বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৫ পূর্বাহ্ন
উত্তর : দ্বীনের উপর অটল থাকার দু‘আ আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, রাসূল (ﷺ) আমাকে বলেন, তুমি বল, اَللَّهُمَّ اهْدِنِىْ وَسَدِّدْنِىْ ‘হে আল্লাহ! আপনি আমাকে সুপথ প্রদর্শন করুন এবং আমাকে সরল পথে পরিচালিত করুন। আর আপনি সুপথের সংকল্প কর এবং সঠিক পথে স্থির থাক, যেভাবে তীর তার লক্ষ্যে স্থির থাকে’ (ছহীহ মুসলিম, হা/২৭২৫; মিশকাত, হা/২৪৮৫)।

আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, রাসূল (ﷺ) এভাবে দু‘আ করতেন, اَللَّهُمَّ إِنِّىْ أَسْأَلُكَ الْهُدَى وَالتُّقَى وَالْعَفَافَ وَالْغِنَى ‘হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকটে সুপথের নির্দেশনা, পরহেযগারিতা, পবিত্রতা ও সচ্ছলতা প্রার্থনা করছি’ (ছহীহ মুসলিম, হা/৬৭৪; মিশকাত, হা/২৪৮৪)। অন্যত্র বর্ণিত হয়েছে, রাসূল (ﷺ) দু‘আ করতেন,

اللَّهُمَّ إِنِّىْ أَسْأَلُكَ إِيْمَانًا لَا يَرْتَدُّ وَنَعِيْمًا لَا يَنْفَدُ وَمُرَافَقَةَ النَّبِىِّ ﷺ فِىْ أَعْلَى غُرَفِ الْجَنَّةِ

উচ্চারণ : ‘আল্ল-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা ঈমা-নান লা- ইয়ারতাদ ওয়া নাঈমান লা ইয়াংফাদ ওয়া মুরা-ফাক্বাতান নাবী ছাল্লাল্লা-হু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামা ফী আ‘লা গুরাফিল জান্নাতি’। অনুবাদ : ‘হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট এমন ঈমানের প্রার্থনা করছি, যে ঈমান হবে দৃঢ় ও মজবুত, যা নড়বড়ে হবে না, চাই এমন নে‘আমত যা ফুরিয়ে যাবে না এবং চিরস্থায়ী সুউচ্চ জান্নাতে প্রিয় নবী মুহম্মাদ (ﷺ)-এর সাথে থাকার তাওফীক আমাকে দিবেন’ (হাকিম, হা/১৯২৮; আহমাদ, হা/৩৭৯৭; সনদ হাসান, সিলসিলা ছহীহাহ, হা/২৩০১)। অন্য হাদীছে এসেছে, রাসূল (ﷺ) বলতেন,

اَللَّهُمَّ حَبِّبْ إِلَيْنَا الْإِيْمَانَ وَزَيِّنْهُ فِيْ قُلُوْبِنَا، وَكَرِّهْ إِلَيْنَا الْكُفْرَ وَالْفُسُوْقَ وَالْعِصْيَانَ، وَاجْعَلْنَا مِنَ الرَّاشِدِيْنَ. اللَّهُمَّ تَوَفَّنَا مُسْلِمِيْنَ، وَأَحْيِنَا مُسْلِمِيْنَ، وَأَلْحِقْنَا بِالصَّالِحِيْنَ، غَيْرَ خَزَايَا وَلَا مَفْتُوْنِيْنَ

উচ্চারণ : আল্ল-হুম্মা হাব্বিব ইলাইনাল ঈমানা ওয়া যাইয়্যানাহু ফী কুলূবিনা ওয়া কাররিহ ইলাইনাল কুফরা ওয়াল ফুসূক্বা ওয়াল ‘ইছইয়ান ওয়াজ‘আলনা মিনার রাশিদীন। আল্ল-হুম্মা তাওয়াফ্ফানা মুসলিমাইনা ওয়া আহ্ইনা মুসলিমীনা ওয়া আলহিক্বনা বিছ ছালিহীনা গাইরা খাযা-ইয়া ওয়া মাফতূনীনা। অনুবাদ : ‘হে আল্লাহ! আপনি আমাদের নিকট ঈমানকে প্রিয় বানান, আমাদের অন্তরকে সৌন্দর্যময় করুন এবং কুফর, পাপাচার ও বিদ্রোহকে আমাদের নিকট ঘৃণিত বানান। আপনি আমাদেরকে হেদায়াতপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত করুন। হে আল্লাহ! আমাদেরকে মুসলিমরূপে মৃত্যু দান করুন, মুসলিমরূপে জীবিত রাখুন এবং সৎকর্মশীল লোকদের সাথে মিলিত করুন, অপমানিত ও বিপর্যস্তরূপে নয়’ (আহমাদ, হা/১৫৫৩১; আল-আদাবুল মুফরাদ, হা/৬৯৯, সনদ ছহীহ)।


প্রশ্নকারী : রবিউল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।





প্রশ্ন (৩১) : আল্লাহর আরশ বহনকারী ফেরেশতাদের নাম কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : গর্ভবতী পশু দিয়ে কুরবানী করা কি হালাল? যদি সেটা জায়েয হয়, তাহলে গর্ভস্থিত পশুটির ক্ষেত্রে কী করণীয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : মাইয়েতকে কবর দেয়ার সময় কবরের চার পাশে চারটি খেজুরের ডাল পোঁতা হয় এবং চার কুল পড়া হয়। এর কোন দলীল আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : মসজিদের শিক্ষাগত ও গঠনমূলক পরিচালনার দিক দিয়ে ইমাম ও মসজিদের কমিটির কী কী দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে? মসজিদ ও মাদরাসার কমিটির সদস্যদের কী কী গুণ থাকা আবশ্যক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩২) : কুরবানীর দিন দুপুর পর্যন্ত না খেয়ে থাকা সুন্নাত। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : অসুস্থ ব্যক্তির জন্য কোন্ দু‘আ পড়া উত্তম? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : আলু বোখারা খাওয়া কি যায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : খুলা তালাক্ব কাকে বলেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : খিলাফাতে রাশিদার রাজনৈতিক কাঠামো ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া কেমন ছিল? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯): জনৈক ব্যক্তি পূর্বে হানাফী মাযহাব অনুসরণ করতেন। পরবর্তীতে সালাফী মানহাজের আলোকে চলার চেষ্টা করছেন। প্রশ্ন হল, সালাফী মানহাজের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকার জন্য কিভাবে অনুসরণ করা উচিত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৮) : পৃথিবীতে যেখানে যারা কুরআন ও ছহীহ হাদীছ দ্বারা জীবন পরিচালিত করে তারাই আহলেহাদীছ। প্রশ্ন হল- ‘আহলেহাদীছ’ নাম না দিয়ে ‘আহলুস সুন্নাত’ নাম দেয়া যাবে কি? কারণ হাদীছের মধ্যে জাল-যঈফ আছে কিন্তু নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সুন্নাহর মধ্যে জাল-যঈফ নেই। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৮) : দীর্ঘ ৪/৫ বছর ধরে দুই বোনের মধ্যে কোন সম্পর্ক নেই। কারণ এক বোনের ছেলেরা তার মাকে তাদের খালার সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে নিষেধ করেছিল। কিন্তু বর্তমানে তারা আবার সম্পর্ক রাখতে চায়। কিন্তু সমস্যা হল- অন্য বোনের মেয়েরা তার মাকে বলছে যে, খালা তার ছেলেদের কথায় আমাদের সাথে সম্পর্ক রাখেননি এখন তুমিও খালার সাথে সম্পর্ক রাখবে না। কিন্তু তিনি তার বোনের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে চাচ্ছেন না। তখন তার মেয়েরা বলছে, হয় খালার সাথে সম্পর্ক রাখতে হবে, না হয় মেয়েদের সাথে। এই বলে মেয়েরা মায়ের উপর রাগ করে দীর্ঘদিন কথা বলে না। প্রশ্ন হল- মেয়েরা কী ধরনের গুনাহ করছে? এই ক্ষেত্রে মায়ের করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ