রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৩:৩৩ অপরাহ্ন
উত্তর : এক সফরে একটিই ওমরাহ করবেন। এটাই ছহীহ হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত। এক সফরে একাধিক ওমরাহ করার কোন দলীল পাওয়া যায় না। আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) যখন ওমরাহ করার জন্য বারবার বলতে লাগলেন, তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তার ভাই আব্দুর রহমানকে বললেন, একে তানঈম নিয়ে গিয়ে ইহরাম বেঁধে নিয়ে আস, যাতে করে সে ওমরাহ করতে পারে (বুখারী হা/১৬৫১; মিশকাত হা/২৫৫৬)। কিন্তু আব্দুর রহমান (রাযিয়াল্লাহু আনহু) হারামের বাইরে গেলেও রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে ওমরাহ করতে বলেননি। যদি বিষয়টি শরী‘আত সম্মত হত, তবে রাসূল (ﷺ) তাকেও ওমরার ইহরাম বাঁধতে বলতেন। শায়খুল ইসলাম ইমাম ইবনু তায়মিয়া (রাহিমাহুল্লাহ) তাঁর ‘ফাতাওয়া’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, সালাফে ছালেহীনের ঐকমত্যে বেশি পরিমাণে ওমরাহ করা মাকরূহ, বিশেষ করে যদি এটা রামাযান মাসে হয়। বিষয়টি যদি পসন্দনীয় হত, তবে তারা তো এ ব্যাপারে অধিক অগ্রগামী হতেন এবং বারবার ওমরাহ করতেন।

উল্লেখ্য যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আল্লাহকে সবচেয়ে বেশি ভয় করতেন। নেকীর কাজকে সর্বাধিক ভালোবাসতেন। তিনি মক্কা বিজয়ের সময় ঊনিশ দিন সেখানে অবস্থান করেছেন এবং ছালাত আদায় করেছেন। কিন্তু কোন ওমরাহ করেননি (ফাতাওয়া আরকানুল ইসলাম, প্রশ্ন নং-৪৯৪)। দুই ওমরার মাঝের ব্যবধান সম্পর্কে ইমাম আহমাদ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, দেখবে যে পর্যন্ত মাথা পোড়া কাঠের মত কালো না হয়। অর্থাৎ মাথা ভর্তি চুল না হয় (মাজমূঊ ফাতাওয়া ওয়া রাসাইল ২২/২৫৬ পৃ., প্রশ্ন নং-৭৬৯)।


প্রশ্নকারী : মাসুদ রেযা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।





প্রশ্ন (২৭) : রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যখন আল্লাহ তা‘আলা যমীন সৃষ্টি করলেন তখন তা দুলতে লাগল। অতঃপর পাহাড়গুলো সৃষ্টি করে সেগুলো পৃথিবীর উপর স্থীর করেন। অতঃপর পৃথিবী স্থীর হয়ে গেল। ফেরেশতাগণ পাহাড়ের এ শক্তি দেখে আশ্চর্যান্বিত হলেন এবং বললেন, হে আল্লাহ! আপনার সৃষ্টির মধ্যে পাহাড় অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী আর কোন সৃষ্টি আছে কি? আল্লাহ বললেন, হ্যাঁ; আর সেটা লোহা। অতঃপর তারা জিজ্ঞেস করল, হে প্রভু! আপনার সৃষ্টির মধ্যে লোহা অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী আর কোন সৃষ্টি আছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ, আগুন। অতঃপর তারা জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহ! আপনার সৃষ্টির মধ্যে আগুন অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী আর কোন সৃষ্টি আছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ; পানি। অতঃপর তারা জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহ! আপনার সৃষ্টির মধ্যে পানি অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী আর কোন সৃষ্টি আছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ; বাতাস। অতঃপর তারা জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহ! আপনার সৃষ্টির মধ্যে বাতাস অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী আর কোন সৃষ্টি আছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ; আদম সন্তান। যে তার ডান হাতে দান করে আর দানকে বাম হাত হতে গোপন রাখে। এ ঘটনাটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : জামা‘আতে ছালাত আদায় করার বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : মসজিদ কমিটি বিবাহ পড়ানোর জন্য ২০০০-৩০০০-৩৫০০ টাকা নিয়ে থাকে। এটা কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : সক্ষম বাবা-মায়ের উপর সাবালক ছেলের বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের দায় আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : মিসওয়াকের শুরু এবং শেষে পঠিতব্য কোন দু‘আ আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : ‘ইয়া মুহাম্মদ! শাফা‘আত (চাই)’। এ কথাটি কি শিরক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৪) : শী‘আরা বলে, ‘নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে লক্ষ্য করে বলেছেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা‘আলা তোমার দলের লোকদের পাপ আমার উপর চাপিয়ে দিয়েছেন। এরপর তিনি তা আমার জন্য মাফ করে দিয়েছেন’ (আশ-শী‘আ ওয়া আহলুল বাইত, পৃ. ২৫৪)। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : বিতর ছালাতে দু‘আ কুনুত কোন্ সময় পড়তে হয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩): ছাদাক্বাহ করার ফযীলত বর্ণনায় বলা হয় যে, দান সম্পদকে হ্রাস করে না। আল্লাহ তা‘আলা ক্ষমার মাধ্যমে বান্দার সম্মান বৃদ্ধি করেন এবং যে আল্লাহর জন্য বিনয় প্রকাশ করে আল্লাহ তাকে উন্নত করেন। এ বর্ণনাটি সঠিক! - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩): আমি একজন চাকুরিজীবী। আমার মাসিক বেতন ২০,০০০/- টাকা। আমার পরিবারে সবাই আমার উপর নির্ভর করে। আমি আমার বেতন থেকে সব খরচ প্রদান করি। আমার স্ত্রী, মেয়ে, বাবা, ভাই ও বোন আছে, যাদের খরচ আমি বহন করি। কিন্তু আমার প্রশ্ন হলো আমি আমার সম্পদের যাকাত কীভাবে দিব? আমার সম্পদের উৎস শুধু এই বেতন। কিন্তু আমার সমস্ত বেতন আমার পরিবারে ব্যয় হয়ে যায়। অতএব, আমি কখন যাকাত দিব? কিছু মানুষ বলে যে, বেতন কৃষি ফসলের মত। এতে বর্ষপূর্তির বিষয়টি বিবেচ্য নয়। সুতরাং যখন বেতন পাবেন তখনই যাকাত আবশ্যক হবে। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪৫) : জনৈক ব্যক্তি পীরের মুরীদ। তার বিশ্বাস হল- পীর সবকিছু করে দিবে। মুরীদ না হলে মৃত্যুর সময় শয়তান এসে ঈমান লুটে নিবে। উক্ত আক্বীদা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : অনেকে ছেলে বিড়াল দ্বারা মেয়ে বিড়াল এর সাথে ব্রীড করায় বা মেটিং করায় এবং তার বিনিময়ে টাকাও নেয়। এটা কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ