বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন
উত্তর : অবশ্যই পাপ হবে। বর্তমানে বহু মানুষ দরিদ্রতার ভয়ে এবং আধুনিকতার দোহাই দিয়ে গোপনে সন্তান হত্যা করছে। অথচ খাদ্যাভাব বা দরিদ্রতার ভয়ে জন্মনিয়ন্ত্রণ করা হারাম। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, وَ لَا تَقۡتُلُوۡۤا اَوۡلَادَکُمۡ مِّنۡ اِمۡلَاقٍ ؕ نَحۡنُ  نَرۡزُقُکُمۡ وَ اِیَّاہُمۡ ‘দরিদ্রতার ভয়ে তোমরা তোমাদের সন্তানদের হত্যা করবে না, আমরাই  তোমাদেরকে ও তাদেরকে জীবিকা দিয়ে থাকি (সূরা আল-আন‘আম : ১৫১)।

ইমাম ইবনু কাছীর (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, অত্র আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা পিতা-মাতাকে নির্দেশ দিচ্ছেন যে, তোমরা দারিদ্র্যের ভয়ে ছেলে-মেয়েদেরকে হত্যা কর না। শয়তানরা মুশরিকদেরকে বিভ্রান্ত করেছিল বলে তারা নিজেদের সন্তানদেরকে জীবন্ত প্রোথিত করত। তারা লজ্জার ভয়ে কন্যা সন্তানদেরকে জীবন্ত পুঁতে ফেলত। আবার দরিদ্রতার ভয়ে কোন কোন পুত্র সন্তানকেও হত্যা করত। এ জন্যই হাদীছে এটাকে বড় অপরাধ হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন,

سَأَلْتُ النَّبِيَّ ﷺ أَيُّ الذَّنْبِ أَعْظَمُ عِنْدَ اللهِ قَالَ أَنْ تَجْعَلَ لِلهِ نِدًّا وَهُوَ خَلَقَكَ قُلْتُ إِنَّ ذَلِكَ لَعَظِيْمٌ قُلْتُ ثُمَّ أَيُّ قَالَ وَأَنْ تَقْتُلَ وَلَدَكَ تَخَافُ أَنْ يَطْعَمَ مَعَكَ قُلْتُ ثُمَّ أَيُّ قَالَ أَنْ تُزَانِيَ حَلِيْلَةَ جَارِكَ

‘আমি নবী করীম (ﷺ)-কে জিজ্ঞেস করলাম যে, কোন্ গুনাহটা আল্লাহর নিকট সবচেয়ে বড়? উত্তরে তিনি বললেন, আল্লাহর জন্য অংশীদার স্থাপন করা। অথচ তিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন। আমি বললাম, এতো সত্যিই বড় গুনাহ। আমি বললাম, তারপর কোন্ গুনাহটা? উত্তরে তিনি বললেন, তুমি তোমার সন্তানকে এই ভয়ে হত্যা করবে যে, সে তোমার সঙ্গে আহার করবে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, এরপর কোনটি? উত্তরে তিনি বললেন, তোমার প্রতিবেশীর স্ত্রীর সঙ্গে তোমার ব্যভিচার করা’ (ছহীহ বুখারী, হা/৪৪৭৭; ছহীহ মুসলিম, হা/৮৬)।

জাহেলী যুগে এই নিকৃষ্ট পাষণ্ড প্রথা চালু ছিল। বর্তমানেও জন্ম-নিয়ন্ত্রণের নামে সেই প্রথা লালন করা হচ্ছে। অথচ রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ‘তোমরা এমন নারীকে বিবাহ কর, যে প্রেমময়ী এবং অধিক সন্তান প্রসবকারিণী। কারণ আমি অন্যান্য উম্মতের কাছে তোমাদের সংখ্যাধিক্যের কারণে গর্ব করব’ (আবূ দাঊদ, হা/২০৫০; নাসাঈ, হা/৩২২৭, সনদ হাসান)।


প্রশ্নকারী : ফায়ছাল আহমাদ, নাটোর।





প্রশ্ন (১২) : ঈলা কী? এটা কি রাসূল (ﷺ)-এর জন্য কী খাছ, না-কি সকলের জন্য ‘আম? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : একজন পুরুষ চারটি বিয়ে করতে পারবে। প্রশ্ন হল চারটি বিয়ে করার পর এদের মধ্যে একজন মারা গেলে বা ত্বালাক্ব হলে আবারও বিয়ে করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : মসজিদের ফরয ছালাত কিংবা জুম‘আর ছালাতের পর কেউ কেউ পিতা-মাতা বা নিজের রোগমুক্তির জন্য সবার কাছে দু‘আ চায়। অনেকে ইমামের নিকট পত্র লিখে দু‘আ চায়। এভাবে কেউ দু‘আ চাইলে করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৬) : ঈদের রাতে ইবাদত করার কোন দলীল আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : জনৈক আলেম বলেছেন, আবূ হানিফা (রহ.)-এর নাম নাকি ছহীহ হাদীছে আছে। তিনি না-কি ‘সুরাইয়া’ নামক তারকা থেকে ইলম অর্জন করেছেন। কথাটি কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আমি একজন অমুসলিম প্রার্থীকে ভোট দিয়েছি, অথচ তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসাবে একজন মুসলিম প্রার্থীও ছিলেন। আমার এ কাজ কি ইসলামী শিক্ষার পরিপন্থী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : জনৈক মুছল্লী ১ম জামা‘আত শেষ হওয়ার পর মসজিদে যায় এবং সুন্নাত শুরু করে। পরক্ষণেই বুঝতে পারে যে, মসজিদের অপর কোণে ২য় জামা‘আত হচ্ছে। এখন কি সে সুন্নাত ছেড়ে দিয়ে জামা‘আতে অংশগ্রহণ করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : সমাজে শরী‘আতের নামে একটি কথা চালু আছে যে, মুহাররমের ১ থেকে ১০ তারিখ পর্যন্ত ছিয়াম পালন করলে ৫০ বছরের নফল ছিয়ামের নেকী লেখা হয়। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৭) : শুক্রবারে ‘আরাফার দিন হলে সেই হজ্জ ৭ হজ্জের সমান- এ কথা কি ঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : ইসলামে শ্রমের মর্যাদা সম্পর্কে কী বলা হয়েছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : মসজিদে হারাম বা মসজিদে নববীর চত্বরে ছালাত আদায় করলে কি মূল মসজিদে ছালাত আদায় করার সমান ছাওয়াব পাওয়া যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : স্ত্রীকে ছালাত আদায় করার জন্য বললে সে ছালাত আদায় করে না। তাতে কি আমার পাপ হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ