বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৫ পূর্বাহ্ন
উত্তর : বর্তমান যুগে খেলাধুলা, বিনোদন ও নানা ব্যস্ততার কারণে মানুষের সময় নষ্ট হওয়ার বড় আশঙ্কা রয়েছে। ফুটবল বৈধ বিনোদনের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। তবে যদি তা দ্বীনী দায়িত্ব ও ইলম অর্জনের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে তা ক্ষতির কারণ হয়। তাই একজন মুমিনের উচিত সময়ের সঠিক ব্যবহার করা। এক্ষেত্রে নিম্নোক্ত উপায়গুলো অনুসরণ করা যেতে পারে:

১. ইলমের গুরুত্ব হৃদয়ে ধারণ করা। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, یَرۡفَعِ اللّٰہُ  الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا مِنۡکُمۡ ۙ وَ الَّذِیۡنَ  اُوۡتُوا  الۡعِلۡمَ دَرَجٰتٍ ‘আল্লাহ তা‘আলা তোমাদের মধ্যে যারা ঈমান এনেছে এবং যাদেরকে জ্ঞান দেয়া হয়েছে, তাদের মর্যাদা বহু স্তরে উন্নীত করবেন’ (সূরা আল-মুজাদালাহ : ১১)। যে ব্যক্তি বুঝতে পারবে যে, ইলম তাকে দুনিয়া ও আখিরাতে সম্মানিত করবে, তার কাছে ফুটবলসহ অন্যান্য দুনিয়াবী বিষয় দ্বিতীয় স্থানে চলে আসবে।

২. সময়ের মূল্য বুঝতে হবে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, نِعْمَتَانِ مَغْبُوْنٌ فِيْهِمَا كَثِيْرٌ مِنَ النَّاسِ: الصِّحَّةُ وَالْفَرَاغُ ‘দু’টি  নে‘মতের ব্যাপারে অনেক মানুষ উদাসীন: সুস্থতা ও অবসর সময়’ (ছহীহ বুখারী, হা/৬৪১২)। ফুটবল বা অন্য কোন কাজে এত সময় দেয়া উচিত নয়, যাতে কুরআন, ছালাত ও দ্বীনি শিক্ষা পিছিয়ে যায়।

৩. প্রতিদিন ইলমের জন্য নির্দিষ্ট সময় রাখা। যেমন: ফজরের পর কুরআন তিলাওয়াত ও তাফসীর, প্রতিদিন কিছু হাদীছ অধ্যয়ন, একজন আলেমের কাছে নিয়মিত পড়াশোনা, অবসর সময়ে উপকারী লেকচার শোনা। রাসূল (ﷺ) বলেছেন, مَنْ يُرِدِ اللهُ بِهِ خَيْرًا يُفَقِّهْهُ فِي الدِّيْنِ ‘আল্লাহ যার কল্যাণ চান, তাকে দ্বীনের গভীর জ্ঞান দান করেন’ (ছহীহ বুখারী, হা/৭১)।

৪. ভালো সঙ্গ গ্রহণ করা। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, وَ کُوۡنُوۡا مَعَ  الصّٰدِقِیۡنَ ‘তোমরা সত্যবাদীদের সঙ্গী হও’ (সূরা আত-তাওবাহ : ১১৯)। যারা ইলম, আমল ও আখিরাতের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়, তাদের সঙ্গ ইলম অর্জনে সাহায্য করে।


প্রশ্নকারী : আব্দুল্লাহ, ঢাকা।





প্রশ্ন (৬) : ছিয়ামের ফিদিয়া কোন্ ব্যক্তি পাবে? কতটুকু দিতে হবে এবং কোন্ খাদ্য দিয়ে আদায় করতে হবে? খাদ্যের পরিবর্তে টাকা দিয়ে আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৫) : কোন্ কোন্ শস্যের যাকাত প্রদান করা ফরয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : প্রথম স্ত্রী ইন্তিকালের পর তার গহনা দিয়ে দ্বিতীয় স্ত্রীর মোহর আদায় করা কিংবা হাদিয়া দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৪) : বিয়ের সময় পাত্রীকে সাজানোর জন্য পোশাক ও বিভিন্ন কসমেটিকস দেয়া হয়। সেইগুলো কি দেনমোহর হিসাবে ধরা যাবে? দেনমোহরের পরিমাণ কত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : চাকুরীজীবী ব্যক্তি অফিসের যাবতীয় পণ্য ক্রয় করে। কিছু পণ্য ক্রয় করার সময় দেখা যাচ্ছে পণ্যের দাম ৩০০/৪০০ টাকা, যা সব দোকানে একই দাম। কিন্তু ঐ ব্যক্তি সেই পণ্যটি ২৮০/৩৮০ টাকায় ক্রয় করতে পারে। উক্ত পণ্য ক্রয়ে যে ২০ টাকা সাশ্রয় হল, সেই টাকা কি তিনি নিজে গ্রহণ করতে পারবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : মসজিদে হারাম বা মসজিদে নববীর চত্বরে ছালাত আদায় করলে কি মূল মসজিদে ছালাত আদায় করার সমান ছাওয়াব পাওয়া যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : আঁটসাঁট পোশাকে ছালাত পড়ার হুকুম কী? যে ব্যক্তি আঁটসাঁট পোশাক পরেন সে কি ইমামতি করতে পারেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : গোসল ফরয হওয়ার পর, গোসল না করে কুরআন তেলাওয়াত করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৫) : সূরা আন-নিসার ৩৪ নং আয়াতে অবাধ্য স্ত্রীকে প্রহার করার কথা বলা হয়েছে। কেউ বলেন লাঠি মেসওয়াক পরিমাণ হতে হবে। এর সঠিক সমাধান জানতে চাই? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) :  একটি মসজিদের পশ্চিম দিকে পারিবারিক কবরস্থান আছে। কবরস্থানটি মসজিদের জমির আওতাবহির্ভূত। মসজিদের ক্বিবলার ওয়াল হতে আনুমানিক ১৫ থেকে ২০ ফিট দূরে বেশ কয়েকটি কবর আছে। মসজিদের ক্বিবলার ওয়াল ছাড়া সামনে আর আলাদা ভাবে কোন ওয়াল বা চলাচলের রাস্তা নেই। উক্ত মসজিদে ছালাত আদায় শুদ্ধ হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : আমরা ‘বায়তুল্লাহর মুসাফির’ নামে একটি হজ্জ ও ওমরা সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্ম নিয়ে কাজ করছি। যারা আলেম, ইমাম বা দাঈ হিসাবে আমাদের সাথে যুক্ত থাকবেন, তাদের মাধ্যমে যদি কেউ হজ্জে যান, তাহলে আমরা তাদেরকে একটি নির্দিষ্ট সম্মাননা, ওমরার সুযোগ বা অর্থ দিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে চাই। এভাবে বলা যায় যে, ‘কেউ যদি আমাদের নির্দিষ্ট সংখ্যক হাজী দেন, তাহলে তাকে ওমরা করানোর ব্যবস্থা করা হবে’। শরী‘আতের দৃষ্টিতে এভাবে কাজ করাটা জায়েয হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : ‘ফাজায়েলে দরূদ শরীফ’ নামক বইয়ের ৬৪ নং পৃষ্ঠায় বলা হয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ ফ বলেছেন, আমার উপর দরূদ পাঠকারীর জন্য পুলসিরাতে নূর হবে। আর যে ব্যক্তি জুমু‘আর দিন ৮০ বার দরূদ শরীফ পাঠ করবে, তার ৮০ বছরে গোনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে’ মর্মে বর্ণিত কথা কি সত্য? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ