রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৩:৩৪ অপরাহ্ন
উত্তর : এটি সূদী কারবারের অন্তর্ভুক্ত। কারণ এটি নির্ধারিত লভ্যাংশের উপর ঋণ দেয়া নেয়া। শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘যখন ব্যাপারী বা বিনিয়োগকারীর নিয়ত হয়, ‘একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য টাকার বিনিময়ে টাকা উপার্জন করা...তাহলে তা সূদ’ (মাজমূঊল ফাতাওয়া ইবনে তাইমিয়্যাহ, ২৯/৪৩২-৪৩৩ পৃ.)। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, আল্লাহ তা‘আলা ক্রয়-বিক্রয়কে হালাল করেছেন এবং সূদকে হারাম করেছেন। আল্লাহ্‌ সূদকে নিশ্চিহ্ন করেন এবং দানকে বর্ধিত করেন’ (সূরা আল-বাক্বারাহ : ২৭৫-২৭৯)। আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেন, ‘হে মুমিনগণ! তোমরা বহুগুণ বৃদ্ধি করে চক্রবৃদ্ধি হারে সূদ খাবে না। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় কর, যাতে তোমরা সফল হও’ (সূরা আলে ইমরান : ১৩০)। সঊদী আরবের স্থায়ী ফাতাওয়া কমিটি বলেন, ‘প্রভিডেন্ট ফান্ড (Provident Fund) একটি সূদী কর্মপদ্ধতি। আসলে চাকরীজীবীরা শতকরা হারে যে অর্থ ফান্ডে জমা করেন তা মূলত ঋণ স্বরূপ এই কোম্পানীকে দেয়া হয়ে থাকে। আর ঋণ দিয়ে বেশি নেয়া স্পষ্ট সূদ। এই অর্থকে চক্রবৃদ্ধিকারে কাজে লাগিয়ে অবসর গ্রহণকালে কর্মচারীকে বিশাল অঙ্কের টাকা প্রদান করা হয় (ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়িমাহ, ১৩/৫২০ পৃ.)।

সে জন্য যদি জমা করার বিষয়টি স্বেচ্ছাধীন হয়, তবে জমা করা যাবে না। আর যদি বাধ্যতামূলক হয়, সেক্ষেত্রে জমাকৃত অর্থের পূর্ণাঙ্গ হিসাব রাখতে হবে এবং এককালীন টাকাটা পাওয়ার পর মূলধন থেকে সূদটা বিয়োগ করতে হবে। কেননা ইসলাম সকল প্রকারের সূদকে হারাম করেছে। অনেকে বলেন যে, এটা তো কতৃপক্ষের পক্ষ থেকে একটি অবসর উপহার (Retirement gift), যা উজ্জ্বল ভবিষ্যতের পাথেয় স্বরূপ দেয়া হয়ে থাকে। যদি তাই হয়, তাহলে যে সমস্ত কর্মচারীরা প্রভিডেন্ট ফান্ডে অর্থ জমা করেন না, তাদের কেন দেয়া হয় না, তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে কোম্পানী কেন ভাবে না। মোটকথা এগুলো হারামকে হালাল করার একটা ঘৃনিত অপচেষ্টা মাত্র। সর্বোপরি কর্মচারী চাইলে তার এ্যাকাউন্টকে পুরোপুরি সূদমুক্ত রাখার আবেদনও করতে পারে। বিধায় ইচ্ছা করলে সে সূদের একটি টাকাও ভক্ষণ করতে বাধ্য নয়। তাই কোন যুক্তিতে প্রভিডেন্ট ফান্ডের সূদকে হালাল বলার উপায় নেই। সঊদী আরবের স্থায়ী ফাতাওয়া কমিটি অন্যত্র বলেন, ‘যেহেতু এটা শুধু তাদেরই দেয়া হয়, যারা প্রভিডেন্ট ফান্ডে অর্থ জমা করে, তাই একে উপহার বলা যাবে না’ (ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়িমাহ, ১৩/৫১০-৫১৫ পৃ.)।

প্রশ্নকারী : নাহিদ, চারঘাট।





প্রশ্ন (৮) : ‘আপনাকে প্রেরণের উদ্দেশ্য না হলে আমি বিশ্বমণ্ডল সৃষ্টি করতাম না’ মর্মে প্রচলিত বর্ণনাট কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : বাদ্যযন্ত্র কি হালাল? তা কোনভাবে হালালের ন্যূনতম অবকাশ আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : সমাজে শরী‘আতের নামে একটি কথা চালু আছে যে, মুহাররমের ১ থেকে ১০ তারিখ পর্যন্ত ছিয়াম পালন করলে ৫০ বছরের নফল ছিয়ামের নেকী লেখা হয়। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : কাগজ নকল করে কোনো দেশের ভিসা করে টাকা উপার্জন করলে, সেই টাকা কি হারাম হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩২) : মাছ মরে পানির উপরে ভেসে উঠলে তা খাওয়া বৈধ হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : কোন জঙ্গলে বা জনবসতিহীন এলাকায় উৎপন্ন ফল বা সবজি খাওয়া হালাল হবে কি? উল্লেখ্য, ফল বা সবজিগুলোর মালিক থাকলেও আসে না, যে কারণে সেগুলো পরিপক্ক হয়ে মাটিতে পড়ে নষ্ট হয়ে যায়। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : মূসা (আলাইহিস সালাম) যখন আল্লাহ্র সাথে সাক্ষাৎ করলেন তখন তিনি প্রশ্ন করলেন, হে আল্লাহ! আমি আপনার যত নিকটবর্তী হয়েছি আর কেউ কি এতো নিকটবর্তী হতে পারবে। আল্লাহ বললেন, মুহাম্মাদ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উম্মত ইফতারের সময় এর চেয়েও বেশী নিকটবর্তী হবে। উক্ত ঘটনা কোন হাদীছ গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : ডিফেন্সে চাকরি করতে হলে ট্রেনিংয়ের ছয় মাস নিয়মিত দাড়ি ক্লিন সেভ করতে হয়। আবার ট্রেনিং সম্পূর্ণ করে দাড়ি রাখার সুযোগ আছে। সাময়িকভাবে দাড়ি কেটে এই চাকুরী করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে পাখি পোষা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : ছালাতে সিজদায় বাংলাতে দু‘আ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : মসজিদের কাতারের মাঝে পিলার থাকলে ঐ কাতারে ছালাত আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : মসজিদে বিয়ে পড়ানোর কোন ফযীলত আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ