বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২১ পূর্বাহ্ন
উত্তর : কুরআন এবং সুন্নাতে বর্ণিত দু‘আসমূহ দুই ভাগে বিভক্ত। যথা :  (১). নির্দিষ্ট ও নির্ধারিত দু‘আ-যিকির। যা নির্ধারিত সময় ও নির্দিষ্ট সংখ্যার সঙ্গে সম্পৃক্ত। যেমন সকাল-সন্ধ্যার যিকির-আযকার, নিদ্রার পূর্বে ও নিদ্রা হতে জাগ্রত হওয়ার দু‘আ, ফরয ছালাতের পর পঠিতব্য দু‘আ, ফরয ছালাতের পর অথবা নিদ্রার পূর্বে সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ ও আল্লাহু আকবার পাঠ করা ইত্যাদি। এই প্রকারের দু‘আর ক্ষেত্রে সুন্নাত মুতাবিক নির্ধারিত সময় ও নির্দিষ্ট সংখ্যা মেনে চলা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য আবশ্যকীয়। এর বিপরীত করা যাবে না। হাদীছে বর্ণিত দু‘আর নির্ধারিত ছাওয়াব অর্জনের জন্য রাসূলল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আনুগত্য অপরিহার্য। (২). অনির্দিষ্ট ও সাধারণ দু‘আ-যিকির। যা আল-কুরআন ও ছহীহ সুন্নাতে নির্ধারিত সময় ও নির্দিষ্ট সংখ্যা ছাড়াই পড়তে উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে। এসকল যিকির-আযকার মুসলিমরা যখন ইচ্ছা ও যতবার ইচ্ছা পাঠ করতে পারে। এই অনির্দিষ্ট দু‘আ গুলোর নির্দিষ্টকরণ নিষিদ্ধ ও বিদ‘আত (ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-২৫৯৪৮২)।

অতএব এমন প্রত্যেক দু‘আ-যিকির যা কোন সময় ও সংখ্যার সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়, তা ব্যক্তি ইচ্ছামত পাঠ করতে পারে। যেমন নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘দু’টি কালিমা আছে, যেগুলো দয়াময়ের নিকট অতি প্রিয়, মুখে উচ্চারণ করা খুবই সহজ, কিন্তু দাঁড়িপাল্লায় অত্যন্ত ভারী। (বাণী দু’টো হচ্ছে), ‘সুবহা-নাল্লা-হি ওয়া বিহামদিহী সুবহা-ন্নাল্লা-হিল ‘আযীম’, অর্থাৎ আমরা আল্লাহর প্রশংসাসহ তাঁর পবিত্রতা বর্ণনা করছি, মহান আল্লাহ (যাবতীয় ত্রুটি-বিচ্যুতি থেকে) অতি পবিত্র’ (ছহীহ বুখারী, হা/৬৪০৬)। এছাড়া ‘লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু, সুবহা-নাল্লা-হ, আলহামদুলিল্লা-হ, আল্লাহু আকবার, দরূদে ইবরাহীম ইত্যাদি দু‘আও সর্বদা পাঠ করা যায় (তিরমিযী, হা/৩৩৭৫; ইবনু মাজাহ, হা/৩৭৯৩; সনদ ছহীহ, ছহীহ আত-তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/১৪৯১)।


প্রশ্নকারী : মিনহাজ পারভেজ, হড়গ্রাম, রাজশাহী।





প্রশ্ন (১৪) : জনৈক বক্তা বলেন, কুরবানীর মাংস তিনদিনের বেশি খাওয়া যাবে না। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : মেয়ের বিয়ের পরে পিতা তাকে শাসন করতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : জনৈক মৃত ব্যক্তির ১ জন স্ত্রী রয়েছে, ৩ জন কন্যা সন্তান রয়েছে, কোন পুত্র সন্তান নেই, ১ জন বোন রয়েছে এবং ৮ জন ভাতিজা রয়েছে। তবে ঐ মৃত ব্যক্তির কোন ভাই জীবিত নেই। এক্ষণে ঐ মৃতের সম্পদে কে কতটুকু অংশীদার হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : প্রতি বছর ‘আরাফার দিন (৯ যিলহজ্জ) ছিয়াম রাখা সুন্নাত। কিন্তু বাংলাদেশের হিসাব অনুযায়ী সাধারণত ৮ কিংবা ৭ যিলহজ্জ তারিখে ‘আরাফা হয়। এক্ষণে করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : কোর্টের মাধ্যমে বিবাহ বৈধ হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : পানিতে বরই পাতা মিশিয়ে মৃত ব্যক্তিকে গোসল দেয়া হয় কেন? সাবান দিয়ে গোসল দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৬) : মসজিদ, ওয়ায মাহফিলের সভাপতি ও প্রধান অতিথি হওয়ার শর্তে দান করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : বর্তমানে স্পোর্টসের দোকানগুলোতে এবং যুবকদের মধ্যে ইউরোপীয় জাতীয় দল ও ক্লাবগুলোর নামযুক্ত জার্সি পরার প্রবণতা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। এসব ক্লাবের কিছু লোগোতে ক্রস (খ্রিষ্টানদের ধর্মীয় প্রতীক)ও রয়েছে। যদি এসব জার্সি বিক্রি বন্ধ করি, তাহলে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হব, এমনকি দোকান বন্ধ করে দিতে হতে পারে। তবে আমরা হালাল উপার্জনের ব্যাপারে অত্যন্ত সচেতন। অতএব নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর হুকুম শরী‘আতের আলোকে কী হবে? (১) ইউরোপীয় ক্লাবের জার্সি কেনা, বিক্রি করা ও পরিধান করার হুকুম কী? খেলোয়াড়ের নাম লেখা থাকলে তা পরে ছালাত পড়া যাবে কি? (২) যেসব জার্সিতে নাম নেই, কেবল নম্বর আছে, সেগুলো বিক্রি করার হুকুম কী? (৩) যেসব জার্সিতে নাম বা নম্বর কিছুই নেই, সেগুলো বিক্রি করার হুকুম কী? (৪) যেসব জার্সির লোগো থেকে ক্রস মুছে ফেলা হয়েছে, সেগুলো বিক্রির হুকুম কী? (৫) এটি কি “عمت به البلوى” (সর্বব্যাপী সাধারণ বিপদ) হিসাবে গণ্য হবে? (৬) যদি এসব জার্সি বিক্রি করা বৈধ না হয়, তবে পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীদের করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪২) : সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার জন্য ভ্রু প্লাক (pluck) করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : কুরআন মাজীদ পড়ার সুন্নাতী আদবগুলো কী কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : মোবাইল থেকে কিংবা মুখস্থ থেকে কুরআন পড়লে এবং মুছহাফ (গ্রন্থ) থেকে না পড়লে কি ছওয়াব কম হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : কারো নাম কি মাছুমা বিলকীস কিংবা শুধু মাছুমা রাখা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ