রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৩:০৫ অপরাহ্ন
উত্তর : সন্তান হক্বের উপর থাকলে এবং পিতা ভুলের উপর থাকলে (সন্তানের জন্য) পিতা-মাতার বদদু‘আ কবুল হয় না। কারণ আল্লাহ্ তার দু‘আ কবুল করবেন না। কারণ পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের অবাধ্যতা হল তাদের অধিকার আদায় না করা কিংবা তাদের অধিকার আদায়ে কসুর করা। পক্ষান্তরে, নিছক পিতার কোন নির্দেশ কিংবা পিতার কোন নিষেধ যাতে কোন কল্যাণ নেই এমন কিছু মানা সন্তানের জন্য আবশ্যক নয়। অনুরূপভাবে পিতা যদি তার ছেলেকে বলে: কোন কারণ ছাড়া তোমার স্ত্রীকে ত্বালাক্ব দিয়ে দাও। তাহলে সন্তানের এমন জন্য পিতামাতার এমন নির্দেশে সাড়া দেয়া অনিবার্য নয়। তাই এমন কিছু পালনে অসম্মতি জানালে সেটা অবাধ্যতা হিসাবে গণ্য হবে না। এমনকি তারা যদি তার জন্য বদদু‘আ করে সেক্ষেত্রে ছেলে গুনাহগার হবে না; এতে ইনশাআল্লাহ্‌ কোন অসুবিধা নেই। আল্লাহ্‌ই সর্বজ্ঞ (শায়খ আব্দুল্লাহ‌ ইবনু হুমাইদ, মাজমূঊ ফাতাওয়া, পৃ. ৩০; ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-১০০২৬০)।


প্রশ্নকারী : ফায়সাল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।





প্রশ্ন (২৮) : আশারায়ে মুবাশশারা বা জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত দশ ব্যক্তি কারা? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : বিভিন্ন ভাষায় রচিত গল্প, নাটক, উপন্যাসের বই বিক্রি করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : জনৈক আলেম বলেন, মসজিদে প্রবেশ করে ইচ্ছা করে ছালাত না পড়ে বসলে কোন গুনাহ হবে না, কারণ এটা নফল ছালাত। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : এক সাথে তিন ত্বালাক্ব দিলে বিবাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৯) : ব্যবহৃত অলংকারের যাকাত দিতে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : কাউকে শরী‘আত মোতাবেক চলতে বললে বা হাদীছের উপর আমল করতে বললে নানা অজুহাত পেশ করে তা প্রত্যাখ্যান করে। আরো বলে, আমরা সমস্ত হাদীছ মানতে বাধ্য নই। এ ধরনের লোকের পরিণাম কী হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : জনৈক আলেম لَهُ مَقَالِيدُ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ এই আয়াত সম্পর্কে বলেন যে, এর ব্যাখ্যা হল নিম্নে দু‘আ- لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ، وَاللهُ أَكْبَرُ، وَسُبْحَانَ اللهِ، وَبِحَمْدِهِ، وَأَسْتَغْفِرُ اللهَ، وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللهِ، الْأَوَّلُ وَالْآخِرُ وَالظَّاهِرُ وَالْبَاطِنُ، بِيَدِهِ الْخَيْرُ، يُحْيِي وَيُمِيتُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ আর এর ফযীলত হল, যে ব্যক্তি প্রত্যেক দিন সকালে উক্ত আয়াত পাঠ করবে, তার জন্য ছয়টি ফযীলত রয়েছে- (ক) সে শয়তান ও তার সহযোগীদের থেকে রক্ষা পাবে। (খ) তাকে এক কিনতার (অঢেল মাপ) পরিমাণ নেকী দেয়া হবে। (গ) তার জন্য জান্নাতে একটি মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেয়া হবে। (ঘ) তার সাথে চোখ জুড়ানো হুরদের বিবাহ দেয়া হবে। (ঙ) তার নিকট দশজন ফেরেশতা উপস্থিত থাকবে। (চ) কুরআন, তাওরাত, ইঞ্জীল ও যাবূর তেলাওয়াত করার মত নেকী দেওয়া হবে। বিশেষ করে সে একটি কবুল হজ্জ ও ওমরার নেকী পাবে। যদি সে ঐ দিন মারা যায় তবে শহীদের মর্যাদা লাভ করবে। উক্ত বর্ণনা কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : আছরের ছালাত ক্বাযা হলে মাগরিব ছালাতের সময় আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : কোন নারী কতদিন দুধ পান করালে দুগ্ধমাতা হিসাবে গণ্য হবে? কোন নারী যদি তার বুকের দুধ কাউকে পান করান তাহলে কি সেই নারীর মেয়ের সাথে দুধপানকারীর ছেলের বিবাহ হারাম হয়ে যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : ইমাম জুম‘আর দিন মিম্বরে বসার সময় সালাম দিবেন মর্মে কোন দলীল আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩১) : জামা‘আতের ছালাতে ইমাম সাহেব জোরে তাকবীর বলা এবং মুক্তাদির নিঃশব্দে তাকবীর বলার দলীল কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩১) : রামাযানের ছিয়াম যদি ক্বাযা থাকে, অসুস্থতার কারণে যদি পরবর্তী এক বছরে তা আদায় করা না যায়, তাহলে করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ