বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩১ পূর্বাহ্ন
প্রশ্নকারী : মামুন বিন হাশমত, দৌলতপুর, কুষ্টিয়া।
উত্তর : এই মেসেজগুলো দুই ধরণের হতে পারে। প্রথমতঃ এমন ইসলামী মেসেজ যেগুলোতে অভিনন্দন জানানো শরী‘আতসম্মত কিংবা মেসেজ পাঠানোর সময়ের সাথে সংশ্লিষ্ট বিশেষ কোন ইবাদত স্মরণ করিয়ে দেয়ার উদ্দেশ্যে মেসেজ পাঠানো। যেমন রামাযানের ক্বিয়ামুল লাইল কিংবা রামাযানে কুরআন তেলাওয়াত কিংবা ফযীলতপূর্ণ দিনগুলোতে ছিয়াম রাখা ইত্যাদির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে মেসেজ পাঠানো। এ ধরণের মেসেজ প্রেরণে কোন অসুবিধা নেই। তবে মেসেজের ভেতরের লেখা যেন সঠিক হয়, শরী‘আতের বিরোধী কোন কিছু যেন তাতে না থাকে সে ব্যাপারে গুরুত্ব দিতে হবে। দ্বিতীয়তঃ বিভিন্ন বিদ‘আতী উৎসব কিংবা গায়রে-শরঈ উপলক্ষগুলোতে মেসেজ পাঠানো। যেমন মীলাদুন্নবী উপলক্ষে শুভেচ্ছাবার্তা পাঠানো কিংবা রাসূলের ইসরা ও মি‘রাজ দিবস উপলক্ষে কিংবা ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে কিংবা ঐতিহ্যগত বাসন্তি উৎসব, কিংবা খ্রিস্ট নববর্ষের উৎসব উপলক্ষে মেসেজ পাঠানো ইত্যাদি। এ ধরণের শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করা নিষিদ্ধ। কারণ এ প্রকারের শুভেচ্ছা হয় বিদ‘আতী উৎসব কিংবা বিধর্মীদের উৎসব। এ ধরণের শুভেচ্ছা জানানো নাজায়েয। এর প্রচার ও প্রসারে সহযোগিতা করাও নাজায়েয (ইসলাম সাওয়াল ও জাওয়াব, ফৎওয়া নং-১৪৭৫৮৩)। আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, রাসূলুল্লাহ‌ (ﷺ) বলেছেন,

مَنْ دَعَا إِلَى هُدًى كَانَ لَهُ مِنَ الأَجْرِ مِثْلُ أُجُوْرِ مَنْ تَبِعَهُ لَا يَنْقُصُ ذَلِكَ مِنْ أُجُوْرِهِمْ شَيْئًا وَمَنْ دَعَا إِلَى ضَلَالَةٍ كَانَ عَلَيْهِ مِنَ الْإِثْمِ مِثْلُ آثَامِ مَنْ تَبِعَهُ لَا يَنْقُصُ ذَلِكَ مِنْ آثَامِهِمْ شَيْئًا

‘যে ব্যক্তি হেদায়াতের দিকে আহ্বান করে সে ব্যক্তি যে যে তাকে অনুসরণ করবে তাদের ছওয়াবও পাবে। এতে করে তাদের ছওয়াব সামান্যটুকুও কম করা হবে না। আর যে ব্যক্তি কোন ভ্রষ্টতার দিকে আহ্বান করে সে ব্যক্তি যে যে তার অনুসরণ করবে তাদের সকলের গুনাহ বহন করবে। এতে করে তাদের গুনাহতে কমতি করা হবে না’ (ছহীহ মুসলিম, হা/২৬৭৪; আবূ দাঊদ, হা/৪৬০৯; মিশকাত, হা/১৫৮)। উক্ত হাদীছের ব্যাখ্যায় ইমাম নববী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি হেদায়াতের দিকে আহ্বান করে সে ব্যক্তি তার অনুসারীদের সমপরিমাণ ছওয়াব পাবে। আর ভ্রষ্টতার দিকে আহ্বান করলে সে ব্যক্তি তার অনুসারীদের সমপরিমাণ গুনাহ বহন করবে। হেদায়াত কিংবা ভ্রষ্টতা সে নিজেই এটাকে প্রথমবার শুরু করুক কিংবা আগে থেকেই চালু থাকুক– বিধান এক। অনুরূপভাবে এটা কোন জ্ঞান শিক্ষা দেয়ার ক্ষেত্রে হোক কিংবা কোন ইবাদতের ক্ষেত্রে হোক কিংবা কোন শিষ্টাচারের ক্ষেত্রে হোক কিংবা অন্য কিছু হোক বিধান এক’ (ইমাম নববী, শারহু ছহীহ মুসলিম, ১৬/২২৭ পৃ.)।





প্রশ্ন (১) : আরবী নতুন বছর বা মাস শুরু হলে কোনো দু‘আ পড়তে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : রামাযান মাসের ছিয়ামের ক্বাযা বাকি রেখে, শাওয়াল মাসের ছয়টি ছিয়াম পালন করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : তাসবীহ কি দু’হাতের আঙ্গুলেই গণনা করা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : মসজিদে ছালাত আদায়ের পর অবসর সময়ে মসজিদের বাতি জ্বালিয়ে বা ফ্যান চালিয়ে কুরআন-হাদীছ পড়া এবং কুরআন-হাদীছের আলোচনা করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : শরী‘আতের আইন মোতাবেক পিতা-মাতার সম্পত্তিতে মেয়ে যতটুকু অংশ প্রাপ্য তা কি বিয়ের ৮/১০ বছর পরে বাবা-মা জীবিত থাকতে নিতে পারবে? আর যদি পিতা-মাতা না দিতে চায়, তাহলে কি তারা গুনাহগার হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : রাসূল (ﷺ) তাঁর মায়ের কবরের পার্শ্বে গিয়ে আল্লাহর কাছে দু‘আ করলে আল্লাহ তাকে জীবিত করে দেন। অতঃপর রাসূল (ﷺ)-এর উপরে ঈমান আনেন মর্মে আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) হতে বর্ণিত হাদীছ কি ছহীহ? অনুরূপভাবে নবীজীর ‘পিতা-মাতা’ উভয়ের ঈমান আনার যে বর্ণনা প্রচলিত আছে, সেগুলো ছহীহ কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : জনৈক বক্তা বলেন, আশূরার দিনেই ক্বিয়ামত হবে। উক্ত দাবী কি  শরী‘আত সম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : মুনাজাতের পর মুখে হাত মাসাহ করা কি বৈধ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : সমাজে প্রচলিত রয়েছে যে, ‘আদম (আলাইহিস সালাম) হিন্দুস্তান থেকে পায়ে হেঁটে ১০০০ বার হজ্জ করেছেন’। উক্ত বর্ণনা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৯) : যাকাতের অর্থ দ্বারা মসজিদ নির্মাণ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : একজন ব্যক্তি সিমেন্ট বা রডের দোকানে অগ্রিম টাকা দিয়ে সিমেন্ট বা রড দর করে টাকা দিয়ে রাখলো। কিন্তু সে এখন নিবে না, সিজিনাল সময়ে নিবে যখন দাব বেশি হবে। এই রকম ক্রয় বিক্রয় জায়েয হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : বাসা-বাড়িতে জিন সাপ চেনার উপায় কী? দেখার পর করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ