রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০২:৪৯ অপরাহ্ন
উত্তর : নূহ (আলাইহিস সালাম)-এর ছেলের নাম ‘শাম’। নামটি কুরআন বা হাদীছে সরাসরি উল্লেখ পাওয়া যায় না। কুরআনে আল্লাহ তা‘আলা তাদের বিবরণ পেশ করেছেন কিন্ত নাম উল্লেখ করেননি। নূহের নৌকা সম্পর্কিত বর্ণনা আছে, কিন্তু সন্তানদের নামের উল্লেখ নেই। বিভিন্ন ইসলামী ঐতিহাসিক ও তাফসীর (যেমন ইবনু কাছীর, তাফসীর আল-জালালাইন) বর্ণনা করে যে নূহ (ﷺ)-এর তিনটি ছেলে ছিল: সাম, হাম, ইয়াফেথ। ‘শাম’ বা ‘সাম’ আরবী/হিব্রু অভিধান অনুসারে : সাম (ঝāস) মানে হলো ‘উচ্চ’ বা ‘উন্নত’। কতক ইসলামী ঐতিহাসিক উল্লেখ করেছেন যে, এটি প্রাচীন আরবী বা হিব্রু ভাষার একটি সাধারণ পুরুষ নাম।

ইসলামে সন্তানকে নাম রাখার মূলনীতি অনুযায়ী নামের অর্থ সুন্দর ও ভালো হওয়া উচিত। যদি নামের অর্থ অসুন্দর বা কুফুরের সাথে সম্পর্কিত না হয়, তবে নাম রাখা বৈধ। ‘শাম’ বা ‘সাম’ নামের অর্থ ইতিবাচক (উচ্চ, উন্নত) হওয়ায়, নাম রাখা সঠিক এবং অনুমোদনযোগ্য। হাদীছে নবী (ﷺ) বলেছেন, ‘তোমরা তোমাদের সন্তানদের জন্য সুন্দর নাম রাখো’ (ছহীহ মুসলিম, হা/২১৩২)। অন্য হাদীছে এসেছে, নবী (ﷺ) তার নিজ সন্তানদের জন্য সুন্দর অর্থযুক্ত নাম রাখতেন (ছহীহ বুখারী, হা/৫৭৩৭)।


প্রশ্নকারী : তাফসীরুল হাদী, মুরাদনগর, কুমিল্লা।





প্রশ্ন (১৪) : বিবাহের অনুষ্ঠানে বা খাৎনার অনুষ্ঠানে দাওয়াত দিয়ে টাকা নেয়ার শারয়ী বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : ওযূ করার সময় যদি বার বার মনে হয় যে, বায়ু নির্গত হয়েছে। এমতাবস্থায় করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : হাইস্কুলে মহিলা এবং পুরুষ স্টাফদের বসার পৃথক কোন ব্যবস্থা নেই। উভয়কে এক রুমে বসতে হয় এবং মহিলা স্টাফদের সাথে প্রয়োজনে কথাও বলতে হয় এবং তাকাতেও হয়। এটা কি শরী‘আতসম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : ওয়াইফাই লাইন যদি শেয়ারে নেয়া হয়। তন্মধ্যে কেউ ইন্টারনেটে হারাম কাজ করে এবং কেউ ভালো কাজ করে। এমতাবস্থায় খারাপ কাজের পাপের ভাগ কি সবাইকে নিতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : জনৈক ব্যক্তি বিশেষ ফযীলত মনে করে প্রতি শুক্রবার ছিয়াম পালন করেন। এভাবে ছিয়াম রাখা যাবে কি? ক্বাযা ছিয়াম শুক্রবারে আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : ইসলামী খিলাফতের দায়িত্ব ও কর্তব্য কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : কোর্টের মাধ্যমে স্ত্রী স্বামীকে ত্বালাক্ব দিতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : কুফরী কালাম বা যাদু টোনার পরিণাম কেমন হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : কুরবানী দেয়ার জন্য নিসাব পরিমাণ সম্পদের অধিকারী হতে হবে কি? আবার নিসাব পরিমাণ সম্পদ হলে কি কুরবানী ওয়াজিব হয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : মানুষের হাত, পা বা কোন অঙ্গ কেটে পড়ে গেলে সেটার কি গোসল, জানাযা ও দাফন করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৭) : কুরবানীর চামড়ার টাকা মসজিদ ও মাদরাসায় দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫): রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যখন আল্লাহ তা‘আলা যমীন সৃষ্টি করলেন তখন তা দুলতে লাগল। অতঃপর পাহাড়গুলো সৃষ্টি করে সেগুলো পৃথিবীর উপর স্থীর করেন। অতঃপর পৃথিবী স্থীর হয়ে গেল। ফেরেশতাগণ পাহাড়ের এ শক্তি দেখে আশ্চর্যান্বিত হলেন এবং বললেন, হে আল্লাহ! আপনার সৃষ্টির মধ্যে পাহাড় অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী আর কোন সৃষ্টি আছে কি? আল্লাহ বললেন, হ্যাঁ; আর সেটা লোহা। অতঃপর তারা জিজ্ঞেস করল, হে প্রভু! আপনার সৃষ্টির মধ্যে লোহা অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী আর কোন সৃষ্টি আছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ, আগুন। অতঃপর তারা জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহ! আপনার সৃষ্টির মধ্যে আগুন অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী আর কোন সৃষ্টি আছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ; পানি। অতঃপর তারা জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহ! আপনার সৃষ্টির মধ্যে পানি অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী আর কোন সৃষ্টি আছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ; বাতাস। অতঃপর তারা জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহ! আপনার সৃষ্টির মধ্যে বাতাস অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী আর কোন সৃষ্টি আছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ; আদম সন্তান। যে তার ডান হাতে দান করে আর দানকে বাম হাত হতে গোপন রাখে। এ ঘটনাটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ