রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৩:১৭ অপরাহ্ন
উত্তর : রাসূল (ﷺ) বলেন, ‘তোমরা আমাকে  যেভাবে ছালাত পড়তে দেখ সেভাবে ছালাত  পড়’ (ছহীহ বুখারী, হা/৬৩১)। রাসূল (ﷺ) ফজরের ছালাতে, মাগরিব ও এশার ছালাতের প্রথম দুই রাক‘আতে শব্দ করে তেলাওয়াত করতেন। আর বাকী ছালাতে  চুপে চুপে তেলাওয়াত করতেন। জুবাইর ইবনু মুতঈম (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, ‘আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে মাগরিবের ছালাতে সূরা তূর তেলাওয়াত করতে শুনেছি’ (ছহীহ বুখারী, হা/৭৩৫)। বারা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, ‘আমি নবী (ﷺ)-কে এশার ছালাতে ‘ওয়াত ত্বীনি ওয়ায যাইতূন’ পড়তে শুনেছি। আমি তাঁর চেয়ে সুন্দর কণ্ঠের তেলাওয়াত শুনিনি’ (ছহীহ বুখারী, হা/৭৬৯)। জিনদের উপস্থিত হওয়া ও নবী (ﷺ) থেকে কুরআন শুনা প্রসঙ্গে ইবনু আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, একদা রাসূল (ﷺ) তাঁর ছাহাবীদেরকে নিয়ে ফজরের ছালাত আদায় করছিলেন। যখন তাদের কানে কুরআন পৌঁছল তখন তারা মনোযোগ দিয়ে কুরআন শুনল’ (ছহীহ বুখারী, হা/৭৩৩)। এ হাদীছগুলো প্রমাণ করে যে, নবী (ﷺ) উচ্চৈঃস্বরে তেলাওয়াত করতেন যাতে করে উপস্থিত লোকেরা শুনতে পায়। আর মুছল্লীরা আস্তে আস্তে ক্বিরাত পড়বে।


প্রশ্নকারী : আসআদ, পানছড়ি, খাগড়াছড়ি।





প্রশ্ন (৫) : ছাদাক্বাহ ও ওছিয়তের মধ্যে পার্থক্য কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : সমাজে প্রচলিত আছে যে, সফর মাসের শেষ বুধবারে সালাম অর্থাৎ শান্তির আয়াতগুলো লিপিবদ্ধ করে পানির পাত্রে সেটি রাখলে, অতঃপর সেই পানি পান করলে বরকত হাসিল হয়। এতে বিপদাপদ দূরীভূত হয়। উক্ত ধারণা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : অপবিত্র কাপড় পরিধান অবস্থায় ওযূ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : জামা‘আতের ছালাতে ইমাম সাহেব জোরে তাকবীর বলা এবং মুক্তাদির নিঃশব্দে তাকবীর বলার দলীল কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৬) : প্রসিদ্ধ চার মাযহাবের অনুসরণ করার বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : কোন শী‘আ মেয়েকে কি বিয়ে করা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : হুজুরকে ‘মাওলানা’ বলা যাবে কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : মসজিদের ডানে ও বামে আল্লাহ ও মুহাম্মাদ লেখা যাবে কি এবং উক্ত মসজিদে ছালাত আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৯) : জনৈক বক্তা বলেন, যে বান্দা রামাযানের ছিয়াম পালন করে তার সাথে প্রত্যেক দিন তাঁবুতে সুরক্ষিত হুরদের মধ্য হতে একজনকে বিবাহ দিয়ে দেন। প্রত্যেক স্ত্রীর সাথে ৭০টি দামী কাপড় থাকবে। প্রত্যেকটির রং হবে পৃথক পৃথক। তাকে ৭০ প্রকারের সুগন্ধিযুক্ত রং দেয়া হবে। এক রঙের সাথে অন্য রঙ মিলবে না। প্রত্যেকেই বসে থাকবে হীরার খাটে, যাতে মুক্তা দ্বারা বিন্যস্ত করা থাকবে ৭০টি বিছানা, যার আস্তর থাকবে রেশমের। ৭০টি বিছানার উপর থাকবে ৭০টি পালঙ্ক। প্রত্যের স্ত্রীর জন্য থাকবে ৭০ জন্য সেবিকা, যারা তার সেবা করবে। আর ৭০ জন সেবিকা থাকবে তার সাথে মুলাক্বাতের জন্য। আর প্রত্যেক সহচরের সাথে থাকবে অনেক সম্ভ্রান্ত সাথী। জান্নাতে স্বর্ণের পাত্র থাকবে তাতে বিভিন্ন রঙের খাবার থাকবে। প্রথম যে স্বাদ পাওয়া যাবে শেষেও সে স্বাদ পাওয়া যাবে। আর তার স্বামীকেও অনুরূপ লাল হীরার খাট দেয়া হবে, যার উপর দু’টি স্বর্ণের বালা থাকবে, যা বিন্যস্ত থাকবে লাল হীরা দ্বারা। এটা রামাযানের প্রত্যেক দিন ছিয়াম পালনকারীর জন্য, অন্য নেক আমলের জন্য নয় (ত্বাবারাণী, আল-মু‘জামুল কাবীর হা/৯৬৭)। উক্ত বর্ণনা কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৪) : জনৈক ব্যক্তির পিতা-মাতা ও অন্যান্য আত্মীয়রা পীরতন্ত্রে বিশ্বাস করে। এমনকি কালেমার ভিতরে পীরের নামযুক্ত করে যিকির করে। তারা মাজারপূজা করে। প্রশ্ন হল- তাদের সাথে কেমন ব্যবহার করা উচিত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : আপেল ভিনেগার যদি বাড়িতে আপেল দিয়ে তৈরি করা হয়। সেটা কি হালাল হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : রংধনু অংকিত পাঞ্জাবী কিংবা শার্ট পরে ছালাত আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ