উত্তর : মনে রাখতে হবে যে, মুছহাফ বা কুরআনের কপি পাঠ করা, স্পর্শ করা আর কুরআনের কোন আয়াত লেখা এক বিষয় নয়। ইমাম বুহুতী, শাইখ ইবনে বায, শাইখ মুহাম্মাদ ইবনু ছালিহ আল-উছাইমীন (রাহিমাহুমুল্লাহ) ও শাইখ ছালিহ আল-মুনাজ্জিদ (হাফিযাহুল্লাহ) বলেন, ‘নিঃসন্দেহে পবিত্র ও ওযূ অবস্থায় কুরআনুল কারীম স্পর্শ করা, তিলাওয়াত করা এবং লেখা উত্তম। তবে প্রয়োজনে বিনা ওযূতে কুরআনুল কারীমের আয়াত লেখা জায়েয। এমনকি প্রসবোত্তর ও ঋতুবতী ছাত্রীরাও কুরআনুল কারীমের আয়াত লেখতে পারবে, তবে শর্ত হচ্ছে- এ অবস্থায় অক্ষর স্পর্শ করতে পারবে না (কাশ্শাফুল ক্বিন‘, ১/১৩৫ পৃ.; মাজমূঊ ফাতাওয়া ইবনে বায, ১০/২০৯; মাজমূঊ ফাতাওয়া ইবনে উছাইমীন, ১১/২১৪; ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-১৬১৪৫৫)।
প্রশ্নকারী : মুহাম্মদ যুবায়ের আহমাদ, খিলগাঁও।