বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন
উত্তর : হারাম মাস চারটি। যিলক্বদ, যিলহজ্জ, মুহাররম ও রজব। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয় আল্লাহর কাছে মাসের সংখ্যা ১২টি, যা আল্লাহর কিতাবে ঐ দিন থেকেই আছে যেদিন তিনি আসমান ও যমীনসমূহ সৃষ্টি করেছিলেন। এর মধ্যে চারটি মাস মর্যাদাপূর্ণ। এটাই দ্বীনের সরল দাবী। সুতরাং তোমরা নিজেদের উপর যুলুম করো না (সূরা তওবা  ৩৬)। রাসূল (ﷺ) বলেন,

اَلسَّنَةُ اِثْنَا عَشَرَ شَهْرًا، مِنْهَا أَرْبَعَةٌ حُرُمٌ، ثَلَاثٌ مُتَوَالِيَاتٌ: ذُو الْقَعْدَةِ، وَذُو الْحِجَّةِ، وَالمحَرَّمُ، وَرَجَبُ مُضَرَ الَّذِيْ بَيْنَ جُمَادِىَّ وَشَعباَنَ

‘বারো মাসে বছর। তার মধ্যে চারটি মাস হারাম (সম্মানিত মাস)। তিনটি ধারাবাহিক: যিলক্বদ, যিলহজ্জ, মুহররম। আর চতুর্থটি হল, মুযার গোত্রের রজব মাস, যা জুমাদাল উখরা ও শা‘বান মাসের মাঝে আছে’ (ছহীহ মুসলিম, হা/১৬৭৯)।

এই চারটি মাসকে ‘হারাম’ বলার কারণ হল, এ মাসে যুদ্ধ-মারামারি করা হারাম। পাপাচার ও যুলুম নিষিদ্ধ। এই আদেশ আরবের মুশরিকরা মান্য করত। এছাড়া অন্য মাসের তুলনায় এ মাসে পাপ করলে শাস্তির পরিমাণ তুলনামূলক বেশি হবে। অনুরূপ সৎ আমল করলে নেকীর প্রতিদানও বেশি পাওয়া যাবে (তাফসীরে ইবনে কাছীর, ৪/১৪৮ পৃ.)। তাছাড়া যেগুলো আল্লাহ্র নিদর্শন সেগুলোকে সম্মান করতে হবে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, যে আল্লাহ্র নিদর্শন সমূহকে সম্মান করে এটা তার অন্তরের তাক্বওয়ার বহিঃপ্রকাশ (সূরা আল-হজ্জ: ৩২)।


প্রশ্নকারী : যাহিদ, ময়মনসিংহ।





প্রশ্ন (২৪) : পিতা-মাতার নামে কি দান করা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : জেহরী ছালাতে ইমাম আমীন বলতে ভুলে গেলে বা ইচ্ছাকৃতভাবে না বললে মুক্তাদীগণের আমীন বলতে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : অপবিত্র কাপড় পরিধান অবস্থায় ওযূ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : কেউ শয়তানের ধোঁকায় পড়ে আত্মহত্যা করলে তার স্বামী বা স্ত্রী অথবা তার ছেলেমেয়েরা তার জন্য গুনাহ মাফের দু‘আ করতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : যে জিনিসগুলো সাদাক্বাহ করা হয় সেগুলো ব্যবহার করার হুকুম কী? মসজিদের জন্য কিছু আতর ও কিছু পানির বোতল দান করার পরে মাঝে মাঝে মসজিদের ঐ আতর ও পানি ব্যবহার করার শরী‘আতের বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : দৈনিক যুগান্তর (২৫ ডিসেম্বর, ২০১৯) পত্রিকায় বলা হয়েছে যে, নাসা খালি চোখে সূর্যগ্রহণ দেখতে নিষেধ করেছে। যাতে করে মানুষ দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারে। সুতরাং ফিল্টার দিয়েই এটা দেখা উচিত। প্রশ্ন হল- সূর্যগ্রহণের সময় সূর্যের দিকে তাকানো যাবে না মর্মে কথাটি কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪৫) : চার রাক‘আত বিশিষ্ট ছালাতে আমি যদি ইমামের ৩য় বা ৪র্থ রাক‘আত পাই, তাহলে সেটা আমার কততম রাক‘আত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : যে ব্যক্তি আল্লাহর শরী‘আত অনুযায়ী শাসন করে না, তাকে কি রাষ্ট্রপতি হিসাবে নির্বাচিত করা যাবে? বিশেষত যদি তাকে নির্বাচিত না করলে হয়রানি, এমনকি কখনো গ্রেফতার পর্যন্ত হতে পারে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : সমাজে প্রচলিত রয়েছে যে, মৃত স্বামী বা স্ত্রীকে দেখতে ও গোসল করতে দেয়া হয় না। বিষয়টি কতটুকু শরী‘আতসম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : মসজিদের দেওয়ালে কুরআনের বা হাদীছ লেখে রাখা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : ‘যে ব্যক্তি সকালে ও বিকালে সূর্যোদয়ের আগে ও সূর্যাস্তের আগে ১০০ বার ‘সুবহানাল্লাহ’ বলবে সে যেন একশ’টি হজ্জ আদায় করল বা একশ’টি উট আল্লাহর ওয়াস্তে দান করল। যে ব্যক্তি এই দুই সময়ে ১০০ বার ‘আল-হামদুলিল্লাহ’ বলল সে যেন আল্লাহর পথে জিহাদের জন্য ১০০টি ঘোড়ার পিঠে মুজাহিদ প্রেরণ করলো অথবা আল্লাহর রাস্তায় ১০০ টি গাযওয়া বা অভিযানে শরীক হলো। আর যে ব্যক্তি এই দুই সময়ে ১০০ বার করে ‘লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ পাঠ করলো, সে যেন ইসমাঈল বংশের একশ’ ব্যক্তিকে দাসত্ব থেকে মুক্তি প্রদান করলো। আর যে ব্যক্তি এই দুই সময়ে ১০০ বার করে ‘আল্লাহু আকবার’ বলল, ঐ দিনে তার চেয়ে বেশি আমল আর কেউ করতে পারবে না। তবে যদি কেউ তার সমান এই যিকরগুলো পাঠ করে বা তার চেয়ে বেশি পাঠ করে তাহলে ভিন্ন কথা। (তাহলে সেই শুধু তার উপরে উঠতে পারবে।) ইমাম নাসাঈর বর্ণনায় ‘লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহু’-র পরিবর্তে ‘লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুআ আলা কুলিল শাইয়্যিন কাদীর’ ১০০ বার পাঠ করার কথা বলা হয়েছে (তিরমিযী, ৫/৫১৩, নং ৩৪৭১; নাসাঈ, আস-সুনানুল কুবরা, ৬/২০৫)। উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছ কি আমলযোগ্য? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : মিসওয়াকের শুরু এবং শেষে পঠিতব্য কোন দু‘আ আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ