রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৬ পূর্বাহ্ন
উত্তর : মাহরামদের সামনেও মহিলারা স্বাভাবিক পর্দা করবে। শায়খ উছায়মীন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘মহিলারা অন্যান্য মাহরামের সামনে তাদের লজ্জাস্থানকে আবৃত করবে এটা অপরিহার্য দায়িত্ব। যদি পোশাক এতটাই সংকীর্ণ বা আটোসাঁটো হয় যে, মহিলাদের আকর্ষণীয় বিষয়গুলো পরিস্ফুটিত হচ্ছে ও তাদের রূপ বিকশিত হচ্ছে, তবে এ জাতীয় পোশাক মহিলারা মাহরামদের সামনে পরিধান করতে পারবে না’ (উছায়মীন, মাজমূঊ ফাতাওয়া ওয়া রাসাইল, ২য় খণ্ড, পৃ. ৮২৫)।

মহিলাদের পোশাক তাক্বওয়াসম্পন্ন হতে হবে। বেহায়াপনার কোন স্পর্শ থাকবে না। রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘জাহান্নামবাসীদের মধ্যে দুই প্রকার মানুষ, যাদের আমি (এখনো পর্যন্ত) দেখিনি। একদল মানুষ, যাদের সঙ্গে গরুর লেজের মত চাবুক থাকবে, তা দ্বারা তারা লোকজনকে মারবে (অর্থাৎ মানুষের উপর অত্যাচার করবে) এবং একদল স্ত্রী লোক, যারা বস্ত্র পরিহিতা হয়েও বিবস্ত্রা বা উলঙ্গ হবে, যারা অন্যদের আকর্ষণকারিণী ও আকৃষ্টা হবে, আর তাদের মাথার চুলের অবস্থা উটের হেলে পড়া কুঁজের মত হবে। ওরা জান্নাতে যেতে পারবে না, এমনকি তার সুগন্ধিও পাবে না অথচ এত এত দূর হতে তার সুঘ্রাণ পাওয়া যায়’ (ছহীহ মুসলিম, হা/৫৪৭৫, ২১২৮)। ‘যারা বস্ত্র পরিহিতা হয়েও বিবস্ত্রা বা উলঙ্গ’ এই অংশের ব্যাখ্যায় ইমাম ইবনু আব্দুল বার্র (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, فهن كاسيات بالإسم و عاريات في الحقيقة ‘তারা নামমাত্র বস্ত্র পরিহিতা হলেও বাস্তবে কিন্তু তারা বিবস্ত্রা বা উলঙ্গ’ (আত-তামহীদ, ১৩তম খণ্ড, পৃ. ২০৪)।

সঊদী আরবের স্থায়ী ফাতাওয়া কমিটি বলেন, ‘দেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ গোচরীভূত হয় বা লজ্জাস্থান বিকশিত হয় এমন পোশাক পরিধান করা অবৈধ। যেমন কিছু ট্রাউজার, জিম বা সুইমিংয়ের পোশাক ইত্যাদি’ (ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়িমাহ, ৩য় খণ্ড, পৃ. ৪৩০ এবং ২৪তম খণ্ড, পৃ. ৪০)। শায়খুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়্যা (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘এমন সংকীর্ণ পোশাক যে, সৃষ্টির অবয়ব প্রকাশিত হয় বা এমন ফিনফিনে পোশাক যে, চামড়া আবৃত হয় না, এমন পোশাক পরিধান করা নিষেধ। কারণ মহিলাদেরকে এ ধরনের পোশাক পরিধান করতে নিষেধ করা হয়েছে। অভিভাবকদের উচিত তাদের এধরনের পোশাক পরতে নিষেধ করা’ (ফাতাওয়া আল-কুবরা, ৫ম খণ্ড, পৃ. ৩৫৩)।

ইমাম মুহাম্মাদ নাছিরুদ্দীন আলবানী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘মহিলারা মহিলাদের সম্মুখে অলঙ্কার পরিধানের স্থান সমূহ উন্মুক্ত করতে পারে। যেমন মাথা, কর্ণ, গ্রীবা, মালা পরিধানের স্থান,  পদযুগল, পাদমূল, হস্তদ্বয়, বাহুদ্বয় ইত্যাদি। এছাড়া অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ উন্মুক্ত করা জায়েয নয়’ (সূরা আন-নূর : ৩১; তালখীছু আহকামিল জানায়িয, পৃ. ৩০)।


প্রশ্নকারী : হাফসা, ঢাকা।





প্রশ্ন (১) : শাওয়াল মাসে ছয়টি ছিয়াম পালন করার বিধান ও তার ফযীলাত সম্পর্কে জানাতে চাই। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪২) : জনৈক বক্তা বলেন, মসজিদের ইমাম তার মসজিদের আশেপাশের চল্লিশ ঘর লোকের জন্য ক্বিয়ামতের দিন সুপারিশ করবে এবং তাদেরকে জান্নাতে নিয়ে যাবে। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : হাদীছে এসেছে, ‘আল্লাহকে সাহায্য কর, আল্লাহ তোমাদের সাহায্য করবেন’। প্রশ্ন হল- মানুষ কীভাবে, কোন্ উপায়ে আল্লাহকে সাহায্য করবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : কারো মেয়ের নাম ‘আনাবিয়া’ ও ‘আব্দিয়া’ রাখা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : শিশুর পেশাব কাপড়ে লেগে যদি শুকিয়ে যায়, তাহলে ঐ কাপড়ে ছালাত আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : মেয়ে শিশুর নাম ‘হাওয়া’ রাখা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : ‘যে ব্যক্তি প্রত্যেক রাতে সূরা আল-ওয়াক্বি‘আহ পড়বে, সে কখনো অভাবের মধ্যে পড়বে না। ইবনু মাসঊদ (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) তার মেয়েদেরকে প্রত্যেক রাতে উক্ত সূরা পড়তে বলতেন (বায়হাক্বী, শু‘আবুল ঈমান, হা/২৪৯৮; মিশকাত, হা/২১৮১)। বর্ণনাটির তাহক্বীক্ব জানতে চাই। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : হেজবুত তাওহীদ কী? তাদের আক্বীদা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : একাধিকবার গ্লাসে পানি পান করার সময়, প্রতিবারই কি ‘বিসমিল্লাহ’ এবং শেষে ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৮) : ইলম অর্জন, তাবলীগ ও দাওয়াতের কাজে সফরে যাওয়ার জন্য পিতা-মাতার অনুমতি ছাড়া যাওয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কতজন ছাহাবী বিবাহ করেননি বা সংসার করেননি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : ‘ধর্ম যার যার উৎসব সবার’ শ্লোগানের শারঈ ভিত্তি কী এবং এরূপ কথায় বিশ্বাস করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ