শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০১:৫০ অপরাহ্ন
উত্তর : মসজিদ ও ক্ববরের মাঝে পার্থক্য করার জন্য একটি দেওয়াল দেয়া অপরিহার্য। অন্যথা উক্ত মসজিদে ছালাত আদায় করা যাবে না। যেমন রাসূল (ﷺ) বলেছেন, لَا تَجْلِسُوْا عَلَى الْقُبُوْرِ وَلَا تُصَلُّوْا إِلَيْهَا ‘তোমরা কখনো ক্ববরের উপর বসবে না এবং ক্ববরের দিকে মুখ করে ছালাতও আদায় করবে না’ (ছহীহ মুসলিম হা/৯৭২)। শারঈ দলীলের আলোকে বহু প্রাচীন ও প্রসিদ্ধ কথা হল দ্বীন ইসলামে মসজিদ ও ক্ববরকে একত্রিত করা জায়েয নয় (মাজমূঊল ফাতাওয়া ইবনে তাইমিয়্যাহ, ১২/৩১ পৃ.)।

দ্বিতীয়তঃ অবশ্যই এটি গুানাহের কাজ। কারণ সমগ্র উম্মতের সর্বসম্মতিক্রমে ক্ববরের উপর ঘর-বাড়ি নির্মাণ করা, পাকা করা, তার উপর লেখা, ছালাত আদায় করা, প্রদীপ জ্বালানো হারাম (মাজমূঊল ফাতাওয়া ইবনে তাইমিয়্যাহ, ২৪/৩১৮, ২৭/৪৪৮ ও ৩১/১১)। যেমন জাবির (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, نَهَى رَسُوْلُ اللهِ ﷺ أَنْ يُجَصَّصَ الْقَبْرُ وَأَنْ يُقْعَدَ عَلَيْهِ وَأَنْ يُبْنَى عَلَيْهِ ‘রাসূল (ﷺ) ক্ববর পাকা করতে, ক্ববরের উপর বসতে এবং ক্ববরের উপর গৃহ নির্মাণ করতে নিষেধ করেছেন’ (ছহীহ মুসলিম, হা/৯৭০)। অন্যত্র রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ‘তোমাদের কারো জ্বলন্ত অঙ্গারের উপর বসে থাকা এবং তাতে তার কাপড় পুড়ে গিয়ে শরীরের চামড়া দগ্ধীভূত হওয়া ক্ববরের উপর বসার চেয়ে উত্তম’ (ছহীহ মুসলিম, হা/৯৭১)।

তৃতীয়তঃ যদি ইমাম বিশুদ্ধ আক্বীদার হয় সেক্ষেত্রে অবশ্যই চাঁদা বা ভাতা প্রদান করতে হবে। পক্ষান্তরে ইমাম যদি শিরকী আক্বীদায় বিশ্বাসী হয় সেক্ষেত্রে দেয়া যাবে না। কেননা খারাপ ও পাপ কাজে সহযোগিতা করতে আল্লাহ তা‘আলা নিষেধ করেছেন (সূরা আল-মায়িদাহ : ২)। উক্ত আয়াতের ব্যাখ্যায় ইমাম ইবনে কাছীর (রাহিমাহুল্লাহ) ও ইমাম কুরতুবী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘এখানে আল্লাহ তা‘আলা মুমিন ব্যক্তিদেরকে ভালো কাজে সহযোগিতা করতে আদেশ করেছেন এবং অন্যায়, অসৎ ও হারাম কাজে সাহায্য, সহযোগিতা করতে নিষেধ করেছেন’ (তাফসীর ইবনে কাছীর, ২/১২; তাফসীরে কুরতুবী, ৬/৪৬-৪৭ পৃ.)।


প্রশ্নকারী : হোসনে মোবারক,  চিলমারী, কুড়িগ্রাম।





প্রশ্ন (২২) : ইবনু তাইমিয়্যাহ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘রামাযানের শেষ দশকের বেজোড় কোন রাত যদি জুম‘আহ বারে পড়ে, তাহলে সে রাত্রি লাইলাতুল ক্বদর হওয়ার সম্ভাবনা অধিক’। এ কথা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : ভুল তিলাওয়াতকারী ইমামের পিছনে জেনেশুনে নিয়মিত ছালাত আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৭) : পেশাব করার পর ঢিলা কুলুখ নেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৯) :  ছালাতুল ইসতিখারা, ছালাতুল ইসতিসকা, ছালাতুল হাজাত, ছালাতুত তাওবাহ, সূর্য ও চন্দ্র গ্রহণের ছালাত, ইশরাক ও চাশতের ছালাত, ছালাতুয যোহা ইত্যাদি ছালাতগুলো সুন্নাতে মুওয়াক্কাদা, সুন্নাতে গায়ের মুওয়াক্কাদা, না-কি নফল ছালাত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : আল্লাহর যেমন হাত, পা, চেহারা আছে, তেমন আল্লাহর রূহু আছে কি? অর্থাৎ এরকম কোন বর্ণনা আছে কুরআন ও হাদীছে আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২): যে ব্যক্তির ডিউটি টাইম ফজর পর্যন্ত বিলম্বিত সে কি যোহর-আছর একত্রে আদায় করতে পারবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : সমাজে প্রচলিত আছে যে, সফর মাসের শেষ বুধবারে সালাম অর্থাৎ শান্তির আয়াতগুলো লিপিবদ্ধ করে পানির পাত্রে সেটি রাখলে, অতঃপর সেই পানি পান করলে বরকত হাসিল হয়। এতে বিপদাপদ দূরীভূত হয়। উক্ত ধারণা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : জনৈক মহিলা বিয়ের সময় প্রায় ১২ ভরি স্বর্ণ পেয়েছিল। তার অন্য কোন আয় নেই। শুধু স্বামী কিছু হাত খরচ দেন। এক্ষণে ঐ স্বর্ণের যাকাত মহিলা নিজে দিবে, না তার স্বামী দিবেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : ত্বালাক্ব দেয়ার সময় স্ত্রীকে জানানো অথবা লিখিত দেয়া কি যরূরী? স্ত্রীকে না জানিয়ে ত্বালাক্ব দিলে সেই ত্বালাক কার্যকর হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : জনৈক ব্যক্তির দাবি হল, রাসূল (ﷺ) যাদেরকে জান্নাতী বলে ঘোষণা দেননি তাদেরকে জান্নাতী বলা যাবে না। তাহলে আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা)-কে নিশ্চিত জান্নাতী বলা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : তারাবীহ-এর জামা‘আতে বিতরের ছালাতে ইমামের সশব্দে দু‘আ কূনূত পাঠ করা এবং মুক্তাদীগণের আমীন বলার কি কোন প্রমাণ আছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : ‘মাযহাব’ শব্দটি কোন্ ভাষার, এর অর্থ কী? মাযহাব না মানলে কি কাফের হয়ে যাবে? মাযহাবের সংখ্যা কত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ