রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৩:২৭ অপরাহ্ন
উত্তর : বরকত প্রাপ্তি, কল্যাণ কামনা ও দু‘আ নেয়ার উদ্দেশ্যে মাযারে গমন করা বা কোন ক্ববরকে উদ্দেশ্য করে সফর করা, শ্রদ্ধা নিবেদন করা, পুষ্পস্তবক অর্পণ করা, প্রদীপ জ্বালানো হারাম ও শিরকের অন্তর্ভুক্ত, যা মুসলিমকে ইসলাম থেকে বের করে দেয় (মাজমূঊল ফাতাওয়া ইবনে তাইমিয়্যাহ,  ২৭/১৮৭-৮৯; ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়িমাহ, ১/৪২৯ পৃ.)। আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) বলেন, নবী (ﷺ)-এর যে রোগে মৃত্যু হয়েছিল, সে রোগাবস্থায় তিনি বলেছিলেন, ইয়াহুদী ও খ্রীষ্টান সম্প্রদায়ের প্রতি আল্লাহর অভিশাপ, তারা তাদের নবীদের কবরকে মসজিদে পরিণত করেছে (ছহীহ বুখারী, হা/১৩৩০; ছহীহ মুসলিম, হা/৫২৯, ৫৩০-৫৩১)। অন্যত্র তিনি মৃত্যুর পাঁচ দিন আগে বলেন, ‘সাবধান! তোমাদের পূর্ববর্তীরা তাদের নবী এবং নেককার মুমিনগণের কবরসমূহকে মসজিদ হিসাবে গ্রহণ করত! খবরদার! তোমরা কবরসমূহকে মসজিদ হিসাবে গ্রহণ করো না। কেননা আমি তোমাদেরকে এ থেকে নিষেধ করছি’ (ছহীহ মুসলিম, হা/৫৩২; ছহীহুল জামি‘, হা/২৪৪৫, ২৭৪৫)।

ঈমান বিনষ্টকারী কারণসমূহের প্রধান হল আল্লাহ তা‘আলার ইবাদতে শিরক করা। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘নিশ্চয় আল্লাহ তাঁর সাথে শিরক করার অপরাধ (তাওবাহ্ ব্যতীত) ক্ষমা করেন না। এ ছাড়া অন্যান্য অপরাধ যাকে ইচ্ছে ক্ষমা করেন’ (সূরা আন-নিসা: ৪৮)। তিনি আরো বলেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে শিরক করবে আল্লাহ তার জন্য জান্নাতকে হারাম করে দিবেন, আর তার আশ্রয়স্থল হবে জাহান্নাম’ (সূরা আল-মায়িদাহ: ৭২)।

তবে কোন মুসলিম যদি এমন কোন ভয়াবহ গুনাহে লিপ্ত হয়, যার ফলে সে ইসলাম থেকে বহির্ভূত হয়ে যায়, এমন গুনাহ যার ফলে সে মুসলিম থেকে মুরতাদ হয়ে যায়, আর সে যদি তাওবাহ করার পূর্বেই মারা যায়, তবে তার জানাযা পড়া যাবে না। যেমন (১) শিরক অথবা কুফর অথবা স্পষ্ট নিফাকের মধ্যে লিপ্ত ব্যক্তি (সূরা আত-তাওবাহ: ৮৪, ১১৩; আল-মাজমূঊ লিন-নববী, ৫/২৫৮; আল-মাওসূ‘আতিল ফিক্বহিয়্যাহ, ৪১/২১ পৃ.)। শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ (রাহিমাহুল্লাহ) ও ইমাম শাত্বিবী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘এক্ষেত্রে ঐ ব্যক্তিকে আল্লাহ তা‘আলার নিকট কঠোরভাবে তাওবাহ করতে হবে। কেননা আল্লাহ তা‘আলা খালিছ তাওবাহর মাধ্যমে শিরকের মত ধ্বংসাত্মক, হত্যার মত মারাত্মক ও ব্যভিচারের মত জঘন্য গুনাহকেও ক্ষমা করার ঘোষণা করেছেন। যে ব্যক্তি স্বচ্ছ ও পবিত্র অন্তরে একনিষ্ঠ ও একাগ্রতার সহিত খালিছ তাওবাহ করে আল্লাহ তার তাওবাহ ক্ববুল করেন’ (সূরা আল-ফুরক্বান: ৬৮-৭০; আল-ই‘তিছাম, ২/২৮১; মাজাল্লাতুল বুহূছিল ইসলামিয়্যাহ, ১৪/১৮৩-১৮৫ পৃ.)। নবী (ﷺ) বলেছেন, ‏التَّائِبُ مِنَ الذَّنْبِ كَمَنْ لَا ذَنْبَ لَهُ ‘গুনাহ থেকে তাওবাহকারী নিষ্পাপ ব্যক্তিতুল্য’ (ইবনু মাজাহ, হা/৪২৫০, সনদ হাসান)।


প্রশ্নকারী : মিজানুর রহমান ভূইয়াঁ, এজিই আর্মি মোমেনশাহী।





প্রশ্ন (৭) : জনৈক ব্যক্তির হজ্জ করার সামর্থ্য আছে। কিন্তু তার অর্থ অন্যের কাছে ধার দেয়া আছে। এখন সে কি আরেকজনের নিকট থেকে টাকা ধার নিয়ে হজ্জ করতে পারবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : জনৈক আলেম বলেন, ‘কোন ব্যক্তি যদি কোন মুমিন ব্যক্তির প্রতি অভিশাপ করে, তাহলে সে তাকে হত্যা করার মত পাপ করল’। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : প্রচলিত আছে যে, শিশুর বয়স ৫/৭ মাসে পড়লে কোন মসজিদে গিয়ে হুজুরের মাধ্যমে শিন্নি খাওয়াতে হবে এবং ঐ শিশুর সাথে আরেকটি শিশুর বন্ধু পাতাতে হবে। এমন প্রথা কি শরী‘আতসম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩২) : হতাশা থেকে মুক্তির উপায় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : মাগরিবের সময় বাচ্চাকে বাইরে থাকলে বদ নযর লাগে, কান্নাকাটি করে ও বাচ্চাদের ক্ষতি হয় ইত্যাদি। উক্ত ধারণা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : এ্যানিমেশন কার্টুন দেখা কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : তাহাজ্জুদ বা তারাবীহর মত নফল ছালাতে কুরআন দেখে দেখে পড়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪৫) : চার রাক‘আত বিশিষ্ট ছালাতে আমি যদি ইমামের ৩য় বা ৪র্থ রাক‘আত পাই, তাহলে সেটা আমার কততম রাক‘আত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৯) : পেপসি, কোকাকোলা, সেভেন আপ প্রভৃতি কোল্ড ড্রিংকস খাওয়া কি হালাল? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪৪) : স্বামী নিজ স্ত্রীকে এবং পিতা তার সন্তানদেরকে যাকাত দিতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : ইসলামে মধ্যমপন্থা অবলম্বন বলতে কী বুঝায়? অনেক প্র্যাক্টিসিং মুসলিম মনে করেন মধ্যমপন্থা মানে যে সমাজ যে রকম, সেখানে সেভাবে নিজেকে মানিয়ে নেয়া। যেমন- প্রয়োজন অনুযায়ী পারিবারিক সমাবেশে গায়রে মাহরাম কাজিনদের সাথে খোশগল্প করা, মসজিদে গেলে পাঞ্জাবি-পায়জামা (ছেলেদের ক্ষেত্রে) অথবা খিমার, নিকাব (মেয়েদের ক্ষেত্রে) অন্যদিকে অনুষ্ঠানে গেলে যথাক্রমে গেঞ্জি-টাইট প্যান্ট (ছেলে) অথবা শুধু হিজাব (মেয়ে) পরা, ইত্যাদি। অন্যদিকে যারা কুরআন ও সুন্নাহ অনুযায়ী সঠিকভাবে চোখের হেফাযত করে, ফেৎনা থেকে বাঁচার জন্য পর্দার বিধান মেনে চলে তাদেরকে অনেকে অসামাজিক, বিভ্রান্ত, কট্টরপন্থী ইত্যাদি টাইটেলে আখ্যা দিয়ে থাকে। তাদের উক্ত  দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : মানুষ বা পশু-পাখির কার্টুন ব্যবহার করে কোন শিক্ষা প্রদান করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ