উত্তর : কবরটি যদি মসজিদের জমিতে থাকে, তাহলে সেখান থেকে কবর সরাতে হবে। মসজিদের জায়গায় কবর রাখা নিষিদ্ধ (বুখারী, হা/১৩৩০)। আর মসজিদের জমির বাইরে থাকলে মসজিদ ও ক্ববরের মাঝে পৃথক একটি দেওয়াল দিতে হবে। পৃথকীকরণ ওয়াল ছাড়া ঐ মসজিদে ছালাত আদায় করা জায়েয নয়। রাসূল (ﷺ) বলেছেন, لَا تَجْلِسُوْا عَلَى الْقُبُوْرِ وَلَا تُصَلُّوْا إِلَيْهَا ‘তোমরা কখনো ক্ববরের উপর বসবে না এবং ক্ববরের দিকে মুখ করে ছালাতও আদায় করবে না’ (মুসলিম, হা/৯৭২)। শাইখ মুহাম্মাদ ইবনু ছালিহ আল-উছাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘মসজিদের ক্বিবলার দিকে ক্ববর থাকাবস্থায় ঐ মসজিদে ছালাত আদায় করা জায়েয নয়’ (মাজমূঊ ফাতাওয়া ইবনে উছাইমীন, ২/২৩৪-২৩৫ পৃ.)।
আর ক্ববরের উপর নির্মিত বর্ধিত অংশ ভেঙে ফেলতে হবে। কারণ রাসূল (ﷺ) ক্ববরের উপর কোনকিছু নির্মাণ করতে নিষেধ করেছেন (মুসলিম, হা/৯৭০)। এমনটি করা না হলে উক্ত মসজিদে (ﷺ) আদায় করা বৈধ নয় বরং তা ভেঙ্গে ফেলা আবশ্যক’ (মাজমূঊল ফাতাওয়া ইবনে তাইমিয়্যাহ, ৩১/২১৬-২১৭, ২১৪; ফাৎৎহুল বারী, ৩/২১৫; ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়িমাহ, ১/৪১৮-৪১৯; মাজমূঊ ফাতাওয়া ইবনু উছাইমীন, ১২/৩৭৩; আহকামুল জানায়িয, পৃ. ৬৯ ও ৯১)। সুতরাং নিচতলার মসজিদের সঙ্গে যেহেতু ক্ববরের কোন সম্পর্ক নেই, বরং মধ্যখানে রাস্তা আছে, এমতাবস্থায় নিচতলায় ছালাত আদায় করা জায়েয হতে পারে। তবে দোতলার বর্ধিত অংশ ভেঙ্গে না ফেলা পর্যন্ত সেখানে ছালাত আদায় করা যাবে না, বরং হারাম হবে।
প্রশ্নকারী : ফয়সাল আহমাদ, মীরপুর, ঢাকা।