রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৪:৩৯ অপরাহ্ন
উত্তর : টুপি বা পাগড়ী অভ্যাসগত সুন্নাত, যা সৌন্দর্যের অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘হে বনী আদম! প্রত্যেক ছালাতের সময় তোমরা সুন্দর পোশাক গ্রহণ কর’ (সূরা আল-আ‘রাফ : ৩১)। তাই ছালাতের সময় মাথা ঢেকে ছালাত আদায় করা উত্তম। যেমন রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পাগড়ী পরতেন (মুসলিম হা/২৭৪)। আর ছাহাবায়ে কেরাম টুপি পরতেন (বুখারী হা/৩৮৫, ১১৯৮)। তাঁরা খালি মাথায় ছালাত আদায় করাকে অপসন্দ করতেন। যেমন-

عَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِىَ اللهُ عَنْهُمَا رَأَى مَوْلاَهُ نَافِعاً يُصَلِّىْ حَاسِرَ الرَّأْسِ فَقَالَ لَهُ أَرَأَيْتَ لَوْ أَنَّكَ ذَهَبْتَ لِمُقَابَلَةِ أَحَدِ هَؤُلاَءِ الْأُمَرَاءِ أَكُنْتَ تُقَابِلُهُ وَأَنْتَ حَاسِرُ الرَّأْسِ؟ قَالَ لاَ قَالَ فَاللهُ أَحَقُّ أَنْ يَّتَزَيَّنَ لَهُ

ইবনু ওমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) একদা তার গোলাম নাফে‘ (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে খালি মাথায় ছালাত আদায় করতে দেখলেন। অতঃপর তাকে বললেন, তুমি যদি কোন নেতৃস্থানীয় ব্যক্তির সাথে সাক্ষাৎ করতে যাও, তাহলে কি তুমি খালি মাথায় তার সাথে সাক্ষাৎ করতে পারবে? তিনি বললেন, না। তখন ইবনু ওমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বললেন, আল্লাহ অধিক হক্বদার- তাঁর জন্য সৌন্দর্য বর্ধন করা’ (ইবনু তায়মিয়াহ, হিজাবুল মারআহ ওয়া লিবাসুহা ফিছ ছালাহ, পৃঃ ৩; তামামুল মিন্নাহ, পৃঃ ১৬৪)।

উল্লেখ্য যে, তাছাড়া ছালাত হোক বা ছালাতের বাইরে হোক মাথা ঢেকে রাখা মুসলিমদের জন্য সৌন্দর্যের প্রতীক (সিলসিলা যঈফাহ হা/২৫৩৮-এর শেষ আলোচনা দ্রঃ)। তবে ইহরাম বাঁধা অবস্থায় পুরুষদের মাথা উন্মুক্ত করে ছালাত আদায় করতে হয়। কেননা ইহরাম অবস্থায় পুরুষদের জন্য মাথা ঢাকা নিষিদ্ধ। তাই কোন ক্ষেত্রে টুপি ছাড়াই কেউ ছালাত আদায় করলে সমস্যা নেই (শায়খ ইবনু বায, মাজমূঊ ফাতাওয়া,  প্রশ্ন নং-৩৯৯০)।


প্রশ্নকারী : মীযানুর রহমান, বাগমারা, রাজশাহী।





প্রশ্ন (১৫) : ঈসা (আলাইহিস সালাম) যার ইমামতিতে ছালাত আদায় করবেন তিনিই কী ইমাম মাহাদী? ছহীহ বুখারী ও মুসলিমের হাদীছে তাকে ‘মুসলিমদের নেতা’ বলা হয়েছে, ‘মাহাদী’ বলা হয়নি। তার নাম কি কোন হাদীছে এসেছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : একই পশুতে কুরবানী ও আক্বীক্বার নিয়ত করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : যিলহজ্জ মাসের প্রতিটি দিনের ছিয়াম এক বছরের ছিয়ামের সমতুল্য। এর প্রতিটি রাতের ইবাদত লায়লাতুল ক্বদরের ইবাদতের সমতুল্য। হাদীছটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : জানাযার ছালাতের ক্ষেত্রে ওযূ করতে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : প্রবাসে অবৈধভাবে বসবাসকারী অনেকে ঋণগ্রস্ত অবস্থায় আছে, যাদের দেশে এসে জীবন ধারণের কোন ব্যবস্থা নেই। তাদের ক্ষেত্রে অবৈধভাবে প্রবাসে থেকে অর্থ উপার্জন করা কি হালাল হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০): ইসলামের পথ থেকে দূরে থাকার কারণে বিগত বছরগুলোতে আমি যাকাত আদায় করিনি। আলহামদুলিল্লাহ্, গত বছর থেকে আমি ইসলামে ফিরে এসেছি। এখন আমি তাওবাহ্ করেছি। আমার তাওবার কারণে কি আমি যাকাত আদায় করা থেকে অব্যাহতি পাবো? যদি অব্যাহতি না পায় তাহলে সমাধান কী? বিগত বছরগুলোর যাকাত আমি কিভাবে আদায় করব? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : স্বভাবে অভ্যস্ত হয়ে পড়ার সমস্যা সমাধান করার কোন উপায় আছে কি? অর্থাৎ আমি যখন নির্দিষ্ট কোন সূরা খুব খুশুর (মনোযোগের) সাথে পড়ি কিছুদিন গত হওয়ার পর আমি অনুভব করি যে, আমার সেই খুশু দুর্বল হয়ে গেছে। যেন আমার অন্তর অর্থ বুঝা ও অনুবাধন করার বিষয়ে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে এবং এটাকেই যথেষ্ট হিসাবে গ্রহণ করেছে। অনুরূপ অবস্থা অন্য দু‘আগুলো পড়ার ক্ষেত্রেও ঘটে। এর কোন সমাধান আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : জনৈক বক্তা বলেন, বাক্বী গোরস্থানে কবর দেয়া হয়েছে এমন সত্তর হাজার মানুষ বিনা হিসাবে জান্নাতে প্রবেশ করবে, যাদের মুখমণ্ডল হবে পূর্ণিমা চাঁদের মত। উক্ত বক্তব্য সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : জনৈক ব্যক্তির জীবনে রাশি রাশি পাপে ভরপুর। বর্তমানে সে এক জটিল রোগে আক্রান্ত। চিকিৎসা নেয়ার বহু চেষ্টা করেও কোন লাভ হয়নি। ডাক্তার বলেছেন, এই রোগের কোন চিকিৎসা নেই। এ পর্যায়ে এসে তিনি অত্যন্ত অনুতপ্ত এবং গুনাহ থেকে তওবা করতে ইচ্ছুক। এমন ব্যক্তির তওবা শুদ্ধ হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : এক রাকা‘আত বিতর পড়লে তাহাজ্জুদ ছালাত সর্বনিম্ন দুই রাকা‘আত পড়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : দু‘আ কুনূত পড়ার সময় হাত তুলা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : জনৈক আলেম বলেন, কুরবানী দিতে অক্ষম ব্যক্তিগণ কুরবানীর খালেছ নিয়তে যিলহজ্জ মাসের চাঁদ ওঠার পর নখ ও চুল না কাটলে সে আল্লাহর নিকটে তা পূর্ণাঙ্গ কুরবানী হিসাবে গৃহীত হবে। তিনি দলীল হিসাবে মিশকাত হা/১৪৭৯ পেশ করেছেন। সেই সাথে এটাও বলেছেন যে, শু‘আইব আরনাঊত্ব (রাহিমাহুল্লাহ) অত্র হাদীছটিকে হাসান বলেছেন। তবে শায়খ নাছিরুদ্দীন আলবানী (রাহিমাহুল্লাহ) অত্র হাদীছটিকে যঈফ বলেছেন। এখন আমরা দুই শায়খের মধ্যে কার তাহক্বীক্বকে প্রাধান্য দিব? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ