বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:২৭ পূর্বাহ্ন
উত্তর : হারাম মাস চারটি। যিলক্বদ, যিলহজ্জ, মুহাররম ও রজব। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয় আল্লাহর কাছে মাসের সংখ্যা ১২টি, যা আল্লাহর কিতাবে ঐ দিন থেকেই আছে যেদিন তিনি আসমান ও যমীনসমূহ সৃষ্টি করেছিলেন। এর মধ্যে চারটি মাস মর্যাদাপূর্ণ। এটাই দ্বীনের সরল দাবী। সুতরাং তোমরা নিজেদের উপর যুলুম করো না (সূরা তওবা  ৩৬)। রাসূল (ﷺ) বলেন,

اَلسَّنَةُ اِثْنَا عَشَرَ شَهْرًا، مِنْهَا أَرْبَعَةٌ حُرُمٌ، ثَلَاثٌ مُتَوَالِيَاتٌ: ذُو الْقَعْدَةِ، وَذُو الْحِجَّةِ، وَالمحَرَّمُ، وَرَجَبُ مُضَرَ الَّذِيْ بَيْنَ جُمَادِىَّ وَشَعباَنَ

‘বারো মাসে বছর। তার মধ্যে চারটি মাস হারাম (সম্মানিত মাস)। তিনটি ধারাবাহিক: যিলক্বদ, যিলহজ্জ, মুহররম। আর চতুর্থটি হল, মুযার গোত্রের রজব মাস, যা জুমাদাল উখরা ও শা‘বান মাসের মাঝে আছে’ (ছহীহ মুসলিম, হা/১৬৭৯)।

এই চারটি মাসকে ‘হারাম’ বলার কারণ হল, এ মাসে যুদ্ধ-মারামারি করা হারাম। পাপাচার ও যুলুম নিষিদ্ধ। এই আদেশ আরবের মুশরিকরা মান্য করত। এছাড়া অন্য মাসের তুলনায় এ মাসে পাপ করলে শাস্তির পরিমাণ তুলনামূলক বেশি হবে। অনুরূপ সৎ আমল করলে নেকীর প্রতিদানও বেশি পাওয়া যাবে (তাফসীরে ইবনে কাছীর, ৪/১৪৮ পৃ.)। তাছাড়া যেগুলো আল্লাহ্র নিদর্শন সেগুলোকে সম্মান করতে হবে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, যে আল্লাহ্র নিদর্শন সমূহকে সম্মান করে এটা তার অন্তরের তাক্বওয়ার বহিঃপ্রকাশ (সূরা আল-হজ্জ: ৩২)।


প্রশ্নকারী : যাহিদ, ময়মনসিংহ।





প্রশ্ন (২৯) : প্রথম স্ত্রী ইন্তিকালের পর তার গহনা দিয়ে দ্বিতীয় স্ত্রীর মোহর আদায় করা কিংবা হাদিয়া দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : জনৈক ইমাম বলেন, যে ব্যক্তি ক্বদরের রাত্রে চার রাক‘আত ছালাত আদায় করবে এবং প্রত্যেক রাক‘আতে সূরা ফাতিহার পর ২১ বার করে সূরা ইখলাছ পাঠ করবে, আল্লাহ তা‘আলা ঐ ব্যক্তিকে সদ্য ভূমিষ্ঠ শিশুর ন্যায় করে দিবেন। আর তার জন্য জান্নাতে এক হাজার মনোরম বালাখানা তৈরি করা হবে (আশরাফ আলী থানবী, পূর্ণাঙ্গ নামাজ শিক্ষা, পৃঃ ৩০৯)। উক্ত মর্মে ছহীহ কোন বর্ণনা আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : কারো মেয়ের নাম ‘আনাবিয়া’ ও ‘আব্দিয়া’ রাখা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪৩) : খারেজী, শী‘আ ও কাদিয়ানীরা কি কালেমা পড়া মুসলিম? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : আব্দুল্লাহ ইবনু শাকীক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ‘মানুষের হৃদয়ে আছে দু’টি কুঠরী, একটিতে থাকে ফেরেশতা, অপরটিতে থাকে শয়তান। মানুষ যখন আল্লাহর যিকিরে মগ্ন হয়, তখন শয়তান পিছনে সরে যায়। আর যখন মানুষ যিকির থেকে উদাসীন থাকে, তখন সে তার ঠোঁট দিয়ে হৃদয়ে ঠোকর মারতে থাকে। হৃদয়ে প্রক্ষেপ করে প্ররোচনা’। হাদীছটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : যাওয়ালের ছালাত বলতে কোন্ ছালাতকে বুঝায়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : কুশপুত্তলিকা  বানানো যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৮) : ঈদুল ফিতরের ছালাত আদায়ের পর পরিবারের সবাই মিলে কবর যিয়ারত করা কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : লোকসানের অংশীদার হবে এমন শর্তে কোন ইসলামী ব্যাংকে টাকা রেখে তার লভ্যাংশ গ্রহণ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : আহলে কুরআনদের দাবী হল, আল্লাহ কেবল কুরআন হেফাযতের দায়িত্ব নিয়েছেন, হাদীছের হেফাযতের দায়িত্ব নেননি। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : যে সমস্ত প্রতিষ্ঠানে খ্রিস্টানদের ক্রুশ চিহ্নযুক্ত ইউনিফর্ম পরা বাধ্যতামূলক, সেগুলো পড়ালেখা করা যাবে কি? এক্ষেত্রে  পিতা-মাতার আদেশ অমান্য করলে অবাধ্যতা হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : ওযূ করার পর ছালাত চলাকালীন যদি জানতে পারি যে, আমার দাঁতে সামান্য খাবার অবশিষ্ট আছে। এখন উক্ত ছালাত কি ওযূ করে আবার পড়তে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ