বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন
উত্তর : জিম্মি বলতে বুঝায় ঐ অমুসলিমকে, যার সঙ্গে মুসলিমদের এই মর্মে চুক্তি হয় যে, জিজিয়া কর প্রদানের মাধ্যমে সে সম্মানের সাথে ইসলামী রাষ্ট্রে বসবাস করবে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে, তাদের মধ্যে যারা আল্লাহতে বিশ্বাস করে না ও পরকালেও নয় এবং আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল যা নিষিদ্ধ করেছেন, তা নিষিদ্ধ মনে করে না এবং সত্য ধর্ম অনুসরণ করে না, তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কর; যে পর্যন্ত না তারা নত হয়ে নিজ হাতে জিযিয়া আদায় করে’ (সূরা আত-তাওবাহ : ২৯)। সুতরাং তারা যদি জিযিয়া প্রদান করে, তাহলে আমাদের উপর অপরিহার্য হল- তাদেরকে সাহায্য করা এবং সম্পত্তি, আত্মা ও অন্যান্য বিষয়ে তাদের সাথে শত্রুতা করা আমাদের জন্য হারাম’ (মাজমূঊ ফাতাওয়া ওয়া রাসাইল ইবনে উছাইমীন, ৭/২৯৭ পৃ.)। আর যদি মুসলিম ব্যক্তি কোন জিম্মিকে হত্যা করে, তবে তার জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি এবং ভয়ঙ্কর হুঁশিয়ারি। নবী (ﷺ) বলেন,

مَنْ قَتَلَ مُعَاهَدًا لَمْ يُرَحْ رَائِحَةُ الْـجَنَّةِ، وَإِنَّ رِيْحَهَا تُوْجَدُ مِنْ مَسِيْرَةِ أَرْبَعِيْنَ عَامًا

‘যে ব্যক্তি চুক্তিবদ্ধ কোন অমুসলিমকে হত্যা করল সে জান্নাতের সুগন্ধিও পাবে না, অথচ জান্নাতের সুঘ্রাণ চল্লিশ বছরের রাস্তার দূরত্ব থেকেও পাওয়া যায়’ (ছহীহ বুখারী, হা/৩১৬৬, ৬৯১৪; নাসাঈ, হা/৪৭৫০; ইবনু মাজাহ, হা/২৬৮৬)। ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বাল, ইসহাক্ব ইবনু রাহওয়াইহ ও ইবনু হাযম (রাহিমাহুমুল্লাহ) বলেন, ‘তবে পার্থিব জগতে জিম্মির হত্যার বদলে ক্বিছাছ স্বরূপ কোন মুসলিমকে হত্যা করা যাবে না। নবী (ﷺ) বলেন, কোন মুসলিমকে কাফির হত্যার বিনিময়ে হত্যা করা যাবে না’ (ছহীহ বুখারী, হা/১১১, ১৮৭০; ছহীহ মুসলিম, হা/১৩৭০)। তবে হ্যাঁ, তাকে দিয়াত বা রক্তমূল্য দিতে হবে। যদি ভুলবশতঃ হত্যা হয়ে যায়, তাহলে মুসলিম ব্যক্তির রক্তমূল্যের অর্ধেক রক্তমূল্য দিতে হবে। আর যদি ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করে, তাহলে মুসলিম ব্যক্তির রক্তমূল্যের সমপরিমাণ রক্তমূল্য দিতে হবে (ইরওয়াউল গালীল, ৭/৩১২; আত-তালখীছ, ৪/১৬; মাসায়িলুল ইমাম আহমাদ বিন হাম্বাল ওয়া ইবনু রাহওয়াইহ, ৭/৩৪৯৮ পৃ.)। এটি এ জন্যই যে, মুসলিম মুসলিমের সমতুল্য, কিন্তু কাফির মুসলিমের সমতুল্য নয় (আল-আক্বদুছ ছামীন, পৃ. ২৫৪; ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-২৪৩৩৪৫)।


প্রশ্নকারী : রবিউল ইসলাম, সাভার, ঢাকা।





প্রশ্ন (১৮) : মোবাইলের রিংটোন হিসাবে দু‘আ বা কুরআনের আয়াত ব্যবহার করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৫) : সূরা আন-নিসার ৩৪ নং আয়াতে অবাধ্য স্ত্রীকে প্রহার করার কথা বলা হয়েছে। কেউ বলেন লাঠি মেসওয়াক পরিমাণ হতে হবে। এর সঠিক সমাধান জানতে চাই? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : জনৈক ইমাম বলেন, যে ব্যক্তি ক্বদরের রাত্রে চার রাক‘আত ছালাত আদায় করবে এবং প্রত্যেক রাক‘আতে সূরা ফাতিহার পর ২১ বার করে সূরা ইখলাছ পাঠ করবে, আল্লাহ তা‘আলা ঐ ব্যক্তিকে সদ্য ভূমিষ্ঠ শিশুর ন্যায় করে দিবেন। আর তার জন্য জান্নাতে এক হাজার মনোরম বালাখানা তৈরি করা হবে (আশরাফ আলী থানবী, পূর্ণাঙ্গ নামাজ শিক্ষা, পৃঃ ৩০৯)। উক্ত মর্মে ছহীহ কোন বর্ণনা আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : তাবলীগ জামাতের লোকেরা বলে, জীবনে অন্তত তিন চিল্লা দিতে হবে। এ সময় আহাল-পরিবার ছেড়ে যেতে হয়। এভাবে চিল্লা দেয়া কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩): আযান ও ইকামতের মাঝে দু‘আ কবুল হয়। এক্ষণে আযান ও ইকামতের মাঝে দু‘আ করার সময় হামদ ও দরুদ পাঠ করতে হবে কি, আর দুই হাত তুলে দু‘আ করতে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪৮) : মানুষ মারা গেলে চল্লিশা করা কি ঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : অনেক মসজিদে ইমামরা মৃত পিতা-মাতার জন্য সম্মিলিতভাবে মুনাজাত করেন। এই সময় মুছল্লীরা ‘আমীন, আমীন’ বলে সাড়া দেন। কখনো ইমাম দরূদ শরীফ একবার, সূরা ফাতিহা একবার, ইখলাছ-ফালাক-নাস তিনবার করে পড়ার নির্দেশ দেন। এই পদ্ধতি কি শরী‘আয়তসম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : মুমিন ও মুসলিম কাকে বলে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : ইসলামে শ্রমের মর্যাদা সম্পর্কে কী বলা হয়েছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : এমন আত্মীয়-স্বজন, যারা কুফরি কালাম বা যাদু-টোনার মাধ্যমে সংসার ভেঙ্গে দেয়ার চেষ্টা করে, সংসারে অশান্তি সৃষ্টি করে, সংসারের সদস্যদের শারীরিক, মানসিক ও অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্মুখীন করে। এ ধরণের আত্মীয়দের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করলে এবং যোগাযোগ না করলে গুনাহ হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : শপথ ভঙ্গের কাফ্‌ফারা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : বাংলাদেশী হাজীগণ কোন্ মীক্বাত থেকে ইহরাম বাঁধবেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ