রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০১:০১ অপরাহ্ন
উত্তর : মাহরামদের সামনেও মহিলারা স্বাভাবিক পর্দা করবে। শায়খ উছায়মীন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘মহিলারা অন্যান্য মাহরামের সামনে তাদের লজ্জাস্থানকে আবৃত করবে এটা অপরিহার্য দায়িত্ব। যদি পোশাক এতটাই সংকীর্ণ বা আটোসাঁটো হয় যে, মহিলাদের আকর্ষণীয় বিষয়গুলো পরিস্ফুটিত হচ্ছে ও তাদের রূপ বিকশিত হচ্ছে, তবে এ জাতীয় পোশাক মহিলারা মাহরামদের সামনে পরিধান করতে পারবে না’ (উছায়মীন, মাজমূঊ ফাতাওয়া ওয়া রাসাইল, ২য় খণ্ড, পৃ. ৮২৫)।

মহিলাদের পোশাক তাক্বওয়াসম্পন্ন হতে হবে। বেহায়াপনার কোন স্পর্শ থাকবে না। রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘জাহান্নামবাসীদের মধ্যে দুই প্রকার মানুষ, যাদের আমি (এখনো পর্যন্ত) দেখিনি। একদল মানুষ, যাদের সঙ্গে গরুর লেজের মত চাবুক থাকবে, তা দ্বারা তারা লোকজনকে মারবে (অর্থাৎ মানুষের উপর অত্যাচার করবে) এবং একদল স্ত্রী লোক, যারা বস্ত্র পরিহিতা হয়েও বিবস্ত্রা বা উলঙ্গ হবে, যারা অন্যদের আকর্ষণকারিণী ও আকৃষ্টা হবে, আর তাদের মাথার চুলের অবস্থা উটের হেলে পড়া কুঁজের মত হবে। ওরা জান্নাতে যেতে পারবে না, এমনকি তার সুগন্ধিও পাবে না অথচ এত এত দূর হতে তার সুঘ্রাণ পাওয়া যায়’ (ছহীহ মুসলিম, হা/৫৪৭৫, ২১২৮)। ‘যারা বস্ত্র পরিহিতা হয়েও বিবস্ত্রা বা উলঙ্গ’ এই অংশের ব্যাখ্যায় ইমাম ইবনু আব্দুল বার্র (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, فهن كاسيات بالإسم و عاريات في الحقيقة ‘তারা নামমাত্র বস্ত্র পরিহিতা হলেও বাস্তবে কিন্তু তারা বিবস্ত্রা বা উলঙ্গ’ (আত-তামহীদ, ১৩তম খণ্ড, পৃ. ২০৪)।

সঊদী আরবের স্থায়ী ফাতাওয়া কমিটি বলেন, ‘দেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ গোচরীভূত হয় বা লজ্জাস্থান বিকশিত হয় এমন পোশাক পরিধান করা অবৈধ। যেমন কিছু ট্রাউজার, জিম বা সুইমিংয়ের পোশাক ইত্যাদি’ (ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়িমাহ, ৩য় খণ্ড, পৃ. ৪৩০ এবং ২৪তম খণ্ড, পৃ. ৪০)। শায়খুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়্যা (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘এমন সংকীর্ণ পোশাক যে, সৃষ্টির অবয়ব প্রকাশিত হয় বা এমন ফিনফিনে পোশাক যে, চামড়া আবৃত হয় না, এমন পোশাক পরিধান করা নিষেধ। কারণ মহিলাদেরকে এ ধরনের পোশাক পরিধান করতে নিষেধ করা হয়েছে। অভিভাবকদের উচিত তাদের এধরনের পোশাক পরতে নিষেধ করা’ (ফাতাওয়া আল-কুবরা, ৫ম খণ্ড, পৃ. ৩৫৩)।

ইমাম মুহাম্মাদ নাছিরুদ্দীন আলবানী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘মহিলারা মহিলাদের সম্মুখে অলঙ্কার পরিধানের স্থান সমূহ উন্মুক্ত করতে পারে। যেমন মাথা, কর্ণ, গ্রীবা, মালা পরিধানের স্থান,  পদযুগল, পাদমূল, হস্তদ্বয়, বাহুদ্বয় ইত্যাদি। এছাড়া অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ উন্মুক্ত করা জায়েয নয়’ (সূরা আন-নূর : ৩১; তালখীছু আহকামিল জানায়িয, পৃ. ৩০)।


প্রশ্নকারী : হাফসা, ঢাকা।





প্রশ্ন (৮) : জনৈক আলেম বলেন, রাসূল (ﷺ) ছালাতে যখন সিজদাহ থেকে দাঁড়াতেন তখনও হস্ত উত্তোলন করতেন। এমনকি প্রত্যেক উঠা বসায় তিনি এরূপ করতেন। তার দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : পালক সন্তান কি সম্পদের ওয়ারিছ হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩২) : উঠাবাসা করতে সমস্যা হয় কিন্তু দাঁড়িয়ে থাকতে ও হাঁটতে কোন সমস্যা হয় না। বাজারেও হেঁটে বেড়ানো যায় কিন্তু মসজিদে ছালাতের সময় চেয়ার কিংবা টুলে বসে ছালাত আদায় করতে হয়। এ অবস্থায় করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : মহিলাদের স্বপ্নদোষ হলে গোসল ফরজ হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : বিধর্মীদের দোকান থেকে বিশেষ করে হিন্দুদের দোকান থেকে মিষ্টি বা মিষ্টান্ন জাতীয় পণ্য ক্রয় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : সূর্য গ্রহণের ছালাতে প্রত্যেক রাক‘আতে কতবার সূরা ফাতিহা পাঠ করতে হবে? প্রথম রুকূ‘র পর উঠে আবার সূরা ফাতিহাসহ পাঠ করতে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৫) : তাহাজ্জুদ পড়ার পরে ফজরের সময় হওয়ার আগেই যদি কেউ ফজরের সুন্নাত পড়ে ফেলে তাহলে তা ছহীহ হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : হক্ব বা সত্য কি একটি না একাধিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৬) : জনৈক খত্বীব বলেন, পাঁচটি রাতের দু‘আ ফেরত দেয়া হয় না। রজবের প্রথম রাত্রি, শা‘বানের মধ্য রাত্রি, জুমু‘আর রাত্রি, ঈদুল ফিতরের রাত্রি এবং ঈদুল আযহার রাত্রি (ইবনু আসাকির, তারীখে দিমাষ্ক ১০/২৭৫ পৃঃ)। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : হুমায়ন আহমেদ রচিত উপন্যাস পড়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪২) : আমি একটি মেয়েকে ভালোবাসতাম। কিছু দিন শুধু কথা বলেছি। যখন জানতে পেরেছি এই সম্পর্ক হারাম  তখন ছেড়ে দিয়েছি। কিন্তু কথা বলার সময় কিছু ওয়াদা করেছিলাম। এখন কি সেই ওয়াদা পালন করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : কেউ যদি কারো গীবত, নিন্দা, সমালোচনা করে ফেলে এবং পরে যদি সে অনুতপ্ত হয় যে, আমি ঠিক করিনি। তখন যার গীবত করা হয়েছে তার কাছে যদি সে ক্ষমা চাইতে চায়, কিন্তু যার গীবত করেছে তাকে যদি না পায়, তাহলে আল্লাহর কাছে সে কিভাবে ক্ষমা চাইবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ