বৃহস্পতিবার, ২৩ Jul ২০২৬, ১২:৩২ পূর্বাহ্ন
উত্তর : আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘স্মরণ করুন সে দিনকে, যখন আমরা প্রত্যেক সম্প্রদায়কে তাদের ইমামসহ ডাকব। অতঃপর যাদের ডান হাতে তাদের আমলনামা দেয়া হবে, তারা তাদের আমলনামা পড়বে এবং তাদের উপর সামান্য পরিমাণও যুলুম করা হবে না। আর যে ব্যক্তি এখানে অন্ধ সে আখিরাতেও অন্ধ এবং সবচেয়ে বেশি পথভ্রষ্ট। আর আমরা আপনার প্রতি যা ওহী করেছি তা থেকে ওরা আপনাকে পদস্খলন ঘটাবার চেষ্টা প্রায় চূড়ান্ত করেছিল, যাতে আপনি আমাদের উপর সেটার বিপরীত মিথ্যা রটাতে পারেন; আর নিঃসন্দেহে তখন তারা আপনাকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করত’ (সূরা বানী ইসরাইল : ৭১-৭৩)। এখানে ‘অন্ধ’ বলে বাহ্যিক অন্ধদের বুঝানো হয়নি। বরং যাদের মন হক্ব বুঝার ক্ষেত্রে, আল্লাহর নিদর্শনাবলী দেখার ক্ষেত্রে অন্ধত্ব গ্রহণ করেছে। হক্ব মানতে চায় না এবং নিদর্শনাবলী দেখতে চায় না এমন প্রকৃত অন্ধদেরকে উদ্দেশ্য নেয়া হয়েছে। অন্য আয়াতে বলা হয়েছে, ‘তারা কি দেশ ভ্রমণ করেনি? তাহলে তারা জ্ঞানবুদ্ধিসম্পন্ন হৃদয় ও শ্রুতিশক্তিসম্পন্ন শ্রবণের অধিকারী হতে পারত। বস্তুত চোখ তো অন্ধ নয়, বরং অন্ধ হচ্ছে বুকের মধ্যে অবস্থিত হৃদয়’ (সূরা আল-হজ্জ : ৪৬)।

পক্ষান্তরে দুনিয়ার জীবনে যারা অন্ধ তারা যদি ঈমানদার হয় এবং সৎকাজ করে ও ধৈর্যধারণ করে তবে তাদের ব্যাপারে আল-কুরআন ও হাদীছে প্রশংসা বাণী এসেছে। কুরআনে বলা হয়েছে, ‘তিনি ভ্রুকুঞ্চিত করলেন এবং মুখ ফিরিয়ে নিলেন। কারণ তার কাছে অন্ধ লোকটি আসল। আপনি কেমন করে জানবেন সে হয়ত পরিশুদ্ধ হত অথবা উপদেশ গ্রহণ করত, ফলে উপদেশ তার উপকারে আসত’ (সূরা আল-আবাসা : ১৩)। অনুরূপভাবে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর হাদীছেও ঐ সমস্ত লোকদের ব্যাপারে জান্নাতের সুসংবাদ জানানো হয়েছে যারা অন্ধ হয়ে যাবার পর ধৈর্যধারণ করেছে। অতঃপর বলা হয়েছে যে, ‘তারা আখেরাতে অন্ধ হবে’। অর্থাৎ আখেরাতে তাদের অন্ধত্বের ধরন সম্পর্কে দু’টি মত রয়েছে। ১- তারা বাস্তবিকই শারীরিকভাবে অন্ধ হিসাবে হাশরের মাঠে উঠবে। এ অর্থের সমর্থনে কুরআনের অন্যত্র এসেছে, ‘যে আমার স্মরণে বিমুখ থাকবে, অবশ্যই তার জীবন-যাপন হবে সংকুচিত এবং আমি তাকে ক্বিয়ামতের দিন উত্থিত করব অন্ধ অবস্থায়’ (সূরা ত্বো-হা : ১২৪)। আরো এসেছে, ‘ক্বিয়ামতের দিন আমি তাদেরকে সমবেত করব তাদের মুখে ভর দিয়ে চলা অবস্থায় অন্ধ, মূক ও বধির করে’ (সূরা বানী ইসরাঈল : ৯৭)। ২- এ ছাড়া আয়াতের আরেক অর্থ করা হয়ে থাকে যে, তারা ক্বিয়ামতের দিন তাদের দুনিয়ার জীবনে যে সমস্ত দলীল প্রমাণাদি ব্যবহার করে হক্ব পথ থেকে দূরে থাকে, সে সব থেকে তাদেরকে অন্ধ করে উঠানো হবে। মুজাহিদ (রাহিমাহুল্লাহ) এ অর্থ গ্রহণ করেছেন (তাফসীরে ইবনু কাছীর)।


প্রশ্নকারী : মতিয়ার রহমান, দিনাজপুর।





প্রশ্ন (১) : ‘মুযিল্লাতুল ফিতান (مُضِلَّاتُ الفِتَن)’ বা পথভ্রষ্টকারী ফিতনাসমূহ বলতে কী বোঝায়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : খাদীজা (রাযিয়াল্লাহু আনহা)-এর সমস্ত সম্পদ কি তিনি রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দিয়ে দিয়েছিলেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : বাড়ি পাহারা দেওয়ার জন্য কুকুর পালন করা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : মাসজিদের পার্শ্ব ঘেষে কবরস্থান রয়েছে। জমির মালিককে বললেও কোন গুরুত্ব দিচ্ছে না। পরে কবরস্থান ও মসজিদের মাঝে নেটের বেড়া দিয়েছে। এটা কি যথেষ্ট হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৫) : বিভিন্ন দল ও গ্রুপের মধ্যে যে মতভেদ বিরাজমান সেক্ষেত্রে একজন মুসলিমের অবস্থান কী হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : হিন্দুর সাথে পাটনার ব্যবসা করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : আমার স্ত্রী ২০২২ এর মার্চ মাসে সন্তান প্রসব করেন, সে জন্য এপ্রিলে ছিয়াম রাখতে পারেননি। পরের বছর সন্তানের বয়স কম থাকায় এবং বাচ্চা যথেষ্ট বুকের দুধ পাবে না, এই জন্য ২০২৩ এর ছিয়াম ও রাখেননি বা রাখতে পারেননি। এমতাবস্থায় আবার সে কনসেপ করে এবং এই রামাযানের (২০২৪) পরেই ডেলিভারি সম্ভব্য সময়। সে জন্য এই বছরের (২০২৪) ছিয়াম রাখতেও পারবে না। তাহলে তার মোট ৩ বারের ছিয়াম ক্বাযা হচ্ছে। এই অবস্থায় শারঈ বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : যে জিনিসগুলো সাদাক্বাহ করা হয় সেগুলো ব্যবহার করার হুকুম কী? মসজিদের জন্য কিছু আতর ও কিছু পানির বোতল দান করার পরে মাঝে মাঝে মসজিদের ঐ আতর ও পানি ব্যবহার করার শরী‘আতের বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : আমরা যখনই কোন ছহীহ হাদীছ ভিত্তিক আমল করতে যায়, তখনই এক শ্রেণির আলেম ছহীহ আমল করতে বাধা দেন আর বলেন ‘ফিতনা হত্যার চেয়েও জঘন্য’ (সূরা আল-বাক্বারাহ: ১৯১)। প্রশ্ন হল- ছহীহ আমল করা কি ফিতনা? আর যদি ফিতনাই হবে, তাহলে রাসূল (ﷺ) কি এমন ফিতনা সৃষ্টি করে গিয়েছেন (নাউজুবিল্লাহ)। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : জুতা পরা ও খুলার সময় কোন্ পা আগে দিতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : জিনেরা কি গায়েবের খবর রাখে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : জনৈক মহিলার সাধারণত ৭ম দিনে হায়েয শেষ হয়। কিন্তু মাঝে ১/২ দিন স্রাব সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে। প্রশ্ন হল- উক্ত এক বা দুই দিন সে ছলাত/ছিয়াম পালন করতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ