রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৬ পূর্বাহ্ন
উত্তর : কোন মুসলিম যখন আর্থিকভাবে এবং শারীরিকভাবে হজ্জ করতে সক্ষম হবে, তখনই তার উপর হজ্জ করা ফরয হবে। আল্লাহ বলেন, ‘আর মানুষের মধ্যে যার সেখানে যাওয়ার সামর্থ্য আছে, আল্লাহর উদ্দেশ্যে ঐ ঘরের হজ্জ করা তার জন্য অবশ্য কর্তব্য’ (সূরা আলে ইমরান : ৯৭)। এখানে সামর্থ্য বলতে আর্থিক এবং শারীরিক উভয় সামর্থ্যকে বুঝানো হয়েছে। সুতরাং ঋণ নিয়ে কোন ব্যক্তির জন্য হজ্জ আদায় করা ফরয নয়, বরং মুস্তাহাবও নয়। তবে ঋণ নিয়ে হজ্জ আদায় করলে হজ্জের ফরযিয়াত আদায় হয়ে যাবে। ইবনু উছাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘যিনি ঋণী আছেন তার উপর হজ্জ আদায় করা ফরয নয়। সুতরাং যে ব্যক্তির ঋণ নেই তার নতুন করে ঋণ নিয়ে হজ্জ আদায় করা উচিত নয়। কারণ ঋণ করে হজ্জে গিয়ে ফিরে এসে ঋণ পরিশোধ করতে পারবে কি না সেটার কোন নিশ্চয়তা নেই। তাছাড়া হজ্জের সফরে সে মৃত্যুবরণও করতে পারে’ (মাজমূঊ ফাতাওয়া ওয়া রাসাইল, ২১/৯৩ পৃ.)। ঋণ পরিশোধের ব্যাপারে ইসলাম যথেষ্ট গুরুত্বারোপ করেছে। যদিও সেই ঋণ পরিশোধ করার জন্য তার সম্পদ রয়েছে, কিন্ত এমনও তো হতে পারে যে, তার মৃত্যুর পর তার ওয়ারিছগণ ঋণ পরিশোধে অবহেলা করছে। এমনটি হলে পরকালে সে কঠিন বিপদের সম্মুখীন হবে। তাই তার জন্য উচিত হবে, পাওনা টাকা নিজের হস্তগত হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা এবং ঋণ নিয়ে হজ্জ না করা।


প্রশ্নকারী : যাকারিয়া, কুমিল্লা।





প্রশ্ন (১০) : সালাফী মানহাজ বলতে কী বুঝায়? সালাফীদের বৈশিষ্ট্য কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : ফিতরা কি ঈদের ছালাতের পূর্বেই বণ্টন করে দিতে হবে? না-কি ঈদের পরেও করা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : আমি ফজরের দু’রাক‘আত সুন্নাত বাড়ী থেকে আদায় করে এমন সময় মসজিদে এসেছি, যখন জামা‘আত শুরু হতে অনেক সময় রয়েছে। এমতাবস্থায় আমি কি আবার ছালাত আদায় করব, না-কি বসে পড়ব? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : বর্তমানে সমাজে ছিনতাই ও ডাকাতির ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে গেছে। এমন অবস্থায় যদি কেউ আত্মরক্ষার কোন উপায় না থাকা সত্ত্বেও সম্মান, জীবন বা সম্পদ রক্ষার নিয়তে প্রতিরোধ করে এবং এতে আহত বা নিহত হয়, তাহলে শরী‘আতের দৃষ্টিতে সে কি শহীদ হিসাবে গণ্য হবে? অপরদিকে, যদি পরিস্থিতি এমন হয় যে, প্রতিরোধ করলে মৃত্যুর আশঙ্কা নিশ্চিত, তারপরও কেউ দুঃসাহসিকভাবে প্রতিরোধ করে, তবে কি তা আত্মহননের শামিল বলে গণ্য হবে, না-কি ইজ্জত রক্ষার একটি শারঈ বৈধ প্রয়াস হিসাবে বিবেচিত হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : এক ব্যক্তির পৈত্রিক কিছু সম্পদ আত্মীয়-স্বজন অবৈধভাবে ভোগ করছে। ফিরিয়ে নিতে গেলে সম্পর্ক নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা শরী‘আতে নিষিদ্ধ। এখন সে কোনটা প্রাধান্য দিবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : মৃত্যুর পর তার পক্ষ থেকে হজ্জ ও ছাদাক্বাহ করলে মৃতের কোন উপকার হয় কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : আমার দুই সন্তান আছে। আমরা তাদের নিয়ে একটা সুখী পরিবার। এখন আমরা আর সন্তান নিতে চাই না। উল্লেখ্য, দরিদ্র্য হওয়ার ভয়ে নয়। এই দু’জনকে আমরা আমাদের সর্বোচ্চ শ্রম এবং সময় দিয়ে যোগ্য দ্বীনদার হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। এই চিন্তায় কি জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি অবলম্বন করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : হারাম পন্থায় উপার্জিত টাকা দিয়ে যদি কাউকে খাদ্য খাওয়ার দাওয়াত দেয় অথবা কোন উপঢৌকন দেয়, তাহলে তা গ্রহণ করা বৈধ হবে কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪): আদম সন্তানের বীর্য কি পবিত্র? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : ‘আপনাকে প্রেরণের উদ্দেশ্য না হলে আমি বিশ্বমণ্ডল সৃষ্টি করতাম না’ মর্মে প্রচলিত বর্ণনাট কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৯) : ব্যবহৃত অলংকারের যাকাত দিতে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : আমি আমার এক বন্ধুকে ব্যবসা করার জন্য ৫ লক্ষ টাকা ঋণ দিয়েছি। শর্ত হল- এই টাকা দিয়ে সে ব্যবসা করবে, তার ব্যবসার মোট মূলধন ১০ লক্ষ এবং আমার ৫ লক্ষ মোট ১৫ লক্ষ টাকা। শর্ত হল- ব্যবসায়ে মাসে যা ইনকাম হবে তার তিন ভাগের দুই ভাগ পরিচালনা খরচ অর্থাৎ কর্মচারীর বেতন, দোকান ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল ইত্যাদি বাবদ কর্তন হবে। বাকি তিন ভাগের এক ভাগ ১৫ লক্ষ টাকার আনুপাতিক হারে আমার ৫ লক্ষ টাকার মুনাফা পাব। যেমন মাসের লাভ হল ৪৫ হাজার টাকা। এর মধ্যে ৩০ হাজার টাকা পরিচালনা খাত অর্থাৎ বেতন, ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল ইত্যাদি বাবদ। বাকি ১৫০০০ টাকার ভাগ হবে, তাহলে আমি পাব ৫০০০ টাকা। যেহেতু আমার মূলধন ৫ লক্ষ আর সে পাবে ১০০০০। যেহেতু তার মূলধন ১০ লক্ষ, প্রশ্ন হল- উক্ত পদ্ধতিতে ব্যবসা করা কি হালাল হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ