বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:২৭ পূর্বাহ্ন
উত্তর : এটি সূদী কারবারের অন্তর্ভুক্ত। কারণ এটি নির্ধারিত লভ্যাংশের উপর ঋণ দেয়া নেয়া। শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘যখন ব্যাপারী বা বিনিয়োগকারীর নিয়ত হয়, ‘একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য টাকার বিনিময়ে টাকা উপার্জন করা...তাহলে তা সূদ’ (মাজমূঊল ফাতাওয়া ইবনে তাইমিয়্যাহ, ২৯/৪৩২-৪৩৩ পৃ.)। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, আল্লাহ তা‘আলা ক্রয়-বিক্রয়কে হালাল করেছেন এবং সূদকে হারাম করেছেন। আল্লাহ্‌ সূদকে নিশ্চিহ্ন করেন এবং দানকে বর্ধিত করেন’ (সূরা আল-বাক্বারাহ : ২৭৫-২৭৯)। আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেন, ‘হে মুমিনগণ! তোমরা বহুগুণ বৃদ্ধি করে চক্রবৃদ্ধি হারে সূদ খাবে না। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় কর, যাতে তোমরা সফল হও’ (সূরা আলে ইমরান : ১৩০)। সঊদী আরবের স্থায়ী ফাতাওয়া কমিটি বলেন, ‘প্রভিডেন্ট ফান্ড (Provident Fund) একটি সূদী কর্মপদ্ধতি। আসলে চাকরীজীবীরা শতকরা হারে যে অর্থ ফান্ডে জমা করেন তা মূলত ঋণ স্বরূপ এই কোম্পানীকে দেয়া হয়ে থাকে। আর ঋণ দিয়ে বেশি নেয়া স্পষ্ট সূদ। এই অর্থকে চক্রবৃদ্ধিকারে কাজে লাগিয়ে অবসর গ্রহণকালে কর্মচারীকে বিশাল অঙ্কের টাকা প্রদান করা হয় (ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়িমাহ, ১৩/৫২০ পৃ.)।

সে জন্য যদি জমা করার বিষয়টি স্বেচ্ছাধীন হয়, তবে জমা করা যাবে না। আর যদি বাধ্যতামূলক হয়, সেক্ষেত্রে জমাকৃত অর্থের পূর্ণাঙ্গ হিসাব রাখতে হবে এবং এককালীন টাকাটা পাওয়ার পর মূলধন থেকে সূদটা বিয়োগ করতে হবে। কেননা ইসলাম সকল প্রকারের সূদকে হারাম করেছে। অনেকে বলেন যে, এটা তো কতৃপক্ষের পক্ষ থেকে একটি অবসর উপহার (Retirement gift), যা উজ্জ্বল ভবিষ্যতের পাথেয় স্বরূপ দেয়া হয়ে থাকে। যদি তাই হয়, তাহলে যে সমস্ত কর্মচারীরা প্রভিডেন্ট ফান্ডে অর্থ জমা করেন না, তাদের কেন দেয়া হয় না, তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে কোম্পানী কেন ভাবে না। মোটকথা এগুলো হারামকে হালাল করার একটা ঘৃনিত অপচেষ্টা মাত্র। সর্বোপরি কর্মচারী চাইলে তার এ্যাকাউন্টকে পুরোপুরি সূদমুক্ত রাখার আবেদনও করতে পারে। বিধায় ইচ্ছা করলে সে সূদের একটি টাকাও ভক্ষণ করতে বাধ্য নয়। তাই কোন যুক্তিতে প্রভিডেন্ট ফান্ডের সূদকে হালাল বলার উপায় নেই। সঊদী আরবের স্থায়ী ফাতাওয়া কমিটি অন্যত্র বলেন, ‘যেহেতু এটা শুধু তাদেরই দেয়া হয়, যারা প্রভিডেন্ট ফান্ডে অর্থ জমা করে, তাই একে উপহার বলা যাবে না’ (ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়িমাহ, ১৩/৫১০-৫১৫ পৃ.)।

প্রশ্নকারী : নাহিদ, চারঘাট।





প্রশ্ন (১৮) : কোন ভবনের দ্বিতীয় তলায় মসজিদ। নিচতলায় রংয়ের গুদাম, মসজিদের টয়লেট এবং ওযূখানা। দ্বিতীয় তলায় মসজিদের মিম্বার বরাবর নিচ তলায় হাতের বায়ে দেয়াল ঘেষে একটি কবর। প্রশ্ন হল, উক্ত মসজিদে ছালাত আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৯) : ‘বড় পরীক্ষায় বড় পুরস্কার’ এ কথা কি শরী‘আত সম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : মুক্তিযুদ্ধের ভাতা সরকার ভাই ও বোনকে সমান করে ভাগ করে দিয়েছে। এখন ভাইকে ২ ভাগ দিতে হবে, না-কি যেমন সরকার করে দিয়েছে তেমনি নিতে পারব? এ ব্যাপারে শরী‘আতের বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : ছোটবেলায় আমার বাবা মারা যান। আমি যখন দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়ি তখন আমার অবিভাবক মা এবং চাচারা। ফুফুদের ওয়ারিশ সূত্রে জমির অংশ বাবদ সে সময়ের বাজার মূল্য থেকে কিছু টাকা কম দেন। তাতে তারা পুরোপুরি সন্তুষ্ট না থাকলেও জমি লিখে দেন। তবে এখন তাদের আচরণে টাকার বিষয়ে অসংগতি প্রকাশ পাচ্ছে। এখন উক্ত সম্পত্তি ভোগ করা কি আমার জন্য জায়েয হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : ঝাড়-ফুঁক করা কি শরী‘আতে জায়েয? কুরআনের আয়াত লিখে গলায় ঝুলিয়ে রাখা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : বিভিন্ন দল ও গ্রুপের মধ্যে যে মতভেদ বিদ্যমান, তাতে একজন মুসলিমের ভূমিকা কেমন হবে?
প্রশ্ন (৭) : নাকের অপারেশন করলে ওযূ এবং ছালাত কিভাবে আদায় করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : সেলুনে কাজ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : মেয়ে শিশুর নাম ‘হাওয়া’ রাখা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : ছোট বাচ্চাদের চোখে কাজল (কালো কালি) দেয়া, কোমরে ডোরা (কালো সুতা) বাঁধা অথবা কপালে কালো ফোঁটা দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : মসজিদে বাম হাতের উপর ভর দিয়ে বসার ব্যাপারে কি কোন সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা আছে? জানা যায় যে, এটি ভাল নয়। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : দুনিয়াতে আপন ভাই-বোনের মাঝে সম্পর্কই নাকি শেষ। পরকালে পরস্পরের মাঝে আর নাকি কখনো দেখা হবে না। এটা কি সত্য? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ