বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩১ পূর্বাহ্ন
উত্তর : সুদ খাওয়া এবং যিনার মধ্যে কোনটি বড় অপরাধ, তা বোঝার জন্য ইসলামের বিভিন্ন দলীল এবং সালাফদের বক্তব্যের দিকে নজর দেয়া প্রয়োজন। সূদ খাওয়া ইসলামে একটি গুরুতর অপরাধ এবং কুরআনে এ ব্যাপারে কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘যারা সূদ খায়, তারা কেবল সেভাবে উঠবে যেভাবে শয়তান দ্বারা পাগল করা হয় এবং যারা তাদের রবের কাছে থেকে নিষেধ করা হয়েছিল, তারা যদি ফিরে আসে, তবে তাদের জন্য যা কিছু ঘটবে তা তাদের জন্য গুনাহ’ (সূরা আল-বাক্বারাহ: ২৭৫)। ‘যারা সূদ ত্যাগ করে, তাদের জন্য যা কিছু তাদের জন্য আছে, তা আল্লাহর কাছে রয়েছে। আর যারা ফিরে আসে, তারা জাহান্নামের অধিবাসী’ (সূরা আল-বাক্বারাহ: ২৭৮)।

যিনা ইসলামে একটি মারাত্মক অপরাধ হিসাবে গণ্য হয় এবং এর জন্য কঠিন শাস্তির বিধান রয়েছে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘আর যিনা কাছেও যেও না। নিশ্চয় এটি অশ্লীলতা এবং এটি একটি খারাপ পথ’ (সূরা আল-ইসরাঈল: ৩২)। ‘যিনাকারীদের শাস্তি তাদের মধ্যে থেকে চারজন সাক্ষী আনা’ (সূরা আন-নূর: ২)। সালাফগণ উভয় বিষয়কে গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করতেন। ইবনু আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, ‘সূদ খাওয়া যিনার চেয়ে বড় অপরাধ। কারণ সূদের শাস্তি আল্লাহর দ্বারা ঘোষণা করা হয়েছে এবং যিনার শাস্তি মানুষের হাতে’ (ছহীহ মুসলিম, হা/১৬২)। ইমাম মালিক (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘সূদ খাওয়া অত্যন্ত কঠিন অপরাধ, যেরকম যিনা। উভয়েরই শাস্তি অত্যন্ত কঠিন’ (ইবন কুদামাহ, আল-মুগনী, ৩/৮০ পৃ.)।

সুতরাং সূদ খাওয়া এবং যিনা উভয়ই গুরুতর অপরাধ। তবে, কুরআন এবং হাদীছের আলোকে দেখা যায় যে সূদ খাওয়া বিশেষভাবে কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে এবং এর বিরুদ্ধে আল্লাহর ঘৃণা প্রকাশিত হয়েছে। এই কারণে, ইসলামের দৃষ্টিকোণ থেকে সূদ খাওয়া যিনার চেয়ে গুরুতর অপরাধ হিসাবে গণ্য হয়। তবে পুরো বিষয়টি অবস্থা ও পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে। আল্লাহ অধিক অবগত।


প্রশ্নকারী : আলমগীর, লালবাগ, ঢাকা।





প্রশ্ন (১) : বর্তমানে শিশুদেরকে তাহনীক্ব করানো যাবে কি? কেউ কেউ বলেন, এটি রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে খাছ ছিল। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : কাবীরা গুনাহ থেকে মুক্ত না থাকলে নেক আমলের মাধ্যমে কি কোন ছাগীরা গুনাহ ক্ষমা পাওয়া যাবে না? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : তাজা মাছ কাটার সময় কি যব্হ করার দু‘আ বলতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : রাসূল (ﷺ)-এর আবির্ভাবের পূর্বে সমস্ত নবীর ক্বিবলাহ বাইতুল মাক্বদিছ ছিল এই কথাটি কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : কারো গায়ে পা লাগলে তাকে ছুয়ে সালাম করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : মৃত ব্যক্তিকে কবরে দাফন করার পর কবরের পাশে আযান দেয়া হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : আমি কোন ব্যক্তির নিকট থেকে টাকা নিব ব্যবসার জন্য। ব্যবসার শর্ত অনুযায়ী সে লাভ বা ক্ষতি মেনে নিবে। আমি সেই টাকা দিয়ে বিদেশ যাব চাকরি করতে। বিদেশে গিয়ে চাকুরী করে যদি বেতন উঠাতে পারি, তখন ব্যবসায়িক লাভ হিসাবে তার টাকার অনুপাতে তাকে পারসেন্ট দিব। যতদিন পর্যন্ত তার টাকা ফিরিয়ে না দিব ততদিন তার পারসেন্ট সক্রিয় থাকবে। আর যদি বিদেশ গিয়ে কোন কারণে চাকুরী কনফার্ম না হয় কিংবা যদি যেকোন ধরনের প্রতারণার স্বীকার হয়ে বিদেশ যাওয়া না হয়, অথবা অন্য কোন কারণে যদি বিদেশ যাওয়া না হয় যেমনঃ ভিসা রিজেক্ট, মেডিকেল আনফিট তাহলে যে টাকা ক্ষতি হবে তার ভার সে বহন করবে তার টাকার অনুপাতে। উক্ত চুক্তিটি কি বাইয়ে মুশারাকা বা মুযারাবা হিসাবে গণ্য হবে, না-কি সূদী কারবার হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : শরী‘আতের দৃষ্টিতে পোশাক পরিধানের সময় কোন্ কোন্ জিনিস থেকে বেঁচে থাকা অপরিহার্য? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : মৃত্যুর সময় কেউ শরী‘আতবিরোধী অছিয়ত করলে তা পূরণ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : ‘যে ব্যক্তি সব মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীর জন্য দু‘আ করবে আল্লাহ তাকে প্রতিটি মুমিন পুরুষ ও নারীর পরিবর্তে একটি করে পুণ্য দেবেন’। হাদীছটি কী ছহীহ? ছহীহ হলে কোন্ দু‘আটি পড়তে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : জেনে শুনে জর্দা খাওয়া ইমামের পেছনে ছালাত আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : ঈমান রক্ষার কোন দু‘আ আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ