শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৮ অপরাহ্ন

উত্তর : নবী-রাসূলদের চিত্রায়ণ, অভিনয় বা অ্যানিমেশনের মাধ্যমে উপস্থাপন করা এবং দেখা বৈধ নয়। এখানে কয়েকটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ যেমন:

(১) নবীদের মর্যাদা রক্ষা করা ফরয। মহান আল্লাহ বলেন,

ذٰلِکَ ٭ وَ مَنۡ یُّعَظِّمۡ شَعَآئِرَ  اللّٰہِ فَاِنَّہَا مِنۡ  تَقۡوَی  الۡقُلُوۡبِ

‘যে আল্লাহর নিদর্শনসমূহের সম্মান রক্ষা করে, তা অন্তরের তাক্বওয়ার পরিচয়’ (সূরা আল-হাজ্জ : ৩২)। নবী-রাসূলগণ আল্লাহর সর্বশ্রেষ্ঠ বান্দা ও তাঁর মনোনীত প্রতিনিধি। তাঁদের মর্যাদা রক্ষা করা ঈমানের দাবি।

(২) কুরআনই তাঁদের কাহিনীর জন্য যথেষ্ট। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, لَقَدۡ کَانَ فِیۡ قَصَصِہِمۡ عِبۡرَۃٌ  لِّاُولِی الۡاَلۡبَابِ ‘তাদের ঘটনাবলিতে বুদ্ধিমানদের জন্য শিক্ষা রয়েছে’ (সূরা ইউসুফ : ১১১)।  যেহেতু আল্লাহ নিজেই কুরআনে নবীদের ঘটনা সর্বোত্তম পদ্ধতিতে বর্ণনা করেছেন, তাই শিক্ষা দেয়ার নামে কল্পনানির্ভর নাটক বা অ্যানিমেশনের প্রয়োজন নেই।

(৩) কোন নবীর প্রকৃত চেহারা, কণ্ঠস্বর, হাঁটা-চলা, আবেগÑ কোনটিই আমাদের জানা নেই। অতএব অ্যানিমেশনে যা দেখানো হয়, সবই শিল্পীর মিথ্যা কল্পনা। ফলে দর্শকের মনে নবীর একটি কাল্পনিক চিত্র স্থায়ী হয়ে যায়, যার কোন শারঈ ভিত্তি নেই।

(৪) এতে অবমাননা ও উপহাসের দরজা খুলে দেয়া হয়। ইসলামী ফিক্বহের একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি হলো- যে মাধ্যম হারামের দিকে নিয়ে যায়, সেটিও বন্ধ করা হবে’। আজ যদি নবীদের কার্টুন বৈধ বলা হয়, কাল তা ব্যঙ্গচিত্র, কৌতুক বা বাণিজ্যিক বিনোদনের মাধ্যম হয়ে যেতে পারে। এ কারণেই অধিকাংশ আলেম এ পথ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করেছেন।

সঊদী আরবের স্থায়ী কমিটির ফাতাওয়া বোর্ডের ফাতওয়া হল, নবী-রাসূলদের চরিত্রে অভিনয়, চলচ্চিত্র বা অনুরূপ উপস্থাপনাকে নিষিদ্ধ বলা হয়েছে; কারণ এতে তাঁদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হওয়া, বাস্তবতা বিকৃত হওয়া এবং মানুষের অন্তরে তাঁদের সম্পর্কে ভুল ধারণা জন্মানোর আশঙ্কা রয়েছে (ফাতওয়া আল-লাজনা আদ-দায়েমাহ, ১/৬৯৪-৬৯৭, ফৎওয়া নং-২০৪৪)। শাইখ ইবনু উছাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) তিনি নবীদের অভিনয় ও চিত্রায়ণকে হারাম বলেছেন এবং এটিকে তাঁদের সম্মানের পরিপন্থী বলে উল্লেখ করেছেন (লিক্বাউল বাব আল-মাফতূহ, সাক্ষাৎকার নং: ৬৭, প্রশ্ন নং: ০৮)।



প্রশ্নকারী : মুহাম্মাদ রাকিবুল ইসলাম, মোল্লাহাট, বাগেরহাট।






প্রশ্ন (৩০) : সমাজে মারা যাওয়ার পর মৃত ব্যক্তির চুল, নখ ইত্যাদি কাটার রেওয়াজ চালু রয়েছে। এটা কতটুকু শরী‘আতসম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : যেকোন প্রয়োজনে যেকোন স্থানে দুই হাত তুলে দু‘আ করা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : জামা‘আতে আমার কোন রাক‘আত ছুটে গেলে জামা‘আত শেষে সেটা পূরণ করব। সেক্ষেত্রে ইমাম যখন শেষ বৈঠকে তাশাহ্হুদ, দরূদ এবং ছানা পড়বে, তখন আমি কি শুধু তাশাহ্হুদ পড়ে চুপ থাকব, না-কি আমিও দরূদ ও ছানা পড়ব? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : পিতার পূর্বে সন্তান মারা গেলে ঐ সন্তানের সম্পদে পিতা অংশ পাবে কি? পিতার সম্পদে ঐ মৃত ব্যক্তির ছেলেরা অর্থাৎ নাতিরা কি অংশ পাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : পড়ার জন্য আমার সংগ্রহে অনেক বইয়ের পিডিএফ আছে। আমি জানি না যে, প্রকাশনী বা লেখক থেকে এগুলোর অনুমোদন আছে কি নেই। যদি না থাকে তাহলে সেগুলো পড়া বা সংগ্রহে রাখা কি গুনাহ হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : আযানের সময় মাথায় কাপড় দেয়ার কোন গুরুত্ব আছে কী? না দিলে পাপ হবে কি?  - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : যোহরের ছালাতের আউয়াল ওয়াক্ত কখন শুরু হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : ‘যে উত্তমরূপে ওযূ করে ছওয়াবের উদ্দেশ্যে তার কোন মুসলিম ভাইকে দেখতে যাবে, তাকে জাহান্নাম হতে ষাট বছরের পথ দূরে রাখা হবে’। হাদীছটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭): তাক্বলীদ করা কি সবার জন্য হারাম? এ ব্যাপারে সালাফদের বক্তব্য কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : পুরুষেরা নাপাক অবস্থায় কুরআন তেলাওয়াত করতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : নবী (ﷺ)-এর শাসনব্যবস্থা থেকে ইসলামী রাজনীতির কী কী মূলনীতি পাওয়া যায়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : স্ত্রীকে ত্বালাক্ব দেয়ার নিয়ম কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ