রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৭ পূর্বাহ্ন
উত্তর : গণকদেরকে বিশ্বাস না করলেও তাদেরকে জিজ্ঞেস করা এবং তাদের কাছে কিছু জানতে চাওয়া নাজায়েয। নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, مَنْ أَتَى عَرَّافًا فَسَأَلَهُ عَنْ شَيْءٍ لَمْ تُقْبَلْ لَهُ صَلَاةٌ أَرْبَعِينَ لَيْلَة ‘যে ব্যক্তি কোন গণকের কাছে এসে তাকে কোন কিছু সম্পর্কে জিজ্ঞেস করল, তার চল্লিশ দিনের ছালাত কবুল হবে না’ (ছহীহ মুসলিম, হা/২২৩০)। আর গণককে বিশ্বাস করে তাকে কিছু জিজ্ঞেস করার অপরাধ ভয়াবহ। রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন,

مَنْ أَتَى حَائِضًا أَوْ امْرَأَةً فِيْ دُبُرِهَا أَوْ كَاهِنًا فَصَدَّقَهُ بِمَا يَقُوْلُ فَقَدْ كَفَرَ بِمَا أَنْزَلَ اللهُ عَلَى مُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

‘যে ব্যক্তি ঋতুবতী নারীর সাথে সঙ্গম করল কিংবা নারীর গুহ্যদ্বারে সঙ্গম করল কিংবা কোন জ্যোতিষীর কাছে গমন করে তার কথায় বিশ্বাস করল, সে মুহাম্মাদ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রতি আল্লাহ‌ যা নাযিল করেছেন সেটাকে অবিশ্বাস করল’ (মুসনাদে আহমাদ, হা/৯৮৮৯; আবূ দাঊদ, হা/৩৯০৪; তিরমিযী, হা/১৩৫; ইবনু মাজাহ, হা/৯৩৬, সনদ ছহীহ)।

জ্যোতিষী ও গণকদের কথা পড়া হারাম। এটি তাদের কাছে কিছু জানতে চাওয়ার পরিণাম (কাশ্‌ফুল কুনা, ১ম খণ্ড, পৃ. ৪৩৪, ৩য় খণ্ড, পৃ. ৩৪)। সঊদী আরবের স্থায়ী ফাতাওয়া কমিটি ঘোষণা করেছে যে, ‘সুভাগ্য ও দুর্ভাগ্যকে গ্রহ ও রাশির সাথে সম্পৃক্ত করা এটি প্রাচীন পৌত্তলিক, সাবিয়া দার্শনিক প্রমুখ শিরক ও কুফরবাদী গোষ্ঠীগুলোর শিরক। এই জ্ঞানের দাবী করা বাহ্যতঃ অদৃশ্যের জ্ঞান দাবী করা, যা আল্লাহর সাথে তাঁর নির্দেশ নিয়ে টানাটানি। এটি জঘন্য শিরক। তাছাড়া প্রকৃতপক্ষে এটি মিথ্যা, প্রতারণা, মানুষের বিবেকবুদ্ধির সাথে ধোঁকাবাজি, অন্যায়ভাবে মানুষের অর্থ ভক্ষণ এবং মানুষের আক্বীদা-বিশ্বাসে নষ্টামি ও সন্দেহ ঢুকানো। তাই রাশিফল প্রকাশ করা, পড়া ও মানুষের মাঝে প্রচার করা হারাম। এসব কথায় বিশ্বাস করা নাজায়েয। বরং এটি কুফরের একটি শাখা এবং তাওহীদকে প্রশ্নবিদ্ধকরণ। ওয়াজিব হচ্ছে এর থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকা, এটি বর্জন করার ব্যাপারে একে অপরকে উপদেশ দেয়া এবং আল্লাহর উপর নির্ভর করা ও প্রতিটি ক্ষেত্রে তাঁর উপর ভরসা রাখা’ (ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়েমাহ, ১ম খণ্ড, পৃ. ২০৩)।


প্রশ্নকারী : আসিফ রেযা, উত্তরা, ঢাকা।





প্রশ্ন (১৮) : ‘যে ব্যক্তি কাতার মিলাবে, আল্লাহও তাকে তাঁর রহমত দ্বারা মিলাবেন। আর যে ব্যক্তি কাতার ভঙ্গ করবে, আল্লাহও তাকে তাঁর রহমত হতে কর্তন করবেন’। উক্ত হাদীছ কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : উবাই ইবনু কা‘ব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে ছেলেটিকে খিযির হত্যা করেছিলেন, তাকে কাফির হিসাবেই সীলমোহর করা হয়েছিল। সে বেঁচে থাকলে তার পিতা-মাতাকে সীমালঙ্ঘন ও কুফরীর দ্বারা বিব্রত করত। উক্ত হাদীছের ব্যাখ্যা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : মানসিক প্রশান্তি লাভের উপায় কী কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : হায়াতুন্নবীতে বিশ্বাস করা যাবে কি? অলী-আওলিয়া কবরে জীবিত থেকে মানুষের উপকার বা ক্ষতি করতে পারেন এমন বিশ্বাস করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : মাসজিদের পার্শ্ব ঘেষে কবরস্থান রয়েছে। জমির মালিককে বললেও কোন গুরুত্ব দিচ্ছে না। পরে কবরস্থান ও মসজিদের মাঝে নেটের বেড়া দিয়েছে। এটা কি যথেষ্ট হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : স্বামীর অনুমতি ছাড়া স্ত্রী কোন কাজ করতে পারে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : বিবাহের রাতে কী কী আমল করা শরী‘আত সম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : জনৈক আলেম বলেন, একদা রাসূল (ﷺ) ফজরের ছালাতের সালাম ফিরিয়ে ঘুরে বসে দু’হাত উঠিয়ে দু‘আ করেছিলেন (ফাতাওয়া নাযীরিয়াহ, ১/৫৬৫ পৃ.; তুহফাতুল আহওয়াযী, ২/১৭১ পৃ., হা/২৯৯ এর ব্যাখ্যা দ্র.)। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : কিভাবে বুঝব যে, আমার মধ্যে অল্পেতুষ্টি গুণটি রয়েছে? আর যদি না থাকে তাহলে কিভাবে এই গুণ নিজের মধ্যে আনতে পারি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : খিলাফাতে রাশিদার রাজনৈতিক কাঠামো ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া কেমন ছিল? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : যেকোন প্রয়োজনে যেকোন স্থানে দুই হাত তুলে দু‘আ করা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : ‘সিদরাতুল মুনতাহা’-এর পরিচয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ