রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৬ পূর্বাহ্ন
উত্তর : আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘স্মরণ করুন সে দিনকে, যখন আমরা প্রত্যেক সম্প্রদায়কে তাদের ইমামসহ ডাকব। অতঃপর যাদের ডান হাতে তাদের আমলনামা দেয়া হবে, তারা তাদের আমলনামা পড়বে এবং তাদের উপর সামান্য পরিমাণও যুলুম করা হবে না। আর যে ব্যক্তি এখানে অন্ধ সে আখিরাতেও অন্ধ এবং সবচেয়ে বেশি পথভ্রষ্ট। আর আমরা আপনার প্রতি যা ওহী করেছি তা থেকে ওরা আপনাকে পদস্খলন ঘটাবার চেষ্টা প্রায় চূড়ান্ত করেছিল, যাতে আপনি আমাদের উপর সেটার বিপরীত মিথ্যা রটাতে পারেন; আর নিঃসন্দেহে তখন তারা আপনাকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করত’ (সূরা বানী ইসরাইল : ৭১-৭৩)। এখানে ‘অন্ধ’ বলে বাহ্যিক অন্ধদের বুঝানো হয়নি। বরং যাদের মন হক্ব বুঝার ক্ষেত্রে, আল্লাহর নিদর্শনাবলী দেখার ক্ষেত্রে অন্ধত্ব গ্রহণ করেছে। হক্ব মানতে চায় না এবং নিদর্শনাবলী দেখতে চায় না এমন প্রকৃত অন্ধদেরকে উদ্দেশ্য নেয়া হয়েছে। অন্য আয়াতে বলা হয়েছে, ‘তারা কি দেশ ভ্রমণ করেনি? তাহলে তারা জ্ঞানবুদ্ধিসম্পন্ন হৃদয় ও শ্রুতিশক্তিসম্পন্ন শ্রবণের অধিকারী হতে পারত। বস্তুত চোখ তো অন্ধ নয়, বরং অন্ধ হচ্ছে বুকের মধ্যে অবস্থিত হৃদয়’ (সূরা আল-হজ্জ : ৪৬)।

পক্ষান্তরে দুনিয়ার জীবনে যারা অন্ধ তারা যদি ঈমানদার হয় এবং সৎকাজ করে ও ধৈর্যধারণ করে তবে তাদের ব্যাপারে আল-কুরআন ও হাদীছে প্রশংসা বাণী এসেছে। কুরআনে বলা হয়েছে, ‘তিনি ভ্রুকুঞ্চিত করলেন এবং মুখ ফিরিয়ে নিলেন। কারণ তার কাছে অন্ধ লোকটি আসল। আপনি কেমন করে জানবেন সে হয়ত পরিশুদ্ধ হত অথবা উপদেশ গ্রহণ করত, ফলে উপদেশ তার উপকারে আসত’ (সূরা আল-আবাসা : ১৩)। অনুরূপভাবে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর হাদীছেও ঐ সমস্ত লোকদের ব্যাপারে জান্নাতের সুসংবাদ জানানো হয়েছে যারা অন্ধ হয়ে যাবার পর ধৈর্যধারণ করেছে। অতঃপর বলা হয়েছে যে, ‘তারা আখেরাতে অন্ধ হবে’। অর্থাৎ আখেরাতে তাদের অন্ধত্বের ধরন সম্পর্কে দু’টি মত রয়েছে। ১- তারা বাস্তবিকই শারীরিকভাবে অন্ধ হিসাবে হাশরের মাঠে উঠবে। এ অর্থের সমর্থনে কুরআনের অন্যত্র এসেছে, ‘যে আমার স্মরণে বিমুখ থাকবে, অবশ্যই তার জীবন-যাপন হবে সংকুচিত এবং আমি তাকে ক্বিয়ামতের দিন উত্থিত করব অন্ধ অবস্থায়’ (সূরা ত্বো-হা : ১২৪)। আরো এসেছে, ‘ক্বিয়ামতের দিন আমি তাদেরকে সমবেত করব তাদের মুখে ভর দিয়ে চলা অবস্থায় অন্ধ, মূক ও বধির করে’ (সূরা বানী ইসরাঈল : ৯৭)। ২- এ ছাড়া আয়াতের আরেক অর্থ করা হয়ে থাকে যে, তারা ক্বিয়ামতের দিন তাদের দুনিয়ার জীবনে যে সমস্ত দলীল প্রমাণাদি ব্যবহার করে হক্ব পথ থেকে দূরে থাকে, সে সব থেকে তাদেরকে অন্ধ করে উঠানো হবে। মুজাহিদ (রাহিমাহুল্লাহ) এ অর্থ গ্রহণ করেছেন (তাফসীরে ইবনু কাছীর)।


প্রশ্নকারী : মতিয়ার রহমান, দিনাজপুর।





প্রশ্ন (৩৭) : বর্তমানে মোবাইলে বিয়ের প্রচলন দেখা যাচ্ছে।  মোবাইলে বিয়ে জায়েয হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩২) : দাওয়াতের উদ্দেশ্যে মসজিদের ভিতরে ইসলামী বই কেনা-বেচা করা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : তিন রাক‘আত বিতর ছালাত দুই সালামে পড়ার নিয়ম কী? প্রথম দুই রাক‘আতের নিয়ত করে ও পরে সালাম ফিরানোর পর আবার এক রাক‘আত পড়ার নিয়ত করতে হবে, না-কি একসাথে তিন রাক‘আত পড়ার নিয়ত করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : দেশে প্রচলিত শেয়ার বাজারের ব্যবসা শরী‘আতসম্মত কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : হারাম রিযিক জেনেও কেউ যদি সেই রিযিকের উপর বহাল থাকে, তাহলে সে কি কাফের হয়ে যাবে যেহেতু তার ইবাদত কবুল হচ্ছে না? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : মানুষের হাত, পা বা কোন অঙ্গ কেটে পড়ে গেলে সেটার কি গোসল, জানাযা ও দাফন করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩২) : অনিচ্ছাকৃতভাবে পাওয়া সূদের অর্থ কোথায় ব্যয় করবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : বর্তমানে শিশুদেরকে তাহনীক্ব করানো যাবে কি? কেউ কেউ বলেন, এটি রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে খাছ ছিল। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৪) : হস্তমৈথুন জায়েয মর্মে নিম্নের বর্ণনা উল্লেখ করা হয়। এক যুবক ইবনু আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে জিজ্ঞেস করল, আমি যুবক মানুষ, আমি তীব্র যৌন উত্তেজনা অনুভব করি। আমি কি হস্তমৈথুন করে বীর্যপাত করতে পারব? তিনি বলেন, এটা যেনা করার চেয়ে উত্তম এবং তার চেয়েও উত্তম হল কোন দাসীকে বিবাহ করা (বায়হাক্বী, আস-সুনানুল কুবরা হা/১৪৫১৩)। বর্ণনাটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : শিশুর পেশাব কাপড়ে লেগে যদি শুকিয়ে যায়, তাহলে ঐ কাপড়ে ছালাত আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : ঘুষের বিনিময়ে চাকরি নিলে সেই চাকরির বেতন কি হালাল হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : সৎ সন্তান লাভের জন্য কোন দু‘আ পড়া উচিত? বিশেষ কোন আমল আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ