বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২১ পূর্বাহ্ন
উত্তর : পারবে না। সেই সাথে সন্তানও পিতাকে যাকাত দিতে পারবে না। কারণ সন্তানের সম্পদ পিতারই সম্পদ (আবূ দাঊদ, হা/৩৫২৯, ৩৫৩০, সনদ ছহীহ; মিশকাত, হা/৩৩৫৪)। তবে স্ত্রী তার স্বামীকে যাকাতের অংশ দিতে পারবে (ছহীহুল বুখারী, হা/১৪৬৬)। স্বামীর দায়িত্বই হল স্ত্রীর ভর-পোষণের দায়-ভার নেয়া (সূরা আত-ত্বালাক্ব : ৭; সূরা আল-বাক্বারাহ : ২৩৩)। সেখানে স্ত্রী অভাব-অনটনে যাকাত খাওয়ার হক্বদার হবে আর স্বামী ধনী হয়ে যাকাত আদায় সমপরিমাণ সম্পদের মালিক হবে তা কখনো সম্ভব নয়। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা তোমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী যেরূপ গৃহে বাস কর, তাদেরকেও বসবাসের জন্য সেরূপ গৃহ দাও। তাদেরকে কষ্ট দিয়ে সংকটাপন্ন করো না’ (সূরা আত-ত্বালাক্ব : ৬)। রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, ‘কেউ পাপী হওয়ার জন্য এটুকুই যথেষ্ট যে, সে তার উপর নির্ভরশীলদের রিযিক নষ্ট করে’ (ছহীহ মুসলিম, হা/২৩৫৯)। নারীরা পুরুষদের অধীনে নির্ভরশীল (নিসা ৩৬)।

সন্তানদেরও যাকাতের সম্পদ দেয়া যাবে না। কারণ সন্তান প্রতিপালনের দায়িত্ব পিতারই। পিতা যখন যকাতদাতা, তখন সন্তানের জন্য তার নিজ সম্পদ থেকেই খরচ করার সামর্থ্য রাখে (শাবাকা ইসলামিয়া, আব্দুল্লাহ ফাক্বীহ, ২/১৩১৮ পৃঃ; প্রশ্ন নং ৩৩৩৪)। ইবনুল মুনযির (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, বিদ্বানরা এ বিষয়ে একমত যে, কোন পিতা তার সন্তানদের প্রতি যাকাত দিতে পারবে না (ইজমা‘ ৪৮ পৃঃ; মুগনী, ৪/৯৮ পৃঃ)। তবে সন্তান যদি ঋণী থাকে আর পিতা যদি যাকাত দেয় তাহলে ঋণ পরিশোধ করার জন্য পিতার নিকট থেকে যাকাত নিতে পারবে। অনুরূপ মেয়ে তার পিতার যাকাত নিতে না পারলেও মেয়ের স্বামী তার শ্বশুরের নিকট থেকে যাকাত নিতে পারবে। শায়খুল ইসলাম ইবনু তায়মিয়া (রাহিমাহুল্লাহ) এবং শায়খ ছালেহ আল-উছায়মীন (রাহিমাহুল্লাহ) এমনই বলেছেন। সন্তান যদি পিতার খরচের বাহিরে থাকে। অর্থাৎ সন্তান ভিন্ন সংসারে ভিন্ন উপার্জনে ভিন্নভাবে থাকে এবং কোনভাবে ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ে তাহলে অন্য যেকোন ব্যক্তির যাকাত সহ নিজ পিতার যাকাতের অর্থও নিতে পারবে (মাজমূঊল ফাতাওয়া, ২৫তম খণ্ড, পৃ. ৯২; মাজমূঊ ফাতাওয়া ওয়া রাসায়েল, ১৮তম খণ্ড, পৃ. ৪১৫)। কুয়েতী বিশ্বকোষে বলা হয়েছে- কোন যাকাতদাতারই উচিত নয় যে, যাকাতের হক্বদার ছাড়া অন্য স্থানে যাকাত প্রদান করা। কারণ কুরআনের বর্ণিত ৮টি খাত ছাড়া অন্য কোন খাতে যাকাত ব্যয় করলে তার যাকাত আদায়ই হবে না (কুয়েতী বিশ্বকোষ, ২৩তম খণ্ড, পৃ. ৩৩৩)।




প্রশ্ন (২৩) : অনেকে জীব-জন্তু বা মানুষের ছবি দিয়ে শুভেচ্ছা ব্যানার তৈরি করেন। উক্ত ব্যানার বা কার্ডের ডিজাইনের কাজ করা কি হালাল হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : জনৈক খতীব বলেছেন, খাদীজা (রাযিয়াল্লাহু আনহা)-এর ইন্তেকাল হলে তার কবরের জবাব রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দিতে চাইলে না-কি স্বয়ং আল্লাহ নিজেই তার কবরের জবাব দিয়েছেন। উক্ত ঘটনাটা কি সত্য? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : ‘আমি তখনও ছিলাম নবী; আদম (আলাইহিস সালাম) যখন রূহ এবং দেহের মধ্যে ছিলেন’ (আহমাদ, হা/১৭১৬৩; সিলসিলা ছহীহাহ, হা/৩৭৩) মর্মে হাদীছটি কি ছহীহ? এই হাদীছের সঠিক ব্যাখ্যা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : রাসূল (ﷺ) কি রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : ‘সূরা ফাতেহা সকল রোগের ঔষধ’ কথাটি কি ঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : আছরের ফরয ছালাতের পরে ক্বাযা ছালাত আদায় করার বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩১) : তাবলীগ জামায়াতের ‘ফাযায়েলে হজ্জ’ বইয়ের ৯২ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে যে, জামে মসজিদে বার হাজার পাঁচশ’ (১২,৫০০) ছালাতের ছওয়াব। মসজিদে আকছার ছওয়াব বাষট্টি কোটি পঞ্চাশ লক্ষ (৬২,৫০০০০০০), মদীনার মসজিদের ছওয়াব তিন নিল বার খর্ব পঞ্চাশ আরব (৩১২৫০০০০০০০০০০) এবং হারাম শরীফের ছওয়াব একত্রিশ শঙ্ঘ পঁচিশ পদ্ম, (৩১২৫০০০০০০০০০০০০০০০)। উক্ত বর্ণনা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৬) : প্রসিদ্ধ চার মাযহাবের অনুসরণ করার বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : আমার মা আমার নানার একমাত্র মেয়ে। নানার আর কোন ছেলেমেয়ে নেই। তবে ভাতিজা, ভাগিনা আছে। নানা এখনো জীবিত। আমার নানা তাঁর সমস্ত সম্পত্তি আমার মায়ের নামে লিখে দিয়েছেন। এটা কি ঠিক হয়েছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : ঈদের সম্ভাষণ হিসাবে ‘ঈদ মোবারক’ বলা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : ইসলামী উপায়ে হিকমাহ বা প্রজ্ঞা বৃদ্ধির উপায় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩১) : ছালাত আদায় না করে শুধু ছিয়াম পালন করলে তার ছিয়াম হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ