বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ০১:১২ অপরাহ্ন
উত্তর : জিম্মি বলতে বুঝায় ঐ অমুসলিমকে, যার সঙ্গে মুসলিমদের এই মর্মে চুক্তি হয় যে, জিজিয়া কর প্রদানের মাধ্যমে সে সম্মানের সাথে ইসলামী রাষ্ট্রে বসবাস করবে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে, তাদের মধ্যে যারা আল্লাহতে বিশ্বাস করে না ও পরকালেও নয় এবং আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল যা নিষিদ্ধ করেছেন, তা নিষিদ্ধ মনে করে না এবং সত্য ধর্ম অনুসরণ করে না, তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কর; যে পর্যন্ত না তারা নত হয়ে নিজ হাতে জিযিয়া আদায় করে’ (সূরা আত-তাওবাহ : ২৯)। সুতরাং তারা যদি জিযিয়া প্রদান করে, তাহলে আমাদের উপর অপরিহার্য হল- তাদেরকে সাহায্য করা এবং সম্পত্তি, আত্মা ও অন্যান্য বিষয়ে তাদের সাথে শত্রুতা করা আমাদের জন্য হারাম’ (মাজমূঊ ফাতাওয়া ওয়া রাসাইল ইবনে উছাইমীন, ৭/২৯৭ পৃ.)। আর যদি মুসলিম ব্যক্তি কোন জিম্মিকে হত্যা করে, তবে তার জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি এবং ভয়ঙ্কর হুঁশিয়ারি। নবী (ﷺ) বলেন,

مَنْ قَتَلَ مُعَاهَدًا لَمْ يُرَحْ رَائِحَةُ الْـجَنَّةِ، وَإِنَّ رِيْحَهَا تُوْجَدُ مِنْ مَسِيْرَةِ أَرْبَعِيْنَ عَامًا

‘যে ব্যক্তি চুক্তিবদ্ধ কোন অমুসলিমকে হত্যা করল সে জান্নাতের সুগন্ধিও পাবে না, অথচ জান্নাতের সুঘ্রাণ চল্লিশ বছরের রাস্তার দূরত্ব থেকেও পাওয়া যায়’ (ছহীহ বুখারী, হা/৩১৬৬, ৬৯১৪; নাসাঈ, হা/৪৭৫০; ইবনু মাজাহ, হা/২৬৮৬)। ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বাল, ইসহাক্ব ইবনু রাহওয়াইহ ও ইবনু হাযম (রাহিমাহুমুল্লাহ) বলেন, ‘তবে পার্থিব জগতে জিম্মির হত্যার বদলে ক্বিছাছ স্বরূপ কোন মুসলিমকে হত্যা করা যাবে না। নবী (ﷺ) বলেন, কোন মুসলিমকে কাফির হত্যার বিনিময়ে হত্যা করা যাবে না’ (ছহীহ বুখারী, হা/১১১, ১৮৭০; ছহীহ মুসলিম, হা/১৩৭০)। তবে হ্যাঁ, তাকে দিয়াত বা রক্তমূল্য দিতে হবে। যদি ভুলবশতঃ হত্যা হয়ে যায়, তাহলে মুসলিম ব্যক্তির রক্তমূল্যের অর্ধেক রক্তমূল্য দিতে হবে। আর যদি ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করে, তাহলে মুসলিম ব্যক্তির রক্তমূল্যের সমপরিমাণ রক্তমূল্য দিতে হবে (ইরওয়াউল গালীল, ৭/৩১২; আত-তালখীছ, ৪/১৬; মাসায়িলুল ইমাম আহমাদ বিন হাম্বাল ওয়া ইবনু রাহওয়াইহ, ৭/৩৪৯৮ পৃ.)। এটি এ জন্যই যে, মুসলিম মুসলিমের সমতুল্য, কিন্তু কাফির মুসলিমের সমতুল্য নয় (আল-আক্বদুছ ছামীন, পৃ. ২৫৪; ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-২৪৩৩৪৫)।


প্রশ্নকারী : রবিউল ইসলাম, সাভার, ঢাকা।





প্রশ্ন (৩৬) : পিতা-মাতার অনুমতি ছাড়া ছেলে বিবাহ করতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : ছালাত অবস্থায় যদি দুই এক ফোঁটা পেশাব পড়ে যায়, তাহলে কি পুনরায় ছালাত আদায় করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : ‘তোমরা রাতের বেলায় রাস্তার মধ্যভাগে অবস্থান নেয়া থেকে সাবধান থাক। কেননা উহা হল, সাপ ও হিংস্র প্রাণীদের আশ্রয়স্থল’ মর্মে বর্ণিত হাদীছ কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
শ্ন (১২) : ‘যখন বান্দার গুনাহ অধিক হয়ে যায় এবং সেগুলোর কাফ্ফারার জন্য তার কোন নেক আমল থাকে না, আল্লাহ তা‘আলা তখন তাকে চিন্তায় ফেলে পরীক্ষা করেন, যাতে তা তার সকল গুনাহর কাফফারা হতে পারে’ (মুসনাদে আহমাদ, হা/২৫২৭৫) মর্মে হাদীছটি বিশুদ্ধ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : ছিয়াম ভঙ্গের কারণগুলো কী কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : ফজরের জামা‘আতে দ্বিতীয় রাক‘আত পেয়েছি। ইমামের সালাম ফিরানোর পর বাকি ছালাত পূর্ণ করার জন্য দাঁড়ানোর সময় রাফঊল ইয়াদায়ন করা লাগবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : অনেকেই তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে মানুষকে গাধা, কুকুর ইত্যাদি বলে সম্বোধন করে থাকে। এ ব্যাপারে শরী‘আতের বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : (أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ) তথা ‘আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোন সত্য মা‘বূদ নেই’ (وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًّا عَبْدُهُ وَرَسُوْلُهُ) ‘এবং আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল’। এর প্রকৃত অর্থ কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৮) : ছালাত এ রুকূর সময় দৃষ্টি কোথায় থাকবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : পোশাকে রংধনুর ছাপ থাকলে তা পরিধান করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : কাবীরা গুনাহ করলে কি ছিয়াম নষ্ট হয়ে যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : এক ব্যক্তির পৈত্রিক কিছু সম্পদ আত্মীয়-স্বজন অবৈধভাবে ভোগ করছে। ফিরিয়ে নিতে গেলে সম্পর্ক নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা শরী‘আতে নিষিদ্ধ। এখন সে কোনটা প্রাধান্য দিবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ