রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৭ পূর্বাহ্ন
উত্তর : এই ধরনের কথা বলা চরম কুফরির শামিল, যদি তা জেনে-বুঝে ও ঈমানের বিপরীতে বলা হয়। কারণ এতে আল্লাহর প্রতি অপবাদ, অসন্তুষ্টি এবং তাক্বদীর অস্বীকার প্রকাশ পায়। তবে এই ব্যাপারে চূড়ান্ত হুকুম নির্ভর করে বলার পরিস্থিতি, অভিপ্রায় ও জ্ঞানের মাত্রার উপর। যদি সে জেনে-বুঝে, রাগের মাথায় হলেও, আল্লাহ সম্পর্কে এমন কটু কথা বলে এবং এতে সে নিজের ভুল বুঝে না বা অনুতপ্ত না হয়, তাহলে সে ইসলাম থেকে বেরিয়ে যাবে। কিন্তু যদি সে অজ্ঞতাবশত বলে থাকে, ইসলামের মৌলিক বিষয় বুঝে না এবং পরে অনুতপ্ত হয় বা বুঝিয়ে দিলে তওবা করে তাহলে সে মুসলিমই থাকে, তবে তার কাবীরা গুনাহ হবে। তাকে কি পুনরায় কালিমা পড়ে মুসলিম হতে হবে? হ্যাঁ, যদি তার উক্তি বা কার্যকলাপ স্পষ্টভাবে কুফ্রি হয় এবং সে বুঝে যে কুফ্রি করেছে, তবে তওবার পাশাপাশি পুনরায় কালিমা পড়ে ঈমানে ফিরে আসতে হবে। পাশাপাশি নতুন করে নিকাহ নবায়ন করাও উচিত, কারণ ঈমান ভঙ্গ হলে বিবাহ বন্ধনও ভেঙে যায়। তওবা না করে স্বামী-স্ত্রীর মিলন করলে পাপ হবে কি? যদি স্ত্রীর ঈমান চলে যায় (উপরিউক্ত উক্তির কারণে) এবং সে তওবা না করে থাকে, তাহলে তার সাথে স্বামীর সহবাস হারাম হবে। কেননা মুসলিম পুরুষের জন্য কেবল মুসলিম স্ত্রী হালাল। এক্ষেত্রে সহবাস করা ব্যভিচার/হারাম সম্পর্ক হিসাবে গণ্য হবে, যদিও তারা আগে বৈধভাবে বিবাহিত ছিল। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহকে নিয়ে কটূক্তি করো না’ (সূরা আত-তাওবা: ৭৪)। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, ‘এক ব্যক্তি এমন একটি কথা বলে ফেলে যার দ্বারা আল্লাহ অসন্তুষ্ট হন, অথচ সে তা গুরুত্ব দেয় না ফলে সেই কথার কারণে সে জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হয়’ (ছহীহ বুখারী)। সঊধী আরবের স্থায়ী ফাতাওয়া বোর্ড বলেন, ‘আল্লাহকে গালি বা কটূ কথা বলা কুফ্রি, এমনকি রাগের মাথায় হলেও। এক্ষেত্রে তওবা করতে হবে এবং ঈমান ও বিবাহ নবায়ন করতে হবে’ (ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়িমা, ২/১২ পৃ.)।


প্রশ্নকারী : মীজানুর রহমান ভূঁইয়া, এজিই আর্মি মোমেনশাহী।





প্রশ্ন (২) : নারীদের ক্যারিয়ার গঠনে ইসলাম কি বাধা দেয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : ছালাতের মধ্যে সাইয়িদুল ইস্তিগফার ও আল্লাহর প্রশংসা করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : ‘আমার পরে কেউ যদি নবী হত, তাহলে ওমরই হত’- বক্তব্যটি কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : মুসলিম শাসকের আনুগত্য কতটুকু করতে হবে? মুসলিম শাসক যদি অন্যায় কাজ করে তার প্রতিবাদ কিভাবে করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : এনজিও থেকে লোন নিয়ে ব্যবসা শুরু করি। পরবর্তীতে বিষয়টি বুঝতে পেরে খুবই অনুতপ্ত হই। এখন পিতার সম্পদ বিক্রয় করে যদি ‘এনজিও’-এর টাকা পরিশোধ করি, তাহলে কি ঐ ব্যবসা থেকে অর্জিত টাকা হালাল হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৫) : ‘যে ব্যক্তি জুম‘আর দিনে আমার উপর ৮০ বার দরূদ পাঠ করবে আল্লাহ তার ৮০ বছরের পাপ ক্ষমা করে দিবেন’ মর্মে প্রচলিত বর্ণনা কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৯) : জনৈক বক্তা বলেন, যে বান্দা রামাযানের ছিয়াম পালন করে তার সাথে প্রত্যেক দিন তাঁবুতে সুরক্ষিত হুরদের মধ্য হতে একজনকে বিবাহ দিয়ে দেন। প্রত্যেক স্ত্রীর সাথে ৭০টি দামী কাপড় থাকবে। প্রত্যেকটির রং হবে পৃথক পৃথক। তাকে ৭০ প্রকারের সুগন্ধিযুক্ত রং দেয়া হবে। এক রঙের সাথে অন্য রঙ মিলবে না। প্রত্যেকেই বসে থাকবে হীরার খাটে, যাতে মুক্তা দ্বারা বিন্যস্ত করা থাকবে ৭০টি বিছানা, যার আস্তর থাকবে রেশমের। ৭০টি বিছানার উপর থাকবে ৭০টি পালঙ্ক। প্রত্যের স্ত্রীর জন্য থাকবে ৭০ জন্য সেবিকা, যারা তার সেবা করবে। আর ৭০ জন সেবিকা থাকবে তার সাথে মুলাক্বাতের জন্য। আর প্রত্যেক সহচরের সাথে থাকবে অনেক সম্ভ্রান্ত সাথী। জান্নাতে স্বর্ণের পাত্র থাকবে তাতে বিভিন্ন রঙের খাবার থাকবে। প্রথম যে স্বাদ পাওয়া যাবে শেষেও সে স্বাদ পাওয়া যাবে। আর তার স্বামীকেও অনুরূপ লাল হীরার খাট দেয়া হবে, যার উপর দু’টি স্বর্ণের বালা থাকবে, যা বিন্যস্ত থাকবে লাল হীরা দ্বারা। এটা রামাযানের প্রত্যেক দিন ছিয়াম পালনকারীর জন্য, অন্য নেক আমলের জন্য নয় (ত্বাবারাণী, আল-মু‘জামুল কাবীর হা/৯৬৭)। উক্ত বর্ণনা কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : একজন পুরুষ চারটি বিয়ে করতে পারবে। প্রশ্ন হল চারটি বিয়ে করার পর এদের মধ্যে একজন মারা গেলে বা ত্বালাক্ব হলে আবারও বিয়ে করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : কবরস্থানে জন্মানো গাছ থেকে কিছু খাওয়া যাবে? কবরস্থানে থাকা প্রাণী খাওয়া যাবে? যেহেতু এসবের খাদ্যের মূল উৎস মরা মানুষ। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩১) : জামা‘আতের ছালাতে ইমাম সাহেব জোরে তাকবীর বলা এবং মুক্তাদির নিঃশব্দে তাকবীর বলার দলীল কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৬) : মৃত ব্যক্তিকে মরহূম, মাগফূর বলা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : ফিতরার পরিমাণ হিসাবে কেউ বলছেন এক ছা‘ সমান আড়াই কেজি, কেউ পৌনে তিন কেজি, কেউ তিন কেজি বলছেন। সঠিক সমাধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ