বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৩ পূর্বাহ্ন
উত্তর : বাড়ীতে কেবল স্বামী-স্ত্রী থাকার সময় তারা যেরকম ইচ্ছা পোশাক পরে থাকতে পারে। এতে শরী‘আতে কোন বাধা নেই। এমনকি এ সময় সতর খোলা থাকলেও আপত্তি নেই। কিন্তু পরিাবারের লোকজন বা অন্য লোকদের সামনে হাফপ্যান্ট পরা যাবে না। এটা বেহায়াপনা ও অশ্লীলতার লক্ষণ। তাছাড়া এটা অসভ্য বিধর্মী ও উলঙ্গ বিজাতীদের অনুকরণ। এদের অনুকরণ করা শরী‘আতে নিষিদ্ধ (আবূ দাঊদ, হা/৪০৩১, সনদ ছহীহ)।

আর শুধু স্বামী-স্ত্রী হলে বৈধ। কারণ আল্লাহ তা‘আলা স্বামী-স্ত্রীর একে অপরের জন্য সম্পূর্ণ হালাল করেছেন এবং তাদের মাঝে কোন ধরণের পর্দা আবশ্যক করেনি। সুতরাং ঘরে স্বামী অথবা স্ত্রী উভয়ই তাদের অভিরুচি অনুযায়ী যে কোনও পোশাক পরতে পারে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, هُنَّ لِبَاسٌ لَّكُمْ وَأَنتُمْ لِبَاسٌ لَّهُنَّ ‘তারা (স্ত্রীরা) তোমাদের জন্য পোশাক এবং তোমরা তাদের জন্য পোশাক’ (সূরা আল-বাকারাহ : ১৮৭)। উক্ত আয়াতের ব্যাখ্যায় ইমাম কুরতুবী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘পোশাক মূলত কাপড়। কিন্তু স্বামী-স্ত্রী একে অপরের জন্য পোশাক বলা হয়েছে এ জন্য যে, দেহের সাথে দেহের সংযোগ ঘটে, একে অপরের সাথে মিলিত হয় এবং পোশাকের মত একে অপরের সঙ্গে থাকে’ (ইমাম কুরতুবী, আল-জামি‘ঊ লি আহকামিল কুরআন, ২য় খণ্ড, পৃ. ৩১৬)।

বাহয ইবনু হাকিম (রাযিয়াল্লাহু আনহু) তার পিতা হতে তিনি তার দাদা হতে বর্ণনা করেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)!

عَوْرَاتُنَا مَا نَأْتِى مِنْهَا وَمَا نَذَرُ قَالَ احْفَظْ عَوْرَتَكَ إِلَّا مِنْ زَوْجَتِكَ أَوْ مَا مَلَكَتْ يَمِيْنُكَ

‘আমাদের আবরণীয় অঙ্গসমূহ কার সামনে আবৃত রাখব এবং কার সামনে অনাবৃত করতে পারি? তিনি বললেন, ‘তোমার স্ত্রী ও দাসী ব্যতীত সকলের সামনে তা আবৃত রাখ’ (আবূ দাঊদ, হা/৪০১৭, সনদ হাসান)। তবে বুঝমান ছেলেমেয়ে, অন্যান্য মহিলা বা পুরুষদের সামনে অবশ্যই সতর ঢাকতে হবে এবং শালীন পোশাক পরে চলাফেরা করতে হবে।


প্রশ্নকারী : আব্দুল হাকীম, সিরাজগঞ্জ।





প্রশ্ন (৩৪) : বিয়েতে মেয়েকে কবুল বলাতে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : ফ্রিল্যান্সিং শিখে অর্থ-উপার্জন করা হালাল হবে কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : পাইলস, অর্শ, ভগন্দর রোগের কারণে তেল বা মলম ব্যবহার করলে ছিয়ামের কোন ক্ষতি হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : যেকোন কাজ আল্লাহর জন্য করতে চাইলেও মনের মধ্যে রিয়া প্রভাব বিস্তার করে। যেমন ছালাতের ক্ষেত্রে, দান-ছাদাক্বার ক্ষেত্রে। এমতাবস্থায় কী করা উচিত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৮) : ঈদুল ফিতরের ছালাত আদায়ের পর পরিবারের সবাই মিলে কবর যিয়ারত করা কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩): পারস্পরিক ভালোবাসা বৃদ্ধির জন্য জাদু, তন্ত্রমন্ত্র ও বশীকরণ বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : জন্মদিন লিখে কেক তৈরি করা ও তা বিপণন করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : ক্বিয়ামতের আগে কোন মুমিন থাকবে না এবং কেউ আল্লাহর নাম স্মরণ করবে না। এটি কি ক্বিয়ামতের পূর্বমুহূর্র্তে, না-কি দাজ্জালের আত্মপ্রকাশের পূর্ববর্তী সময়ে? উল্লেখ্য, ক্বিয়ামতের পূর্বে মুমিনদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে এবং দ্বীনের বিজয় হবে। তাহলে এর ব্যাখ্যা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : কোন ফার্মাসিস্ট বাচ্চা নষ্ট করার ওষুধ বিক্রয় করলে গুনাহ হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪৪) : কবরে লাশকে কিভাবে রাখতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : ছহীহ বুখারীতে ‘যাকাতুল ফিতর’ ঈদের ছালাতের পূর্বে বণ্টন করার কথা রয়েছে। কিন্তু কেউ কেউ ছালাতের পরে বন্টন করাকে সুন্নাত বলে প্রচার করেন। কোনটি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : ঈদের দিনে কুরবানীর পশুর রক্ত ঝরানোর চেয়ে আল্লাহর নিকট অধিক পসন্দনীয় কোন আমল নেই। সে ক্বিয়ামত দিবসে উক্ত পশুর শিং, খুর, লোম প্রভৃতি নিয়ে উপস্থিত হবে এবং তার রক্ত যমীনে পড়ার পূর্বেই আল্লাহর নির্ধারিত মর্যাদার স্থানে পতিত হয়। অতএব তোমরা প্রফুল্লচিত্তে কুরবানী কর’। হাদীছটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ