শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০১:৪৫ অপরাহ্ন
উত্তর : শায়খুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘লাইলাতুল ক্বদর জোড় এবং বিজোড় উভয় রাত্রীতেই হতে পারে। কিন্তু মাস যদি ত্রিশ দিনের হয় তাহলে জোড় রাত্রীতে হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। আবূ সাঈদ খুদরী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) একই ব্যাখ্যা করেছেন। সুতরাং মুমিন ব্যক্তির উচিত শেষ দশকের সবকটি রাত্রী-ই জাগরণ করা’ (মাজমূঊল ফাতাওয়া ইবনু তাইমিয়্যাহ, ২৫/২৮৪ পৃ.)। শায়খ আব্দুল্লাহ ইবনু বায (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ‘লাইলাতুল ক্বদর রামাযান মাসের শেষ দশকেই লুক্কায়িত আছে এবং তিনি এটাও স্পষ্ট করেছেন যে, শেষ দশকের জোড় রাত্রীর তুলনায় বিজোড় রাত্রীতে হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। সুতরাং যে ব্যক্তি দশ রাত্রী-ই জাগরণ করবেন, তিনি লাইলাতুল ক্বদর পেয়ে যাবেন’ (মাজমূঊ ফাতাওয়া ইবনু বায, ১৫/৪৩০ পৃ.)।

শায়খ ছালিহ আল-উছাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, রাসূল (ﷺ) ২১, ২৩, ২৫, ২৭, ও ২৯ শের রাত্রীকে সম্ভাব্য রাত্রী হিসাবে উল্লেখ করেছেন। আদতে কিন্তু জোড় রাত্রীতেও লাইলাতুল ক্বদর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কেননা রাসূল (ﷺ) শেষ দশকে লাইলাতুল ক্বদর অন্বেষণ করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি কোনো রাত্রীকে নির্দিষ্ট করেননি। সুতরাং আশাবাদী ব্যক্তিদের উচিত প্রত্যাশিত লাইলাতুল ক্বদর প্রাপ্তির জন্য শেষ দশকের সবকটি রাত্রী-ই জাগরণ করা’ (মাজমূঊল ফাতাওয়া ইবনু উছাইমীন, ১৪/২২৭-২৩১ পৃ.)। শায়খ ছালিহ আল-মুনাজ্জিদ (হাফিযাহুল্লাহ) বলেন, ‘লাইলাতুল ক্বদর রামাযান মাসের শেষ দশকে সংঘটিত হবে। জোড় এবং বিজোড় উভয় রাত্রীতেই হতে পারে। কেননা জোড় রাত্রীগুলোও শেষ দশকের অন্তর্ভুক্ত’ (ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-৩৩৯৫২৬)। আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) বলেন,

كانَ رَسوْلُ اللهِ ﷺ يُجَاوِرُ في العَشْرِ الْأوَاخِرِ مِنْ رَمَضَانَ وَيَقُوْلُ تَحَرَّوْا لَيْلَةَ القَدْرِ فِي الْعَشْرِ الْأَوَاخِرِ مِنْ رَمَضَانَ

‘রাসূল (ﷺ) রামাযানের শেষ দশকে ই‘তিকাফ করতেন এবং বলতেন, তোমরা রামাযানের শেষ দশকে লাইলাতুল ক্বদর অনুসন্ধান কর’ (ছহীহ বুখারী, হা/২০২০; ছহীহ মুসলিম, হা/১১৬৯; তিরমিযী, হা/৭৯২)। আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ‘তা শেষ দশকে সংঘটিত হবে, তা অতিবাহিত নবম রাতে অথবা অবশিষ্ট সপ্তম রাতে অর্থাৎ লাইলাতুল ক্বদর। ইবনু ‘আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে অন্য সূত্রে বর্ণিত যে, তোমরা ২৪তম রাত্রীতে অন্বেষণ কর’ (ছহীহ বুখারী, হা/২০২২)।


প্রশ্নকারী : সা‘দ মুহাম্মাদ, খুলনা।





প্রশ্ন (৪০) : যারা আল্লাহর ঘর ধ্বংস করে (মসজিদ ভেঙ্গে দেয় বা আগুনে পুড়িয়ে দেয়) ইসলামী শরী‘আতে তাদের বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : আরাফার ময়দানে অনেক হাজীকে নিম্নের দু‘আটি পড়তে দেখা যায়। এই দু‘আটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : জনৈক বক্তা বলেন, ইসলাম ধর্মে এমন একটি নফল ছালাত আছে যা সফর মাসের শেষ বুধবার পূর্বাহ্নের প্রথম প্রহরে এক সালামে চার রাক‘আত আদায় করা খুবই ফযীলতপূর্ণ। পদ্ধতি হল, প্রত্যেক রাক‘আতে সূরা ফাতিহার সঙ্গে ১৭ বার সূরা কাওছার, ৫০ বার সূরাহ ইখলাছ এবং একবার করে সূরা নাস ও ফালাক্ব পাঠ করে। সালাম ফিরানোর পর সূরা ইউসুফের ২১ নং আয়াতের শেষাংশ ৩৬০ বার পাঠ করবে। শেষে সূরা আস-সাফফাতের ১৮০-১৮২ নং আয়াত পাঠ করে শেষ করবে। অতঃপর ফক্বীর মিসকীনদের মাঝে কিছু রুটি ছাদাক্বাহ করবে। এর মাধ্যমে বুধবার নাযিল হওয়া সমস্ত বিপদ থেকে মুক্তি লাভ করবে। কারণ প্রত্যেক বছর এই দিন ২০ হাজার ৩০০ শত বালা-মুছীবত নাযিল হয়। প্রশ্ন হল, উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১): জমি ক্রয় করার সময় কোন দৃঢ় নিয়ত ছিল না, সেখানে বাড়ি করব, না-কি ব্যবসা করব? এমতাবস্তায় উক্ত জমির উপর কি যাকাত ফরয হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : সম্মানার্থে ছেলেদের নাম ‘আবূ হুরায়রা’ রাখলে কোন সমস্যা হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : অনেকে বাম হাতে পানাহার করে। বাম হাতে পানাহারের বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৪) : জনৈক ব্যক্তি রাগ করে বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী তিন ত্বালাক্ব দেয় এবং ৯০ দিন পর সিটিকর্পোরেশন থেকে সার্টিফিকেট নেয়। তাদের দাম্পত্য জীবন ১১ বছরের এবং ১০ বছরের একটি ছেলে সন্তানও আছে। তবে ত্বালাক্ব দেয়ার সময় সে এক ত্বালাক্ব দিয়েছে। এমতাবস্থায় স্ত্রীকে ফিরিয়ে নেয়ার কোন সুযোগ আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : সিজদায় গিয়ে কুরআনে বর্ণিত দু‘আ পড়া যাবে কি?     - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : রুকূ অবস্থায় দৃষ্টি কোথায় রাখতে হবে এবং ইমাম যখন ‘সামি‘আল্লাহু লিমান হা‘মদাহ’ বলেন, তখন মুক্তাদীগণও কি ‘সামি‘আল্লাহু লিমান হামিদাহ’ বলবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : ‘আল্লাহ তা‘আলা ছয় দিনে বিশ্বকে সৃষ্টি করে ক্লান্ত হয়ে বিশ্রামের জন্য সপ্তম দিনে নিদ্রা যান’— ইহুদী-খ্রীষ্টানদের এরূপ বক্তব্য বিশ্বাসযোগ্য কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : একজন আলেম কুরআনের আয়াত পড়ে জিন যব্হ করে, আবার মুমিন জিন দিয়ে যাদু ও জিনের রোগের চিকিৎসা করে। এটি কি সুন্নাহ সম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : যারা এমন বিশ্বাস রাখে যে, আল্লাহ সব জায়গায় এবং তিনি নিরাকার, তাদের ইমামতিতে ছালাত আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ