বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:২১ পূর্বাহ্ন
উত্তর : আল-কুরআন বারবার আল্লাহর নামে মিথ্যা বলতে কঠিনভাবে নিষেধ করা হয়েছে। অনুরূপভাবে না-জেনে, আন্দাজে, ধারণা বা অনুমানের উপর নির্ভর করে আল্লাহর নামে কিছু বলতে কঠিনভাবে নিষেধ করেছেন। আর রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নামে মিথ্যা বলার অর্থ আল্লাহর নামে মিথ্যা বলা। কারণ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আল্লাহর পক্ষ থেকেই কথা বলেন। কুরআনের মত হাদীছও আল্লাহর ওহী। কুরআন ও হাদীছ, উভয় প্রকারের ওহীই একমাত্র  (ﷺ) এর মাধ্যমে বিশ্ববাসী পেয়েছে। কাজেই রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নামে কোন প্রকারের মিথ্যা, বানোয়াট, আন্দাজ বা অনুমান নির্ভর কথা বলার অর্থই আল্লাহর নামে মিথ্যা বলা বা না-জেনে আল্লাহর নামে কিছু বলা। কুরআন কারীমে এ বিষয়ে বারংবার নির্দেশ দেয়া হয়েছে (সূরা আল-বাক্বারাহ : ৮০, ১৬৯; সূরা আলে ইমরান: ৯৪; সূরা আন-নিসা: ১৫৭; সূরা আল-আন‘আম : ২১, ৯৩, ১১৬, ১৪৪, ১৪৮; সূরা আল-আ‘রাফ : ২৮, ৩৩, ৩৭, ৬২)। আল্লাহ তা‘আলা বারবার বলেছেন যে, وَ مَنْ اَظْلَمُ مِمَّنِ افْتَرٰى عَلَى اللّٰهِ كَذِبًا‘আল্লাহর নামে বা আল্লাহর সম্পর্কে যে ব্যক্তি মিথ্যা বলে তার চেয়ে বড় যালিম আর কে?’ (সূরা আল-আন‘আম: ২১, ৯৩, ১৪৪)। এছাড়া আরো বর্ণিত হয়েছে যে, সূরা আল-আ‘রাফ : ৩৭; সূরা ইউনূস : ১৭; সূরা হূদ: ১৮; সূরা আল-কাহ্ফ: ১৫; সূরা আল-আনকাবূত: ৬৮; সূরা আছ-ছাফ্ফ: ৭। অন্যত্র বলা হয়েছে:

وَيْلَكُمْ لَا تَفْتَرُوْا عَلَى اللّٰهِ كَذِبًا فَيُسْحِتَكُمْ بِعَذَابٍ١ۚ وَ قَدْ خَابَ مَنِ افْتَرٰى

‘দুর্ভোগ তোমাদের! তোমরা আল্লাহর প্রতি মিথ্যা আরোপ করো না। করলে, তিনি তোমাদেরকে শাস্তি দ্বারা সমূলে ধ্বংস করবেন। যে মিথ্যা উদ্ভাবন করেছে সে ব্যর্থ হয়েছে’ (সূরা ত্বোহা : ৬১)। অতএব যে ব্যক্তি আল্লাহর নামে মিথ্যা কোন কথা বলবে সে কাফের।


প্রশ্নকারী : রুখসানা পারভীন, যশোর।





প্রশ্ন (৩৫) : জনৈক আলেম তার বক্তব্যে বলেন, কোন সদাচরণকারী সন্তান যদি তার পিতা-মাতার প্রতি রহমতের দৃষ্টিতে তাকায়, তাহলে আল্লাহ তা‘আলা তার প্রতিটি দৃষ্টির বিনিময়ে তার ‘আমল-নামায় একটি ‘কবুল হজ্জ’ তথা কবুলযোগ্য হজ্জের ছওয়াব লিপিবদ্ধ করেন। এমনকি দৈনিক একশ’বার তাকালেও। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক! - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : জামা‘আত চলাকালীন ছালাতে শরীক হলে তাকবীরে তাহরীমা বলে বুকে হাত বেঁধে ছালাত শুরু করতে হবে, না শুধু মুখে তাকবীর বলে শুরু করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : আরবী সফর মাসকে কেন্দ্র করে প্রচলিত কুসংস্কার ও বিদ‘আতগুলো কী কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : এক ব্যক্তি প্রতি মাসে আমার বিকাশে হাজারে বিশ টাকাসহ টাকা পাঠায়। কিন্তু আমি প্রায় এজেন্ট নাম্বার দিয়ে টাকা ওঠালে আমার খরচ পড়ে চৌদ্দ টাকা পঞ্চাশ পয়সা। বাকী ৫ টাকা ৫০ পয়সা আমার কাছে থেকে যায়। এই টাকাগুলো আমি খরচ করতে পারব? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৪) : যালেম বা অত্যাচারী ব্যক্তির দোষ-ত্রুটি প্রকাশ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪৯) : ছিয়াম অবস্থায় ওযূ করার পর স্ত্রীকে স্পর্শ করলে ছিয়াম ও ওযূ ভঙ্গ হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : রাসূল (ﷺ) তাঁর মায়ের কবরের পার্শ্বে গিয়ে আল্লাহর কাছে দু‘আ করলে আল্লাহ তাকে জীবিত করে দেন। অতঃপর রাসূল (ﷺ)-এর উপরে ঈমান আনেন মর্মে আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) হতে বর্ণিত হাদীছ কি ছহীহ? অনুরূপভাবে নবীজীর ‘পিতা-মাতা’ উভয়ের ঈমান আনার যে বর্ণনা প্রচলিত আছে, সেগুলো ছহীহ কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : খেলার মাঠে আল্লাহর শোকর আদায় করে খেলোয়াড়রা যে সিজদাহ করে সেটা কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে ত্বালাক্ব দেয়ার পদ্ধতি কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : জনৈক ব্যক্তি বিয়ের পর মেয়েকে গর্ভবতী অবস্থায় পেয়েছে। এমতাবস্থায় করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৬) : জনৈক খত্বীব বলেন, স্বামী-স্ত্রীর মিলনের সময় পর্দা না করলে নাকি ফেরেশতাগণ লজ্জায় চলে যায় এবং শয়তান এসে হাযির হয়। তাদের সন্তান হলে শয়তান তাতে ভাগ বসায়। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : জোরপূর্বক ধর্ষণ করলে এক মহিলা গর্ভবতী হয় এবং অবৈধ বাচ্চা হয়, যার বাবার পরিচয় নেই। এদিকে অবৈধ সন্তান নাকি ইসলাম বিদ্বেষী হয়। আবার বাচ্চাকে হত্যা করাও যাবে না। এমতাবস্থায় করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ