রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৩:২৮ অপরাহ্ন
উত্তর : অবশ্যই পাপ হবে। বর্তমানে বহু মানুষ দরিদ্রতার ভয়ে এবং আধুনিকতার দোহাই দিয়ে গোপনে সন্তান হত্যা করছে। অথচ খাদ্যাভাব বা দরিদ্রতার ভয়ে জন্মনিয়ন্ত্রণ করা হারাম। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, وَ لَا تَقۡتُلُوۡۤا اَوۡلَادَکُمۡ مِّنۡ اِمۡلَاقٍ ؕ نَحۡنُ  نَرۡزُقُکُمۡ وَ اِیَّاہُمۡ ‘দরিদ্রতার ভয়ে তোমরা তোমাদের সন্তানদের হত্যা করবে না, আমরাই  তোমাদেরকে ও তাদেরকে জীবিকা দিয়ে থাকি (সূরা আল-আন‘আম : ১৫১)।

ইমাম ইবনু কাছীর (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, অত্র আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা পিতা-মাতাকে নির্দেশ দিচ্ছেন যে, তোমরা দারিদ্র্যের ভয়ে ছেলে-মেয়েদেরকে হত্যা কর না। শয়তানরা মুশরিকদেরকে বিভ্রান্ত করেছিল বলে তারা নিজেদের সন্তানদেরকে জীবন্ত প্রোথিত করত। তারা লজ্জার ভয়ে কন্যা সন্তানদেরকে জীবন্ত পুঁতে ফেলত। আবার দরিদ্রতার ভয়ে কোন কোন পুত্র সন্তানকেও হত্যা করত। এ জন্যই হাদীছে এটাকে বড় অপরাধ হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন,

سَأَلْتُ النَّبِيَّ ﷺ أَيُّ الذَّنْبِ أَعْظَمُ عِنْدَ اللهِ قَالَ أَنْ تَجْعَلَ لِلهِ نِدًّا وَهُوَ خَلَقَكَ قُلْتُ إِنَّ ذَلِكَ لَعَظِيْمٌ قُلْتُ ثُمَّ أَيُّ قَالَ وَأَنْ تَقْتُلَ وَلَدَكَ تَخَافُ أَنْ يَطْعَمَ مَعَكَ قُلْتُ ثُمَّ أَيُّ قَالَ أَنْ تُزَانِيَ حَلِيْلَةَ جَارِكَ

‘আমি নবী করীম (ﷺ)-কে জিজ্ঞেস করলাম যে, কোন্ গুনাহটা আল্লাহর নিকট সবচেয়ে বড়? উত্তরে তিনি বললেন, আল্লাহর জন্য অংশীদার স্থাপন করা। অথচ তিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন। আমি বললাম, এতো সত্যিই বড় গুনাহ। আমি বললাম, তারপর কোন্ গুনাহটা? উত্তরে তিনি বললেন, তুমি তোমার সন্তানকে এই ভয়ে হত্যা করবে যে, সে তোমার সঙ্গে আহার করবে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, এরপর কোনটি? উত্তরে তিনি বললেন, তোমার প্রতিবেশীর স্ত্রীর সঙ্গে তোমার ব্যভিচার করা’ (ছহীহ বুখারী, হা/৪৪৭৭; ছহীহ মুসলিম, হা/৮৬)।

জাহেলী যুগে এই নিকৃষ্ট পাষণ্ড প্রথা চালু ছিল। বর্তমানেও জন্ম-নিয়ন্ত্রণের নামে সেই প্রথা লালন করা হচ্ছে। অথচ রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ‘তোমরা এমন নারীকে বিবাহ কর, যে প্রেমময়ী এবং অধিক সন্তান প্রসবকারিণী। কারণ আমি অন্যান্য উম্মতের কাছে তোমাদের সংখ্যাধিক্যের কারণে গর্ব করব’ (আবূ দাঊদ, হা/২০৫০; নাসাঈ, হা/৩২২৭, সনদ হাসান)।


প্রশ্নকারী : ফায়ছাল আহমাদ, নাটোর।





প্রশ্ন (১৮) : জীবনে অনেক পাপ করেছে এমন ব্যক্তি কোন মরণব্যাধিতে আক্রান্ত হয়েছে। এখন তওবা করলে পাপ ক্ষমা হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩২) : কোন্ তারিখে ই‘তিকাফে বসবে এবং কখন বের হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : বর্তমানে কাউকে না জানিয়ে গোপনে বিবাহ করার প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এটা কতটুকু শরী‘আত সম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭): শপথকারী সৎ হলে ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে কি শপথ করা জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : ছিয়াম পালনে অক্ষম ব্যক্তিকে ফিদইয়া দিতে বলা হয়েছে। এর পরিমাণ সম্পর্কে কেউ বলছে এক ছা‘ আবার কেউ আধা ছা‘। কোনটি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : আমরা ‘বায়তুল্লাহর মুসাফির’ নামে একটি হজ্জ ও ওমরা সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্ম নিয়ে কাজ করছি। যারা আলেম, ইমাম বা দাঈ হিসাবে আমাদের সাথে যুক্ত থাকবেন, তাদের মাধ্যমে যদি কেউ হজ্জে যান, তাহলে আমরা তাদেরকে একটি নির্দিষ্ট সম্মাননা, ওমরার সুযোগ বা অর্থ দিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে চাই। এভাবে বলা যায় যে, ‘কেউ যদি আমাদের নির্দিষ্ট সংখ্যক হাজী দেন, তাহলে তাকে ওমরা করানোর ব্যবস্থা করা হবে’। শরী‘আতের দৃষ্টিতে এভাবে কাজ করাটা জায়েয হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : বিতর ছালাত ছুটে গেলে পরেরদিন আদায় করা যাবে কি? কখন কোন্ সময় আদায় করতে হবে? কয় রাকাত আদায় করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : আমার উপর হজ্জ ফরয হয়নি। আমি কি উমরাহ করতে পারব? জনৈক ব্যক্তি বলেন, কারো যদি হজ্জ করার সামর্থ্য না থাকে সে কখনো উমরাহ করতে পারবে না। কথাটি কতটুকু সত্য? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : যেসকল তাসবীহ ১০০ বার পড়তে হয়, তা যদি একসাথে না পড়ে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পড়ি, তাহলে কি হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : মহিলারা শাড়ি পরিধান করতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : বৌদ্ধ ধর্মের কি কোন বই আছে? ইসলাম ও বৌদ্ধ ধর্মের মাঝে পার্থক্য কী কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : ঝাড়-ফুঁকের হুকুম কী? কুরআনের আয়াত লিখে গলায় ঝুলিয়ে রাখা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ