রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৫:০৮ অপরাহ্ন
উত্তর : অবশ্যই পাপ হবে। বর্তমানে বহু মানুষ দরিদ্রতার ভয়ে এবং আধুনিকতার দোহাই দিয়ে গোপনে সন্তান হত্যা করছে। অথচ খাদ্যাভাব বা দরিদ্রতার ভয়ে জন্মনিয়ন্ত্রণ করা হারাম। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, وَ لَا تَقۡتُلُوۡۤا اَوۡلَادَکُمۡ مِّنۡ اِمۡلَاقٍ ؕ نَحۡنُ  نَرۡزُقُکُمۡ وَ اِیَّاہُمۡ ‘দরিদ্রতার ভয়ে তোমরা তোমাদের সন্তানদের হত্যা করবে না, আমরাই  তোমাদেরকে ও তাদেরকে জীবিকা দিয়ে থাকি (সূরা আল-আন‘আম : ১৫১)।

ইমাম ইবনু কাছীর (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, অত্র আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা পিতা-মাতাকে নির্দেশ দিচ্ছেন যে, তোমরা দারিদ্র্যের ভয়ে ছেলে-মেয়েদেরকে হত্যা কর না। শয়তানরা মুশরিকদেরকে বিভ্রান্ত করেছিল বলে তারা নিজেদের সন্তানদেরকে জীবন্ত প্রোথিত করত। তারা লজ্জার ভয়ে কন্যা সন্তানদেরকে জীবন্ত পুঁতে ফেলত। আবার দরিদ্রতার ভয়ে কোন কোন পুত্র সন্তানকেও হত্যা করত। এ জন্যই হাদীছে এটাকে বড় অপরাধ হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন,

سَأَلْتُ النَّبِيَّ ﷺ أَيُّ الذَّنْبِ أَعْظَمُ عِنْدَ اللهِ قَالَ أَنْ تَجْعَلَ لِلهِ نِدًّا وَهُوَ خَلَقَكَ قُلْتُ إِنَّ ذَلِكَ لَعَظِيْمٌ قُلْتُ ثُمَّ أَيُّ قَالَ وَأَنْ تَقْتُلَ وَلَدَكَ تَخَافُ أَنْ يَطْعَمَ مَعَكَ قُلْتُ ثُمَّ أَيُّ قَالَ أَنْ تُزَانِيَ حَلِيْلَةَ جَارِكَ

‘আমি নবী করীম (ﷺ)-কে জিজ্ঞেস করলাম যে, কোন্ গুনাহটা আল্লাহর নিকট সবচেয়ে বড়? উত্তরে তিনি বললেন, আল্লাহর জন্য অংশীদার স্থাপন করা। অথচ তিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন। আমি বললাম, এতো সত্যিই বড় গুনাহ। আমি বললাম, তারপর কোন্ গুনাহটা? উত্তরে তিনি বললেন, তুমি তোমার সন্তানকে এই ভয়ে হত্যা করবে যে, সে তোমার সঙ্গে আহার করবে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, এরপর কোনটি? উত্তরে তিনি বললেন, তোমার প্রতিবেশীর স্ত্রীর সঙ্গে তোমার ব্যভিচার করা’ (ছহীহ বুখারী, হা/৪৪৭৭; ছহীহ মুসলিম, হা/৮৬)।

জাহেলী যুগে এই নিকৃষ্ট পাষণ্ড প্রথা চালু ছিল। বর্তমানেও জন্ম-নিয়ন্ত্রণের নামে সেই প্রথা লালন করা হচ্ছে। অথচ রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ‘তোমরা এমন নারীকে বিবাহ কর, যে প্রেমময়ী এবং অধিক সন্তান প্রসবকারিণী। কারণ আমি অন্যান্য উম্মতের কাছে তোমাদের সংখ্যাধিক্যের কারণে গর্ব করব’ (আবূ দাঊদ, হা/২০৫০; নাসাঈ, হা/৩২২৭, সনদ হাসান)।


প্রশ্নকারী : ফায়ছাল আহমাদ, নাটোর।





প্রশ্ন (১১) : ‘ইয়া রাসূলাল্লাহ’, ‘ইয়া হাবীবাল্লাহ’ বলা যাবে কি? যেমন- আমার আব্বু, দাদী এবং আত্মীয়-স্বজন অনেকের মুখে শুনি, তারা ভাত খাওয়ার পর বলেন ‘ইয়া রাসূলুল্লাহ’, ‘ইয়া হাবীবাল্লাহ’। এমনকি তারা প্রায় সময় আল্লাহর যিকির না করে এইগুলো বলে থাকেন। এভাবে বললে কি শিরক হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : ঈদুল আযহার চাঁদ দেখা দিলে, আক্বীক্বার জন্য পশু যব্হ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : দাইয়ূছের পরিণতি কেমন হতে পারে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৮) : ইটভাটার মালিককে ১ লক্ষ টাকা এক বছরের জন্য প্রদান করি এই শর্তে যে, বছর শেষে আমাকে ১৯ হাজার ইট দেবে। আর ঐ সময় প্রতি হাজার ইটের মূল্য ৭ হাজার টাকা করে নিলে সেক্ষেত্রে আমাকে দিবে ১,৩৩,০০০ টাকা। কিন্তু আমি যদি তার কাছে ইট বিক্রি করে দিই, তবে সেক্ষেত্রে আমাকে দিবে ১,২০,০০০ টাকা। উক্ত টাকা আমার জন্য হালাল হবে, না-কি সূদ হিসাবে গণ্য হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : ইক্বামতে ‘ক্বাদ ক্বা-মাতিছ ছালাহ’-এর জবাবে ‘আক্বা-মাহাল্লাহু ওয়া আদামাহা’ বলা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : কোন অমুসলিম যদি কালেমা পাঠ করে মুসলিম হয়, তাহলে তার কি সুন্নাতে খাৎনা করা এবং এভিডেভিট করা যরূরী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : প্রবাসে অবৈধভাবে বসবাসকারী অনেকে ঋণগ্রস্ত অবস্থায় আছে, যাদের দেশে এসে জীবন ধারণের কোন ব্যবস্থা নেই। তাদের ক্ষেত্রে অবৈধভাবে প্রবাসে থেকে অর্থ উপার্জন করা কি হালাল হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : তওবা করার পর পুনরায় সেই পাপ হয়ে গেলে করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩২) : এক রাক‘আত বিতরের ছালাত আদায় করার প্রমাণ জানতে চাই? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : সকাল-সন্ধ্যার দু‘আর সময়কাল কখন ফজর ও মাগরিবের পর, না-কি ফজর ও আছর ছালাতের পর? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : মুক্তচিন্তা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা কি ইসলামে অনুমদিত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : কোন মুসলিমকে কাফের বলার জন্য কোন শর্ত আছে কী? তাকফীরের মূলনীতি কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ