বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩২ পূর্বাহ্ন
উত্তর : মাহরামদের সামনেও মহিলারা স্বাভাবিক পর্দা করবে। শায়খ উছায়মীন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘মহিলারা অন্যান্য মাহরামের সামনে তাদের লজ্জাস্থানকে আবৃত করবে এটা অপরিহার্য দায়িত্ব। যদি পোশাক এতটাই সংকীর্ণ বা আটোসাঁটো হয় যে, মহিলাদের আকর্ষণীয় বিষয়গুলো পরিস্ফুটিত হচ্ছে ও তাদের রূপ বিকশিত হচ্ছে, তবে এ জাতীয় পোশাক মহিলারা মাহরামদের সামনে পরিধান করতে পারবে না’ (উছায়মীন, মাজমূঊ ফাতাওয়া ওয়া রাসাইল, ২য় খণ্ড, পৃ. ৮২৫)।

মহিলাদের পোশাক তাক্বওয়াসম্পন্ন হতে হবে। বেহায়াপনার কোন স্পর্শ থাকবে না। রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘জাহান্নামবাসীদের মধ্যে দুই প্রকার মানুষ, যাদের আমি (এখনো পর্যন্ত) দেখিনি। একদল মানুষ, যাদের সঙ্গে গরুর লেজের মত চাবুক থাকবে, তা দ্বারা তারা লোকজনকে মারবে (অর্থাৎ মানুষের উপর অত্যাচার করবে) এবং একদল স্ত্রী লোক, যারা বস্ত্র পরিহিতা হয়েও বিবস্ত্রা বা উলঙ্গ হবে, যারা অন্যদের আকর্ষণকারিণী ও আকৃষ্টা হবে, আর তাদের মাথার চুলের অবস্থা উটের হেলে পড়া কুঁজের মত হবে। ওরা জান্নাতে যেতে পারবে না, এমনকি তার সুগন্ধিও পাবে না অথচ এত এত দূর হতে তার সুঘ্রাণ পাওয়া যায়’ (ছহীহ মুসলিম, হা/৫৪৭৫, ২১২৮)। ‘যারা বস্ত্র পরিহিতা হয়েও বিবস্ত্রা বা উলঙ্গ’ এই অংশের ব্যাখ্যায় ইমাম ইবনু আব্দুল বার্র (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, فهن كاسيات بالإسم و عاريات في الحقيقة ‘তারা নামমাত্র বস্ত্র পরিহিতা হলেও বাস্তবে কিন্তু তারা বিবস্ত্রা বা উলঙ্গ’ (আত-তামহীদ, ১৩তম খণ্ড, পৃ. ২০৪)।

সঊদী আরবের স্থায়ী ফাতাওয়া কমিটি বলেন, ‘দেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ গোচরীভূত হয় বা লজ্জাস্থান বিকশিত হয় এমন পোশাক পরিধান করা অবৈধ। যেমন কিছু ট্রাউজার, জিম বা সুইমিংয়ের পোশাক ইত্যাদি’ (ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়িমাহ, ৩য় খণ্ড, পৃ. ৪৩০ এবং ২৪তম খণ্ড, পৃ. ৪০)। শায়খুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়্যা (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘এমন সংকীর্ণ পোশাক যে, সৃষ্টির অবয়ব প্রকাশিত হয় বা এমন ফিনফিনে পোশাক যে, চামড়া আবৃত হয় না, এমন পোশাক পরিধান করা নিষেধ। কারণ মহিলাদেরকে এ ধরনের পোশাক পরিধান করতে নিষেধ করা হয়েছে। অভিভাবকদের উচিত তাদের এধরনের পোশাক পরতে নিষেধ করা’ (ফাতাওয়া আল-কুবরা, ৫ম খণ্ড, পৃ. ৩৫৩)।

ইমাম মুহাম্মাদ নাছিরুদ্দীন আলবানী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘মহিলারা মহিলাদের সম্মুখে অলঙ্কার পরিধানের স্থান সমূহ উন্মুক্ত করতে পারে। যেমন মাথা, কর্ণ, গ্রীবা, মালা পরিধানের স্থান,  পদযুগল, পাদমূল, হস্তদ্বয়, বাহুদ্বয় ইত্যাদি। এছাড়া অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ উন্মুক্ত করা জায়েয নয়’ (সূরা আন-নূর : ৩১; তালখীছু আহকামিল জানায়িয, পৃ. ৩০)।


প্রশ্নকারী : হাফসা, ঢাকা।





প্রশ্ন (৬) : পিতা-মাতার দিকে রহমতের নযরে তাকালে একটি কবুল হজ্জের ছওয়াব পাওয়া যায়। হাদীছটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : হজ্জের সামর্থ্য বলতে কী বুঝায়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : একজন সাবালক মেয়ে আরেক সাবালক মেয়ের নিকট কতটুকু শরীর প্রকাশ করতে পারে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : শীতের কারণে অনেক সময় ওযূ অবস্থায় লেপের মধ্যে অবস্থান করি। লেপের মধ্যে হাঁটুর উপর কাপড় উঠে গেলে অথবা অন্য কোন সময় হাঁটুর উপর কাপড় উঠলে ওযূ নষ্ট হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : দাড়ি রাখার সুন্নাতী পদ্ধতি কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : মাতৃভাষায় জুমু‘আর খুতবা দেয়ার বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : মদীনা কামারের হাপরের ন্যায়। মদীনা মরিচা (দুষ্ট লোক) বিদূরিত করে এবং ভালকে আরও উজ্জ্বল করে (ছহীহ বুখারী, হা/৬৭৮৫)। উক্ত হাদীছে ব্যাখ্যা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : অনেকে মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহাব (রাহিমাহুল্লাহ)-কে শয়তানের শিং বলে অভিহিত করে থাকে। এটা কি ঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : ইসলামী শরী‘আতের আলোকে সূদ কাকে বলে? কত প্রকার ও কী কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : জনৈক আলেম বলেন, যে ব্যক্তি জুম‘আর দিন আগে আগে মসজিদে উপস্থিত হবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। এ মর্মে কোন দলীল আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : হারাম রিযিক জেনেও কেউ যদি সেই রিযিকের উপর বহাল থাকে, তাহলে সে কি কাফের হয়ে যাবে যেহেতু তার ইবাদত কবুল হচ্ছে না? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : কোন মুসাফির যখন কোন মসজিদে জামা‘আতের সাথে এশার ফরয ছালাত আদায় করতে চাইবে, তখন সে কি দুই রাক‘আত পড়বে, না-কি চার রাক‘আত আদায় করবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ