রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৮ পূর্বাহ্ন
উত্তর : ‘শয়তানকে বাঁধা থাকে’-এর অর্থ হচ্ছে- শয়তানের নেতৃবৃন্দকে শিকলবদ্ধ করা হয়; শয়তান বলতে সবাইকে শিকল পরানো হয় না। তাই শয়তানের স্বাভাবিক কার্যক্রম শিথিল হয়, বন্ধ হয় না। ইবনু হাজার আসকালানী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘শয়তানকে বাঁধা মানে শয়তানী চক্রান্ত বন্ধ হওয়া নয়; বরং ছিয়ামের কারণে শয়তানের মানুষের উপর প্রভাব ফেলতে পারে না নিজ প্রবৃত্তিকে দমনের কারণে এবং অধিক ইবাদতে মশগুল থাকার কারণে’ (ফাৎহুল বারী, ৪/১১৪ পৃ.)। শায়খ ছালেহ আল-উছায়মীন (রাহিমাহুল্লাহ)-কে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ‘হাদীছে যেভাবে এসেছে আমাদের দায়িত্ব হল ঠিক সেভাবেই মেনে নেয়া এবং বিশ্বাস করা। কিভাবে তা হবে এটা আমাদের জানার বিষয় না। আব্দুল্লাহ ইবনু ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বাল (রাহিমাহুল্লাহ) পিতা আহমাদ ইবনু হাম্বাল (রাহিমাহুল্লাহ)-কে জিজ্ঞেস করেছিলেন, হাদীছে এসেছে শয়তান বাধা অথচ এখনো কিছু মানুষ তাদের মত ঘুরছে কিভাবে? ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বল (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছিলেন, ‘হাদীছে যেভাবে এসেছে আমরা তাই বিশ্বাস করি, এ বিষয়ে আমরা কথা বলব না’ (উছায়মীন, মাজমূঊ ফাতাওয়া ওয়া রাসাইল, ২০তম খণ্ড, পৃ. ৪৮; ইসলাম সাওয়াল ওয়া জওয়াব, প্রশ্ন নং-৩৯৭৩৬)।


প্রশ্নকারী : আব্দুল্লাহ, সাতক্ষীরা।





প্রশ্ন (৪০) : প্রচলিত আছে যে, বিলাল (রাযিয়াল্লাহু আনহু) আযান সঠিকভাবে দিতে না পারার জন্য তাকে বাদ দিয়ে নতুন মুয়াযিযন নিয়োগ দেয়। তখন বিলাল (রাযিয়াল্লাহু আনহু) আল্লাহর কাছে অভিযোগ করে আল্লাহ তুমি আমাকে তোতলা বানিয়েছ। এটার জন্য দায়ী তুমি। আর আমার মুয়াযিযন না থাকার দায়ী তুমি। নতুন মুয়াযিযন ফজরের আযান দিল, তখন জিবরীল (আলাইহিস সালাম) এসে বলেন, আজ কি আযান হয়নি? তখন লোকজন বলল, হ্যাঁ, অনেক সুন্দর হয়েছে। তখন জিবরীল (আলাইহিস সালাম) বলেন, বিলাল আযান না দিলে সকাল হবে না এবং সূর্যও উঠবে না। প্রশ্ন হল- উক্ত ঘটনার কি কোন দলীল আছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪৪) : স্বামী নিজ স্ত্রীকে এবং পিতা তার সন্তানদেরকে যাকাত দিতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : ঘরের ভিতর বিছানা বিছানোর নির্দিষ্ট কোন দিক আছে কি? যেমন- পূর্ব-পশ্চিম না উত্তর-দক্ষিণ। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : মুনাজাতের পর মুখে হাত মাসাহ করা কি বৈধ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : ছিয়াম ভঙ্গের কারণগুলো কী কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : কিছু মানুষ হারাম কাজে লিপ্ত। যেমন- দাড়ি মুণ্ডন করা, ধূমপান করা, হারামের সাথে জড়িত থাকা ইত্যাদি। যদি এগুলো বর্জন করতে বলা হয় তখন সে বলে, ঈমান ঠিক আছে। দাড়ি লম্বা করা, ধুমপান বর্জন করাই শুধু ঈমান নয়। এ ধরনের লোকের পরিণাম কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : জনৈক ব্যক্তি এক দোকান থেকে কিছু পোশাক কিনেছে; পরবর্তীতে জেনেছে যে, সেখানে চুরিকৃত জিনিস বিক্রি করা হয়। এমতাবস্থায় ঐ ব্যক্তির জন্য করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : লায়লাতুল ক্বদরে তারাবীহর ছালাত আদায় করার পর ক্বদরের নামে ৮ বা ১২ রাক‘আত ছালাত আদায় করা যায় কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : জামা‘আতে ছালাত আদায় করার বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : জিনেরা কি মানুষের ক্ষতি করতে পারে? কারীন জিন কি মানুষের সাথে থাকে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : বর্তমানে স্পোর্টসের দোকানগুলোতে এবং যুবকদের মধ্যে ইউরোপীয় জাতীয় দল ও ক্লাবগুলোর নামযুক্ত জার্সি পরার প্রবণতা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। এসব ক্লাবের কিছু লোগোতে ক্রস (খ্রিষ্টানদের ধর্মীয় প্রতীক)ও রয়েছে। যদি এসব জার্সি বিক্রি বন্ধ করি, তাহলে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হব, এমনকি দোকান বন্ধ করে দিতে হতে পারে। তবে আমরা হালাল উপার্জনের ব্যাপারে অত্যন্ত সচেতন। অতএব নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর হুকুম শরী‘আতের আলোকে কী হবে? (১) ইউরোপীয় ক্লাবের জার্সি কেনা, বিক্রি করা ও পরিধান করার হুকুম কী? খেলোয়াড়ের নাম লেখা থাকলে তা পরে ছালাত পড়া যাবে কি? (২) যেসব জার্সিতে নাম নেই, কেবল নম্বর আছে, সেগুলো বিক্রি করার হুকুম কী? (৩) যেসব জার্সিতে নাম বা নম্বর কিছুই নেই, সেগুলো বিক্রি করার হুকুম কী? (৪) যেসব জার্সির লোগো থেকে ক্রস মুছে ফেলা হয়েছে, সেগুলো বিক্রির হুকুম কী? (৫) এটি কি “عمت به البلوى” (সর্বব্যাপী সাধারণ বিপদ) হিসাবে গণ্য হবে? (৬) যদি এসব জার্সি বিক্রি করা বৈধ না হয়, তবে পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীদের করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : ইসলামের দৃষ্টিতে ছেলে-মেয়েদের সহশিক্ষা কি বৈধ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ