বুধবার, ২২ Jul ২০২৬, ১১:৩৩ অপরাহ্ন
উত্তর : সুদ খাওয়া এবং যিনার মধ্যে কোনটি বড় অপরাধ, তা বোঝার জন্য ইসলামের বিভিন্ন দলীল এবং সালাফদের বক্তব্যের দিকে নজর দেয়া প্রয়োজন। সূদ খাওয়া ইসলামে একটি গুরুতর অপরাধ এবং কুরআনে এ ব্যাপারে কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘যারা সূদ খায়, তারা কেবল সেভাবে উঠবে যেভাবে শয়তান দ্বারা পাগল করা হয় এবং যারা তাদের রবের কাছে থেকে নিষেধ করা হয়েছিল, তারা যদি ফিরে আসে, তবে তাদের জন্য যা কিছু ঘটবে তা তাদের জন্য গুনাহ’ (সূরা আল-বাক্বারাহ: ২৭৫)। ‘যারা সূদ ত্যাগ করে, তাদের জন্য যা কিছু তাদের জন্য আছে, তা আল্লাহর কাছে রয়েছে। আর যারা ফিরে আসে, তারা জাহান্নামের অধিবাসী’ (সূরা আল-বাক্বারাহ: ২৭৮)।

যিনা ইসলামে একটি মারাত্মক অপরাধ হিসাবে গণ্য হয় এবং এর জন্য কঠিন শাস্তির বিধান রয়েছে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘আর যিনা কাছেও যেও না। নিশ্চয় এটি অশ্লীলতা এবং এটি একটি খারাপ পথ’ (সূরা আল-ইসরাঈল: ৩২)। ‘যিনাকারীদের শাস্তি তাদের মধ্যে থেকে চারজন সাক্ষী আনা’ (সূরা আন-নূর: ২)। সালাফগণ উভয় বিষয়কে গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করতেন। ইবনু আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, ‘সূদ খাওয়া যিনার চেয়ে বড় অপরাধ। কারণ সূদের শাস্তি আল্লাহর দ্বারা ঘোষণা করা হয়েছে এবং যিনার শাস্তি মানুষের হাতে’ (ছহীহ মুসলিম, হা/১৬২)। ইমাম মালিক (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘সূদ খাওয়া অত্যন্ত কঠিন অপরাধ, যেরকম যিনা। উভয়েরই শাস্তি অত্যন্ত কঠিন’ (ইবন কুদামাহ, আল-মুগনী, ৩/৮০ পৃ.)।

সুতরাং সূদ খাওয়া এবং যিনা উভয়ই গুরুতর অপরাধ। তবে, কুরআন এবং হাদীছের আলোকে দেখা যায় যে সূদ খাওয়া বিশেষভাবে কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে এবং এর বিরুদ্ধে আল্লাহর ঘৃণা প্রকাশিত হয়েছে। এই কারণে, ইসলামের দৃষ্টিকোণ থেকে সূদ খাওয়া যিনার চেয়ে গুরুতর অপরাধ হিসাবে গণ্য হয়। তবে পুরো বিষয়টি অবস্থা ও পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে। আল্লাহ অধিক অবগত।


প্রশ্নকারী : আলমগীর, লালবাগ, ঢাকা।





প্রশ্ন (১৮) : গর্ভবতী পশু দিয়ে কুরবানী করা কি হালাল? যদি সেটা জায়েয হয়, তাহলে গর্ভস্থিত পশুটির ক্ষেত্রে কী করণীয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : গায়রুল্লাহর নৈকট্য হাছিলের জন্য পশু কুরবানী করার হুকুম কী? এই পশুর গোশত খাওয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩১) : ‘শীতকাল মুমিনদের জন্য বসন্তকাল’ কথাটি কি সত্য? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : মুক্তিযুদ্ধের ভাতা সরকার ভাই ও বোনকে সমান করে ভাগ করে দিয়েছে। এখন ভাইকে ২ ভাগ দিতে হবে, না-কি যেমন সরকার করে দিয়েছে তেমনি নিতে পারব? এ ব্যাপারে শরী‘আতের বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : হিন্দু ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণের পর তার পরিবারেই জীবন-যাপন করছে। সে কি তার পিতা-মাতাকে বাবা-মা বলে সম্বোধন করতে পারবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৮) : ‘আমার ছাহাবীগণ তারকার ন্যায়, তোমরা যারই অনুসরণ কর সঠিক পথ পাবে’। হাদীছটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : ছালাতের ওয়াক্ত হয়ে যাওয়ার পরে মসজিদে আযান দেয়নি। এমতাবস্থায় বলা হয় যে, আযান শুনে ছালাত পড়তে হবে। এ কথা কি ঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : আমার চাচা আমার সামনে আমার মাকে গালিগালাজ করে। তাই আমি আল্লাহর কসম করে বলি যে, সে মারা গেলে তার জানাযায় আমি যাব না। এ রকম কসম করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : স্বজনপ্রীতি সম্পর্কে ইসলাম কী বলে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : মেয়েরা যে বডি লোশন বা কসমেটিকস ব্যবহার করে সেগুলোতে সুন্দর ঘ্রাণ আছে। সেগুলো কি মেয়েরা ব্যবহার করতে পারবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : কুরআন মাজীদ খতম করে পুনরায় সূরা ফাহিতা ও সূরা বাক্বারার শুরু থেকে ‘মুফলিহূন’ পর্যন্ত পড়ার কোন বিধান আছে কী? জনৈক ব্যক্তি বলেন, তিরমিযীর ২৯৪৮ নং হাদীছে এ নির্দেশ রয়েছে। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : জর্দাখোরের ইমামতিতে ছালাত আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ