রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:২০ পূর্বাহ্ন
প্রশ্নকারী : মামুন বিন হাশমত, দৌলতপুর, কুষ্টিয়া।
উত্তর : এই মেসেজগুলো দুই ধরণের হতে পারে। প্রথমতঃ এমন ইসলামী মেসেজ যেগুলোতে অভিনন্দন জানানো শরী‘আতসম্মত কিংবা মেসেজ পাঠানোর সময়ের সাথে সংশ্লিষ্ট বিশেষ কোন ইবাদত স্মরণ করিয়ে দেয়ার উদ্দেশ্যে মেসেজ পাঠানো। যেমন রামাযানের ক্বিয়ামুল লাইল কিংবা রামাযানে কুরআন তেলাওয়াত কিংবা ফযীলতপূর্ণ দিনগুলোতে ছিয়াম রাখা ইত্যাদির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে মেসেজ পাঠানো। এ ধরণের মেসেজ প্রেরণে কোন অসুবিধা নেই। তবে মেসেজের ভেতরের লেখা যেন সঠিক হয়, শরী‘আতের বিরোধী কোন কিছু যেন তাতে না থাকে সে ব্যাপারে গুরুত্ব দিতে হবে। দ্বিতীয়তঃ বিভিন্ন বিদ‘আতী উৎসব কিংবা গায়রে-শরঈ উপলক্ষগুলোতে মেসেজ পাঠানো। যেমন মীলাদুন্নবী উপলক্ষে শুভেচ্ছাবার্তা পাঠানো কিংবা রাসূলের ইসরা ও মি‘রাজ দিবস উপলক্ষে কিংবা ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে কিংবা ঐতিহ্যগত বাসন্তি উৎসব, কিংবা খ্রিস্ট নববর্ষের উৎসব উপলক্ষে মেসেজ পাঠানো ইত্যাদি। এ ধরণের শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করা নিষিদ্ধ। কারণ এ প্রকারের শুভেচ্ছা হয় বিদ‘আতী উৎসব কিংবা বিধর্মীদের উৎসব। এ ধরণের শুভেচ্ছা জানানো নাজায়েয। এর প্রচার ও প্রসারে সহযোগিতা করাও নাজায়েয (ইসলাম সাওয়াল ও জাওয়াব, ফৎওয়া নং-১৪৭৫৮৩)। আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, রাসূলুল্লাহ‌ (ﷺ) বলেছেন,

مَنْ دَعَا إِلَى هُدًى كَانَ لَهُ مِنَ الأَجْرِ مِثْلُ أُجُوْرِ مَنْ تَبِعَهُ لَا يَنْقُصُ ذَلِكَ مِنْ أُجُوْرِهِمْ شَيْئًا وَمَنْ دَعَا إِلَى ضَلَالَةٍ كَانَ عَلَيْهِ مِنَ الْإِثْمِ مِثْلُ آثَامِ مَنْ تَبِعَهُ لَا يَنْقُصُ ذَلِكَ مِنْ آثَامِهِمْ شَيْئًا

‘যে ব্যক্তি হেদায়াতের দিকে আহ্বান করে সে ব্যক্তি যে যে তাকে অনুসরণ করবে তাদের ছওয়াবও পাবে। এতে করে তাদের ছওয়াব সামান্যটুকুও কম করা হবে না। আর যে ব্যক্তি কোন ভ্রষ্টতার দিকে আহ্বান করে সে ব্যক্তি যে যে তার অনুসরণ করবে তাদের সকলের গুনাহ বহন করবে। এতে করে তাদের গুনাহতে কমতি করা হবে না’ (ছহীহ মুসলিম, হা/২৬৭৪; আবূ দাঊদ, হা/৪৬০৯; মিশকাত, হা/১৫৮)। উক্ত হাদীছের ব্যাখ্যায় ইমাম নববী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি হেদায়াতের দিকে আহ্বান করে সে ব্যক্তি তার অনুসারীদের সমপরিমাণ ছওয়াব পাবে। আর ভ্রষ্টতার দিকে আহ্বান করলে সে ব্যক্তি তার অনুসারীদের সমপরিমাণ গুনাহ বহন করবে। হেদায়াত কিংবা ভ্রষ্টতা সে নিজেই এটাকে প্রথমবার শুরু করুক কিংবা আগে থেকেই চালু থাকুক– বিধান এক। অনুরূপভাবে এটা কোন জ্ঞান শিক্ষা দেয়ার ক্ষেত্রে হোক কিংবা কোন ইবাদতের ক্ষেত্রে হোক কিংবা কোন শিষ্টাচারের ক্ষেত্রে হোক কিংবা অন্য কিছু হোক বিধান এক’ (ইমাম নববী, শারহু ছহীহ মুসলিম, ১৬/২২৭ পৃ.)।





প্রশ্ন (২৫) : দুই সিজদার মাঝে কি রাফউল ইয়াদায়ন করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : মাঠে ফুটবল খেলার সময় মাঝে মধ্যে ফুটবল মসজিদের দেওয়ালে লেগে যায়। এতে অনেকেই অনেক কিছু বলে। এতে কোনো গোনাহ হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : মসজিদে সুতরা দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লা-হু’ কিভাবে তাওহীদের সকল প্রকারকে অন্তর্ভুক্ত করে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : হানাফী মাযহাবের আলেমরা বলে থাকেন যে, একটি মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক হলে সে নিজে নিজে বিবাহ করতে পারবে। অভিভাবকের অনুমতির প্রয়োজন নেই। তারা দলীল হিসাবে পেশ করে নিম্নের হাদীছটি। একদা রাসূল (ﷺ)-এর কাছে এসে এক মেয়ে বলল, আমাকে বিয়ে করুন। রাসূল (ﷺ) বললেন, আমার প্রয়োজন নেই। তখন এক ছাহাবী দাঁড়িয়ে বলেন, আপনার প্রয়োজন না হলে আমার প্রয়োজন আছে। তখন রাসূল (ﷺ) তাদেরকে বিবাহ করিয়ে দেন (বুখারী, হা/২৩১০; মুসলিম, হা/১৪২৫)।। তাদের দাবী কি সঠিক? কোন মেয়ে অভিভাবক ছাড়া বিয়ে করতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : ইসলামী শরী‘আতে চুল কাটার বিধান ও পদ্ধতি কীরূপ হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : কাফের-মুশরিকদের নাবালক বাচ্চারা মারা গেলে তারা জান্নাতী হবে, না-কি জাহান্নামী হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : কোন কারণে গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়ে গেলে এবং সিজারের মাধ্যমে সন্তান ভূমিষ্ট হলে ঐ মহিলাদ্বয়ের ইদ্দতকাল কতদিন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : লালন তথা বাউল গোষ্ঠীর উৎপত্তি ও আক্বীদা সম্পর্কে জানতে চাই। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩২) : আমার মায়ের আপন মামার মেয়ে (মায়ের মামাতো বোন) এর সাথে আমার বিবাহ কি জায়েয হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : নবীগণের দ্বারা কি অনিচ্ছাকৃত কাবীরা গুনাহ সংঘটিত হয়েছিল? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : কুরআন মাজীদে চুমা দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ