয়ে থাকে, তা তোমাদের জন্য অবৈধ করেছেন (সূরা আল-বাক্বারাহ : ১৭৩; ইক্বতিযাউছ ছিরাত্বিল মুস্তাক্বীম, ১/২৫১ পৃ.; ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-৮৮২০৬)। উপরিউক্ত আয়াতের ব্যাখ্যায় শায়খ ছালিহ আল-উছাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘অর্থাৎ যা যব্হকালে আল্লাহ ব্যতীত অন্যের নামে যব্হ করা হয়েছে। যেমন মাসীহ অর্থাৎ ঈসা (আলাইহিস সালাম)-এর নামে অথবা মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর নামে অথবা জিবরীল (আলাইহিস সালাম)-এর নামে অথবা অন্য কারো নামে (তাফসীরে সূরাতিল বাক্বারাহ)।


প্রশ্নকারী : ইফতিখার আলম, যুক্তরাষ্ট্র।





প্রশ্ন (১৭) : আমি নিয়মিত ত্রিশ-চল্লিশ হাজার টাকার মধ্যে কুরবানী করি। এ বছর আমি কুরবানীর জন্য একটি গরু মানত করেছি। যখন গরুটি ক্রয় করেছিলাম তখন তার মূল্য ছিল ৩০,০০০ টাকা। কিন্ত বর্তমানে গরুটি অনেক মোটাতাজা হয়েছে, যার মূল্য এখন প্রায় দেড় লাখেরও বেশি। যদিও আমার সামর্থ্য এত না। এখন গরুটি বিক্রয় করে আমার সামর্থ্যরে মধ্যে অন্য প্রাণী কুরবানী করতে পারব কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : যে ব্যক্তি ক্বিয়ামতের মাঠে স্থাপিত মীযানকে বিশ্বাস করে না তার হুকুম কী হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : ঈলা কী? এটা কি রাসূল (ﷺ)-এর জন্য কী খাছ, না-কি সকলের জন্য ‘আম? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : ক্যারাম বোর্ড খেলা কি হারাম? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : মসজিদ কে কি masque বলা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : রামাযান মাসে প্রতিদিন মসজিদে মুছল্লীদের জন্য ইফতারের ব্যবস্থা করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : আমি দীর্ঘদিন থেকে একটি মেয়ের সাথে যেনায় লিপ্ত। অনেকবার ছাড়তে চেয়েও পারিনি। আমি লজ্জায় কিছুই করতে পারি না। কী কী কাজ করলে আমি এটা থেকে বের হয়ে আসতে পারি? কিভাবে তওবাহ করতে পারি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : নিজেকে সংশোধনের উপায় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৯) : নবী করীম (ﷺ) বলেছেন, ‘তাঁর উম্মতকে রামাযান মাসের শেষ রাতে মাফ করা হয়। জিজ্ঞেস করা হল, হে আল্লাহ্র রাসূল (ﷺ)! এটা কি ক্বদরের রাত্রি? তিনি বললেন, না; বরং এই কারণে যে, কর্মচারীর বেতন দেয়া হয়, যখন সে তার কর্ম শেষ করে (আহমাদ, হা/৭৯০৪; মিশকাত, হা/১৯৬৮) মর্মে বর্ণনাটি কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : মহিলারা যদি তারাবীহর ছালাতে ইমামতি করে, তাহলে সরবে ক্বিরাআত পড়তে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসাবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ক্লায়েন্টের জন্য অমুসলিমদের ধর্মীয় উৎসব বা যা ইসলামে হারাম করা হয়েছে সেসবের ডিজাইন করতে হয়। আবার কোন সময় গানের ওয়েবসাইট ডিজাইন করতে হয়। এক্ষেত্রে কেউ গান শুনলে ডিজাইনার কি গুনাহ পেতে থাকব? আবার বিদেশী নারী ক্লায়েন্টের জন্য বিদেশী নারীদের ছবি ডিজাইনের কাজ করতে হয়। প্রশ্ন হল- এরকম ডিজাইনের কাজ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : কোন বিধবা কিংবা ডিভোর্সপ্রাপ্ত মহিলা তার অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া কোন পুরুষকে বিবাহ করতে পারবে কি? যদি বিবাহ করে, তাহলে শরী‘আতের দৃষ্টিতে এই বিয়ে কি সঠিক হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ