মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫২ অপরাহ্ন
উত্তর : যে ব্যক্তি মাসিক বেতন পায় এবং যা পায় সবটাই খরচ করে ফেলে, কোন কিছু সঞ্চয় করতে পারে না, মাস শেষে তার সমস্ত অর্থ ফুরিয়ে যায়। এমতাবস্থায় তার উপর যাকাত আবশ্যক হবে না। কারণ যাকাত ওয়াজিব হওয়ার জন্য নিছাব পরিমাণ অর্থ সঞ্চয়ের পর তার উপর এক বছর পূর্ণ হওয়া আবশ্যক। সুতরাং নিছাব পরিমাণ অর্থ সঞ্চিত না হলে আপনার উপর যাকাত আবশ্যক হবে না। তবে আপনি যদি আপনার বেতন থেকে কিছু সঞ্চয় করেন, আর সে সঞ্চয় যদি নিছাব পরিমাণে পৌঁছে যায় এবং তার উপর এক বছর অতিবাহিত হয় তাহলে যাকাত আবশ্যক হবে।

বেতনের যাকাত প্রদানের পদ্ধতি: যেহেতু অধিকাংশ মানুষ বেতনে চাকুরী করে তাই বেতনের যাকাত প্রদান করার পদ্ধতি উল্লেখ করাকে সমীচীন মনে করছি। চাকুরিজীবীর বেতনের দুই অবস্থা। যথা:
(১) সে পুরো অর্থ ব্যয় করে ফেলে। কোন কিছুই্ সঞ্চয় করে না। এক্ষেত্রে তার উপরে কোন যাকাত নেই।
(২) সে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ সঞ্চয় করে। এটি কখনো বাড়ে আবার কখনো কমে। এমন অবস্থায় সে কীভাবে যাকাতের হিসাব করবে? ‘যদি সে নিজের অধিকার পরিপূর্ণরূপে উপভোগ করতে সচেষ্ট হয় এবং যাকাত গ্রহীতাদেরকে তার সম্পদ থেকে যতটুকু দেয়া ওয়াজিব ততটুকুর বেশি না দিতে সচেষ্ট হয়, তাহলে তার কর্তব্য নিজের উপার্জনের একটি ছক তৈরি করা। ঐ ছকে যে কোন সম্পদ তার মালিকানায় আসার দিন থেকে বছর গণনা শুরু করবে এবং প্রত্যেক টাকার যাকাত আলাদা আলাদাভাবে আদায় করবে, যে টাকার যে দিন বর্ষপূর্তি হবে ঐ টাকার যাকাত সেই দিন পরিশোধ করবে।

আর যদি ব্যক্তি সহজতা চায় ও উদারতার পথ বেছে নেয়, নিজের অধিকারের উপর দরিদ্র ও অন্যান্য যাকাত গ্রহীতাদের যাকাত প্রাপ্তির দিকটিকে প্রাধান্য দেয়, তাহলে তার মালিকানায় থাকা সম্পদের সর্বপ্রথম নিছাব পূর্ণ হওয়ার এক বছর পূরণ হলে সে তার কাছে থাকা সমস্ত সম্পদের যাকাত প্রদান করবে। এই কাজে তার নেকী বেশি হবে এবং মর্যাদা বুলন্দ হবে। এটি তার জন্য প্রশান্তিদায়ক এবং দরিদ্র-নিঃস্বসহ যাকাতের অন্যান্য খাতের ব্যক্তিদের অধিকার রক্ষায় অধিক সহায়ক। তার যে সম্পদের বর্ষপূর্তি হয়েছে সে সম্পদের সাথে অতিরিক্তি যে সম্পদের বর্ষপূর্তি হয়নি সে সম্পদেরও যাকাত দিয়ে দেয়া এটি অগ্রিম প্রদত্ত যাকাত বলে গণ্য হবে। উদাহরণস্বরূপ: একজন ব্যক্তি রামাযান মাসের বেতন পেয়ে এর থেকে এক হাজার রিয়াল সঞ্চয় করল। তার পরের মাসেও সঞ্চয় করল। এভাবে বাকি মাসগুলোতেও ...। অতঃপর দ্বিতীয় বছরের রামাযান মাস আসার পর সে নিজের কাছে থাকা সমস্ত সম্পদের হিসাব করে যাকাত প্রদান করা (ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়িমাহ, ৯/২৮০ পৃ.; ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-২৬১১৩)।


প্রশ্নকারী : তানযীম ইসলাম, টাঙ্গাইল।





প্রশ্ন (২০) : পবিত্র কুরআনের সূরা ইবরাহীম এর ৩৪ নং আয়াতে মহান আল্লাহ তার নে‘মতের শুকরিয়া আদায় করার কঠিন নির্দেশ দিয়েছেন। সাথে সাথে একথাও বলেছেন যে, মানুষ অতিশয় যালিম এবং অকৃতজ্ঞ। প্রশ্ন হল- আমরা কিভাবে আল্লাহর নে‘মতের শুকরিয়া আদায় করব? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : কাদিয়ানীদের বাড়িতে মেহমান হয়ে খাবার খাওয়া যাবে কি? অথবা তাদের দেয়া খাবার খাওয়া যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : মোবাইল ফোনের মাধ্যমে রুকইয়া করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৮) : সাত দিনের পূর্বে সন্তান মারা গেলে আক্বীক্বা দেয়া লাগবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : হাজারে আসওয়াদ পাথরটি প্রথমে সাদা ছিল। এটা এখন কালো হয়ে গেছে। এটা কালো কিভাবে হল? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪২) : ওষুধ কোম্পানিগুলো ডাক্তারদের খুশি করার জন্য গিফট ও টাকা দিয়ে থাকে। যাতে করে ঐ ডাক্তার প্রেসক্রিপশন করার সময় তাদের কোম্পানির ওষুধ লেখে। যদিও কোম্পানির ওষুধের মান ভালও হয়। উক্ত কোম্পানিতে চাকরি করা কি হালাল হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৬) : নানীর আপন ভাইয়ের মেয়ে মাহরাম, না-কি গায়রে মাহরাম? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪৫) : জনৈক ব্যক্তি পীরের মুরীদ। তার বিশ্বাস হল- পীর সবকিছু করে দিবে। মুরীদ না হলে মৃত্যুর সময় শয়তান এসে ঈমান লুটে নিবে। উক্ত আক্বীদা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : গোসল ফরয হওয়ার পর, গোসল না করে কুরআন তেলাওয়াত করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : ছালাত শুরুর প্রথম তাকবীর ‘আল্লাহু আকবার’ ইমাম ও মুক্তাদী উভয়ে কি উচ্চৈঃস্বরে বলতে পারবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : এমপিও ভুক্ত বেসরকারী স্কুলের শিক্ষকদের বেতন থেকে প্রতি মাসে ১০% করে টাকা কেটে রাখা হয় এবং চাকুরি শেষে সর্বশেষ বেতন স্কেলের ১০০ মাসের সমপরিমাণ টাকা দেয়া হয়। উক্ত টাকা কি হালাল হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : কথিত রয়েছে যে, সৃষ্টির ৫০ হাজার বছর আগে আল্লাহ জীবনসঙ্গীর ব্যাপারে আমাদের প্রশ্ন করেছিল। আল্লাহ নাকি আমাদের জিজ্ঞেস করেছিলেন যে, তোমরা কেমন জীবনসঙ্গী চাও? তখন আমরা বললাম, আমরা কেমন চাই। তারপর আল্লাহ বললেন যে তোমরা যেমন চেয়েছো তেমনই তোমাদের দেয়া হবে। এ কথাটা কতুটু সত্য? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ