রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১৯ পূর্বাহ্ন
উত্তর : সুদ খাওয়া এবং যিনার মধ্যে কোনটি বড় অপরাধ, তা বোঝার জন্য ইসলামের বিভিন্ন দলীল এবং সালাফদের বক্তব্যের দিকে নজর দেয়া প্রয়োজন। সূদ খাওয়া ইসলামে একটি গুরুতর অপরাধ এবং কুরআনে এ ব্যাপারে কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘যারা সূদ খায়, তারা কেবল সেভাবে উঠবে যেভাবে শয়তান দ্বারা পাগল করা হয় এবং যারা তাদের রবের কাছে থেকে নিষেধ করা হয়েছিল, তারা যদি ফিরে আসে, তবে তাদের জন্য যা কিছু ঘটবে তা তাদের জন্য গুনাহ’ (সূরা আল-বাক্বারাহ: ২৭৫)। ‘যারা সূদ ত্যাগ করে, তাদের জন্য যা কিছু তাদের জন্য আছে, তা আল্লাহর কাছে রয়েছে। আর যারা ফিরে আসে, তারা জাহান্নামের অধিবাসী’ (সূরা আল-বাক্বারাহ: ২৭৮)।

যিনা ইসলামে একটি মারাত্মক অপরাধ হিসাবে গণ্য হয় এবং এর জন্য কঠিন শাস্তির বিধান রয়েছে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘আর যিনা কাছেও যেও না। নিশ্চয় এটি অশ্লীলতা এবং এটি একটি খারাপ পথ’ (সূরা আল-ইসরাঈল: ৩২)। ‘যিনাকারীদের শাস্তি তাদের মধ্যে থেকে চারজন সাক্ষী আনা’ (সূরা আন-নূর: ২)। সালাফগণ উভয় বিষয়কে গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করতেন। ইবনু আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, ‘সূদ খাওয়া যিনার চেয়ে বড় অপরাধ। কারণ সূদের শাস্তি আল্লাহর দ্বারা ঘোষণা করা হয়েছে এবং যিনার শাস্তি মানুষের হাতে’ (ছহীহ মুসলিম, হা/১৬২)। ইমাম মালিক (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘সূদ খাওয়া অত্যন্ত কঠিন অপরাধ, যেরকম যিনা। উভয়েরই শাস্তি অত্যন্ত কঠিন’ (ইবন কুদামাহ, আল-মুগনী, ৩/৮০ পৃ.)।

সুতরাং সূদ খাওয়া এবং যিনা উভয়ই গুরুতর অপরাধ। তবে, কুরআন এবং হাদীছের আলোকে দেখা যায় যে সূদ খাওয়া বিশেষভাবে কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে এবং এর বিরুদ্ধে আল্লাহর ঘৃণা প্রকাশিত হয়েছে। এই কারণে, ইসলামের দৃষ্টিকোণ থেকে সূদ খাওয়া যিনার চেয়ে গুরুতর অপরাধ হিসাবে গণ্য হয়। তবে পুরো বিষয়টি অবস্থা ও পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে। আল্লাহ অধিক অবগত।


প্রশ্নকারী : আলমগীর, লালবাগ, ঢাকা।





প্রশ্ন (১) : মহিলারা কি তারাবীহর ছালাত আদায় করতে পারবে? তারা বাসায় পড়বে না-কি মসজিদে গিয়ে পড়বে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : নির্বাচন আসলে দেশের বড় বড় রাজনৈতিক দলের নেতারা শাহজালাল, শাহপরান, বায়েযীদ বুস্তামী মাযারসহ বিভিন্ন মাজার যিয়ারত করে দু‘আ নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবে এবং প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান/শেখ মুজিবের মাযারে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে দেশ পরিচালনা করার চিন্তা করে। এগুলো কি শরী‘আত সম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : নিম্নের দু‘আটি পড়া যাবে কি?-  يَا رَبِّ لَكَ الْحَمْدُ كَمَا يَنْبَغِى لِجَلاَلِ وَجْهِكَ وَلِعَظِيمِ سُلْطَانِكَ - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : মানুষ একবার মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে। প্রশ্ন হল, ঈসা (আলাইহিস সালাম) যাদের জীবিত করেছিলেন তারা কি মারা গেছে, না-কি এখনো তারা জীবিত আছে, তারা কোথায় আছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : ব্যাংকে টাকা থাকায় সেখান থেকে কিছু সূদের টাকা হয়েছে, সে টাকা কাদেরকে দিতে হবে? নিজ ভাগিনা ঋণগ্রস্ত হওয়ায় তার ঋণ পরিশোধ করার জন্য উক্ত টাকা দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : ‘রাহে বেলায়েত’ নামক বইয়ের ৮৯ পৃষ্ঠায় উল্লেখ রয়েছে যে, বেশি বেশি সুবহানাল্লাহ, আলহামদুল্লাহ, আল্লাহু আকবার পড়লে মুনাফিক হতে মুক্তি পাওয়া যায় (নাসাঈ ৬/২১০)। উক্ত বর্ণনা ছহীহ কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : খতম তারাবীহ কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : মুমিন ও‌ মুসলিমের মধ্যে কোন পার্থক্য আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : সূদী ব্যাংক প্রদত্ত ‘শিক্ষা বৃত্তি’ নেয়া কি জায়েয হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : কোমরে তাবীয ঝুলানো কি শিরক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : মুমিন ও মুসলিম কাকে বলে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : মুরতাদ কাকে বলে? ইসলামে মুরতাদের শাস্তি কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ